ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে, চুল কেটে রাতভর নির্যাতন করেছিলেন মাদকাসক্ত স্বামী


স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে, চুল কেটে রাতভর নির্যাতন করেছিলেন মাদকাসক্ত স্বামী

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মাদকাসক্ত স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূ। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই স্বামী স্ত্রীকে ঘরে আটক রেখে হাত-পা বেঁধে, মাথার চুল কেটে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রাতভর নির্যাতন করেছেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ওই গৃহবধূ ও তার দুই সন্তানকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে।

এ ঘটনা ঘটেছে সোমবার (১৩ জুলাই) রাতে, মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের গয়লাকান্দি গ্রামে।

আটক নাজমুল শেখ (২৮) ওই গ্রামের নওয়াব আলী শেখের ছেলে। নির্যাতনের শিকার সোনিয়া (২৫) মুন্সীগঞ্জের চরমুসুরিয়া এলাকার লোকমান সরকারের মেয়ে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিনি প্রায়ই তার স্ত্রীকে মারধর করতেন। সোমবার রাতে পারিবারিক কলহের কারণে তিনি ঘরের দরজা তালাবদ্ধ করে স্ত্রী সোনিয়ার হাত-পা বেঁধে ফেলেন। তারপরে তিনি মাথার চুল কেটে দেন, মারধর করেন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিঠে আঘাত করেন। এ অবস্থায় তাদের দুই শিশু সন্তান আবু রায়হান (৮) ও আবু মুছা (৪) ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিল।

মঙ্গলবার সকালে সোনিয়ার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে খবর পেয়ে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা গিয়ে ঘরের তালা ভেঙে সোনিয়া ও তার দুই সন্তানকে উদ্ধার করেন। এরপর আহত গৃহবধূকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং অভিযুক্ত নাজমুলকে আটক করে মুকসুদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

নির্যাতনের শিকার সোনিয়া বলেন, ‘আমার স্বামী প্রায়ই নেশা করে এসে আমাকে মারধর করত। সোমবার রাতে আমার দুই সন্তানের সামনে হাত-পা বেঁধে চুল কেটে ফেলে, মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিঠে আঘাত করে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

অভিযুক্ত নাজমুল শেখ বলেন, ‘স্ত্রী পালিয়ে যেতে পারে-এই আশঙ্কায় আমি তার হাত-পা বেঁধে ও চুল কেটে রেখেছি।’

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

গোহালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মাতুব্বর বলেন, ‘নাজমুল একজন মাদকসেবী। তিনি প্রায়ই মাদক সেবন করে স্ত্রীকে মারধর করতেন।’

সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোন্দকার আরঙ্গজেব জানান, ‘খবর পেয়ে নির্যাতিত গৃহবধূ ও তার দুই সন্তানকে উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে মুকসুদপুর থানায় পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী মামলা করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৭ পি.এম


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা, জরুরি সাড়াদান এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সভাপতিত্বকালে তিনি এই আহ্বান জানান।

সভা শুরুর বক্তব্যে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাকে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত সেবা এবং সহায়তা পৌঁছাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানকে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। তিনি বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কোনো ধরনের দুর্নীতি ছাড়া প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে হবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করা যায়। একই সঙ্গে তিনি সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) এবং যোগাযোগ অবকাঠামো সচল রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন।

সভায় বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন এবং ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ তাদের নিজ নিজ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। পানি নেমে যাওয়ার পর প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র মূল্যায়ন করে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।

এছাড়া কৃষি খাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে নতুন বীজ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং রোগব্যাধি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, এলজিইডির আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ দ্রুত পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরকারি সূত্র জানায়, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থ পাচার মামলায় রিমান্ডে হরিদাস চন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


অর্থ পাচার মামলায় রিমান্ডে হরিদাস চন্দ্র

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার আলোচিত হরিদাস চন্দ্র তরনীদাসকে পুলিশ অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গ্রেপ্তার করেছে। রবিবার (১২ জুলাই) রাতে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সহায়তায় পলাশবাড়ীর রামমন্দির থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. জসিম উদ্দীন এ বিষয়ে হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানিয়েছেন, ঢাকায় সংঘটিত হওয়া মানি লন্ডারিং মামলায় হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা নগদ লেনদেন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া হুন্ডির মাধ্যমেও লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে।

এসপি জানিয়েছেন, সিআইডি ২ জুলাই থেকে এ টাকার উৎস ও অন্যান্য তথ্য অনুসন্ধান করেছে। অনুসন্ধানের পর হরিদাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এবং সোমবার তাকে চারদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

সিআইডির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র। তার বাবার নাম গোপীনাথ তরনীদাস। তিনি ২০০৬ সালে হাসবাড়ী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০৮ সালে ঢাকার কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ২০১০ সালে অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে হরিদাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তৌহিদ ইসলাম নাম ধারণ করেন। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন সময় নিজেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়া, বদলি, হুন্ডি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের সাথে জড়িত থাকা অভিযোগ রয়েছে।

এসব অভিযোগের প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বৈধ কোনো আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মুঠোফোনে আর্থিক সেবার হিসাবের মাধ্যমে তার ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা জমা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলনও করা হয়েছে, যা সিআইডি সন্দেহজনক হিসাবে গণ্য করছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হরিদাসের ব্যাংক হিসাবগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি বিপুল অর্থ জমা করেছেন, যা তার পেশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অনুসন্ধানের সময় বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলার তথ্যও পাওয়া গেছে। ওই মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৪ ধারাসহ দণ্ডবিধির ১৬৭, ১৬৮, ৪০৬ ও ৪২০ ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে।

সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কারণে মামলাটি করা হয়েছে এবং তার সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

২০২২ সালের ৮ নভেম্বর র‍্যাবের যৌথ অভিযানে সহযোগীসহ ঢাকার বনানী থেকে গ্রেপ্তার হন হরিদাস। সে সময় তার বিরুদ্ধে মামলা না হওয়ায় তাকে ৫৪ ধারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। পরে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হরিদাস চন্দ্র মধ্যরামচন্দ্রপুর গ্রামে দুই একর জমির ওপর শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালীমন্দিরের পুরোনো অবকাঠামোর পরিবর্তে আধুনিকায়নের কাজ শুরু করেন। সেখানে ২৮ ফুট উচ্চতার শিবমূর্তি ও ৫৩ ফুট উচ্চতার কৃষ্ণমূর্তি নির্মাণ করা হয়। ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর মন্দিরটির কৃষ্ণমূর্তি উদ্বোধন করবেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার। ৮১ ফুট উচ্চতার রামের মূর্তি নির্মাণাধীন রয়েছে।

এছাড়া ২০১৯ সালে ময়মনসিংহ বিভাগের ফুলবাড়িয়া এলাকায় প্রায় এক বিঘা জমি কিনে সেখানে রিসোর্ট করার তথ্য পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি হরিদাস চন্দ্রের আয়ের উৎস খুঁজে বের করা ও তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে গাইবান্ধায় সচেতন নাগরিক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪টি আরএমজি কারখানা লিড সনদ পেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


৪টি আরএমজি কারখানা লিড সনদ পেল

বাংলাদেশের আরও চারটি তৈরি পোশাক (আরএমজি) কারখানা লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন (লিড) সনদ অর্জন করেছে। এর ফলে, টেকসই পোশাক উৎপাদনে বৈশ্বিক নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সুসংহত হলো।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মহিউদ্দিন রুবেল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জনিয়ে দিয়েছেন।

নতুন করে লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানাগুলোর মধ্যে ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড প্লাটিনাম সনদ পেয়েছে। এছাড়া, করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড গোল্ড সনদ এবং করিম টেক্স লিমিটেড সিলভার সনদ অর্জন করেছে।

সর্বশেষ এই চারটি কারখানা যুক্ত হওয়ার ফলে, দেশে এখন লিড সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯০টি। এর মধ্যে ১২৫টি কারখানা প্লাটিনাম এবং ১৪৫টি গোল্ড মানের সনদপ্রাপ্ত হয়েছে।

বর্তমান সময়ে, বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোরপ্রাপ্ত শীর্ষ ১০০টি লিড সনদপ্রাপ্ত সবুজ পোশাক কারখানার মধ্যে ৫৩টি বাংলাদেশে রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবার পাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


দেশের ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবার পাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

দেশের নিম্নআয় ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে ২০২৯–৩০ অর্থবছরের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে, জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

তিনি বলেন, এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই সরকার দেশব্যাপী ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে প্রকৃত উপকারভোগী নির্ধারণে দেশজুড়ে একটি সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করে আধুনিক ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের পক্ষে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল সংসদকে এ তথ্য জানান।

সংসদে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় দেশের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলায় তিন ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৬৯ হাজার ৩৮৭ জন নারী-প্রধান পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হয়েছে। মাঠপর্যায়ের এই তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই সারাদেশে সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করা হবে। এই শুমারির মাধ্যমে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই শুমারির ওপর ভিত্তি করে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে আধুনিক ডাটাবেজের আওতায় এনে আগামী ৪ বছরের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা দেওয়া হবে। মাঠপর্যায়ের জরিপ এবং প্রক্সি মিনস টেস্ট বা পিএমটি স্কোরের মাধ্যমে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের নির্বাচন করা হবে।

তিনি আরও জানান, সরকারের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন কার্ড দেওয়া হবে। এই লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং 'ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নির্দেশিকা, ২০২৬' জারি করা হয়েছে। এছাড়া ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন শেষে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের জন্য মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা-১৮ আসনের ফ্যামিলি কার্ডের অগ্রগতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, পাইলট প্রকল্প হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কড়াইল, সাততলা, ভাষানটেক, অলিমিয়ার টেক ও বাগানবাড়ী বস্তি এলাকার কিছু অংশে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে উত্তরা ও এর সংলগ্ন এলাকায় পরিবার শুমারি শেষ করে চলতি অর্থবছরেই ব্যাপকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। শুমারি সম্পন্ন হওয়ার পর ওয়ার্ডভিত্তিক উপকারভোগীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দপ্তরে সরবরাহ করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গত, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ছিল এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’। ইশতেহারে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে একটি একক ডিজিটাল ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে সব ধরনের সরকারি ভাতা, খাদ্য সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা সমন্বিতভাবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সরকার গঠনের পর প্রথমে সীমিত পরিসরে পাইলট প্রকল্প চালু করা হলেও এখন ধাপে ধাপে উপকারভোগী নির্বাচন, কেন্দ্রীয় এমআইএস ডাটাবেজ তৈরি এবং দেশব্যাপী সম্প্রসারণের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

সরকারের বর্তমানে পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৯–৩০ অর্থবছরের মধ্যে যোগ্য ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালনা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%