ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে রাবি


মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে রাবি

মাতৃত্বকালীন সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নারী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়ার একটি সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েছে।

অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীরা ৪০ শতাংশ উপস্থিত থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় এ সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাকসু'র মহিলা বিভাগের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ২৬৯তম সভায় প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হলে তা সর্বসম্মতভাবে পাশ হয়ে যায়।

চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এ সুপারিশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের আগামি সভায় উপস্থাপন করা হবে।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান জানান, মাতৃত্বকালীন সময়ে উপস্থিতির হার কমানোর সম্পর্কে পূর্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আজকের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এটি পাশ হয়েছে। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে।

জানতে চাইলে রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাইয়্যিদা হাফসা বলেন, আমরা মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ দাবি করেছিলাম। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সে কমিটিতে আমি সদস্য হিসেবে ছিলাম। প্রথমে ৫০% ক্লাসে উপস্থিত থাকলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে আরেকটি মিটিংয়ে কমিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করি, পরে ৪০% এ সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে দুধ খাওয়ার ঝুঁকি ও উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


রাতে দুধ খাওয়ার ঝুঁকি ও উপকারিতা

রাতে দুধ খাওয়া অনেক মানুষের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে, কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা পরিস্থিতিতে রাতে দুধ খাওয়া বিপজ্জনক বা বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। অনেকের জন্য রাতে দুধ খেলে হজম সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

এখন দেখা যাক, যাদের জন্য রাতে দুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে-

১. ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট: এই ধরনের ব্যক্তিদের শরীরে ল্যাকটোজ নামে পরিচিত দুধের চিনি হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম (ল্যাকটেজ) পরিমাণে কম অথবা অনুপস্থিত থাকে। ফলে, তাদের জন্য দুধ খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া এবং পেটব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২. অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স বা গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা: রাতে দুধ খেলে অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে ভারী বা সম্পূর্ণ চর্বিযুক্ত দুধ খাওয়া সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৩. নিদ্রাহীনতা: চিনি বা মিষ্টি দুধ রাতের বেলায় পান করলে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ায় এবং এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

৪. যেসব ব্যক্তির দুধে অ্যালার্জি রয়েছে: দুধের প্রোটিন (বিশেষ করে কেসিন ও ওয়েহ) যাদের শরীর সহ্য করতে পারে না, তাদের জন্য দুধ খাওয়া মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এই অ্যালার্জির মধ্যে চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট এবং অ্যানাফাইল্যাক্সিস (জরুরি অবস্থার) মতো সমস্যা হতে পারে।

৫. কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা: দুধে উচ্চমাত্রার ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন রয়েছে, যা কিডনি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৬. ডায়রিয়া বা পাচনতন্ত্রের দুর্বলতার সময়: এই পরিস্থিতিতে দুধ খেলে পাচনতন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে এবং ডায়রিয়ার লক্ষণগুলো আরও বাড়তে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্লিনিকে স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে ব্যাংগালিপুর গেলেন স্বামী, আবার কন্যাসন্তান জন্ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


ক্লিনিকে স্ত্রী-সন্তানকে ফেলে ব্যাংগালিপুর গেলেন স্বামী, আবার কন্যাসন্তান জন্ম

একটি কন্যাসন্তান রুহুল আমিনের আগে থেকেই ছিল। দ্বিতীয়বার কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ার খবর শুনতেই স্ত্রী ও নবজাতককে ক্লিনিকে ফেলে উধাও হয়ে যান বাবা। নবজাতক ও স্ত্রীর কোনো খোঁজ নিচ্ছিলেন না রুহুল আমিন। ফলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেয়ে কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এগিয়ে আসেন।

এই ঘটনা যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের। এই গ্রামের রুহুল আমিনের একটি দুই বছর বয়সী কন্যাসন্তান রয়েছে। ৮ জুলাই কেশবপুর শহরে মাতৃমঙ্গল নামের একটি ক্লিনিকে রুহুল আমিনের স্ত্রী মোসাম্মৎ সাজেদা (২০) আরেকটি কন্যাসন্তান জন্ম দেন। খবরটি জানতে পেরে রুহুল আমিন অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হন। এরপর থেকে তিনি ওই ক্লিনিকে যাওয়া বন্ধ করে দেন। স্ত্রী ও শিশু কন্যার খোঁজখবরও নিচ্ছিলেন না। নবজাতক ও প্রসূতিকে রাখার বিষয়ে ক্লিনিকের মালিক অসহায় হয়ে পড়েন।

বুধবার (১৫ জুলাই) এই খবর পেয়ে কেশবপুরের ইউএনও রেকসোনা খাতুন ওই প্রসূতি মা ও নবজাতকের খোঁজ নেন। এর পর সাজেদাকে তার মায়ের বাড়ি মনিরামপুর উপজেলার বাঙালিপুর গ্রামে পাঠিয়ে দেন। এ সময় প্রসূতির জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, কিছু খাবার ও অন্যান্য খরচের জন্য কিছু টাকা প্রদান করা হয়। ইউএনওর অনুরোধে ক্লিনিকের মালিক জাহিদুল ইসলাম ওই প্রসূতির অস্ত্রোপচারের ১২ হাজার টাকা মওকুফ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুহুল আমিন নিজের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ট্রাকচালকের সহকারীর কাজ করেন। সংসারে খুব অভাব রয়েছে। এ কারণে ক্লিনিকের টাকা জোগাড় করতে পারেননি বলেই ক্লিনিকে যাননি। রুহুল আমিন দাবি করেন, আবার কন্যাসন্তান হওয়ায় স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ নেননি, এই অভিযোগটি সত্য নয়। তিনি দ্রুত স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে বাড়ি ফিরবেন বলে জানান।

ক্লিনিকের মালিক জাহিদুল ইসলাম বলেন, নবজাতক ও প্রসূতির পরিবার এর কোনো খোঁজখবর নিচ্ছিল না। এ অবস্থায় তিনি বুঝতে পারছিলেন না কী করবেন। ক্লিনিকের পুরো বিল মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানতে পেরে সন্তানসহ ওই প্রসূতিকে তার মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

ইউএনও রেকসোনা খাতুন বলেন, প্রসূতি মা ও শিশুকে তার মায়ের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে শিশুটির বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কন্যাসন্তান ও মাকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ওই মা ও শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরে দেওয়া হবে। তিনি further বলেন, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা সব সময় অবহেলিত থাকে, বিশেষ করে কন্যাশিশুরা অনেক সময় অবহেলিত থাকে। এ ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক। সেই বিবেচনা থেকেই তিনি এ উদ্যোগ নেন।

সাজেদের মা রাফিজা বিভিন্ন বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। তিনি বলেন, তার জামাতা স্ত্রী ও সন্তানের তেমন খোঁজ নেয় না। প্রথম সন্তানের জন্মের সময়ও হাসপাতালের খরচ টাকাও দেয়নি। রাফিজা বলেন, ৮ জুলাই ভর্তি হওয়ার পর রোববার পর্যন্ত তিনি ক্লিনিকে মেয়ের পাশে ছিলেন। কাজের ব্যস্ততায় শেষ দুই থেকে তিন দিন খোঁজ নিতে পারেননি। তার মেয়ে যাতে শ্বশুরবাড়িতে ভালো থাকতে পারে, ইউএনও সে ব্যবস্থা করে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশে আসছে বিশাল নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০১ এম


পুলিশে আসছে বিশাল নিয়োগ

দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার উদ্দেশ্যে সরকার ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং প্রথম বাজেট অধিবেশনের শেষ বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তথ্য উপস্থাপন করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে একটি সম্পূর্ণ পেশাদার বাহিনীতে রূপান্তরিত করা। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সরকার কোনো ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না।'

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দুর্নীতি দমনের বিষয়েও সরকারের কঠোর অবস্থান প্রাধান্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দুর্নীতি দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার রয়েছে। আমরা দেখেছি স্বৈরাচারের সময় কীভাবে প্রতিবছর এই দেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার করে দেওয়া হয়েছে। এই দুর্নীতিকে যেকোনোভাবেই হোক, এটি হাত বেঁধেই হোক কিংবা টুঁটি চেপেই হোক—যেকোনো উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।'

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সরকারের পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'দেশের মানুষের অন্যতম চাওয়া হচ্ছে একটি নিরাপদ পরিবেশ। একজন কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, ছোট ব্যবসায়ী—যে-ই হোক না কেন, প্রত্যেক মানুষ চায় দিনশেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে এবং পরিবার নিয়ে নিরাপদে চলাফেরা করতে। জনগণের এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরও পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।'

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার। আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করি এবং সম্মান করি। জনগণের জীবন এবং সম্পদ সুরক্ষা সরকারের পবিত্র আমানত। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্র ও সরকার হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক এবং নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সম্ভাবনাময়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১০ এম


হাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা নতুন করে পৃথক Department of Data Science খোলার দাবি না করে পরিসংখ্যান বিভাগের সঙ্গে ডেটা সায়েন্সকে একীভূত করে Department of Statistics and Data Science নামে একটি বিভাগ পরিচালনার দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তারা উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেছেন, বিশ্বব্যাপী ডেটা সায়েন্স প্রধানত পরিসংখ্যান, গণিত ও কম্পিউটেশনাল মডেলিংয়ের সম্মিলনে গড়ে ওঠা একটি আন্তঃবিষয়ক শাখা। নতুন বিভাগ খোলার পরিবর্তে বিদ্যমান পরিসংখ্যান বিভাগে ডেটা সায়েন্স, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক আধুনিক কোর্স সংযোজন করা হলে শিক্ষার্থীরা আরও সমন্বিত শিক্ষা লাভ করবে।

তারা যুক্তি দিয়েছেন, আলাদা বিভাগ চালু হলে একই ধরনের পাঠ্যক্রম ও দক্ষতার ফলে একাডেমিক এবং প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে চাকরি, উচ্চশিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রেও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এজন্য শিক্ষার্থীরা নতুন বিভাগ চালুর পরিবর্তে Department of Statistics and Data Science নামে বিভাগ পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছেন।

পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অলিপ বলেছেন, ডেটা সায়েন্সের ভিত্তি হল পরিসংখ্যান। আলাদা বিভাগ খোলার পরিবর্তে পরিসংখ্যান বিভাগের সঙ্গে ডেটা সায়েন্সকে একীভূত করার ফলে শিক্ষার্থীরা আরও সমৃদ্ধ এবং যুগোপযোগী শিক্ষা পাবে। তারা আধুনিক কারিকুলামের দাবিতে আছে, বিভাজন নয়।

২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া জানিয়েছেন, বিশ্বের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেটা সায়েন্স পরিসংখ্যান বিভাগের অধীনে পড়ানো হয়। তাই হাবিপ্রবিতেও আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে Department of Statistics and Data Science গঠন করা হলে সেটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য আরও উপকারী হবে।

২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মেধা বলেছেন, তারা ডেটা সায়েন্সের বিরোধী নন। বরং তারা চান, আধুনিক বিষয়গুলো পরিসংখ্যান বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এমন একটি বিভাগ গড়ে তোলা হোক, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। তাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%