ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা ইরানের উপকূলীয় সামরিক স্থাপনায়


যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা ইরানের উপকূলীয় সামরিক স্থাপনায়

যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরানে।此次 লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের মতো সামরিক স্থাপনা। মার্কিন সেনাবাহিনী এমনটাই জানিয়েছে। খবর এসেছে আনাদোলু এজেন্সির সহযোগিতায়।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তীব্র লড়াই চলছে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে। এই লড়াইয়ে প্রতিদিন পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। এতে ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটছে এবং হতাহতদের সংখ্যাও বাড়ছে।

মার্কিন হামলাগুলো মূলত হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী দক্ষিণ ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে। অপরদিকে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্যমাত্রা করে হামলা চালাচ্ছে। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের নির্দেশনা না মানা জাহাজগুলোর ওপরও হামলা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

আজ বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা ইরানের গ্রেটার টুনব দ্বীপে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র-সংক্রান্ত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করেছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করা।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানায়, হামলাটি শুরু হয় স্থানীয় সকাল ৬টা থেকে এবং এটি প্রায় ৯০ মিনিট ধরে চলে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে হামলাটি শেষ হয়।

সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, এই অভিযানের সময় অত্যন্ত নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে গ্রেটার টুনব দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সংরক্ষণাগার এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব হামলার ফলে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও কমে গেছে। তবে, এ হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওরিয়েন্টেশনের দিনেই নবীন শিক্ষার্থীরা যবিপ্রবির বঞ্চনার শিকার!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২০ পি.এম


ওরিয়েন্টেশনের দিনেই নবীন শিক্ষার্থীরা যবিপ্রবির বঞ্চনার শিকার!

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের হাতে পরিচিতিমূলক বই 'একাডেমিক ক্যালেন্ডার' তুলে দিতে পারেনি।

এ অবস্থায়, একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন কমিটির প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলছেন। মূলত, এই একাডেমিক ক্যালেন্ডার থেকে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার বিষয়ের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দপ্তর সম্পর্কে পরিচিতি এবং নীতিমালা জানতে পারে।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়া সত্ত্বেও, সাধারণভাবে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন, একাডেমিক কার্যক্রম, ক্যাম্পাস এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে পরিচিতি দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।

এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক সূচি, বিভাগ ও অনুষদের পরিচিতি, প্রশাসনিক কাঠামো, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ পৃষ্ঠার একটি বই দেওয়া হয়ে থাকে, যা 'একাডেমিক ক্যালেন্ডার' নামে পরিচিত। কিন্তু এবারের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের হাতে সেই ক্যালেন্ডার তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য।

রসায়ন বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুনিয়া খাতুন মন্তব্য করেছেন, 'একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার মনে হয়, একাডেমিক ক্যালেন্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল। এটি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন, একাডেমিক কার্যক্রম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ওরিয়েন্টেশনের দিনেও আমাদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার তুলে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি দায়িত্বহীনতার পরিচয় বহন করে।'

যবিপ্রবির একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন কমিটির সদস্যসচিব নিত্যানন্দ পাল জানান, একাডেমিক ক্যালেন্ডার ছাপানোর আগে সেটি একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিতে হয়। কাউন্সিলে যদি কোনো ভুল বা সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তখন তা ঠিক করে দেওয়া হয়। এবারের একাডেমিক ক্যালেন্ডারটি মাত্র দুই দিন আগে একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদিত হয়েছে। তাই এখনো ছাপানোর কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, 'খুব দ্রুতই শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার পৌঁছে দেওয়া হবে।'

একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদন পেতে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে নিত্যানন্দ পাল বলেন, 'একাডেমিক কাউন্সিল কবে অনুষ্ঠিত হবে, সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিষয়। এ বিষয়ে আমাদের কোনো ভূমিকা নেই।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবিরসহ ৯ ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ ছাড়লেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৫ পি.এম


চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবিরসহ ৯ ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ ছাড়লেন

মাদারীপুর সদর উপজেলার কু‌নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমিত হোসেন ক‌বির আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন।

অবশ্য, তার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য এবং শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থকও দল থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি আওয়ামী লীগের সব ধর‌ণের পদ থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

একই সঙ্গে, এসময় উপস্থিত থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ওয়ার্ড মেম্বার আমির হোসেন, মো. পা‌য়েল বেপারী, মো. রুহুল হাওলাদার, মো. মিল্টন মিয়া, মো. র‌ফিকুল হাওলাদার, মো. রিন্টু, মো. জ‌সিম, মো. হুমায়ুন কাজী এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোসা. হাওয়া বেগম। এক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা সমর্থন প্রদান করেন।

আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়ে অমিত হো‌সেন ক‌বির বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। আওয়ামী লীগের সঙ্গে এখন থে‌কে কোনো প‌দে আর নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে কোনো লাভ নেই। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি এবং তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। তারা আমাকে ভালোবেসে দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। তাই আজ থেকে আওয়ামী লীগের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ৯ জন মেম্বারও আজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচ্ছেদের কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


বিচ্ছেদের কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক

চারপাশে তাকালে সহজেই কিছু সম্পর্কের বিচ্ছেদ দেখা যায়। এমনকি অনেক সময় আমরা সেসব বিচ্ছেদের সাক্ষীও হয়ে থাকি।

হতে পারে তা প্রেমের সম্পর্ক কিংবা বৈবাহিক সম্পর্ক। বিচ্ছেদ, প্রতারণার শিকার বা প্রিয়জনকে হারানোর ব্যথা কেবল একজন মানুষকে মানসিক কষ্টই দেয় না, বরং শারীরিক কষ্টও দেয়। গত দুই দশকে প্রকাশিত গবেষণাগুলো থেকে দেখা গেছে―তীব্র আবেগীয় আঘাত মানুষের হরমোন, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।

চীনের নিংশিয়া মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস গ্র্যাজুয়েট ও মানসিক স্বাস্থ্য গবেষক ডা. প্রিন্স ঘোষ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উটাহর মনোবিজ্ঞানী ড. লিসা এম. ডায়মন্ড, এঞ্জেলা এম. হিক্স ও কিমবার্লি ডি. ওত্তার-হেন্ডারসন ২০০৮ সালে ৪২টি দম্পতির ওপর ২১ দিন একটি গবেষণা করেন, যা পরবর্তীতে জার্নাল অব পার্সোনালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজিতে প্রকাশিত হয়।

এ মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, কয়েক দিনের বিচ্ছেদেই শরীরে কর্টিসল অর্থাৎ স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এর ফলে ঘুমের সমস্যা, উদ্বেগ, ক্লান্তি এবং আরও বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। গবেষকদের মতে, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে মানুষের মস্তিষ্ক নিরাপত্তার উৎস হিসেবে দেখে থাকে। কিন্তু সেটা হঠাৎ হারিয়ে গেলে শরীরে হাইপোথ্যালামিক-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল এক্সিস সক্রিয় হয়ে স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়া বেড়ে যায়।

ডা. প্রিন্স ঘোষ বলেন, আমরা প্রায়ই আমাদের আশপাশের কারও বিচ্ছেদ হলে তাকে বিভিন্ন কথা বলে সান্ত্বনা দিতে চাই এবং এই কষ্টকে তুচ্ছ হিসেবে দেখতে বলি। তবে এই কষ্ট যে তুচ্ছ নয়, তারও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের মনোবিজ্ঞানী ড. ইথান ক্রস প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসে প্রকাশিত তার গবেষণাপত্রে দেখান, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার স্মৃতি মনে করলে মস্তিষ্কের যে অংশ শারীরিক ব্যথা অনুভবের সময় সক্রিয় হয়, অর্থাৎ মস্তিষ্কের সামনের সিংগুলেট কর্টেক্সের উপরের অংশ এবং মস্তিষ্কের সামনের ইনসুলা অঞ্চল সক্রিয় হয়।

২০২৪ সালে সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত একটি বৃহৎ মেটা-অ্যানালাইসিসে ৯৪টি গবেষণাপত্র ও প্রায় ১৩ দশমিক ৮ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেন, সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর কিছু মানুষের মধ্যে হৃদরোগ, শারীরিক অসুস্থতা এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে।

বিচ্ছেদের সবচেয়ে গুরুতর তবে বিরল শারীরিক জটিলতা হলো ‘টাকোৎসুবো সিনড্রোম’ বা ‘ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম’।

এই জটিলতার কারণে হৃদযন্ত্রের বাম নিলয় সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে বুকব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শুধু তা-ই নয়, ইসিজিতে এমন পরিবর্তন দেখা যায়, যা কিনা হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে মিলে যায় বলে জানান এ মানসিক স্বাস্থ্য গবেষক।
ডা. প্রিন্স ঘোষ জানান, ২০১৬ থেকে ২০২০ সালে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯০ জন রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনা সারভার হার্ট সেন্টারের ড. মোহাম্মদ রেজা মোভাহেদ ও তার সহকর্মীরা একটি গবেষণা করেন, যা ২০২৫ সালে জার্নাল অব দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন-এ প্রকাশিত হয়। গবেষণায় দেখা যায়, রোগীদের ৮৩ শতাংশ নারী হলেও পুরুষদের মৃত্যুহার প্রায় ১১ দশমিক ২ শতাংশ, যা নারীদের (৫ দশমিক ৫ শতাংশ) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সামগ্রিক মৃত্যুহার ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। অধিকাংশ রোগী চিকিৎসায় সুস্থ হলেও এ রোগে কার্ডিওজেনিক শক, হার্ট ফেইলিউর, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এবং স্ট্রোকের মতো গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এ চিকিৎসক বলেন, বিচ্ছেদের পর শুধু মানসিক নয়, শারীরিকভাবেও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সময়মত চিকিৎসা, পরিবার, বন্ধুবান্ধবের সহায়তা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনেক ক্ষেত্রেই গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে রাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে রাবি

মাতৃত্বকালীন সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নারী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়ার একটি সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েছে।

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীরা ৪০ শতাংশ উপস্থিত থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় এ সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাকসু'র মহিলা বিভাগের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ২৬৯তম সভায় প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হলে তা সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়ে যায়।

চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এ সুপারিশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের আগামি সভায় উপস্থাপন করা হবে।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান জানান, মাতৃত্বকালীন সময়ে উপস্থিতির হার কমানোর সম্পর্কে পূর্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আজকের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এটি পাশ হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে।

জানতে চাইলে রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাইয়্যিদা হাফসা বলেন, আমরা মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ দাবি করেছিলাম। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সে কমিটিতে আমি সদস্য হিসেবে ছিলাম। প্রথমে ৫০% ক্লাসে উপস্থিত থাকলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে আরেকটি মিটিংয়ে কমিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করি, পরে ৪০% এ সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%