ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫০ ডিগ্রি তাপে পুড়ছে সাহারা, প্রাণ যাচ্ছে উটের


৫০ ডিগ্রি তাপে পুড়ছে সাহারা, প্রাণ যাচ্ছে উটের

‘মরুভূমির জাহাজ’ খ্যাত উট এখন তীব্র তাপমাত্রার কাছে হার মানছে। উত্তর আফ্রিকা ও হর্ন অব আফ্রিকায় চরম তাপপ্রবাহের কারণে উটের মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে। যদিও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উটগুলি অনায়াসে সহ্য করতে পারে, বর্তমানে সাহারার অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ার ফলে এই প্রাণীগুলি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে।

ইথিওপিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আফার অঞ্চলে বিশ্বের অন্যতম উষ্ণ স্থান হিসেবে পরিচিত। এখানকার সেমেরা অঞ্চলের উট পালনকারী আলী উমর (৪০) বিবিসিকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর উটগুলোকে চরম যন্ত্রণায় ভুগতে দেখতে পাচ্ছেন। প্রায় ৫০০ উটের মালিক উমর বলেন, তীব্র গরমে উটগুলোর পায়ে ফোসকা পড়ছে, এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। বালির প্রচণ্ড উত্তাপে বসার সময় তাদের চামড়া পুড়ে যাচ্ছে এবং লোম ঝরে যাচ্ছে। গত এক মাসের মধ্যে গরমের কারণে তাঁর আটটি উটের বাছুরের মৃত্যু হয়েছে।

শুধু ইথিওপিয়ায় নয়, অন্যান্য দেশ যেমন সোমালিয়া ও কেনিয়াতেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। কেনিয়ার মারসাবিট কাউন্টির পশুচিকিৎসক হাসান নুয়া গুইয়ো জানিয়েছেন, গত দুই বছরে ওই অঞ্চলে গরমের কারণে উটের মৃত্যু ১৫ শতাংশ বেড়েছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার ফলে উটগুলো হাইপারথার্মিয়াসহ বিভিন্ন সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ বেঙ্গুমি জানান, সাহারার অনেক স্থানে বর্তমানে তাপমাত্রা প্রায় ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রার এই বেড়ে যাওয়ার ফলে উটের শারীরিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আলজেরিয়ার ঘারদাইয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদেলমাজিদ চেহমা বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে ৪১ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা তাদের কোষগুলোকে সরাসরি আক্রমণ করে। এই চাপের ফলে উটের শ্বেত রক্তকণিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কোষগুলো নিজেকে মেরামত করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়ে যায়। এর ফলে বিপাক প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং অবসাদ ভর করে।

তীব্র দাবদাহের কারণে ইথিওপিয়ার খামারিরা বাধ্য হয়ে দক্ষিণের দিকে সরে যাচ্ছেন। উট পালনকারী আলী উমর এখন বড় উটগুলোকেও হারানোর আতঙ্কে আছেন। অধ্যাপক চেহমা বলেছেন, উট মরুভূমির মানুষের টিকে থাকার শেষ অবলম্বন। কিন্তু বর্তমান তীব্র তাপপ্রবাহ তাদের শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, ফলে এই প্রাণীটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ শিকার হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবুগঞ্জে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


বাবুগঞ্জে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের রহমতপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে দুটি ওষুধের দোকানকে মোট ৪ হাজার টাকা আর্থিক দণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, এ অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং মৎস্য খাদ্য ও পশু খাদ্য আইন-এর আওতায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়। প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি এবং লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ থাকা, এই দুই অপরাধের জন্যই এই দুটি ফার্মেসিকে মোট ৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, জনস্বার্থে ও নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাজার তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কোনো ফার্মেসি যদি প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি করে অথবা লাইসেন্স সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘন করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে পেটালেন ভারতীয় চিকিৎসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


বাংলাদেশি দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে পেটালেন ভারতীয় চিকিৎসক

ভারতের বেঙ্গালুরুতে স্থানীয় এক চিকিৎসক দ্বারা মারধরের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশি এক দম্পতি। এই ঘটনায় স্থানীয় সাই ক্লিনিকের চিকিৎসক ড. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে, তিনি আদালতে হাজির হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে গেছেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এ ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, হামলার শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশি দম্পতি নাসরিনা বিলাল এবং তার স্বামী মোহাম্মদ বিলাল। তারা বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ডের কাছাকাছি বেত্তাদাসাপুরা এলাকায় বসবাস করছেন। তাদের ওপর এই হামলা তখন ঘটে, যখন চিকিৎসক নাগেন্দ্র সকালে রাস্তায় হঠাৎ তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেন এবং কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলা করেন। নাসরিনা বিলাল অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ মামলা রুজু করে এবং ডা. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে।

নিজের অভিযোগে নাসরিনা জানান, চিকিৎসক তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে মারধর করার পূর্বে তাদের বাংলাদেশি জাতীয়তা নিয়ে গালিগালাজ করেন। এরপর ডা. নাগেন্দ্র বিলালের মাথায় এবং পিঠে বারবার আঘাত করেন। তিনি বিলালকে মাটিতে ফেলে বেশ কয়েকটি লাথিও মারেন। কিছুই বললে মেরে ফেলার হুমকিও দেন ডা. নাগেন্দ্র।

জিজ্ঞাসাবাদের সময় চিকিৎসক নাগেন্দ্র বলেন যে, ওই এলাকায় অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের বসবাসের কারণে তিনি সন্দেহবশত দম্পতিকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ মনে করেছিলেন।

পুলিশ এ বিষয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, নাগরিকত্ব বা অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়ে সন্দেহ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত। কাউকে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া কিংবা শারীরিক আক্রমণে যাওয়া উচিত নয়। বর্তমানে ওই বাংলাদেশি দম্পতির ভারতে প্রবেশের কাগজপত্র এবং অভিবাসন সংক্রান্ত আইনি অবস্থার যাচাই করার জন্য তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রুসেলোসিসে গাভীর দুধের উৎপাদন কমছে, বছরে আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি: বাকৃবির গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


ব্রুসেলোসিসে গাভীর দুধের উৎপাদন কমছে, বছরে আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি: বাকৃবির গবেষণা

বাংলাদেশের দুগ্ধ খাতে ব্রুসেলোসিস এক নীরব কিন্তু বৃহৎ অর্থনৈতিক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত দুগ্ধবতী গাভীর দৈনিক গড়ে প্রায় এক লিটার দুধ উৎপাদন কমতে থাকে। প্রায় ২ হাজার ৭০০ গাভীর ওপর পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এর ফলস্বরূপ খামারিরা প্রতিবছর প্রায় আড়াই কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একটি গবেষক দল দুই বছর ধরে এই গবেষণা পরিচালনা করেছেন।

সরকারের লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এলডিডিপি)-এর অর্থায়ন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতা নিয়ে এই গবেষণাটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী অ্যানিমেল ডিজিজ-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষক দল ইউএনবিকে জানিয়েছেন, খামারিরা সাধারণত গাভীর গর্ভপাত হলে ব্রুসেলোসিসের বিষয়ে চিন্তা করেন। তবে লক্ষণহীন সুপ্ত সংক্রমণ থাকলেও গাভী প্রতি দৈনিক গড়ে প্রায় আধা লিটার এবং সক্রিয় সংক্রমণে প্রায় একটি লিটার বা তারও বেশি দুধ উৎপাদন কমতে পারে। ফলে খামারিরা সচেতন না হয়ে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।

গবেষকরা সুপারিশ করেন যে, খামারে গর্ভপাত, গর্ভফুল আটকে যাওয়া, গাভী গরম না হওয়া অথবা বারবার প্রজননে ব্যর্থতা দেখা দিলে দ্রুত ভেটেরিনারিয়ানদের পরামর্শ নিতে হবে এবং পরীক্ষা করাতে হবে।

গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বাকৃবির মেডিসিন বিভাগের ল্যাবরেটরি অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিনের অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমান। গবেষক দলে ছিলেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও পিএইচডি গবেষক ডা. মো. শফিউল আলম, মাস্টার্স শিক্ষার্থী মো. নাজমুল ইসলাম লিজান, বিশ্ব জ্যোতি অধিকারী, শান্তা ইসলাম, আর এস মাহমুদ হাসান এবং মিল্কভিটার ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও পিএইচডি গবেষক মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান।

অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমান বলেন, সক্রিয় ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত একটি গাভী সুস্থ গাভীর তুলনায় দৈনিক গড়ে ১ দশমিক ০১ লিটার এবং সুপ্ত সংক্রমণে আক্রান্ত গাভী ০ দশমিক ৫৩ লিটার কম দুধ উৎপন্ন করে।

গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি জানান, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রধান দুধ উৎপাদনকারী অঞ্চলের ১৭টি বড় বাণিজ্যিক খামারের ২ হাজার ৬৯৬টি দুগ্ধবতী গাভীর তথ্য ও দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আধুনিক ল্যাব পরীক্ষার পাশাপাশি ‘বায়েসিয়ান মিক্সড-ইফেক্টস মাল্টিনোমিয়াল রিগ্রেশন’ পদ্ধতি মাধ্যমে গাভীগুলোকে সুস্থ, সুপ্ত সংক্রমণ এবং সক্রিয় ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত—এ তিন শ্রেনিতে ভাগ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সাধারণত ব্রুসেলোসিসকে শুধুমাত্র ‘সুস্থ’ বা ‘আক্রান্ত’—এই দুটি মাত্রায় বিবেচনা করা হলেও এই গবেষণায় প্রথমবারের মতো সুপ্ত সংক্রমণকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যদিও বাইর থেকে সুস্থ মনে হচ্ছে, তবুও এ ধরনের গাভীর দুধ উৎপাদন কমে যায় এবং ভবিষ্যতে রোগটি সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

রোগ শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক গাণিতিক বিশ্লেষণে বাকৃবির গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন গ্রিসের থেসালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ লেফটেরিস মেলেটিস ও পলিক্রোনিস কস্তুলাস।

গবেষণার অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড় বাণিজ্যিক ডেইরি খামারগুলিতে শুধু ব্রুসেলোসিসের কারণে বছরে গড়ে প্রায় ২ কোটি ৪১ লক্ষ টাকার ক্ষতি হতে পারে, যার বড় অংশই দুধ উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে হয়।

ক্ষতি কমানোর উপায় সম্পর্কে অধ্যাপক আনিসুর রহমান বলেন, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে পরিকল্পিত গণটিকাদানকে সবচেয়ে লাভজনক পদ্ধতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে প্রতি ১ টাকার বিনিয়োগে গড়ে ৮ টাকা ১৪ পয়সা পর্যন্ত ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। তবে আক্রান্ত গরু শনাক্ত করে খামার থেকে বাদ দেওয়ার পদ্ধতি সরকারি ভর্তুকি ছাড়া সাধারণ খামারিদের জন্য ব্যয়বহুল।

গবেষক দলের সদস্য ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শফিউল আলম বলেন, ব্রুসেলোসিস মানুষের জন্যও একটি বিপজ্জনক জুনোটিক রোগ। আক্রান্ত গরুর কাঁচা দুধ পান করা বা সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শে এসে মানুষও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ব্রুসেলোসিস নিয়ন্ত্রণের জন্য উচ্চ ঝুঁকির গাভী দ্রুত শনাক্তকরণ, নিয়মিত রোগ নজরদারি, প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং বড় খামারের পাশাপাশি ছোট খামারগুলোতে এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


সুনামগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সুনামগঞ্জে একটি শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন সন্তানের জনক সাইফুল হককে স্থানীয় লোকজন গণধোলাই দেন।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ সাইফুল হককে আটক করেন।

আটককৃত যুবকের নাম সাইফুল হক (২৫), তিনি সুনামগঞ্জ শহরের নতুনহাছন নগরে বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সাইফুল হক বিবাহিত এবং তার তিন সন্তান রয়েছে। রবিবার দুপুরে, সাইফুল ওই শিশু শিক্ষার্থীকে প্রতিবেশী হিসেবে তার নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে।

শিশুটির কান্না ও চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সাইফুল হক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় গ্রামের লোকজন তাকে ধরে গণধোলাই দেয় এবং ঘটনাটি থানায় জানায়।

পরে পুলিশ সাইফুল হককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। অন্যদিকে, ধর্ষণের শিকার ওই শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, প্রতিবেশী এক শিশুকে ধর্ষণ করার অভিযোগে সাইফুল হককে গ্রামের লোকজন আটক রেখে মারধর করে এবং পুলিশকে খবর দেয়।

পরে তাকে আটক করে থানায় আনা হয়। আহত শিশুটিকে তার পরিবারের লোকজন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আটককৃত সাইফুলের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আগামীকাল সোমবার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%