ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেসির বিদায়ে আবেগাপ্লুত পূর্ণিমা ও পরীমণি


মেসির বিদায়ে আবেগাপ্লুত পূর্ণিমা ও পরীমণি

আন্তর্জাতিক ফুটবল মঞ্চে লিওনেল মেসি শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি পরে খেলেছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) বেনিনের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের জয়লাভের সময় তিনি একটি গোল করেন এবং দুটি অ্যাসিস্ট প্রদান করে জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখেন।

বিশ্বের কোটি ভক্ত মেসির বিদায়ে আবেগে ভেসে গেছেন। বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। মেসির বিদায়ী ম্যাচ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ঢাকাই সিনেমার দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা ও পরীমণি।

তাদের পোস্টে মেসির প্রতি দীর্ঘদিনের ভালোবাসা, অসংখ্য স্মৃতি এবং প্রিয় তারকার বিদায়ের বেদনা ফুটে উঠেছে। মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মুহূর্তটি তাদের জন্যও আবেগঘন ছিল, যা তাদের বার্তায় স্পষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

পূর্ণিমা মেসিকে নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে লিখেছেন, "জীবনের সব দুঃখ এক পাশে, আর অন্য পাশে মেসিকে হয়তো শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দেখতে পাওয়ার বেদনা!"

পরীমনি মেসির বিদায়কে একটি যুগের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন। তিনি দীর্ঘ এক আবেগঘন বার্তায় উল্লেখ করেছেন, "আজকের এই ম্যাচ শুধু একটা ম্যাচ নয়… আজ একটা যুগের শেষ অধ্যায়।"

মেসিকে নিয়ে নিজের দীর্ঘদিনের স্মৃতিও তুলে ধরেছেন পরীমনি। তিনি বলেন, "কত রাত জেগে তার খেলা দেখেছি, কত গোলের পর চিৎকার করেছি, কত হারের পর কেঁদেছি সবকিছু আজ চোখের সামনে ভেসে উঠছে।"

বিশেষ করে ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের মুহূর্তটি স্মরণ করেছেন পরীমনি। তিনি বলেন, "মেসির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার সেই আনন্দ কখনো ভুলে যাওয়ার নয়।"

আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

সবশেষে পরীমনি লেখেন, "বিদায় নয়, লিও, তুমি তো ফুটবলের ইতিহাসে থেকে যাবে। আর্জেন্টিনার জার্সি বদলাবে, প্রজন্ম বদলাবে, কিন্তু ১০ নম্বরের গল্পটা কখনো শেষ হবে না।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিঙ্গাপুর সরকার সরকারি কর্মীদের মনের মানুষ খুঁজে দিচ্ছে, বহন করছে ডেটিং খরচ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


সিঙ্গাপুর সরকার সরকারি কর্মীদের মনের মানুষ খুঁজে দিচ্ছে, বহন করছে ডেটিং খরচ

সিঙ্গাপুর সরকার সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি ডেটিং অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে সম্ভাব্য সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার পর প্রথমবার দেখা করার খরচও সরকার বহন করবে। মূলত, দেশে জন্মহার কমে যাওয়ার সমস্যা মোকাবিলায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘ফার্স্ট ডেট’ নামের এই ডেটিং অ্যাপটি সিঙ্গাপুরের ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সি সরকারি কর্মচারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। সরকারি প্রযুক্তি সংস্থার মাধ্যমে সরকারি অর্থায়নে অ্যাপটি নির্মিত হয়েছে।

অ্যাপে নিবন্ধনের সময় ব্যবহারকারীদের জীবনযাপন, মূল্যবোধ, পছন্দ-অপছন্দসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য প্রদান করতে হবে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সঙ্গীর সঙ্গে প্রোফাইল ম্যাচ করার চেষ্টা করবে অ্যাপটি।

যদি দুজনের প্রোফাইল ম্যাচ হয়, তবে তাদের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে যে তারা একে অপরের সঙ্গে সময় কাটাতে বা সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী কি না।

যদিও প্রাথমিকভাবে দেখা করতে অনাগ্রহ থাকলে, অ্যাপের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে যোগাযোগ তৈরির চেষ্টা করা হবে। এবং যদি তারা দেখা করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে প্রথম সাক্ষাতের খরচও সরকার বহন করবে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে সিঙ্গাপুরের ক্রমহ্রাসমান জন্মহার। ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে ৩০ হাজারেরও কম শিশুর জন্ম হয়েছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন জন্মহার নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এই পরিস্থিতিতে তরুণদের সম্পর্ক, বিয়ে ও সন্তান নেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সরকারি কর্মীদের দিয়ে শুরু হলেও ভবিষ্যতে সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও এ ধরনের ডেটিং উদ্যোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

জন্মহার কমে যাওয়ার সমস্যা মোকাবিলায় এর আগে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও সরকারি উদ্যোগে ম্যাচমেকিং ও গণবিবাহের মতো কর্মসূচি নিয়েছে। তবে সরকারি কর্মীদের জন্য ডেটিং অ্যাপ তৈরি করে তাদের সম্ভাব্য সঙ্গী খুঁজে দেওয়া এবং প্রথম ডেটের খরচ বহনের উদ্যোগ সিঙ্গাপুরকে আলোচনায় এনেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি হিসেবে বধূকে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর শাস্তি হিসেবে বধূকে যৌনতায় বাধ্য করল শ্বশুরবাড়ি

প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এক বধূকে ‘শাস্তি’ ও ‘শুদ্ধকরণের’ নামে প্রকাশ্যে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের গুজরাটের সুরেন্দ্রনগরে।

অভিযোগ রয়েছে যে, ওই বধূর প্রেমিককেও মারধর করা হয় এবং তাকে অপমানজনক নানা নির্যাতনের শিকার হতে হয়। পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। পুলিশ এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ৪ অক্টোবর। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সুরেন্দ্রনগরের ওই নারীর এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। বাপি নামে এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। সংসারে বনিবনা না হওয়ায় ওই নারী বাড়ি ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে চোটিলা এলাকায় চলে যান। সেখানে প্রায় তিন মাস থাকার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার সন্ধান পান এবং তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, বাড়িতে ফিরিয়ে নেওয়ার পর ওই নারীকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি কোনোভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে আবার প্রেমিকের কাছে চলে যান।

পরে, সুরেন্দ্রনগরের একটি বাড়িতে ওই নারী ও তার প্রেমিকের অবস্থান জানতে পেরে তার স্বামী ও স্বজনেরা সেখানে যান। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সেখানে গিয়ে দুজনকে ধরে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপর ‘শুদ্ধকরণের’ নামে তাদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়। প্রথমে দুজনকে কাঠের বাটাম দিয়ে মারধর করা হয়। পরে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ওই নারী ও তাঁর প্রেমিককে প্রকাশ্যে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করা হয়।

ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় কয়েকজন পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারী ও তাঁর প্রেমিককে উদ্ধার করে।

সুরেন্দ্রনগরের ডেপুটি পুলিশ সুপার প্রেমসুখ ডেলু জানিয়েছেন, ঘটনার একটি ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে। স্থানীয় কয়েকজন ফোন করে পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ওই নারীর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্টের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ বলার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্টের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ বলার অভিযোগ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রেহেনা পারভীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি এক নারী শিক্ষার্থীকে ‘রাস্তার মেয়ে’ এবং ‘বেয়াদপ মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগ পত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী, যিনি মাস্টার্সে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়নরত, অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করেন যে, তিনি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার আনুমানিক দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রেহেনা পারভীন তার সঙ্গে অত্যন্ত অশালীন, অপমানজনক ও অসম্মানজনক ভাষায় কথা বলেন। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি তাকে ‘রাস্তার মেয়ে’ এবং ‘বেয়াদপ মেয়ে’ বলে সম্বোধন করেন। এই ধরনের মন্তব্য তার ব্যক্তিগত মর্যাদা, সম্মান ও আত্মসম্মানকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। ঘটনার সময় সেখানে একজন ইলেকট্রিশিয়ান, একজন অফিস সহকারী এবং হলের আরও কয়েকজন ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন, যারা বিষয়টির প্রত্যক্ষদর্শী।

একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষক বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের এই ধরনের অশালীন ও অপমানজনক আচরণ অত্যন্ত অনভিপ্রেত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ, নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশের পরিপন্থি। এই ঘটনার কারণে তিনি অত্যন্ত বিব্রত, অপমানিত ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বিশেষ করে একজন ছাত্রী হিসেবে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার তার এবং তার পরিবারের জন্য অত্যন্ত অসম্মানজনক ও মানসিকভাবে কষ্টদায়ক।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ ধরনের অশালীন, অপমানজনক ও মর্যাদাহানিকর আচরণ না করা হয়, সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন। প্রয়োজনে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য/প্রমাণ প্রদান করতে তিনি প্রস্তুত আছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানে মার্কিন সেনাদের ওপর এক মাসের কারফিউ জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


জাপানে মার্কিন সেনাদের ওপর এক মাসের কারফিউ জারি

জাপানের ওকিনাওয়ায় মোতায়েন মার্কিন সেনাদের জন্য এক মাসের সান্ধ্য আইন বা কারফিউ জারি করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের মদ্যপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, সেখানকার সকল সেনা সদস্যের জন্য শৃঙ্খলাবিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স -এর প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবার (৩ অক্টোবর) ওকিনাওয়ার রাজধানী নাহা শহরের একটি হোটেলে ৩৯ বছর বয়সী জাপানি নারী অ্যানা ইয়াগিকে হত্যা করে তার মানিব্যাগ ও ব্যাকপ্যাক ছিনতাইয়ের অভিযোগে থার্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্সের এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই ল্যান্স কর্পোরাল ডেভিন জ্যাকব ব্যালার্ডকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জাপানের ওকিনাওয়া প্রদেশে মোতায়েন থার্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্স কর্তৃপক্ষ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে থার্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্সের কমান্ডিং জেনারেল বেনজামিন ওয়াটসন বলেন, "প্রতিবেশীদের সঙ্গে মেলামেশার ধরন আমাদের ওপর যেমন তাদের আস্থা বাড়ায়, তেমনি সেই আস্থাকে ক্ষুণ্নও করে। যখন সেই বিশ্বাস ভেঙে পড়ে, তখন তা আমাদের সামরিক জোটের শক্তি এবং এই অঞ্চলের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে।"

ওয়াটসন আরও জানান, সেনাসদস্যরা তাদের মানদণ্ড ও শৃঙ্খলাবিষয়ক পুনঃপ্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কারণে ওকিনাওয়ায় মার্কিন বাহিনীর সব সামরিক কার্যক্রম ৪৮ ঘণ্টার জন্য স্থগিত থাকবে।

এদিকে, শনিবারের ওই হত্যাকাণ্ডকে ‘অত্যন্ত নির্মম ও নৃশংস’ বলে আখ্যা দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। তিনি জানান, এ ঘটনায় মার্কিন সরকারের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় জাপানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মার্কিন সৈন্য মোতায়েন রয়েছে। জাপানে ১৮ হাজার মেরিন সেনার বড় অংশই ওকিনাওয়ায় অবস্থান করছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত এই দ্বীপপুঞ্জটি যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি অধীনে ছিল।

শব্দদূষণ, বিমান দুর্ঘটনা এবং সেনাসদস্যদের বিতর্কিত আচরণের কারণে ওকিনাওয়ায় মার্কিন উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে বহু সময় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে, ১৯৯৫ সালে তিন মার্কিন সেনাসদস্য কর্তৃক ১২ বছর বয়সী এক ওকিনাওয়ান কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা গণবিক্ষোভেরও জন্ম দিয়েছিল।

সাম্প্রতিক এই হত্যাকাণ্ড স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের ঘটনা পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%