১২:৩৩ পি.এম
যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ইসরাইলি হামলা থামছে না। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নুসেইরাত শরণার্থী শিবির ও খান ইউনিসে ভিন্ন ভিন্ন ড্রোন হামলা চালিয়েছে দখলদাররা। চলমান হামলার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত চার জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। এছাড়াও, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অভিযানে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গাজায় কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে এবং দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আলাদা ড্রোন হামলার ফলে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ। এদিকে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেশ কিছু ফিলিস্তিনির প্রাণহানির সংবাদ পাওয়া গেছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজারের বেশি ছাড়িয়েছে। আহত এক লাখ ৭৩ হাজারের অধিক হয়েছে। গেল বছরের অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনের বক্তব্য রয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এদিকে, ধ্বংসস্তূপ সরানো গাজার পুনর্গঠনের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাজা সিটির মেয়র রুশদি আল-সাররাজ জানিয়েছেন, পুরো উপত্যকাজুড়ে প্রায় ৬ কোটি ৮০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে আছে।
সড়ক সচল করা গেলেও আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সরকারি ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আরও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সিলওয়ান এলাকায় ফিলিস্তিনি তরুণদের ওপর হামলা করা হয়েছে এবং গ্রেফতারও হয়েছে। একই এলাকায় একটি নরসুন্দর দোকান ও একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এছাড়াও, জেরুজালেমের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মিখমাসে স্থানীয় কাউন্সিল ভবন দখল করে সেখানে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন