শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫০ পি.এম
কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহর ও আশপাশের জনপদ রক্ষায় বড় ধরনের অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা মেঘনার ভাঙনের কারণে বারবার বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। নদীর ভাঙন ঠেকাতে ৩৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়িবাঁধ ও সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এই প্রকল্পটি ভৈরব ফেরিঘাট থেকে মেন্দিপুর পর্যন্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নদীভাঙন থেকে শহর ও জনবসতি সুরক্ষার ব্যবস্থা হবে, পাশাপাশি দীর্ঘ এই সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন সংযোগ তৈরি করবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভৈরব শহরের কালিপুর এলাকায় মেঘনা নদী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "মেঘনা নদীর ভাঙনে ভৈরব শহরসহ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ফেরিঘাট থেকে মেন্দিপুর পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ও সড়ক নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।"
প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৮৫ কোটি টাকা। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, পর্যায়ক্রমে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
প্রকল্পটি শুধু ভাঙন প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে নয়, বরং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বেড়িবাঁধের ওপর নির্মিতব্য সড়কটি স্থানীয় মানুষের চলাচল ও পণ্য পরিবহনে নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
তবে বাঁধ নির্মাণের সময় মেঘনার সঙ্গে সংযুক্ত খাল-বিলের পানি চলাচল বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় স্থানে সেতু নির্মাণ করা হবে। ফলে সড়ক ও বেড়িবাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি পানির স্বাভাবিক প্রবাহও বজায় রাখার ব্যবস্থা থাকবে।
একই দিন ভৈরবে আরও কয়েকটি উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।
সকালে ভৈরব উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় কমলপুর ডাকবাংলোয় ভৈরব ফুটবল একাডেমিকে ক্রীড়া ও প্রশিক্ষণ সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরে ভৈরব বাজারের চান্দানী টিলার হরিজন পল্লীতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্যানিটেশন, সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন তিনি। স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এসব কাজ হচ্ছে।
এরপর বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা পরিষদ ও সংসদ সদস্যের তহবিলের অর্থায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সময় কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সি আমির ফয়সাল, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম মামুনুর রশীদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল হক, ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুলিশ নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের উদ্যোগকে ব্যর্থ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় ৬ কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট লিংক রোড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রুবেল আফ্রাদ জানিয়েছেন, ফৌজদারহাট লিংক রোডে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করছিলেন। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশ তাদের ধাওয়া করে ৬ জনকে আটক করে। বাকিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও জানান, আটককৃতদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বাবার হাতে বিষপানে তিন শিশুর মৃত্যু ঘটে। সন্তানদের বিষপান করানোর পর নিজেও বিষপান করেন তিনি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই বাবাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুরা হলো- রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)। তাদের বাবা সরফত আলী (৩৫) বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে প্রবাসে যান। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তার তিন সন্তানকে নিয়ে বসতঘরে ঘুমাতে যান। পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তিন সন্তানসহ কীটনাশক পান করেন বলে জানা গেছে।
বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান এবং দাবি না রাখতে বলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে খবর দেন। পরে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত সরফত আলীর বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন।
পরে তাদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর মরদেহ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আজ জাতীয় গ্রিডে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ কূপ থেকে আরও ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।
দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে নতুন কূপ খনন ও বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল হিসেবে বিএনপি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
বিজিএফসিএলের কর্মকর্তাদের মতে, তিতাস-২৮ কূপের খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি, তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ কূপ খননের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে। এসব কূপের কাজ শেষ হলে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে মোট প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানিয়েছেন, বিজিএফসিএলের আওতাধীন তিতাস-২৮ নম্বর কূপ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উদ্বোধন করবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। উদ্বোধনের পরপরই কূপটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। এতে আমদানি-নির্ভরতার চাপ কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হবে।
‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে। কূপটির গভীরতা প্রায় ১৩ হাজার ফুট। উদ্বোধনের পরপরই এটি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাসসহ বেশ কয়েকটি কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ আগামীকাল উৎপাদনে যাবে। অন্যান্য কূপগুলোর কাজও দ্রুত শেষ করে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিজিএফসিএলের গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানিয়েছেন, তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে। বর্তমানে কূপটির খনন গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৫ হাজার ৬০০ মিটার, যা প্রায় ১০০ মিটার কমবেশি হতে পারে।
মাহমুদুল নবাব বলেন, গভীরতার কারণে কূপটির খনন ও পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগছে। কোনো ধরনের ভূতাত্ত্বিক জটিলতা দেখা না দিলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ করার আশা রয়েছে। কূপটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে সেখান থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে কূপটির লগিংসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। এসব কাজ শেষ করে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। তিতাস-২৯ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া, তিতাস-৩০ নম্বর কূপের কাজও আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বিজিএফসিএল।
বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ হওয়ার পর বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপের খননকাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৪ হাজার ৫০০ মিটার, যা প্রায় ১০০ মিটার কমবেশি হতে পারে। সফলভাবে খনন ও পরীক্ষা সম্পন্ন হলে বাখরাবাদ-১১ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিতাস-২৮ থেকে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট যোগ হলে পাঁচটি কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।
তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের মজুত প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে এর মজুত আনুমানিক দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিতাস-৩১ একটি অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় এর মাধ্যমে নতুন গ্যাসের মজুত আবিষ্কারের সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে কূপটির মাধ্যমে আরও প্রায় দুই টিসিএফ গ্যাসের মজুত যুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত করতে কূপটির খনন শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। পরীক্ষার ফল পাওয়ার পরই নতুন মজুতের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রায় চার দশক পর জাতিসংঘে লাল সবুজের নেতৃত্বে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো ভাষণ দেবেন অধিবেশনে, যা পরিচালনা করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রতি বাংলাদেশের আগ্রহ এবং প্রত্যাশা এবারের অধিবেশনে অনেক বেশি। দেশের অবস্থান এবং মানুষের প্রত্যাশাগুলো বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার জন্য ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ২৩ সেপ্টেম্বর নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বাংলাদেশের লড়াইয়ের চিত্র তুলে ধরবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ জানান, "যেসব দেশ এই বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ানোর জন্য দায়ী, তাদেরকে এই অর্থটা আমাদের দেয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।" তিনি আরও বলেন, গ্র্যান্ড বেসজড একটি ক্লাইমেট ফিন্যান্স গড়ে তোলার জন্য বিএনপি সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। জাতিসংঘে ক্লাইমেট নিয়ে আলোচনা করার সময় গ্র্যান্ড বেসজড এই ফিন্যান্স নিয়ে কথা বলার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্বমঞ্চে পরিবেশ রক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ যেমন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, খাল খনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়গুলোও তুলে ধরা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, "পরিবেশ রক্ষার জন্য আমরা দেশে যেসব কাজ করছি, সেই কাজগুলো আমরা পুরো পৃথিবীর সামনে তুলে ধরব। যেমন আমরা পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে কার্বন ইমিশন কমানোর চেষ্টা করছি।"
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা আশা করছেন, জাতিসংঘ অধিবেশন এবং সাইড লাইনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী আরও বলেন, "বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন হয়েছে এবং যে সরকার এসেছে তারা উইলিংলি চাচ্ছে এনভায়রনমেন্ট প্রটেক্ট করতে।" তিনি বলেন, "এবং সেই সঙ্গে পুরো পৃথিবীতে যে ক্লাইমেট ক্রাইসিস রয়েছে, সেখানে কন্ট্রিবিউট করতে চাচ্ছে। তখন তাদের ইন্টারেস্টের সঙ্গে আমাদের ইন্টারেস্টের একটা অ্যালাইমেন্ট হবে। আমরা নতুন বিনিয়োগ আনতে পারব।"
সফর শেষে ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ