বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০৩ এম
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ জানিয়েছেন, সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ চলছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমের মালিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। কিভাবে ফেক নিউজ, মনগড়া (কনককটেড) নিউজ ও বিকৃত (ডিস্টোর্টেড) নিউজকে আইনের আওতায় আনা যায়। এটা শুধু বাংলাদেশে নয়, সব জায়গাতেই একটি সমস্যা। এখানে একটি ব্যালেন্স তৈরি করতে হবে।"
মন্ত্রী আরও বলেন, "একটি হলো স্বাধীন মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা (ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন), অন্যটি হলো এই ধরনের আজেবাজে নিউজ। আমার বিশ্বাস, খুব শীঘ্রই এটি একটি পরিণত পর্যায়ে পৌঁছাবে।"
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে ভোলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নেত্রকোনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যার বিচার প্রসঙ্গে আশ্বাস প্রদান করে মন্ত্রী বলেন, "এ বিষয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সঠিক তদন্ত করবে এবং আইন সবার জন্যই সমান। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য আইন সমান। তাই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সারদীয় উৎসবের সার্বিক পরিবেশে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "আমরা আগেও বলেছি, এখনো বলছি যে জাতীয়তাবাদী সরকার সহমত ও সহ-অবস্থানে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে হিন্দু মুসলমান অত্যন্ত সুন্দরভাবে আন্তরিকভাবে একই ছাদের নিচে থাকতে পারি। আমরা নিজেদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারি।"
এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তা ও পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার পেচারদ্বীপ সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে তিন তরুণের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা তল্লাশি কার্যক্রম চালাচ্ছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে নির্জন সৈকতে এই ঘটনা ঘটে। নিহত তিনজনের মধ্যে রোহান ও জিশান ঢাকার উত্তরার বাসিন্দা। অপরজন আকাশ চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাংলাবাজারের বাসিন্দা। নিখোঁজ দুজন হলেন ঢাকার উত্তরার নিবিড় ও চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার হারুন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম থেকে আসা পাঁচ পর্যটক এবং ঢাকা থেকে আসা সাত পর্যটক ওই সময় সৈকতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের একজন সমুদ্রে ভেসে যেতে থাকলে বাঁচার জন্য চিৎকার শুরু করেন। তাকে উদ্ধার করতে অন্যরা এগিয়ে আসেন। একপর্যায়ে তারা পরস্পরের হাত ধরে শিকলের মতো তৈরি করে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু হঠাৎ করে বড় ঢেউ আছড়ে পড়লে তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। ঢেউয়ের তোড়ে কয়েকজন একে অপরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পানিতে তলিয়ে যান।
বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে বিপদে
নিহত রোহানের খালু মো. জাহিদ বলেন, তারা সমুদ্রে গোসল করতে নেমেছিলেন। তাদের থেকে কিছুটা দূরে থাকা এক পর্যটক পানিতে ভেসে যাওয়ার সময় ‘হেল্প, হেল্প’ বলে চিৎকার করছিলেন। তখন তার চার-পাঁচজন বন্ধু তাকে উদ্ধারে এগিয়ে যান। একে অপরের হাত ধরে শিকলের মতো তৈরি করে তাকে টেনে আনার চেষ্টা করেন।
জাহিদ আরও বলেন, উদ্ধারের চেষ্টা চলাকালীন হঠাৎ একটি বড় ঢেউ আছড়ে পড়ে। তখন তারা পানির নিচে পা রাখতে পারছিলেন না। ঢেউয়ের ধাক্কায় একে অপরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সবাই স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকেন। পরে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
সাঁতার না জেনেও সমুদ্রে নামেন পর্যটকেরা।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার মো. আবু জাফর বলেন, সাঁতার জানেন না এমন ব্যক্তিদের জন্য, সাঁতার জানা ব্যক্তিদেরও বঙ্গোপসাগরের মতো উত্তাল সমুদ্রে নামার সময় সতর্ক থাকা উচিত। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
আবু জাফর জানান, পর্যটকদের তাঁরা সাঁতার জানেন কি না, তা জানতে চেয়েছিলেন। তারা কেউই সাঁতার জানেন না বলে জানান। এরপর সাঁতার না জেনে এত সমুদ্রে কেন নেমেছেন, জানতে চাইলে পর্যটকেরা তাঁকে বলেন, ‘তারা যে রিসোর্টে উঠেছিলেন সেখান থেকে জানানো হয়েছিল, সেখানে নামলে কোনো সমস্যা হবে না।’
উদ্ধার অভিযান চলছে
রামুস্থ হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোলাইমান বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ি ও রামু থানার পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের একটি দল কাজ করছে। উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের নিষেধ সত্ত্বেও পর্যটকেরা ওই স্থানে পানিতে নামেন। একপর্যায়ে দুর্ঘটনা ঘটলে অন্যান্য পর্যটকেরা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে যান। এ ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে, দুজন নিখোঁজ রয়েছেন এবং একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইউএনও আরও জানান, সংশ্লিষ্ট রিসোর্টের মালিকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করছে। তাদের সঙ্গে জেলা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরাও রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রিসোর্টগুলোর নিয়মকানুন না মানা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের শায়বাহ তেলক্ষেত্রে সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনার উপর ড্রোন হামলা পরিচালিত হয়েছে। এই হামলা বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে ঘটে, যার ফলে দুইজন প্রবাসী কর্মী প্রাণ হারান এবং আরও দুইজন আহত হন, এমনটি নিশ্চিত করেছে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেলক্ষেত্রের একটি প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে আসা ড্রোনটি সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা আকাশে থাকা অবস্থাতেই ধ্বংস করা হয়। তবে হামলার সময় তেলক্ষেত্রের সীমানার বাইরে অবস্থিত একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে আগুন লেগে যায়। এই ঘটনার ফলে সৌদি আরামকোর মূল পরিচালন কার্যক্রমে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।
নিহত দুই প্রবাসী কর্মীর মধ্যে একজন ফিলিপাইন এবং অপরজন নেপালের নাগরিক। আহতদের মধ্যে একজন পাকিস্তানি এবং একজন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই সঙ্গে, দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।
সূত্র: সৌদি গ্যাজেট
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী বাজার থেকে অপহৃত ব্যবসায়ী এহেছান (৩৬) কে উদ্ধার করা হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে। এ অভিযানে চট্টগ্রাম ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে সাবেক সেনা ও এসআরবি সদস্যসহ ৬ জন সংঘবদ্ধ অপহরণকারী।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে এ অভিযানটি পরিচালিত হয়।
জেলা ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে টেকনাফের আলীখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্প (লেদা ক্যাম্প-২৫) থেকে অপহৃত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এহছানকে উদ্ধার করা হয়। তার আবাসস্থল বাঁশখালী থানার পশ্চিম পুইছড়ি এলাকায় অবস্থিত।
চট্টগ্রাম জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা সাবেক সেনা ও র্যাব (এসআরবি) সদস্য সুমন মুন্সি (৩২) সহ ৬ জনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মিজানুর রহমান (২৯), জয়নাল উদ্দিন (২৮), মো. আব্বাস উদ্দিন (৩১), মো. ছলিম ওরফে সেলিম (৩০) এবং দেলোয়ার হোসেন (৪০)।
উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ রাত প্রায় সাড়ে ৮টায় ভিকটিমকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে এসআরবি পোশাক পরিহিত অবস্থায় সাবেক সেনা ও র্যাব (এসআরবি) সদস্য সুমন মুন্সি এবং অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে দৃষ্কৃতকারীরা বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে ভিকটিমের স্ত্রী এবং দোকানের ম্যানেজার মোজ্জাফফর উদ্দিনকে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। তারা দাবিকৃত টাকা না দিলে ভিকটিমকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
এ ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে অবস্থিত আম্বর আলী শাহ মাজারের মূল ফটকের তালা ভেঙে দানবাক্স থেকে প্রায় এক লাখ টাকার চুরির অভিযোগ উঠেছে। এর পাশাপাশি, মাজার থেকে আটটি কাঁসার পাতিল ও বেশ কিছু আসবাবপত্রও চুরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যে উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মধ্যনগর এলাকায় এ চুরির ঘটনা ঘটে।
মাজার কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখানে দিনরাত একটি মাদকের সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকে এবং মাদকাসক্তরা এখানে মাদক সেবন করে থাকে। তাদের ওপর সন্দেহ করা হচ্ছে যে, তারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে।
এ ঘটনায় মাজারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং এলাকার মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ভক্তদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মোট মূল্য প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি এটিএম বাক্কী কালের কণ্ঠকে জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে এবং মাদকসেবীরা এ ধরনের কাণ্ড ঘটাতে পারে।
এটিএম বাক্কী থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাতে মাজারের ভেতর ও চারপাশ দেখে মূল ফটকে তালা লাগিয়ে চলে যান তিনি। পরদিন বুধবার সকালে মাজারে গিয়ে দেখেন, মূল ফটকের তালা ভাঙা এবং সামনের দরজা খোলা। এরপর আশপাশের লোকজনকে ডেকে এনে মাজারের ভেতরে ও চারপাশে খোঁজাখুঁজি করেন। তখনই মাজারের দানবাক্সে থাকা টাকা ও বিভিন্ন মালামাল চুরি হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।
এটিএম বাক্কী জানান, লুটেরারা মাজারের দানবাক্স থেকে আনুমানিক এক লাখ টাকা, ২০ হাজার টাকা মূল্যের আটটি কাঁসার পাতিল এবং প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন আসবাবপত্র নিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার কাছাকাছি।
একটি ধর্মীয় স্থাপনায় এভাবে তালা ভেঙে অর্থ ও মালামাল চুরির অভিযোগকে ঘিরে মাজারের ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মাজারের ভক্ত রিয়াজ ও স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর বলেন, রাতের আঁধারে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, কীভাবে তারা মাজারে প্রবেশ করেছে এবং চুরি হওয়া মালামাল কোথায় নেওয়া হয়েছে, পুলিশ তা দ্রুত তদন্ত করে বের করুক।
বাক্কী জানান, ঘটনার পর আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর নিয়েও সন্দেহভাজন কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে তিনি বুধবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।
এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন কালের কণ্ঠকে বলেন, মাজারে চুরি হওয়ার ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা জোরালো ভূমিকা রাখব। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ