০৮:০৮ পি.এম
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রেহেনা পারভীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি এক নারী শিক্ষার্থীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ এবং ‘বেয়াদপ মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী, যিনি মাস্টার্সে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত, অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন যে, তিনি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার আনুমানিক দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রেহেনা পারভীন তার সঙ্গে অত্যন্ত অশালীন, অপমানজনক ও অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি তাকে ‘রাস্তার মেয়ে’ এবং ‘বেয়াদপ মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেন। এই ধরনের মন্তব্য তার ব্যক্তিগত মর্যাদা, সম্মান ও আত্মসম্মানকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। ঘটনার সময় সেখানে একজন ইলেকট্রিশিয়ান, একজন অফিস সহকারী এবং হলের আরও কয়েকজন ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন, যারা বিষয়টির প্রত্যক্ষদর্শী।
একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষক বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের এই ধরনের অশালীন ও অপমানজনক আচরণ অত্যন্ত অনভিপ্রেত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ, নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশের পরিপন্থি। এই ঘটনার কারণে তিনি অত্যন্ত বিব্রত, অপমানিত ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বিশেষ করে একজন ছাত্রী হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার তার এবং তার পরিবারের জন্য অত্যন্ত অসম্মানজনক ও মানসিকভাবে কষ্টদায়ক।
আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ ধরনের অশালীন, অপমানজনক ও মর্যাদাহানিকর আচরণ না করা হয়, সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন। প্রয়োজনে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য/প্রমাণ প্রদান করতে তিনি প্রস্তুত আছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন