১০:৩৬ পি.এম
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ‘শেষ উপায়’ হিসেবে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের চিন্তা করতে পারেন। ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে ক্রেমলিনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রগুলি স্বল্পপাল্লার পারমাণবিক অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। এগুলো সাধারণত একটি শহর বা দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহারের পরিবর্তে সীমিত যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। যদিও আকারে এগুলো কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রের তুলনায় ছোট, তবে ধ্বংসক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। এই অস্ত্র ব্যবহারের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় তেজস্ক্রিয় দূষণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি চুক্তির আলোচনা কার্যত অচলাবস্থায় পৌঁছানোর পর রাশিয়া পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছে। যুদ্ধ বন্ধের আলোচনার পথ বন্ধ হয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
এমন পরিস্থিতিতে মস্কোকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে চীন ও ভারত। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউরোপের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বেইজিং মস্কোর কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছে। ওই বার্তায় রাশিয়াকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে ইউক্রেনে কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র বিস্ফোরণের কথা বিবেচনা না করতে হবে।
তবে আপাতত রাশিয়া পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের পরিবর্তে প্রচলিত অস্ত্রের হামলা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রাজধানী কিয়েভ এবং ইউক্রেনের অন্যান্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বৃদ্ধি করা হতে পারে।
কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের ফলে ইউক্রেন যুদ্ধ নতুন মাত্রা পেতে পারে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি যে রাশিয়া এমন অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বরং ক্রেমলিনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে এটিকে ‘শেষ উপায়’ হিসেবে রাশিয়ার সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন