মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৭ পি.এম
দীর্ঘ আইনি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার পর, আফগানিস্তানের নাগরিক হাসমত মোহাম্মদীর লাশ ঝিনাইদহ পৌর কেন্দ্রীয় গোরস্থান থেকে ১৪০ দিন পর উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়। এটি আফগানিস্তান থেকে আসা তার ছোট ভাই ইমাল মোহাম্মদীর কাছে হস্তান্তরিত হয়েছে, যাতে তিনি স্বদেশে গিয়ে ভাইয়ের লাশ দাফন করতে পারেন।
লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান, মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা তাসনিম, ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহেশপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান, নিহতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান মাসুম, নিহত হাসমত মোহাম্মদীর ভাই ইমাল মোহাম্মদী, ঝিনাইদহ আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের দুলাল হোসেন এবং সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা।
নিহত হাসমত মোহাম্মদীর ভাই ইমাল মোহাম্মদী লাশ হাতে পাওয়ার পর আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বাংলাদেশ সরকার, ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "অসুস্থ মায়ের কাকুতি মিনতির কারণে আমার ভাইয়ের নিথর লাশটি অন্তত নিজের দেশের মাটিতে নিয়ে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করতে নিয়ে যাচ্ছি, এটাই আমাদের জন্য পরম সান্ত্বনা।" তিনি আরও বলেন, "দীর্ঘ প্রতীক্ষায় বাংলাদেশ সরকার ও ঝিনাইদহের স্থানীয় প্রশাসন আমাদের যে আন্তরিক সহযোগিতা করেছে, তার জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ।"
নিহতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান মাসুম জানান, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং আইনি সকল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আজ লাশ উত্তোলন করা সম্ভব হয়েছে। তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, "সাংবাদিকদের জোরালো সংবাদ প্রকাশ ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে পুরো বিষয়টি দ্রুত দাপ্তরিক গুরুত্ব পেয়েছে।"
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান জানান, আইনগত সকল নিয়ম-কানুন মেনে এবং প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিশ্চিত করে আফগান নাগরিক হাসমত মোহাম্মদীর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতী নদী থেকে হাসমত মোহাম্মদীর ভাসমান অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ও বিজিবি। পিবিআই জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেজে কোনো মিল না পাওয়ায় ১৪ এপ্রিল অঞ্জনমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে বেওয়ারিশ হিসেবে ঝিনাইদহ পৌর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দেখে পরিবার তাকে শনাক্ত করে।
লাশ স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে তার ভাই ইমাল মোহাম্মদী প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ দীর্ঘ ৫৮ দিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন। অবশেষে মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র প্রাপ্তির পর মঙ্গলবার দাফনের ১৪০ দিন পর লাশটি তুলে স্বদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন স্বজনেরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিতে আসা কওমি মাদরাসার আলেমদের উদ্দেশ্যে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আপনি কওমিতেই থাকবেন এবং জামায়াতে ইসলামীতেও থাকবেন।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘জামায়াত কওমি অঙ্গনকে আলাদা করে দেখে না এবং তাদের দ্বীনি খেদমতকে কখনো ছোট মনে করে না।’
মঙ্গলবার রাজধানী কাকরাইলে আইডিইবি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক দাওয়াতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি আসার পর দুই ভাইয়ের কাছ থেকে কিছু অনুযোগ-আক্ষেপ শুনলাম। একজন ভাই বলেছেন, তিনি কওমি থেকে জামায়াতে ইসলামীতে এসেছেন। আমি বলব, আপনি কওমিতে থাকবেন এবং জামায়াতে ইসলামীতেও থাকবেন ইনশাল্লাহ। কারণ, আমরা কওমিকে আলাদা করে দেখি না। আমরা তাদের দ্বীনি খেদমতকে ছোট মনে করি না। তাদের জন্য অন্তর থেকে দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাদের খেদমতে আরো বেশি বারাকাহ দান করেন।’
জামায়াত আমির সংসদে কওমি আলেমদের অধিকারের পক্ষে কথা বলাকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এটা ব্যক্তিবিশেষ বা সমাজের একটি অংশকে খুশি করার জন্য আমরা এই কথাগুলো বলি না। এই কথাগুলো আমাদের বিবেকের দায়বোধের জায়গা থেকে বলি। এবং আগামীতেও বলে যাব ইনশাআল্লাহ।’
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আল্লাহ সত্যিকারের বুঝ তাদেরকে দান করুন। আমি এ সমাজের মানুষের কোনো অকল্যাণ চিন্তা করি না। সবসময় চেষ্টা করি, মানুষের ক্ষতি থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার। অন্ততপক্ষে কিছুটা হলেও মানুষের উপকার করতে পারি কিনা সেই চেষ্টাটা করি।’
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দৃঢ় বার্তা দেন, ‘কোনো বাতিলের সঙ্গে আপস করবেন না, কারও কাছে মাথানত করবেন না। চলার পথে বাধা আসবে, জীবন দেওয়ার সময় আসবে। ইনশাআল্লাহ, এ দেশে কোরআনের আইন কায়েম হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজকে যেমন এক ছাদের নিচে আছি, পরকালে আল্লাহ যেন আমাদের গুনাহ মাফ করে এক ছাদের নিচে রাখেন।’
দাওয়াতি এই সমাবেশে কওমি মাদরাসার শিক্ষক, আইনজীবীসহ নানা পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নতুন যোগদানকারী নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জামায়াতের নেতারা। পরে যোগদানকারী কয়েকজন নেতাকর্মী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো মন্ত্রিসভার অনুমোদনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এ সুবিধা যাদের জন্য প্রযোজ্য, তাদেরকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। তবে, এই নতুন বেতন-ভাতা কাঠামো কার্যকর করার পূর্বশর্ত হিসেবে সরকারি কর্মজীবী ও তাদের পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিবছর হালনাগাদ করে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে টিআইবির পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে বলেন, "আর্থিক সক্ষমতার কঠিন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও তিনটি ধাপে সরকারি কর্মজীবীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা খুবই যৌক্তিক। জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সরকারি কর্মজীবীদের বেতন-ভাতা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে, তাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ পেশাগত উৎকর্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা প্রত্যাশা করা অসম্ভব।"
তিনি আরও বলেন, "তবে, জনগণের করের টাকায় তাদের এই বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে হলে, সকল পর্যায়ের সরকারি কর্মজীবী ও তাদের পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের আয় ও সম্পদের হিসাব প্রতিবছর হালনাগাদ করাসহ প্রকাশের বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়ন করতে হবে। অর্থাৎ, যে সকল কর্মজীবী তাদের আয়-ব্যয় ও সম্পদ-বিবরণী প্রতিবছর হালনাগাদ করে প্রকাশ করবেন, কেবল তাদের জন্যই নতুন বেতন-ভাতা বৃদ্ধি প্রযোজ্য হওয়া উচিত। যারা প্রকাশ করবেন না, তাদের জন্য নতুন "পে-স্কেল" প্রযোজ্য হওয়া অনুচিত। এই শর্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারি খাতে দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত সেবার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সহজ হবে বলে মনে করি।"
ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, "মনে রাখতে হবে, অনেক সরকারি কর্মজীবী আছেন যারা অনিয়ম ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সৎভাবে জীবন যাপন করেন। তাদের জন্য এই নতুন বেতনস্কেল সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত ও অপরিহার্য। অন্যদিকে, যারা অসৎভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ-সম্পদ অর্জনে লিপ্ত, তাদের জন্য এই সুবিধা যেমন অযৌক্তিক, তেমনই সম্পূর্ণ নিষ্প্রয়োজন। তাদের অর্থ-সম্পদের আকাঙ্ক্ষা এতটাই গগনচুম্বী যে, কার্যকর জবাবদিহির উপায় নিশ্চিত না করে ঢালাওভাবে নতুন বেতনস্কেল প্রয়োগ করা হলে, সরকারিখাতে দুর্নীতির মাত্রা আরও বাড়বে। যার দৃষ্টান্ত ইতিপূর্বে স্থাপিত হয়েছে।"
নতুন বেতন কাঠামো সরকারি কর্মজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কর্মোদ্দীপনা বাড়ানোর পাশাপাশি, দক্ষ, গতিশীল ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এই আশাবাদ সরকারের পক্ষ থেকে ব্যক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, "ইতিপূর্বে সর্বশেষ ২০১৫ সালে বাস্তবায়িত অষ্টম পে স্কেলের ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে একই আশাবাদ ছিল, কিন্তু বাস্তবতা হয়েছে সম্পূর্ণ বিপরীত। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিপরীতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের ব্যাপকতা ও গভীরতা বেড়েছে অধিকতর হারে। এবার অন্তত তার ব্যতিক্রম হবে-এই বিশ্বাস করতে চাই।"
সর্বোপরি, সরকারি কর্মজীবীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির ফলে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিসহ মূল্যস্ফীতি ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। যা ইতিমধ্যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দিশেহারা স্বল্পআয়ের কর্মজীবী নারী-পুরুষসহ সাধারণ জনগণের দুর্দশা আরো বাড়ার কারণ হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এক্ষেত্রে করণীয় নির্ধারণসহ বেতন-ভাতা বাস্তবায়নের উল্লিখিত শর্ত বাস্তবায়নে সরকারের দূরদর্শিতা প্রত্যাশা করছে টিআইবি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের লক্ষ্য শুধুমাত্র প্রযুক্তি ও সরকারি সেবা ডিজিটাল করা নয়; বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দক্ষ, সমন্বিত ও জবাবদিহিমূলক করে উন্নত জনসেবা নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইন্টারঅপারেবিলিটি কেবল প্রযুক্তিগত বিষয় নয়; এর সঙ্গে সুশাসন, অভিন্ন মানদণ্ড, জবাবদিহিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জড়িত। একই ধরনের ডিজিটাল ব্যবস্থা বারবার তৈরি না করে অভিন্ন অবকাঠামো ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘কার্যকরী ই-গভর্নেন্স: বাংলাদেশে ই-গভর্নমেন্ট ও ডিজিটাল গণসেবার গতি ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, তথ্য বিনিময় নিরাপদ, দায়িত্বশীল ও সুস্পষ্ট নীতিমালার আওতায় হতে হবে। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল প্রকল্পে পুনরাবৃত্তি কমিয়ে যৌথভাবে ব্যবহারযোগ্য জাতীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি সেবায় দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি নাগরিকের আস্থা অর্জন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ডেটা ব্যবস্থাপনা, আন্তঃপ্রতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং নিরাপদ তথ্য বিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আগামী পাঁচ বছর সরকার আইন ও নীতিমালা, নিরাপদ কানেক্টিভিটি, ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, এআই-সাইবার নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং—এই পাঁচটি অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করবে। তিনি জানান, সঠিক নীতি, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে পরিণত হতে পারে।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাচাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়ের কন্যা বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানায়, ২৮ বছর বয়সী বৃষ্টি আত্মহত্যা করেছেন। এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, এই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে।
বীরভূম জেলার কুসুম্বা গ্রামে তার নিজ বাড়ির প্রথম তলা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির একটি ঘটনায় চাকরি পাওয়ার অভিযোগ ছিল। এছাড়া, তার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কেও টানাপোড়েন চলছিল। জানা গেছে, দুজনই বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেছেন।
পরিবারের সদস্যদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃষ্টি গত কয়েক বছর ধরে বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং তার চিকিৎসাও চলছিল। রামপুরহাট থানার পুলিশ তার মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানান, ‘লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য প্রক্রিয়াগত তদন্তের পর মৃত্যুর পেছনের পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ