ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাজ্যে মাত্র তিন বছরে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ অন্যান্য নির্ধারিত যোগ্যতাও পূরণ করতে হয়।


যুক্তরাজ্যে মাত্র তিন বছরে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ অন্যান্য নির্ধারিত যোগ্যতাও পূরণ করতে হয়।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রকৌশলী এবং গবেষণাসংশ্লিষ্ট উচ্চ দক্ষতার পেশাজীবীদের জন্য যুক্তরাজ্যে কাজের সুযোগ সৃষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন বিধিমালা অনুসারে, নির্দিষ্ট স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমোদন প্রাপ্ত গবেষকেরা, যদি প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেন, তবে মাত্র তিন বছরের মধ্যে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি, যা ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন (আইএলআর) বলেও পরিচিত, পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

যুক্তরাজ্য সরকারের নতুন নিয়ম অনুসারে, রয়্যাল সোসাইটি, ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি, রয়্যাল অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভিশনের অনুমোদনের ভিত্তিতে গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা প্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য তিন বছরের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ রয়েছে। তবে, এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, শুধু তিন বছর যুক্তরাজ্যে থাকা মানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া নয়। আবেদনকারীকে ধারাবাহিকভাবে বসবাস করা এবং অন্যান্য নির্ধারিত যোগ্যতাও পূরণ করতে হয়।

গবেষকদের জন্য ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন বা ইউকেআরআইয়ের অনুমোদিত গবেষণা অনুদান কিংবা পুরস্কারের ভিত্তিতে আবেদন করার মাধ্যমটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রক্রিয়ার জন্য আবেদনকারীকে অবশ্যই ইউকেআরআই দ্বারা অনুমোদিত কোন যুক্তরাজ্যের গবেষণা প্রতিষ্ঠানে চাকরি বা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। সাথে তার গবেষণার অর্থায়নও অনুমোদিত কোনো তহবিলদাতার কাছ থেকে আসতে হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এই পথে আবেদন করার জন্য সংশ্লিষ্ট গবেষণা অনুদান বা পুরস্কারের মূল্য অবশ্যই কমপক্ষে ৩০ হাজার পাউন্ড হতে হবে এবং এর মেয়াদ অন্তত দুই বছর থাকতে হবে। কর্মসংক্রান্ত বিষয়েও একটি শর্ত রয়েছে, যেখানে আবেদনকারীর চাকরির চুক্তি বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে হোস্টিং চুক্তির অন্তত এক বছর বাকি থাকতে হবে।

অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, আবেদনকারীকে তার মোট কর্মসময়ের অন্তত ৫০ শতাংশ ওই গবেষণা অনুদানের আওতাধীন কাজে সমর্পণ করতে হবে। প্রধান গবেষক অথবা সহগবেষকের ক্ষেত্রে একাধিক যোগ্য গবেষণা অনুদানে কাজ করে এই ৫০ শতাংশের শর্ত পূরণের সুযোগ রয়েছে।

গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসার উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলোর একটি হলো কর্মক্ষেত্রে স্বাধীনতা। এটি সাধারণ স্পনসরনির্ভর ওয়ার্ক ভিসার মতো নির্দিষ্ট কোনো কাজের সঙ্গে আবদ্ধ নয়। ভিসাধারীরা নির্ধারিত নিয়মের মধ্যে চাকরি করতে, চাকরি পরিবর্তন করতে বা স্বনিযুক্ত হিসেবে কাজ করতে পারে। ফলে গবেষক এবং উদ্ভাবকদের ক্যারিয়ার পরিচালনায় এই ভিসা তুলনামূলক বেশি স্বাধীনতা প্রদান করে।

স্থায়ী বসবাসের প্রক্রিয়ায় গবেষকদের জন্য আরও একটি সুবিধা রয়েছে। রয়্যাল সোসাইটি, ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি, রয়্যাল অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইউকেআরআইয়ের অনুমোদন পাওয়া গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসাধারী গবেষকদের গবেষণার কাজে যুক্তরাজ্যের বাইরে যে সময় কাটাতে হয়, নির্দিষ্ট শর্তে সেই গবেষণাসংশ্লিষ্ট অনুপস্থিতি ধারাবাহিক বসবাসের হিসাবকে বাধাগ্রস্ত করে না।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তবে, তিন বছর পর স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার সময় শুধু ভিসার মেয়াদ পূরণ করাই যথেষ্ট নয়। আবেদনকারীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যে আয় করার প্রমাণ দিতে হবে, সাথেই প্রযোজ্য অন্যান্য অভিবাসন শর্তও পূরণ করতে হবে। বর্তমান নিয়মে ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা এবং যুক্তরাজ্যের জীবন ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

অতএব, আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা কেবল যুক্তরাজ্যে গবেষণা বা চাকরির সুযোগই নয়, বরং এটি যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য তুলনামূলক দ্রুত স্থায়ী বসবাসের পথও তৈরি করছে। বিশেষ করে ইউকেআরআই অনুমোদিত গবেষণা অনুদানের ভিত্তিতে কাজ করা গবেষকদের জন্য এই ব্যবস্থা যুক্তরাজ্যে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যদি কেউ আমাকে গালি দেয়, তাহলে আমার কোন ক্ষতি নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


যদি কেউ আমাকে গালি দেয়, তাহলে আমার কোন ক্ষতি নেই

জামায়াতের আমির এবং সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যদি কেউ আমাকে গালি দেয়, তাহলে আমার কোন ক্ষতি নেই, বরং ওই গালির কারণে আমার কিছু লাভ হয়, কারণ আমার গুনাহ মাফ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার পাশাপাশি আমি গালি দেখতে পাই। এতে আমার কোনো ক্ষতি হয় না।

শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমাদের নিয়ে অনেকেই নেতিবাচক সমালোচনা করেন। তাদের সমালোচনাকে আমলে নিয়ে বিনয়ের সঙ্গে জবাব দিতে হবে। তারা আমাদের প্রতি যে ভাষায় কথা বলে, আমরাও যদি তাদের ভাষায় কথা বলি, তাহলে আমাদের মাঝে আর পার্থক্য কোথায় থাকবে?

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হওয়া সমালোচনা বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা উল্লেখ করেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে মাঝে মাঝে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র চলে আসে। এটা হওয়া উচিত নয়। আমরা এই ধরনের সব ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এবজর্ভ করে নেব। তবে, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র কারোর ওপর চালাব না। আমরা সকলকে সম্মান করি। কেউ গালি দিলেও সম্মান করবো, আর দোয়া করলেও সম্মান করবো। যদি কেউ আমাকে অহেতুক গালি দেয়, তাহলে আমার কিছু গুনাহ মাফ হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


চট্টগ্রামে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উদ্যোগে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন: বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং টেকসই সমাধান’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ, শনিবার সকালে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন এম এ আমিন এবং মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা।

এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী।

বিশেষ আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা তৌহিদুল ইসলাম।

ড. মাহফুজ পারভেজ সেমিনারে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভৌগোলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং বাঙালি জনগোষ্ঠীর বসবাস। এ অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সকল জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার সুনিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে।

এছাড়া তৌহিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস, জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বাস্তবতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেন, ‘উপজাতি’ এবং ‘আদিবাসী’ শব্দ দুটি সমার্থক নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন-১০৭ এবং ১৬৯-এ উপজাতি ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিষয়ে পৃথক আলাদা সংজ্ঞা রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ১৯৯৭ সালের চুক্তির কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠী শিক্ষা, চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে সব নাগরিকের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে চুক্তিটির বিভিন্ন দিক পুনর্মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে।

সেমিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং সামাজিক ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তাগণ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, দায়িত্বশীল আলোচনা এবং সকল জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁশখালীকে বন্যামুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


বাঁশখালীকে বন্যামুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, বাঁশখালীবাসী যাতে প্রতিবছর বন্যার কবলে না পড়েন, সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানি যেন মানুষের বসতবাড়িতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।

সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আজ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের খালগুলো দীর্ঘদিন ধরে দখল ও দূষণের কারণে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। এর ফলে স্বাভাবিক বৃষ্টিতেই খালগুলো উপচে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য খালগুলো খনন ও পুনঃখনন করে পানিপ্রবাহকে স্বাভাবিক করা হবে, যাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল চট্টগ্রামে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিতে আসছেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর নির্মাণ, ত্রাণ বিতরণসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী উপজেলার বাহারছড়ায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি আমদানিতে জনস্বার্থ ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: জ্বালানি বিভাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


জ্বালানি আমদানিতে জনস্বার্থ ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: জ্বালানি বিভাগ

ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে যে, বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিতে জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে আজ শনিবার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, দেশে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করণের উদ্দেশ্যে সরকার ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’-এর একটি খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রস্তাবিত নতুন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা। এদ্বারা, একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতা জাতীয় স্বার্থে কাজে লাগানো হবে, যা এই নীতিমালার অন্যতম লক্ষ্য।

এতে আরও জানানো হয় যে, জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে। যখন জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতাকে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, তখনই এই ধরনের নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

জ্বালানি বিভাগের আরও বক্তব্য হলো, এই নীতিমালার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।

সম্প্রতি প্রস্তাবিত এই নীতিমালা নিয়ে কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুমাননির্ভর এবং অসত্য তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে, যা অগ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে সকলের কাছে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%