ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কিডনি বিকল আরিফুলের চিকিৎসার জন্য ২০-২৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন


কিডনি বিকল আরিফুলের চিকিৎসার জন্য ২০-২৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন

তিন বছর আগে, স্ত্রী বর্ষা খাতুনের কোল আলোকিত করে আসে তাদের একমাত্র ছেলে আদিল আহনাফ। সন্তান জন্মের পর পরিবারে যখন আনন্দের বন্যা বইছিল, তখনই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আরিফুল ইসলাম খুশু।

প্রথমে সাধারণ অসুখ মনে হলেও, তার অসুস্থতা দিন দিন বাড়তে থাকে। পরে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় যে, আরিফুল ইসলাম খুশুর দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে।

এরপর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এভাবে কেটে গেছে তিন বছর। বর্তমানে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝাওডাঙা গ্রামের দুই কিডনি বিকল হওয়া আরিফুল ইসলাম অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপন করা না হলে অকালে ঝরে যেতে পারেন ২৮ বছর বয়সী আরিফুল।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এ কারণে তিনি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করেছেন। জানা গেছে, ২০২৩ সাল থেকে কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আরিফুল ইসলাম খুশু। কিডনি ডায়ালিসিস ও চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন একসময়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পরিবারের অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

অর্থসংকটের কারণে মাঝে মাঝে চিকিৎসা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ধারদেনা করে কোনোমতে সংসার ও চিকিৎসা চলছে তার। কিডনি বিকল হওয়ার পর একমাত্র ছেলেকে নিয়েই সময় কাটছে আরিফুল ইসলাম খুশুর।

দুঃসময়েও তার পাশে রয়েছেন স্ত্রী বর্ষা খাতুন। এখন তিন বছর বয়সী একমাত্র ছেলের জন্যই বাঁচতে চান আরিফ। তবে তাকে বাঁচাতে হলে অন্তত একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু এত টাকা জোগাড় করা আরিফুলের পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। এমনকি ভিটেমাটি বিক্রি করেও এত টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব নয় এই পরিবারটির পক্ষে।

তাহলে সরকার, দানবীর, সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের কাছে সহায়তা চান আরিফুল ও তার স্ত্রী। সহৃদয়বান মানুষের একটু সহায়তায় বেঁচে যেতে পারে একটি জীবন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এ বিষয়ে কিডনি রোগী আরিফুল ইসলাম খুশু বলেন, "প্রায় তিন বছর ধরে কিডনি বিকল হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। চিকিৎসা করাতে গিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। কিডনি প্রতিস্থাপন করা হলে আমার বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই দেশবাসীর কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করছি। আমি বেঁচে গেলে আমার ছেলে ও স্ত্রী ভালোভাবে বাঁচতে পারবে।"

আরিফুলের স্ত্রী বর্ষা খাতুন বলেন, "আরিফুলকে বাঁচাতে অনেক টাকা প্রয়োজন। কেউ যদি আমাদের সহযোগিতা করেন, তাহলে আমার স্বামী বেঁচে যাবে।"

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ জহুরুল হোসেন বলেন, "আমরা এই পরিবারের পাশে দাঁড়াব। আর্থিক ব্যবস্থার জন্য জেলা পরিষদ ও সমাজসেবা কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব। পাশাপাশি বর্তমানে আরিফের পরিবারে কোনো কিছু প্রয়োজন হলে উপজেলা প্রশাসন থেকে সহযোগিতা করা হবে।"

এছাড়াও তিনি সমাজের বিত্তবানদের আরিফুলের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির বিদায়ে আবেগাপ্লুত পূর্ণিমা ও পরীমণি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


মেসির বিদায়ে আবেগাপ্লুত পূর্ণিমা ও পরীমণি

আন্তর্জাতিক ফুটবল মঞ্চে লিওনেল মেসি শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি পরে খেলেছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) বেনিনের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের জয়লাভের সময় তিনি একটি গোল করেন এবং দুটি অ্যাসিস্ট প্রদান করে জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখেন।

বিশ্বের কোটি ভক্ত মেসির বিদায়ে আবেগে ভেসে গেছেন। বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। মেসির বিদায়ী ম্যাচ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ঢাকাই সিনেমার দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা ও পরীমণি।

তাদের পোস্টে মেসির প্রতি দীর্ঘদিনের ভালোবাসা, অসংখ্য স্মৃতি এবং প্রিয় তারকার বিদায়ের বেদনা ফুটে উঠেছে। মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মুহূর্তটি তাদের জন্যও আবেগঘন ছিল, যা তাদের বার্তায় স্পষ্ট হয়েছে।

পূর্ণিমা মেসিকে নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে লিখেছেন, "জীবনের সব দুঃখ এক পাশে, আর অন্য পাশে মেসিকে হয়তো শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দেখতে পাওয়ার বেদনা!"

পরীমনি মেসির বিদায়কে একটি যুগের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন। তিনি দীর্ঘ এক আবেগঘন বার্তায় উল্লেখ করেছেন, "আজকের এই ম্যাচ শুধু একটা ম্যাচ নয়… আজ একটা যুগের শেষ অধ্যায়।"

মেসিকে নিয়ে নিজের দীর্ঘদিনের স্মৃতিও তুলে ধরেছেন পরীমনি। তিনি বলেন, "কত রাত জেগে তার খেলা দেখেছি, কত গোলের পর চিৎকার করেছি, কত হারের পর কেঁদেছি সবকিছু আজ চোখের সামনে ভেসে উঠছে।"

বিশেষ করে ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের মুহূর্তটি স্মরণ করেছেন পরীমনি। তিনি বলেন, "মেসির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার সেই আনন্দ কখনো ভুলে যাওয়ার নয়।"

সবশেষে পরীমনি লেখেন, "বিদায় নয়, লিও, তুমি তো ফুটবলের ইতিহাসে থেকে যাবে। আর্জেন্টিনার জার্সি বদলাবে, প্রজন্ম বদলাবে, কিন্তু ১০ নম্বরের গল্পটা কখনো শেষ হবে না।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিঙ্গাপুর সরকার সরকারি কর্মীদের মনের মানুষ খুঁজে দিচ্ছে, বহন করছে ডেটিং খরচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


সিঙ্গাপুর সরকার সরকারি কর্মীদের মনের মানুষ খুঁজে দিচ্ছে, বহন করছে ডেটিং খরচ

সিঙ্গাপুর সরকার সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি ডেটিং অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে সম্ভাব্য সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার পর প্রথমবার দেখা করার খরচও সরকার বহন করবে। মূলত, দেশে জন্মহার কমে যাওয়ার সমস্যা মোকাবিলায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘ফার্স্ট ডেট’ নামের এই ডেটিং অ্যাপটি সিঙ্গাপুরের ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সি সরকারি কর্মচারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। সরকারি প্রযুক্তি সংস্থার মাধ্যমে সরকারি অর্থায়নে অ্যাপটি নির্মিত হয়েছে।

অ্যাপে নিবন্ধনের সময় ব্যবহারকারীদের জীবনযাপন, মূল্যবোধ, পছন্দ-অপছন্দসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য প্রদান করতে হবে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে প্রোফাইল ম্যাচ করার চেষ্টা করবে অ্যাপটি।

যদি দুজনের প্রোফাইল ম্যাচ হয়, তবে তাদের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে যে তারা একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাতে বা সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী কি না।

যদিও প্রাথমিকভাবে দেখা করতে অনাগ্রহ থাকলে, অ্যাপের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির চেষ্টা করা হবে। এবং যদি তারা দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে প্রথম সাক্ষাতের খরচও সরকার বহন করবে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে সিঙ্গাপুরের ক্রমহ্রাসমান জন্মহার। ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে ৩০ হাজারেরও কম শিশুর জন্ম হয়েছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এই পরিস্থিতিতে তরুণদের সম্পর্ক, বিয়ে ও সন্তান নেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সরকারি কর্মীদের দিয়ে শুরু হলেও ভবিষ্যতে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও এ ধরনের ডেটিং উদ্যোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

জন্মহার কমে যাওয়ার সমস্যা মোকাবিলায় এর আগে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও সরকারি উদ্যোগে ম্যাচমেকিং ও গণবিবাহের মতো কর্মসূচি নিয়েছে। তবে সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ তৈরি করে তাদের সম্ভাব্য সঙ্গী খুঁজে দেওয়া এবং প্রথম ডেটের খরচ বহনের উদ্যোগ সিঙ্গাপুরকে আলোচনায় এনেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি হিসেবে বধূকে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি হিসেবে বধূকে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি

প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এক বধূকে ‘শাস্তি’ ও ‘শুদ্ধকরণের’ নামে প্রকাশ্যে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের গুজরাটের সুরেন্দ্রনগরে।

অভিযোগ রয়েছে যে, ওই বধূর প্রেমিককেও মারধর করা হয় এবং তাকে অপমানজনক নানা নির্যাতনের শিকার হতে হয়। পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। পুলিশ এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ৪ অক্টোবর। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সুরেন্দ্রনগরের ওই নারীর এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। বাপি নামে এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। সংসারে বনিবনা না হওয়ায় ওই নারী বাড়ি ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে চোটিলা এলাকায় চলে যান। সেখানে প্রায় তিন মাস থাকার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার সন্ধান পান এবং তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার পর ওই নারীকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি কোনোভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে আবার প্রেমিকের কাছে চলে যান।

পরে, সুরেন্দ্রনগরের একটি বাড়িতে ওই নারী ও তার প্রেমিকের অবস্থান জানতে পেরে তার স্বামী ও স্বজনেরা সেখানে যান। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সেখানে গিয়ে দুজনকে ধরে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর ‘শুদ্ধকরণের’ নামে তাদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়। প্রথমে দুজনকে কাঠের বাটাম দিয়ে মারধর করা হয়। পরে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ওই নারী ও তাঁর প্রেমিককে প্রকাশ্যে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করা হয়।

ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় কয়েকজন পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারী ও তাঁর প্রেমিককে উদ্ধার করে।

সুরেন্দ্রনগরের ডেপুটি পুলিশ সুপার প্রেমসুখ ডেলু জানিয়েছেন, ঘটনার একটি ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে। স্থানীয় কয়েকজন ফোন করে পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই নারীর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্টের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ বলার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্টের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ বলার অভিযোগ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রেহেনা পারভীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি এক নারী শিক্ষার্থীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ এবং ‘বেয়াদপ মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী, যিনি মাস্টার্সে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত, অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন যে, তিনি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার আনুমানিক দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রেহেনা পারভীন তার সঙ্গে অত্যন্ত অশালীন, অপমানজনক ও অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি তাকে ‘রাস্তার মেয়ে’ এবং ‘বেয়াদপ মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেন। এই ধরনের মন্তব্য তার ব্যক্তিগত মর্যাদা, সম্মান ও আত্মসম্মানকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। ঘটনার সময় সেখানে একজন ইলেকট্রিশিয়ান, একজন অফিস সহকারী এবং হলের আরও কয়েকজন ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন, যারা বিষয়টির প্রত্যক্ষদর্শী।

একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষক বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের এই ধরনের অশালীন ও অপমানজনক আচরণ অত্যন্ত অনভিপ্রেত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ, নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশের পরিপন্থি। এই ঘটনার কারণে তিনি অত্যন্ত বিব্রত, অপমানিত ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বিশেষ করে একজন ছাত্রী হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার তার এবং তার পরিবারের জন্য অত্যন্ত অসম্মানজনক ও মানসিকভাবে কষ্টদায়ক।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ ধরনের অশালীন, অপমানজনক ও মর্যাদাহানিকর আচরণ না করা হয়, সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন। প্রয়োজনে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য/প্রমাণ প্রদান করতে তিনি প্রস্তুত আছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%