প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চট্টগ্রাম, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উদ্যোগে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন: বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং টেকসই সমাধান’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ, শনিবার সকালে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন এম এ আমিন এবং মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা।
এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী।
বিশেষ আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা তৌহিদুল ইসলাম।
ড. মাহফুজ পারভেজ সেমিনারে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভৌগোলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং বাঙালি জনগোষ্ঠীর বসবাস। এ অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সকল জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার সুনিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে।
এছাড়া তৌহিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস, জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বাস্তবতা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেন, ‘উপজাতি’ এবং ‘আদিবাসী’ শব্দ দুটি সমার্থক নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন-১০৭ এবং ১৬৯-এ উপজাতি ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিষয়ে পৃথক আলাদা সংজ্ঞা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ১৯৯৭ সালের চুক্তির কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠী শিক্ষা, চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে সব নাগরিকের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে চুক্তিটির বিভিন্ন দিক পুনর্মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে।
সেমিনারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং সামাজিক ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তাগণ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, দায়িত্বশীল আলোচনা এবং সকল জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন