মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৯ পি.এম
ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নয়াদিল্লি দুই দেশের বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে সকল দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতের সাধারণ অবস্থান হচ্ছে—ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখা। ভারতের লক্ষ্য হলো এ সম্পর্ককে ইতিবাচক দিকে এগিয়ে নেওয়া।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র জানান, এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে তা জানানো হবে।
এছাড়া, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে মুখপাত্র আরও বলেন, ভারত দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মধ্যেই সকল দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।
প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রেও দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বিদ্যমান। ভারতের বহুপক্ষীয় বিমান মহড়া ‘তরঙ্গ শক্তি’তে বাংলাদেশের সি-১৩০জে পরিবহন বিমান অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভারতের মূল অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে—নয়াদিল্লি একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লায় আলোচিত ইয়াশাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামিদের পক্ষে আইনজীবী লড়বেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি। এই সিদ্ধান্ত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জেলা আইনজীবী সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানান সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুবুল হক খন্দকার।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সোলায়মান, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
আলোচনা সভায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
অ্যাডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ বলেন, ‘আমরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মৌখিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কেউ অপ্রতিম হত্যা মামলায় আসামিদের পক্ষে লড়বেন না।’
আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়ালে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আসামির পক্ষে কেউ না দাঁড়াই, তাহলে রাষ্ট্র নিজেই আসামির পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করবে। কারণ একতরফা বিচার হলে সেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতি ও কর্মচারী ইউনিয়ন নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ র্যালির আয়োজন করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে চারুকলা অনুষদ সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে র্যালিটি একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে, কর্মচারী সমিতি এবং কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তৃতা দেন।
কর্মচারী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম কাজল এ সময় বলেন, "আমরা আশাবাদী ছিলাম অন্তর্বতীকালীন সরকার আমাদের দাবির পে স্কেল বাস্তবায়ন করে যাবেন।" তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন না করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা যমুনা অভিমুখে আন্দোলন কর্মসূচির জন্য এগিয়ে যান। সেই সময় পুলিশি লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলে অনেক কর্মচারী আহত হন। পরবর্তীকালে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই পে স্কেল বাস্তবায়ন করেছে। এজন্য তিনি সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি শ্রমিক দিবসে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বক্তব্য স্মরণ করে বলেন, 'তোমরা আমার নামটা কর্মচারীদের তালিকায় দাও, আমিও তোমাদের সাথে কাজ করে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চাই।' সরকারের প্রতি এই আন্তরিকতা কর্মচারীদের আশান্বিত করেছে। তিনি ভবিষ্যতে কর্মচারীরা সকল উন্নয়নমূলক কাজে সরকারের পাশে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন।
কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি হারুন উর রশিদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ঢাকায় যমুনাতে আন্দোলনের সময় গ্রেনেড ও পানি দিয়ে হামলা করা হয়েছিল। তিনি জানান, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী আন্দোলনের সময় পঙ্গু হয়েছিল, যার খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে না। তিনি ফেডারেশনের কাছে তাদের খোঁজখবর নেওয়ার দাবি জানান। এছাড়াও, বর্তমান সরকার সাত মাসে এই পে স্কেল দেওয়ার মাধ্যমে দুঃসাহসের পরিচয় দিয়েছেন, যা আগে কেউ করতে পারেনি।
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন কর্মচারী যমুনা অভিমুখী আন্দোলনে আহত হয়েছিলেন। র্যালি শেষে, সেই তিন কর্মচারী হারুন, রুকন এবং রানাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন বা গেজেট জারি হয়েছে, যা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০২৬’ এর প্রণয়ন উপলক্ষে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) একটি বিশেষ গোলটেবিল বৈঠক ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।
এই অনুষ্ঠানটি বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত বিএমএ ভবনের শহীদ ডা: শামসুল আলম খান মিলন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন ড্যাবের সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা: হারুন আল রশীদ এবং সঞ্চালনা করবেন সংগঠনের মহাসচিব ডা: মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।
স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন সম্পর্কিত উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা: মো. সিরাজুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব ডা: রেজা মো. সামিউল হাসান (বাবু) যৌথভাবে এই আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মহিলা ক্রীড়া সংস্থা সব খেলায় মেয়েদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্দেশ্যে, বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা এবং বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য রাগবি প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা মন্তব্য করেন, "সারা পৃথিবীতে রাগবি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা। বাংলাদেশেও এই খেলার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, "বিশ্বব্যাপী মহিলাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা বিভিন্ন ফেডারেশনের সাথে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে মেয়েদের জন্য জনপ্রিয় এবং অপ্রচলিত খেলার শেখার সুযোগ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর।"
মহিলা ক্রীড়া সংস্থা জানায়, এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা এবং বাংলাদেশ রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মৌসুম আলী। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার ধানমন্ডিস্থ শহীদ রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উভয় ফেডারেশনের এ্যাডহক কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সমঝোতার স্মারকের স্থায়ীত্বকাল তিন বছর।
বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা তৃণমূল ও রাজধানী থেকে আগ্রহী মেয়েদের রাগবি ফেডারেশন ইউনিয়নের সহায়তায় বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। রাগবি ফেডারেশন কোচ, খেলার উপকরণ ও সরঞ্জাম সরবরাহ করবে। অংশগ্রহণকারী রাগবি খেলোয়াড়দের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে এবং ফেডারেশনের পক্ষ থেকে খেলার জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নির্বাচন করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ