ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না, তা জানাবে যেসব লক্ষণ


ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না, তা জানাবে যেসব লক্ষণ

ডেঙ্গু জ্বরের সৃষ্টি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগটি হয়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা যখন কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন ৩-১৩ দিনের মধ্যে সেই ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।

সাধারণ ডেঙ্গুর লক্ষণ

১. তীব্র জ্বর (১০৪°-১০৫° ফারেনহাইট এমনকি তার বেশি)

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

২. মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা

৩. শরীরের অস্থি, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি এবং মাংসপেশিতে তীব্র ও প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হওয়া।

৪. ক্লান্তিবোধ, অরুচি ও বমি বমি ভাব।

৫. শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যাওয়া

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুর বিপজ্জনক লক্ষণ

১. তীব্র পেটে ব্যথা

২. ক্রমাগত বমি হতে থাকা

৩. পেটে বা ফুসফুসে পানি জমা হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট।

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৪. অতিরিক্ত দুর্বলতা, অবসাদ কিংবা অস্থিরতা।

৫. চামড়া কিংবা মিউকাস ঝিল্লির নিচে রক্তক্ষরণ অথবা নাক, মুখ বা মলদ্বার থেকে তীব্র রক্তপাত।

৬. যকৃত ২ সে.মি. এর বেশি বড় হয়ে যাওয়া।

৭. রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ দ্রুত কমে যাওয়া এবং হেমাটোক্রিট দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের বাজেটের বড় অংশ ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যয় হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৮. জন্ডিস হওয়া এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমতে থাকা।

৯. রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া

১০. নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হওয়া।

১১. শরীরের হাত-পা ও অন্যান্য অংশ ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিনামূল্যে অনলাইন কোর্সে আবেদন করার পদ্ধতি

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সাধারণ ডেঙ্গুর উপসর্গের পাশাপাশি যদি এ ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। মূলত জ্বর কমে যাওয়ার পর ডেঙ্গুর সংকটাপন্ন দশা শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এ কারণে ‘জ্বর কমে গেলেই রোগী সুস্থ হয়ে গেল’—এমন ধারণা রাখা উচিত নয়। যারা পূর্বে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে আবারও রোগটি হলে তা মারাত্মক হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি ২০২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি ২০২৭

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘ এক দশকের প্রতীক্ষার পর দ্বিতীয় সমাবর্তন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার সম্মতি প্রদান করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে সমাবর্তন আয়োজনের লক্ষ্যে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সমাবর্তন সুষ্ঠু ও সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী সমাবর্তন ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপাচার্য ড. আমানুল্লাহ সভায় বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সমাবর্তন শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের অর্জন ও সাফল্যের স্বীকৃতি। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর প্রত্যাশা বিবেচনায় নিয়ে এটি একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও স্মরণীয় আয়োজন হিসেবে রূপ দিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গতকাল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সমাবর্তন বক্তা নির্ধারণ, কোন কোন শিক্ষাবর্ষের গ্র্যাজুয়েটরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়াসহ বিস্তারিত তথ্যাবলী দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এই সমাবর্তন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। দেশের প্রায় আড়াই হাজার কলেজের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ বছর বিরতির পর আবার সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর দ্বিতীয় সমাবর্তনের আয়োজন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, বিপুল সংখ্যক গ্র্যাজুয়েটের অংশগ্রহণে সমাবর্তনটি একটি বড় আয়োজন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও দপ্তর প্রধানগণ। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় ডেলিভারি দিতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের গুলিতে কুরিয়ারকর্মী আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


খুলনায় ডেলিভারি দিতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের গুলিতে কুরিয়ারকর্মী আহত

খুলনা শহরে কুরিয়ার সার্ভিসের পণ্য ডেলিভারি করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন কাজী সাজ্জাদ (২৫) নামের এক যুবক। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল বেলা নগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোডে এই ঘটনা ঘটে।

আহত যুবক সাজ্জাদ টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি পাঠাও কুরিয়ার সার্ভিসে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সাজ্জাদ মোটরসাইকেলে করে কুরিয়ার পণ্য ডেলিভারি দিতে টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোডে পৌঁছান। ঠিক সেই সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে, যার ফলে তার বাম পায়ে গুলি লাগে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন রিপন জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, টুটপাড়া এলাকার রাব্বি, জিতু ও জিসান এই হামলার সঙ্গে জড়িত। তবে সাজ্জাদের ওপর হামলার কারণ এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ঘটনায় জড়িতদের আটকের জন্য চেষ্টা চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: তিন দাবি মানলে ঢাকা শহরে ককটেল ফুটবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী: তিন দাবি মানলে ঢাকা শহরে ককটেল ফুটবে না

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, সরকার তিনটি দাবি মেনে নিলে ঢাকা শহরে আর কোনো ককটেল ফুটবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন, "আওয়ামী লীগকে (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বাদ দেওয়া, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার… আমরা তো এই তিনটা দাবিতে রাজপথে আছি।"

তিনি আরও বলেন, "সরকার তো এই দাবিগুলো মানছে না। দাবিগুলো মানলে তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।" সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে এনসিপির প্রতিবাদ মিছিলের শেষে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন। নেভি গলিতে দাঁড়িয়ে দেওয়া বক্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মূলত বোঝাতে চেয়েছেন যে, তাদের দাবি মানলে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে এবং দলটি নিষিদ্ধ হলে তাদের কর্মীরাও (আওয়ামী লীগের) ককটেল মারার সুযোগ পাবে না।

তিনি আরও জানান, "গতকালও দুটি মিছিল হয়েছে। আওয়ামী লীগকে (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বাংলাদেশে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার। ১১ দলীয় জোট এটাই তো বলে আসছে।"

এছাড়া, ১১ দলীয় জোট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো মিছিল না করার অভিযোগের বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, "এটা সত্য নয়।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে আমনের আবাদে স্বস্তি, মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


চট্টগ্রামে আমনের আবাদে স্বস্তি, মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ

বন্যার ক্ষতির ধকল, জমিতে জমে থাকা পানি, নষ্ট হয়ে যাওয়া বীজতলা— এসব উদ্বেগকে পেছনে ফেলে চট্টগ্রামে কৃষকরা আমন আবাদের কাজ প্রায় সম্পন্ন করে ফেলেছেন। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল জেলার কৃষিজমিতে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ আমনের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। ভাদ্রের হালকা বৃষ্টিতে রোপা চারা প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে। মাঠজুড়ে সবুজের বিস্তার ঘটেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র জানাচ্ছে, চট্টগ্রামে এবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর জমিতে। এর বিপরীতে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১০০ শতাংশ। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছেছে আমন আবাদের কাজ।

চট্টগ্রামের বৃহত্তম কৃষিক্ষেত্র রাঙ্গুনিয়ার গুমাইবিলে ইতোমধ্যে আমনের চারা রোপণ শেষ হয়েছে। সেখানে এখন ধীরে ধীরে আমনের গুচ্ছ পরিপক্ব হয়ে উঠছে, পুরো বিলজুড়ে বাতাসে দোল খেতে শুরু করেছে সবুজ পাতা। দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, পটিয়া, আনোয়ারা, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া এবং লোহাগাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ সবুজে ছেয়ে গেছে। গত কয়েকদিন আগে সরেজমিনে পটিয়ায় দেখা গেছে, সেখানকার কৃষকরা এখন ধান রোপণের পর জমিতে প্রথম দফার সার প্রয়োগ করছেন, কোথাও কোথাও আগাছা পরিষ্কারও চলছে।

পটিয়ার হাইলধর এলাকার কৃষক সৈয়দ নূর মন্তব্য করেন, ‘আমি প্রতি বছর ৫ কানি (দুই একর) জমিতে ধান চাষ করি, এবারও তা-ই করেছি। এবারের বর্ষা খুব ভালো যাচ্ছে, ফুল বর্ষা (কোনো বছর অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টি না হলে চাষের সুবিধা বুঝাতে স্থানীয় ভাষায় এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়) পানির সংকট হচ্ছে না, জমি একবার শুকাতে না শুকাতে আবারও বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া ভালো থাকায়, আমন রোপা হাইল ধরেছে (পরিপক্ব হওয়া)। এবারে ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, অনুকূল আবহাওয়া, সময় মতো চারা রোপণ, প্রয়োজনীয় সার ও বীজের সরবরাহ এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তার কারণে এবারের আমন আবাদ দ্রুত এগিয়েছে। বন্যার পরও চারা নিয়ে কৃষকদের বড় ধরনের সংকটে পড়তে হয়নি। সরকারি পক্ষ থেকে দ্রুত পুনর্বাসন সহায়তা দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সময় মতো মাঠে ফিরতে পেরেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারেও আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। জেলায় মোট ১৮ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে হাইব্রিড, উফশী ও স্থানীয় জাত মিলিয়ে ১৮ হাজার ৪২২ হেক্টর জমিতে ইতোমধ্যে আমন চারা রোপণ করা হয়েছে, আবাদের অগ্রগতি ৯৯ শতাংশ।

নোয়াখালীতে আমন আবাদের চিত্র আরও এগিয়ে রয়েছে। জেলার এবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফেনীতে এবারের আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৬৬ হাজার ৮৯৪ হেক্টর। ইতোমধ্যে ৬৬ হাজার ৮৩৭ হেক্টর জমিতে আবাদের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাঁচ জেলার মধ্যে লক্ষ্মীপুরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আবাদের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি হয়েছে। জেলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অগ্রগতি হয়েছে ১১৭ শতাংশ। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, আমনের ভালো দাম পাওয়ার প্রত্যাশা, অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষকদের আগ্রহের কারণে অনেক জমিতে পরিকল্পনার বাইরে গিয়েও আমন আবাদ হয়েছে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, আমন মৌসুমে চারা সংকট তৈরি হলে আবাদের কাজ পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এবারে সরকারি উদ্যোগে চারা উৎপাদন ও বিতরণ এবং স্থানীয়ভাবে কৃষকদের প্রস্তুত করা বীজতলার কারণে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়নি। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকেরা নিজেদের বীজতলা থেকে চারা সংগ্রহের পাশাপাশি স্থানীয় নার্সারি ও কৃষি বিভাগের সহায়তাও পেয়েছেন। ফলে জমি প্রস্তুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চারা রোপণ করা সম্ভব হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক কৃষিবিদ আপ্রু মারমা জানান, এবারের আমন মৌসুমের শুরুতে বন্যার কারণে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পানি নেমে যাওয়ার পর কৃষকরা দ্রুত জমি প্রস্তুত করেছেন। প্রয়োজনীয় সার-বীজ ও চারা সরবরাহ নিশ্চিত থাকায় রোপণ কাজে বড় ধরনের ছন্দপতন হয়নি। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত আমনের জন্য সহায়ক থাকায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন দ্রুত সম্ভব হয়েছে।

সাতকানিয়ার একজন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, এবারে সবচেয়ে ইতিবাচক বিষয় হচ্ছে কৃষকদের মধ্যে আমন আবাদ নিয়ে আগ্রহ কমেনি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি সহায়তা দেওয়া হয়েছে, অনেক জায়গায় চারা ও বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে চারা সংকট তৈরি হয়নি। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সারসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত থাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই আবাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%