ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্লাবিত চট্টগ্রামে দুর্গতদের পাশে প্রশাসন


প্লাবিত চট্টগ্রামে দুর্গতদের পাশে প্রশাসন

টানা বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলায় অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা।

সাতকানিয়ায় প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে এবং বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকা।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বাসসকে জানিয়েছেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে, সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। সেখানে উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দী হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় এবং থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

গত বুধবার রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনও পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ছনুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ সব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘর ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়ায় রান্নাবান্না হচ্ছে না। ফলে খাবারের জন্য মানুষ কষ্ট পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, বাঁশখালীর বন্যা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল ইতোমধ্যেই বৈলছড়ি এলাকা থেকে একটি পরিবারের সাত সদস্যকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরাণীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনও পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা এবং আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এসআরবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, পুলিশ উদ্ধার অভিযান

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান এবং ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোসলে নেমে নিখোঁজ, তিন দিন পর উদ্ধার হলো পর্যটকের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


গোসলে নেমে নিখোঁজ, তিন দিন পর উদ্ধার হলো পর্যটকের মরদেহ

বরগুনার তালতলীর শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের তিনদিন পর পর্যটক আসাদুলের (১৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সমুদ্র সৈকতের প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিদ্রারচর সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্র তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে আসাদুল চার বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে আসেন। তারপর তাদের মধ্যে পাঁচজন উত্তাল সমুদ্রে গোসল করতে নামেন, কিন্তু পরক্ষণে স্রোত তাদের সবকেই ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পরে ঘটনার সময় চারজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আসাদুল নিখোঁজ হন। পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিলেও আসাদুলের কোনো সন্ধান পাওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘটনার তিনদিন পর শুক্রবার সকালে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে নিদ্রারচর সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্র তীরে স্থানীয় বাসিন্দারা একটি অর্ধগলিত মরদেহ খুঁজে পান। যখন বিষয়টি তালতলী থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশকে জানানো হয়, তখন মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উপস্থিত স্বজনরা মরদেহের গায়ে থাকা টিশার্ট দেখে নিখোঁজ পর্যটক আসাদুলকে শনাক্ত করেন। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। উপস্থিত স্বজনরা মরদেহ এবং মরদেহের গায়ে থাকা টি-শার্ট দেখে নিখোঁজ আসাদুলকে শনাক্ত করেছেন। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া শেষ করার পর মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আত্মঘাতী হামলায় কেঁপে উঠল পিপিপি নেতার বাড়ি, নিহত ১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


আত্মঘাতী হামলায় কেঁপে উঠল পিপিপি নেতার বাড়ি, নিহত ১৭

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের খুজদার শহরে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা ও ঝালাওয়ান প্যানেলের সভাপতি শফিকুর রহমান মেঙ্গালের বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়াও, এই ঘটনায় প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। তবে, হামলায় অক্ষত রয়েছেন শফিকুর রহমান মেঙ্গাল।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে খুজদার শহরের শাহজাদ টাউন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে এক আত্মঘাতী হামলাকারী মেঙ্গালের বাড়ির প্রধান ফটকে আঘাত হানে। ফলে ফটক, সীমানা প্রাচীর ও ভবনের বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। প্রথম বিস্ফোরণের পর আরও কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দে শহরের ভিতর কেঁপে ওঠে। আশপাশের আরও অনেক ভবনের দরজা-জানালার কাচ ভেঙে গেছে।

হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী ও হামলাকারীদের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গোলাগুলি চলে। এই সময় রকেট লঞ্চার, গ্রেনেড ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে মেঙ্গালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যরাও রয়েছেন। তবে বন্দুকযুদ্ধে পাঁচ হামলাকারী নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন আত্মঘাতী হামলাকারীও ছিল।

ঝালাওয়ান প্যানেলের মুখপাত্র ও সাধারণ সম্পাদক নাদিমুর রহমান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিস্ফোরণ ও পরবর্তী গোলাগুলিতে এক ডজনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘শফিক মেঙ্গাল হামলায় অক্ষত রয়েছেন এবং নিরাপদে আছেন। তবে, বিস্ফোরণ ও গোলাগুলিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।’

পুলিশ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী আত্মঘাতী হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছে। আহতদের খুজদার টিচিং হাসপাতাল ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার পর দুই হাসপাতালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্র: দ্য ডন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে স্ট্যান্ডবাজির রাজনীতি চলবে না : প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে স্ট্যান্ডবাজির রাজনীতি চলবে না : প্রতিমন্ত্রী

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আজ বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে চলেছে এবং বর্তমান সরকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে সংসদে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয় নিয়ে বক্তব্যও দিয়েছেন। এমন অবস্থায় তিনি অভিযোগ করেছেন যে একটি দল শুধু ‘স্ট্যান্ডবাজির’ রাজনীতি করছে, কেবল কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য।

শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ পৌরসভার দোসীমানা এলাকায় ‘পঞ্চগড় গেট’র ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এই কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, যারা এই মুহূর্তে স্ট্যান্ডবাজি করছে, তাদের এই রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ আর পছন্দ করছেন না। তিনি বলেন, বিএনপি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বে দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যানও লন্ডন থেকে এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি যখন তিস্তা নিয়ে আন্দোলন শুরু করে, তখন যারা আজ এ বিষয়ে আলোচনা করছেন, তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না। তিস্তা নিয়ে তাদের কোনো পরিকল্পনা বা অবস্থানও ছিল না। খুব শীঘ্রই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে এবং এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

সম্প্রতি ঘোষিত জাতীয় বাজেট সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর বাজেট পাস হওয়ার পর চাল, ডাল, সয়াবিন তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এ বছর সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

পঞ্চগড় গেট নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে এবং স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপত্রে এই গেট নির্মাণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন কুমার সরকার, দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা, দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, নীলফামারীর ডোমার উপজেলা থেকে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় প্রবেশপথের দোসীমানা এলাকায় ‘পঞ্চগড় গেট’ নির্মাণ করা হচ্ছে। জেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মিডল্যান্ড কনস্ট্রাকশন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতাল হয়ে যাত্রীবাহী বাসে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


মাতাল হয়ে যাত্রীবাহী বাসে হামলা

রাজধানী দিল্লিতে যাত্রীবাহী একটি ডিটিসি (দিল্লি ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন) বাসের জীবনে ঘটে যাওয়া একটি নাটকীয় ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। ভিডিওতে দেখা গেছে যে, এক মদ্যপ যুবক চলন্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসের সামনে এসে হট্টগোল শুরু করেছেন এবং বাসের দরজায় অবিরাম ঘুষি ও লাথি মারছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, যাত্রা চলার সময় বাসটি ধীরগতিতে চলছিল এবং ওই যুবক আচমকা বাসের সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়। পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে বাসটি কিছু সময়ের জন্য থামানো হয়েছে এবং তখন কয়েকজন যাত্রী নিচে নেমে যান। কিন্তু তাও থেমে না থেকে মদ্যপ যুবক বাসের দরজায় লাথি ও ঘুষি মারতে থাকেন। ঘটনাস্থলে উৎসুক পথচারীদের ভিড় জমা হয়ে যায়।

একপর্যায়ে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বাসচালক আসন ছেড়ে দ্রুত দরজার কাছে এসে ওই যুবকের মোকাবিলা করেন। এরপর তিনি রাগের মাথায় যুবকের বুকে একটি জোরালো লাথি মারেন। আঘাতের কারণে যুবকটি রাস্তার ওপর ছিটকে পড়ে যান। পুরো ঘটনার ভিডিওটি উপস্থিত একজনের মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে ‘ঘর কা কলেশ’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে। ভিডিওটি ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং এতে হাজারো লাইক, শেয়ার ও মন্তব্য জমা পড়েছে।

ভিডিওটি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে দৃশ্যমান মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বাসচালকের ধৈর্যচ্যুতি বুঝতে পেরে তার পক্ষ নিয়েছেন, আবার কেউ মনে করছেন যে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত হয়নি। একজন মন্তব্য করেছেন, দিল্লির গণপরিবহনে প্রতিদিন যেন নতুন নাটক ঘটনা ঘটে। আরেকজন লিখেছেন, মদ্যপের এমন আচরণের কড়া জবাব পেয়েছেন।

তবে ভিডিওটির সময়, স্থান এবং ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%