ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিম, হাসি ও প্রতিবাদের মাধ্যমে ভারতের তরুণদের বিক্ষোভ


মিম, হাসি ও প্রতিবাদের মাধ্যমে ভারতের তরুণদের বিক্ষোভ

ভারতের তরুণদের প্রতিবাদের ধরন এখন পরিবর্তিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মিম, ছোট ভিডিও এবং ব্যঙ্গ-রস নিয়ে, এসব কিছুকে সঙ্গে নিয়ে হাজারো তরুণ-তরুণী রাজপথে নেমে এসেছেন। তাদের আন্দোলন শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশ্নপত্র ফাঁস, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং জবাবদিহির দাবির উপর ভিত্তি করে, যা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সংসদের উদ্দেশে পদযাত্রার অংশ নিতে যাওয়ার আগে তরুণদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মজার ভিডিও এবং ছবি প্রকাশ করেছেন। পরবর্তীতে সেই কর্মসূচিতে পুলিশি সংঘর্ষ, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জের মতো ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ভারতের নতুন প্রজন্মের একটি ভিন্নধর্মী আন্দোলন। তারা শুধু স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাকার্ড, মিম এবং ছোট ছোট ভিডিওর মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য প্রকাশ করেছে। অনেক তরুণের হাতে ছিল এমন লেখা, যা একদিকে হাস্যরস সৃষ্টি করেছে এবং অন্যদিকে সরকারের প্রতি তাদের ক্ষোভও প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

প্রশ্নপত্র ফাঁস, চাকরির অনিশ্চয়তা, শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা থেকেই এই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তরুণদের দাবি, এসব বিষয়ে সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে।

আন্দোলনের একটি বিশাল অংশজুড়ে ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। অনেক তরুণই কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে নিজেদের প্রস্তুতির ভিডিও প্রকাশ করেছেন। আবার পুলিশের ব্যারিকেড এড়িয়ে দৌড়ানোর দৃশ্য, প্রতিবাদের মুহূর্ত এবং বিভিন্ন ঘটনার চিত্র দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আন্দোলন আরও বড় আকারে মানুষের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু দিল্লি নয়, কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়সহ দেশের বিভিন্ন শহরেও সংহতি কর্মসূচি পালিত হয়েছে। যাঁরা সরাসরি অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের অনেকেই আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার পাঠিয়েছেন। কিছু জায়গায় বিনামূল্যে চা বিতরণের ব্যবস্থাও করা হয়।

আন্দোলনের সূচনা সময়ের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন করছিলেন। পরে সেই আন্দোলন আরও গতি পায়, যখন মোদি প্রশাসন কর্তৃক তাকে জোরপূর্বক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সংসদ অভিমুখে সোমবার (২০ জুলাই) পদযাত্রার ডাক দেওয়া হলে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এবং তরুণ এতে অংশ নেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ভারতের নতুন প্রজন্ম প্রতিবাদকে নতুনভাবে উপস্থাপন করছে। তারা হাস্যরস, মিম, গান, ভিডিও এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে এসবের আড়ালে তাদের মূল লক্ষ্য একটাই, তাঁদের দাবি ও ক্ষোভকে সবার সামনে তুলে ধরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

মিম, হাসি ও প্রতিবাদের মাধ্যমে ভারতের তরুণদের বিক্ষোভ
পরবর্তী খবর

অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামে শিশুকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামে শিশুকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার তিনজন

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বিদ্যালয় থেকে অপহৃত ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন (৭) নামে এক শিশুকে অভিযান চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় অপহরণকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপহরণের জন্য ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. রাকিব (২২), মো. ফয়সাল (৩২) এবং মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৫)।

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার পশ্চিম সরফভাটা ইমাম আজম আবু হানিফা (র.) স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ওয়াসিফা জান্নাত তাসকিন গত ২০ জুলাই সকালে প্রতিদিনের মতো স্কুলে যায়। ছুটি শেষে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। শিশুটির এক সহপাঠী জানায়, এক ব্যক্তি নিজেকে অটোরিকশাচালক পরিচয় দিয়ে তাসকিনকে বলেন- তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং তাকে বাবার কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই প্রতারণামূলক কৌশলে শিশুটিকে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুর বাবা দেলোয়ার হোসেন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. রাসেল বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং ধারাবাহিক গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে দিন-রাতব্যাপী অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে অপহৃত শিশু তাসকিনকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে অপহরণে ব্যবহৃত অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সাল ভিকটিমের বাবার আপন মামাতো ভাই। তিনি পূর্বপরিকল্পিতভাবে শিশুটিকে অপহরণ করে তার বাবার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করেন। এ কাজে পরিচিত কয়েকজন অটোরিকশাচালককে সম্পৃক্ত করেন এবং মুক্তিপণের অর্থ ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালাবদ্ধ ঘর থেকে কাঁথা মোড়ানো তরুণের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


তালাবদ্ধ ঘর থেকে কাঁথা মোড়ানো তরুণের মরদেহ উদ্ধার

খুলনায় একটি ভাড়া বাসা থেকে বিশ্বজিৎ দেউড়ী (৩৫) নামে এক তরুণের রক্তাক্ত মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনার পর থেকে তার রুমমেট ও সহকর্মী অন্তর সরকার নিখোঁজ রয়েছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে পাইকগাছা পৌর এলাকার হাসপাতাল মোড় এলাকা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত বিশ্বজিৎ দেউড়ী (৩৫) ঝালকাঠি সদর উপজেলার বেতরা গ্রামের হিরালাল দেউড়ীর ছেলে। তিনি আরএফএলের ভিগো গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অপরদিকে, নিখোঁজ অন্তর সরকার মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লিটন সরকারের ছেলে। তিনি একই প্রতিষ্ঠানে টেকনিশিয়ান হিসাবে কাজ করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্বজিৎ এবং অন্তরের সঙ্গে কর্মরত সহকর্মী নয়ন রায় মোবাইল ফোনে তাদের না পেয়ে ওই ভাড়া বাসায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি দরজায় তালাবদ্ধ অবস্থায় এবং সামনে রক্তমাখা একটি ছুরির খাপ দেখতে পান। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ তালা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে কাঁথা দিয়ে মোড়ানো এবং তোশকে ঢাকা অবস্থায় বিশ্বজিৎ দেউড়ীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তারা প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। পরে ঘটনাস্থলের আলামত পরীক্ষার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক দলকে খবর দেওয়া হয়।

রাত সাড়ে আটটার দিকে সিআইডির ফরেনসিক কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম (মনির) এর নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার (ডি সার্কেল) আমির হামজা এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী পুলিশের সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা যৌথভাবে ঘটনাস্থলের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, সোমবার গভীর রাতের মধ্যে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

বাড়ির মালিক রামপ্রসাদ মণ্ডল জানান, বিশ্বজিৎ ও অন্তর তার বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন। কিন্তু ঘটনার পর থেকে অন্তরকে আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।

আরএফএল কোম্পানির পাইকগাছা শাখার ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম বলেছেন, বিশ্বজিৎ এবং অন্তর উভয়েই তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকে অন্তর সরকারের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর তিনি কক্ষে তালা দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে থেকে চলে যান।

এই বিষয়ে পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী বলেছেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের পাশাপাশি অন্তরকে খুঁজে বের করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে শিশু জান্নাতুল হত্যা মামলা, আসামি রবিউলের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


নড়াইলে শিশু জান্নাতুল হত্যা মামলা, আসামি রবিউলের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

নড়াইল সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল মাওয়া জান্নাতিকে ধর্ষণের পর হত্যা করার ঘটনায় ঘাতক রবিউল সিকদার রবির (৩৫) দুই দিনের রিমান্ড আদালত মঞ্জুর করেছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল থেকে আসামির ২ দিনের রিমান্ড শুরু হয়েছে। এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে পুলিশ আসামি রবির বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে নড়াইল সদর আমলি আদালতের বিচারক মারুফ হাসান বুধবার সকালে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার একমাত্র আসামি রবিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কঠোর নিরাপত্তা দিয়ে বুধবার নড়াইল সদর থানায় নেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু।

অপরদিকে, বুধবার দুপুরে নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে স্থানীয় এলাকাবাসী, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা ব্যানার ও বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্লেকার্ড হাতে নেন এবং অভিযুক্ত রবিউল সিকদারের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি করেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, রামচন্দ্রপুর পাচুড়িয়াপাড়া গ্রামের মফিজুর রহমানের পাঁচ বছরের নিষ্পাপ শিশু জান্নাতুলকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে ঘরের ভেতর আটকে রেখে পাশবিক অত্যাচার ও হত্যা করা হয়েছে। এমন একটি জঘন্য এবং নারকীয় হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা সম্ভব নয়। অপরাধীকে ইতোমধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা যেন না ঘটে, সেদিকে কঠোর নজর দেওয়ার আহ্বান তারা জানান।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলাটি নিষ্পত্তি করে অপরাধীর ফাঁসি নিশ্চিত না করা হলে নড়াইলে আরও তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে জান্নাতুলের বাবা মফিজুর রহমান স্থানীয় হাট থেকে মিষ্টি নিয়ে বাড়িতে আসেন। জান্নাতুল সেই মিষ্টি খেতে খেতে বাড়ির পাশের রাস্তায় ঘোরাফেরা করার সময় প্রতিবেশী ফুফাতো ভাই রবিউল সিকদার তাকে ডেকে নিজের ঘরে নিয়ে যান। ঘণ্টাখানেক পরে জান্নাতুল বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রবিউলের ঘরের মেঝেতে কাঁথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার পরদিন, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে দত্তপাড়া এলাকা থেকে আসামি রাজমিস্ত্রি রবিকে আটক করে পুলিশ স্থানীয় জনতার হাতে সোপর্দ করে।

নিহত জান্নাতি দত্তপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঘাতক রবিউলের ফাঁসির দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে নড়াইল। বৃষ্টির তোয়াক্কা করে ছাত্র-জনতা এসপি অফিসের সামনে নড়াইল-মাইজপাড়া-মাগুরা সড়কে অবস্থান নেন। পাশাপাশি, নড়াইল-বেনাপোল-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কের দত্তপাড়া এলাকায় টানা ৪ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত রবিউলের দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।

মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযুক্ত রবিউলের কাছে মোবাইল ফোন না থাকা সত্ত্বেও পুলিশ সর্বোচ্চ প্রযুক্তি এবং সক্ষমতা ব্যবহার করে তাকে দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, আসামির বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হবে এবং রবিউলের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে আইনি সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে তিন মাদক ব্যবসায়ীর ছয় মাসের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


পঞ্চগড়ে তিন মাদক ব্যবসায়ীর ছয় মাসের কারাদণ্ড

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় মাদক বিক্রির সময় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে এ রায় প্রদান করেন। এ সময় তাদের কাছে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ সেবনের মালামাল জব্দ করে পুলিশ। পরে বুধবার (২২ জুলাই) সকালে দণ্ডপ্রাপ্তদের পুলিশের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আটোয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিয়ার রহমান।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার রাধাঁনগর ইউনিয়নের পুরাতন আটোয়ারী এলাকার সুব্রত চন্দ্র (২৩), আরমান আলী (২২) ও লিয়াকত আলী (২৫)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আটোয়ারী থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২০ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পুরাতন আটোয়ারী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদক বিক্রির সময় ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ সুব্রত চন্দ্র, আরমান আলী ও লিয়াকত আলীকে আটক করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী প্রত্যেককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

আটোয়ারী থানার ওসি মতিয়ার রহমান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক কারবারি ও মাদকসংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষকে মাদকের তথ্য প্রশাসনকে জানিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%