০৮:২৮ পি.এম
ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এ অঞ্চলের দেশগুলোর ‘দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে সোমবার জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এ অঞ্চলের দেশগুলো এখন বুঝতে পেরেছে, নিরাপত্তা এমন কোনো পণ্য নয়, যা ভুয়া মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে কেনা যায়।’
তিনি এই চুক্তির তিন স্বাক্ষরকারী দেশের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে এ মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
বাকায়ি আরও বলেন, ‘অতীতের মতো এ অঞ্চলের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিরাপত্তার দাবির ওপর নির্ভর করতে পারে না।’
ইরানকে লক্ষ্য করে এ চুক্তি করা হয়েছে—এমন আশঙ্কা নিয়ে ইরান উদ্বিগ্ন নয় বলেও জানান তিনি। তিনি উল্লেখ করেন, সৌদি আরব, তুর্কি ও পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের রয়েছে ‘গভীর ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সভ্যতাগত সম্পর্ক’।
বাকায়ি জানান, ‘এই চুক্তি ইরানের বিরুদ্ধে হবে—এমন আশঙ্কার কোনো কারণ নেই।’
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার তিন দেশ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছে। এই যুদ্ধের কারণে আশপাশের কয়েকটি দেশও জড়িয়ে পড়েছে এবং আঞ্চলিক নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় যদি কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর হামলা হয়, তাহলে সেটিকে সব সদস্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। চুক্তিটির উদ্দেশ্য হলো ‘সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা’ বলেও জানা গেছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, চুক্তিটির লক্ষ্য হলো শক্তিশালী হয়ে উঠা ইরানকে প্রতিহত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রভাব নির্ভরযোগ্য নয়, তার ভারসাম্য তৈরি করা।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন