শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫০ পি.এম
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ থেকে ২০ গ্রেডে চাকরির জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১১টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। অনলাইনে আবেদন করার শেষ তারিখ ১ অক্টোবর ২০২৬ নির্ধারিত হয়েছে। হার্ডকপি জমা দেওয়ার শেষ সময় ৫ অক্টোবর ২০২৬।
চাকরির বিবরণ
১. পদের নাম: রেজিস্ট্রার
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৩) ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।
২. পদের নাম: পরিচালক
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৩) ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।
৩. পদের নাম: পরিচালক
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৩) ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা।
৪. পদের নাম: পিএস টু ভিসি (সহকারী রেজিস্ট্রার)
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-৭) ২৯,০০০-৬৩,৪১০ টাকা
৫. পদের নাম: ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ২
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৩) ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা।
৬. পদের নাম: গাড়িচালক
পদসংখ্যা: ১
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-১৬) ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা
৭. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৪
গ্রেড ও বেতন স্কেল: (গ্রেড-২০) ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা
আবেদনের নিয়ম
আবেদন করতে হবে jobs.cstu.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পর আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের হার্ড কপি জমা দিতে হবে। ১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য ৭ সেট এবং ৫ থেকে ৭ নম্বর পদের জন্য ৫ সেট আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ
অনলাইনে আবেদনের শেষ সময় ১ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট।
হার্ড কপি ৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৪টার মধ্যে সরাসরি, ডাকযোগে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে।
ঠিকানা: রেজিস্ট্রার, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, অস্থায়ী ক্যাম্পাস, হোল্ডিং নং-০৯৩৭-০২, খলিশাডুলি, ওয়াপদা গেইট, কুমিল্লা রোড, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর-৩৬০০।
আবেদন ফি
১ থেকে ৪ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা; ৫ ও ৬ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা এবং ৭ নম্বর পদের জন্য ৫০ টাকা। অনগ্রসর নাগরিক, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সব গ্রেডে আবেদন ফি ৫০ টাকা। সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য।
নির্দেশনা
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের পূর্বে যেসব প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল, তাদের পুনরায় আবেদন করতে হবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে রিকশায় বসে থাকা এক যাত্রীর কাছ থেকে ছুরি দেখিয়ে টাকা-পয়সা ও মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাটি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পেছনের সতীশ বাবু লেনে সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, দুই ব্যক্তি একটি রিকশা থামিয়ে যাত্রীর কাছ থেকে টাকা-পয়সা ও মুঠোফোনসহ অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নিচ্ছেন। এরপর তারা যাত্রীর প্যান্টের ডান পকেট থেকে কিছু বের করার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই যাত্রীকে বারবার "দিতাছি তো" বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে যাত্রী নড়াচড়া করলে এক ছিনতাইকারী তার বাঁ পায়ে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। পরে তিনি ছুরি দিয়ে যাত্রীর ডান পকেট কাটতে শুরু করেন। এ সময় আশপাশের ভবন থেকে কয়েকজন বাসিন্দা চিৎকার করে ছিনতাইকারীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। পরে দুই ছিনতাইকারী একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকে উঠে পালিয়ে যান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, শনিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে পুলিশ ঘটনার সঠিক সময় নির্ধারণে সক্ষম হয়নি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু যায়েদ মোহাম্মদ নাজমুন নূর গণমাধ্যমকে জানান, ভিডিওটি পুলিশের নজরে এসেছে। কিন্তু এ ঘটনায় কোনো ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করতে আসেননি। বিষয়টি জানার পর এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহর ও আশপাশের জনপদ রক্ষায় বড় ধরনের অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা মেঘনার ভাঙনের কারণে বারবার বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। নদীর ভাঙন ঠেকাতে ৩৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ ও সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই প্রকল্পটি ভৈরব ফেরিঘাট থেকে মেন্দিপুর পর্যন্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নদীভাঙন থেকে শহর ও জনবসতি সুরক্ষার ব্যবস্থা হবে, পাশাপাশি দীর্ঘ এই সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সংযোগ তৈরি করবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভৈরব শহরের কালিপুর এলাকায় মেঘনা নদী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "মেঘনা নদীর ভাঙনে ভৈরব শহরসহ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ফেরিঘাট থেকে মেন্দিপুর পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ও সড়ক নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।"
প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৮৫ কোটি টাকা। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, পর্যায়ক্রমে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
প্রকল্পটি শুধু ভাঙন প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে নয়, বরং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বেড়িবাঁধের ওপর নির্মিতব্য সড়কটি স্থানীয় মানুষের চলাচল ও পণ্য পরিবহনে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
তবে বাঁধ নির্মাণের সময় মেঘনার সঙ্গে সংযুক্ত খাল-বিলের পানি চলাচল বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় স্থানে সেতু নির্মাণ করা হবে। ফলে সড়ক ও বেড়িবাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি পানির স্বাভাবিক প্রবাহও বজায় রাখার ব্যবস্থা থাকবে।
একই দিন ভৈরবে আরও কয়েকটি উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।
সকালে ভৈরব উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় কমলপুর ডাকবাংলোয় ভৈরব ফুটবল একাডেমিকে ক্রীড়া ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরে ভৈরব বাজারের চান্দানী টিলার হরিজন পল্লীতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্যানিটেশন, সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন তিনি। স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এসব কাজ হচ্ছে।
এরপর বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদ ও সংসদ সদস্যের তহবিলের অর্থায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সি আমির ফয়সাল, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম মামুনুর রশীদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল হক, ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুলিশ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের উদ্যোগকে ব্যর্থ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় ৬ কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট লিংক রোড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবেল আফ্রাদ জানিয়েছেন, ফৌজদারহাট লিংক রোডে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করছিলেন। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশ তাদের ধাওয়া করে ৬ জনকে আটক করে। বাকিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও জানান, আটককৃতদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বাবার হাতে বিষপানে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটে। সন্তানদের বিষপান করানোর পর নিজেও বিষপান করেন তিনি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই বাবাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুরা হলো- রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)। তাদের বাবা সরফত আলী (৩৫) বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে প্রবাসে যান। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তার তিন সন্তানকে নিয়ে বসতঘরে ঘুমাতে যান। পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তিন সন্তানসহ কীটনাশক পান করেন বলে জানা গেছে।
বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান এবং দাবি না রাখতে বলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে খবর দেন। পরে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত সরফত আলীর বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন।
পরে তাদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর মরদেহ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ