প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ডেঙ্গু জ্বরের সৃষ্টি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগটি হয়। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা যখন কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন ৩-১৩ দিনের মধ্যে সেই ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।
সাধারণ ডেঙ্গুর লক্ষণ
১. তীব্র জ্বর (১০৪°-১০৫° ফারেনহাইট এমনকি তার বেশি)
২. মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা
৩. শরীরের অস্থি, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি এবং মাংসপেশিতে তীব্র ও প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হওয়া।
৪. ক্লান্তিবোধ, অরুচি ও বমি বমি ভাব।
৫. শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যাওয়া
ডেঙ্গুর বিপজ্জনক লক্ষণ
১. তীব্র পেটে ব্যথা
২. ক্রমাগত বমি হতে থাকা
৩. পেটে বা ফুসফুসে পানি জমা হওয়া এবং শ্বাসকষ্ট।
৪. অতিরিক্ত দুর্বলতা, অবসাদ কিংবা অস্থিরতা।
৫. চামড়া কিংবা মিউকাস ঝিল্লির নিচে রক্তক্ষরণ অথবা নাক, মুখ বা মলদ্বার থেকে তীব্র রক্তপাত।
৬. যকৃত ২ সে.মি. এর বেশি বড় হয়ে যাওয়া।
৭. রক্তে অণুচক্রিকার পরিমাণ দ্রুত কমে যাওয়া এবং হেমাটোক্রিট দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া।
৮. জন্ডিস হওয়া এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমতে থাকা।
৯. রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া
১০. নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হওয়া।
১১. শরীরের হাত-পা ও অন্যান্য অংশ ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সাধারণ ডেঙ্গুর উপসর্গের পাশাপাশি যদি এ ধরনের কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। মূলত জ্বর কমে যাওয়ার পর ডেঙ্গুর সংকটাপন্ন দশা শুরু হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এ কারণে ‘জ্বর কমে গেলেই রোগী সুস্থ হয়ে গেল’—এমন ধারণা রাখা উচিত নয়। যারা পূর্বে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে আবারও রোগটি হলে তা মারাত্মক হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন