০২:৫৮ পি.এম
খাদ্যপণ্যে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং ও হাইড্রোজের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, জিলাপি, মিষ্টি, বেকারি পণ্য, চানাচুর ও আইসক্রিমসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যকে আকর্ষণীয় করতে অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব রাসায়নিক ব্যবহার করছেন। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়ে খাদ্যে ভেজাল রোধে অনিয়ম শনাক্ত করছে।
কাপড়ে ব্যবহৃত রঙে ক্ষতিকর রাসায়নিক যেমন সিসা ও ক্যাডমিয়ামের মতো ভারী ধাতু থাকতে পারে। শরীরে এসব উপাদান প্রবেশ করলে লিভার ও কিডনির ক্ষতি সহ নানা স্বাস্থ্যগত জটিলতা দেখা দিতে পারে। কিছু রাসায়নিক দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে, যা উদ্বেগজনক।
অন্যদিকে, হাইড্রোজ বা সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট একটি ব্লিচিং এজেন্ট হিসেবে পরিচিত, যা শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত হয়। খাদ্যে এর অনুপযুক্ত ব্যবহার ভোক্তাদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। রাসায়নিকটির মাত্রা ও সংস্পর্শের ধরন অনুযায়ী শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খাদ্যে ভেজাল ও নিষিদ্ধ রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধ করতে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করছে। অনিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, খাদ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত নজরদারি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। ভোক্তাদের অতিরিক্ত উজ্জ্বল রঙের খাবার কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল বা নিষিদ্ধ রাসায়নিক ব্যবহারের তথ্য পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন