ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবিরসহ ৯ ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ ছাড়লেন


চেয়ারম্যান অমিত হোসেন কবিরসহ ৯ ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ ছাড়লেন

মাদারীপুর সদর উপজেলার কু‌নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমিত হোসেন ক‌বির আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন।

অবশ্য, তার সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন সদস্য এবং শতাধিক নেতাকর্মী-সমর্থকও দল থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে চেয়ারম্যানের নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি আওয়ামী লীগের সব ধর‌ণের পদ থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

একই সঙ্গে, এসময় উপস্থিত থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ওয়ার্ড মেম্বার আমির হোসেন, মো. পা‌য়েল বেপারী, মো. রুহুল হাওলাদার, মো. মিল্টন মিয়া, মো. র‌ফিকুল হাওলাদার, মো. রিন্টু, মো. জ‌সিম, মো. হুমায়ুন কাজী এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোসা. হাওয়া বেগম। এক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা সমর্থন প্রদান করেন।

আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়ে অমিত হো‌সেন ক‌বির বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। আওয়ামী লীগের সঙ্গে এখন থে‌কে কোনো প‌দে আর নেই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে কোনো লাভ নেই। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি এবং তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। তারা আমাকে ভালোবেসে দুবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। তাই আজ থেকে আওয়ামী লীগের পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ৯ জন মেম্বারও আজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচ্ছেদের কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


বিচ্ছেদের কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থেকে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক

চারপাশে তাকালে সহজেই কিছু সম্পর্কের বিচ্ছেদ দেখা যায়। এমনকি অনেক সময় আমরা সেসব বিচ্ছেদের সাক্ষীও হয়ে থাকি।

হতে পারে তা প্রেমের সম্পর্ক কিংবা বৈবাহিক সম্পর্ক। বিচ্ছেদ, প্রতারণার শিকার বা প্রিয়জনকে হারানোর ব্যথা কেবল একজন মানুষকে মানসিক কষ্টই দেয় না, বরং শারীরিক কষ্টও দেয়। গত দুই দশকে প্রকাশিত গবেষণাগুলো থেকে দেখা গেছে―তীব্র আবেগীয় আঘাত মানুষের হরমোন, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।

চীনের নিংশিয়া মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিবিএস গ্র্যাজুয়েট ও মানসিক স্বাস্থ্য গবেষক ডা. প্রিন্স ঘোষ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উটাহর মনোবিজ্ঞানী ড. লিসা এম. ডায়মন্ড, এঞ্জেলা এম. হিক্স ও কিমবার্লি ডি. ওত্তার-হেন্ডারসন ২০০৮ সালে ৪২টি দম্পতির ওপর ২১ দিন একটি গবেষণা করেন, যা পরবর্তীতে জার্নাল অব পার্সোনালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজিতে প্রকাশিত হয়।

এ মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, কয়েক দিনের বিচ্ছেদেই শরীরে কর্টিসল অর্থাৎ স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এর ফলে ঘুমের সমস্যা, উদ্বেগ, ক্লান্তি এবং আরও বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। গবেষকদের মতে, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে মানুষের মস্তিষ্ক নিরাপত্তার উৎস হিসেবে দেখে থাকে। কিন্তু সেটা হঠাৎ হারিয়ে গেলে শরীরে হাইপোথ্যালামিক-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল এক্সিস সক্রিয় হয়ে স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়া বেড়ে যায়।

ডা. প্রিন্স ঘোষ বলেন, আমরা প্রায়ই আমাদের আশপাশের কারও বিচ্ছেদ হলে তাকে বিভিন্ন কথা বলে সান্ত্বনা দিতে চাই এবং এই কষ্টকে তুচ্ছ হিসেবে দেখতে বলি। তবে এই কষ্ট যে তুচ্ছ নয়, তারও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের মনোবিজ্ঞানী ড. ইথান ক্রস প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসে প্রকাশিত তার গবেষণাপত্রে দেখান, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার স্মৃতি মনে করলে মস্তিষ্কের যে অংশ শারীরিক ব্যথা অনুভবের সময় সক্রিয় হয়, অর্থাৎ মস্তিষ্কের সামনের সিংগুলেট কর্টেক্সের উপরের অংশ এবং মস্তিষ্কের সামনের ইনসুলা অঞ্চল সক্রিয় হয়।

২০২৪ সালে সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত একটি বৃহৎ মেটা-অ্যানালাইসিসে ৯৪টি গবেষণাপত্র ও প্রায় ১৩ দশমিক ৮ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেন, সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর কিছু মানুষের মধ্যে হৃদরোগ, শারীরিক অসুস্থতা এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে।

বিচ্ছেদের সবচেয়ে গুরুতর তবে বিরল শারীরিক জটিলতা হলো ‘টাকোৎসুবো সিনড্রোম’ বা ‘ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম’।

এই জটিলতার কারণে হৃদযন্ত্রের বাম নিলয় সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে বুকব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শুধু তা-ই নয়, ইসিজিতে এমন পরিবর্তন দেখা যায়, যা কিনা হার্ট অ্যাটাকের সঙ্গে মিলে যায় বলে জানান এ মানসিক স্বাস্থ্য গবেষক।
ডা. প্রিন্স ঘোষ জানান, ২০১৬ থেকে ২০২০ সালে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯০ জন রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনা সারভার হার্ট সেন্টারের ড. মোহাম্মদ রেজা মোভাহেদ ও তার সহকর্মীরা একটি গবেষণা করেন, যা ২০২৫ সালে জার্নাল অব দ্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন-এ প্রকাশিত হয়। গবেষণায় দেখা যায়, রোগীদের ৮৩ শতাংশ নারী হলেও পুরুষদের মৃত্যুহার প্রায় ১১ দশমিক ২ শতাংশ, যা নারীদের (৫ দশমিক ৫ শতাংশ) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সামগ্রিক মৃত্যুহার ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। অধিকাংশ রোগী চিকিৎসায় সুস্থ হলেও এ রোগে কার্ডিওজেনিক শক, হার্ট ফেইলিউর, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন এবং স্ট্রোকের মতো গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে।

এ চিকিৎসক বলেন, বিচ্ছেদের পর শুধু মানসিক নয়, শারীরিকভাবেও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সময়মত চিকিৎসা, পরিবার, বন্ধুবান্ধবের সহায়তা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনেক ক্ষেত্রেই গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে রাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে রাবি

মাতৃত্বকালীন সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নারী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়ার একটি সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েছে।

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীরা ৪০ শতাংশ উপস্থিত থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় এ সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাকসু'র মহিলা বিভাগের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ২৬৯তম সভায় প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হলে তা সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়ে যায়।

চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এ সুপারিশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের আগামি সভায় উপস্থাপন করা হবে।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান জানান, মাতৃত্বকালীন সময়ে উপস্থিতির হার কমানোর সম্পর্কে পূর্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আজকের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এটি পাশ হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে।

জানতে চাইলে রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাইয়্যিদা হাফসা বলেন, আমরা মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ দাবি করেছিলাম। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সে কমিটিতে আমি সদস্য হিসেবে ছিলাম। প্রথমে ৫০% ক্লাসে উপস্থিত থাকলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে আরেকটি মিটিংয়ে কমিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করি, পরে ৪০% এ সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে দুধ খাওয়ার ঝুঁকি ও উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


রাতে দুধ খাওয়ার ঝুঁকি ও উপকারিতা

রাতে দুধ খাওয়া অনেক মানুষের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে, কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিস্থিতিতে রাতে দুধ খাওয়া বিপজ্জনক বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। অনেকের জন্য রাতে দুধ খেলে হজম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

এখন দেখা যাক, যাদের জন্য রাতে দুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে-

১. ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট: এই ধরনের ব্যক্তিদের শরীরে ল্যাকটোজ নামে পরিচিত দুধের চিনি হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম (ল্যাকটেজ) পরিমাণে কম অথবা অনুপস্থিত থাকে। ফলে, তাদের জন্য দুধ খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া এবং পেটব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স বা গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা: রাতে দুধ খেলে অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ভারী বা সম্পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ খাওয়া সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৩. নিদ্রাহীনতা: চিনি বা মিষ্টি দুধ রাতের বেলায় পান করলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ায় এবং এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

৪. যেসব ব্যক্তির দুধে অ্যালার্জি রয়েছে: দুধের প্রোটিন (বিশেষ করে কেসিন ও ওয়েহ) যাদের শরীর সহ্য করতে পারে না, তাদের জন্য দুধ খাওয়া মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এই অ্যালার্জির মধ্যে চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিস (জরুরি অবস্থার) মতো সমস্যা হতে পারে।

৫. কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা: দুধে উচ্চমাত্রার ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন রয়েছে, যা কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৬. ডায়রিয়া বা পাচনতন্ত্রের দুর্বলতার সময়: এই পরিস্থিতিতে দুধ খেলে পাচনতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং ডায়রিয়ার লক্ষণগুলো আরও বাড়তে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্লিনিকে স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে ব্যাংগালিপুর গেলেন স্বামী, আবার কন্যাসন্তান জন্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


ক্লিনিকে স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে ব্যাংগালিপুর গেলেন স্বামী, আবার কন্যাসন্তান জন্ম

একটি কন্যাসন্তান রুহুল আমিনের আগে থেকেই ছিল। দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার খবর শুনতেই স্ত্রী ও নবজাতককে ক্লিনিকে ফেলে উধাও হয়ে যান বাবা। নবজাতক ও স্ত্রীর কোনো খোঁজ নিচ্ছিলেন না রুহুল আমিন। ফলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেয়ে কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এগিয়ে আসেন।

এই ঘটনা যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের। এই গ্রামের রুহুল আমিনের একটি দুই বছর বয়সী কন্যাসন্তান রয়েছে। ৮ জুলাই কেশবপুর শহরে মাতৃমঙ্গল নামের একটি ক্লিনিকে রুহুল আমিনের স্ত্রী মোসাম্মৎ সাজেদা (২০) আরেকটি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। খবরটি জানতে পেরে রুহুল আমিন অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হন। এরপর থেকে তিনি ওই ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দেন। স্ত্রী ও শিশু কন্যার খোঁজখবরও নিচ্ছিলেন না। নবজাতক ও প্রসূতিকে রাখার বিষয়ে ক্লিনিকের মালিক অসহায় হয়ে পড়েন।

বুধবার (১৫ জুলাই) এই খবর পেয়ে কেশবপুরের ইউএনও রেকসোনা খাতুন ওই প্রসূতি মা ও নবজাতকের খোঁজ নেন। এর পর সাজেদাকে তার মায়ের বাড়ি মনিরামপুর উপজেলার বাঙালিপুর গ্রামে পাঠিয়ে দেন। এ সময় প্রসূতির জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, কিছু খাবার ও অন্যান্য খরচের জন্য কিছু টাকা প্রদান করা হয়। ইউএনওর অনুরোধে ক্লিনিকের মালিক জাহিদুল ইসলাম ওই প্রসূতির অস্ত্রোপচারের ১২ হাজার টাকা মওকুফ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুহুল আমিন নিজের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ট্রাকচালকের সহকারীর কাজ করেন। সংসারে খুব অভাব রয়েছে। এ কারণে ক্লিনিকের টাকা জোগাড় করতে পারেননি বলেই ক্লিনিকে যাননি। রুহুল আমিন দাবি করেন, আবার কন্যাসন্তান হওয়ায় স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ নেননি, এই অভিযোগটি সত্য নয়। তিনি দ্রুত স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে বাড়ি ফিরবেন বলে জানান।

ক্লিনিকের মালিক জাহিদুল ইসলাম বলেন, নবজাতক ও প্রসূতির পরিবার এর কোনো খোঁজখবর নিচ্ছিল না। এ অবস্থায় তিনি বুঝতে পারছিলেন না কী করবেন। ক্লিনিকের পুরো বিল মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানতে পেরে সন্তানসহ ওই প্রসূতিকে তার মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

ইউএনও রেকসোনা খাতুন বলেন, প্রসূতি মা ও শিশুকে তার মায়ের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে শিশুটির বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কন্যাসন্তান ও মাকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ওই মা ও শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরে দেওয়া হবে। তিনি further বলেন, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা সব সময় অবহেলিত থাকে, বিশেষ করে কন্যাশিশুরা অনেক সময় অবহেলিত থাকে। এ ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। সেই বিবেচনা থেকেই তিনি এ উদ্যোগ নেন।

সাজেদের মা রাফিজা বিভিন্ন বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। তিনি বলেন, তার জামাতা স্ত্রী ও সন্তানের তেমন খোঁজ নেয় না। প্রথম সন্তানের জন্মের সময়ও হাসপাতালের খরচ টাকাও দেয়নি। রাফিজা বলেন, ৮ জুলাই ভর্তি হওয়ার পর রোববার পর্যন্ত তিনি ক্লিনিকে মেয়ের পাশে ছিলেন। কাজের ব্যস্ততায় শেষ দুই থেকে তিন দিন খোঁজ নিতে পারেননি। তার মেয়ে যাতে শ্বশুরবাড়িতে ভালো থাকতে পারে, ইউএনও সে ব্যবস্থা করে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%