০৪:১৬ পি.এম
বয়সের দিক থেকে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খান বর্তমানে ৬১ বছর বয়সে পদার্পণ করেছেন। তবে, তার শরীরের ফিটনেস ও কর্মক্ষমতা এখনও অনেকটা তরুণের মতো। শরীরচর্চার সঙ্গে সঙ্গে, তার দৈনন্দিন খাদ্যাভাসে একটি সহজ উপাদান রয়েছে—ঘি।
সম্প্রতি, একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আমির খান উপস্থিত হয়ে জানিয়েছেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তিনি এক টেবিলচামচ বিশুদ্ধ ঘি গ্রহণ করেন। তার কথায়, ঘি খেতে তার অনেক ভালো লাগে।
এই একইভাবে, আমিরের মত বলিউডের আরও অনেক তারকার খাদ্যতালিকাতেও ঘির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উদাহরণ হিসেবে, করিনা কাপুর খান নিয়মিত খাবারের সঙ্গে ঘি খেয়ে থাকেন। ভূমি পেডনেকর রুটি বা অন্যান্য খাবারের সাথে কাঁচা ঘি উপভোগ করেন। সোহা আলি খান তার সন্তানের খাবারে ঘি যোগ করেন। আলিয়া ভাট ঘি এবং গুড়, গুঁড়ো চিনাবাদাম ও নারকেল মিশিয়ে খান। এ ছাড়াও, নীতু কাপুর খাবারের পর অল্প পরিমাণে ঘির সঙ্গে গুড় খান।
আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ঘিরের মধ্যে প্রাকৃতিক ভিটামিনএ, ডি ও ই রয়েছে। এইসব উপাদান ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করতে সক্ষম। ঘিতে অন্তর্ভুক্ত স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে যদি এটি পরিমিত পরিমাণে খাবারে যোগ করা হয়।
এছাড়া, ঘি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করা হয়। তাই, ত্বক, শরীর এবং সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অনেকেই বর্তমানে তাদের খাদ্যতালিকায় পরিমিত ঘি অন্তর্ভুক্ত করছেন।
তবে, কেবল ঘি খেলে বয়সের ছাপ মুছে যাবে বা শরীরের সুস্থতা বজায় থাকবে—এমনটি নয়। বরং, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সঙ্গে পরিমিত ঘি খাওয়ার অভ্যাসই হতে পারে সত্যিকারভাবে উপকারী।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন