ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরিদাসের বিরুদ্ধে ৯ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলা সিআইডির


হরিদাসের বিরুদ্ধে ৯ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলা সিআইডির

বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে, হরিদাস চন্দ্র তরণী, যিনি তৌহিদ ইসলাম নামেও পরিচিত, তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এ বিষয়ে সোমবার (১৩ জুলাই) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট জানিয়েছে, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র তরণী ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তৌহিদ ইসলাম নাম গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি বিভিন্ন সময়ে নিজেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং সরকারি চাকরি, বদলি, হুন্ডি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের সঙ্গে যুক্ত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। জনগণের মাঝে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য তিনি নিজে ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে সম্পাদিত (এডিট করা) ছবি, পাশাপাশি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে সংরক্ষিত ভুয়া ফোনকল প্রদর্শন করতেন।

সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযুক্তের বৈধ কোনো আয়ের উৎস নেই। তবে তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে মোট ৯ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে এবং প্রায় একই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য ব্যক্তি তার হিসাবে অর্থ জমা করেছেন, যা তার পেশা ও পরিচয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এর আগে বনানী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং দণ্ডবিধির প্রয়োজনীয় ধারা অনুযায়ী প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গসহ বিভিন্ন অভিযোগে একটি মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিলের চূড়ান্ত শুনানি ৮ ডিসেম্বর

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক সপ্তাহে ওজন দ্বিগুণ হলেও রোগীর ভাগে কমই মেলে মাংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


এক সপ্তাহে ওজন দ্বিগুণ হলেও রোগীর ভাগে কমই মেলে মাংস

গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের রোগীদের জন্য সরকারি বরাদ্দের মাংসের ওজন এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। তবে নিয়ম অনুযায়ী ১৯০ গ্রাম বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও তদন্ত কমিটি মাংসের ওজন মেলানোর সময় ৬০ থেকে ৭০ গ্রাম ব্রয়লার মুরগির মাংস পেয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যগণ সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদার শাহাদত হোসেন চটেছেন।

গত ৫ জুলাই গাইবান্ধা সদর আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম হাসপাতালের রান্নাঘরে রোগীদের জন্য বরাদ্দের মাংসের ওজন করেন। ওইদিন মাংসের ওজন মেলানোর সময় এক টুকরো মাংসের ওজন ছিল চল্লিশ গ্রাম, আর পাঁচ টুকরো মাংসের মোট ওজন ছিল ২৫ থেকে ৩৫ গ্রাম। অথচ প্রত্যেক রোগীকে দুপুরের খাবারে ১৯০ গ্রাম মাংস সরবরাহ করার কথা।

সময় সংবাদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর স্বাস্থ্য বিভাগ রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানাকে সভাপতি করে বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ আলম এবং রংপুর বিভাগের সহকারী পরিচালক ডা. মেশকাতুল আবেদকে সদস্য করে একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি সোমবার (১৩ জুলাই) হাসপাতালে সরেজমিন তদন্ত করেন। ওই সময় হাসপাতালের রান্নাঘরে রোগীদের জন্য বরাদ্দের মাংসের ওজন ছিল ৬০ থেকে ৭০ গ্রাম।

তদন্তকালে খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদার শাহাদত হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, 'হাসপাতালে ডাক্তার নেই, নার্স নেই, সেটা নিয়ে নিউজ না করে হাসপাতালের রান্নাঘরে কেন আসছেন। এতো ছোট ব্যাপারে নিউজ করতে হবে কেন?'

তদন্ত কমিটির সদস্য ও বগুড়ার সিভিল সার্জন ডা. খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের জানান, 'খাদ্য সরবরাহের অনিয়ম নিয়ে তারা তদন্ত করছেন। রোগী, চিকিৎসক, ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে তারা কথা বলেছেন। কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন দেয়ার পর তারা ব্যবস্থা নেবেন।' হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক রোগীদের সরবরাহ করা খাবারের ওজন মনিটরিংয়ে দায়িত্বে অবহেলা করেছেন কিনা, এমন প্রশ্ন করা হলে তদন্ত কমিটির সদস্যরা সেখানেও কোনো উত্তর দিতে চাননি।

এদিকে, হাসপাতালের চত্বরে মানববন্ধন করে সচেতন নাগরিকরা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ জানান। তারা রোগীদের বরাদ্দের খাবার সরবরাহে অনিয়ম ও সম্প্রতি হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, ফুলছড়ি, গোবিন্দগঞ্জ, সাদুল্লাপুর, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি; এই সাত উপজেলায় প্রায় ২৬ লাখ মানুষের ভরসা জেলা সদরের এই হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে প্রচুর জনবল, চিকিৎসক, সেবিকা ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সংকটে ভুগছে। হাসপাতালের পাশে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হলেও বাড়ির প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে ভবনটি সচল করা যাচ্ছে না। এ কারণে সাধারণ মানুষকে নানা দুর্ভোগের মধ্যে এখানে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


ফরিদপুরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুরে গৃহবধূকে যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী লালন মোল্লাকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও এই সময়ে আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এই আদেশ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ভাটদি গ্রামের সাজেদা বেগমের (৪০) সঙ্গে মধুখালী উপজেলার কামারখালী গ্রামের লালন মোল্লার (৫০) পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরে তারা ফরিদপুর শহরে বাসা ভাড়া করে বসবাস শুরু করে।

বিয়ের পর থেকে লালন মোল্লা তার স্ত্রী সাজেদা বেগমকে যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক এনে না দেয়ায় তিনি শুরু করেন অত্যাচার ও নির্যাতন।

অবশেষে ২০২২ সালের ২৩ আগস্ট ভোরে টাকা এনে না দেয়ার কারণে কথা কাটাকাটির সময় লালন মোল্লা লোহার রড দিয়ে সাজেদা বেগমকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এরপর পরদিন নিহত সাজেদা বেগমের বোন মাজেদা বেগম বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ লালন মোল্লাকে গ্রেফতার করে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।

দীর্ঘ সাক্ষী ও শুনানি শেষে, সোমবার দুপুরে বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন জানিয়েছেন, এ রায়ে তারা খুশি। তাদের মতে, এ রায়ের ফলে সমাজে যৌতুকের দাবিতে হত্যার ঘটনা হ্রাস পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ পি.এম


দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে কিংবা ভারতের মাটিতে যেখানেই তিনি আত্মসমর্পণ করুন, তবুও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনাকে জেলেই যেতে হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির রাজনৈতিক বক্তব্য সরকারের নীতিনির্ধারণে কোনো প্রভাব ফেলে না বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গণঅভ্যূত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে তিনি প্রায় দুই বছর ভারতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চলতি বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।

এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা যদি বাংলাদেশে অথবা অন্য যেকোনো স্থান থেকে আত্মসমর্পণ করেন, তবুও প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির রাজনৈতিক বক্তব্য সরকারের নীতিনির্ধারণে কোনো প্রভাব ফেলে না।

শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশ কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা দেবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু বা অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে সরকার আইনগত ও কূটনৈতিক, উভয় প্রক্রিয়াতেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে বলে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেয়র পদে নির্বাচন করতে ছাত্রশিবির ছাড়লেন সাদিক কায়েম!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


মেয়র পদে নির্বাচন করতে ছাত্রশিবির ছাড়লেন সাদিক কায়েম!

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সংগঠনটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করবেন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি নিজেই গণমাধ্যমের সামনে ছাত্রশিবির থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করেছেন।

সাদিক কায়েম মন্তব্য করেন, 'বছরে দুইবার ছাত্রশিবিরের সেটআপ হয়। ২০২৬ সালের ষাণ্মাসিক সেটআপে আমার বিদায় হয়েছে।'

জানা গেছে, সাদিক কায়েম ২০১৩ সালে ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে উপস্থিত হন। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি সংগঠনের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করেন। এছাড়াও, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাদিক।

এমনকি গত ১ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার পর জানানো হয়, ছাত্রশিবিরের পদে থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%