বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫১ পি.এম
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নে পোস্টারে লেখা হয়েছে, ‘আমি চেয়ারম্যান হলে সবার ঘরে ঘরে বিনা টাকায় গাঁজা-ইয়াবা ফ্রি দেবো’। এই ধরনের ঘোষণাসহ পোস্টারগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে সিরাজপুরে পোস্টারগুলো লাগানোর ঘটনা ঘটে।
খোকন, যিনি খলিল ভূঞা বাড়ির মো. আবুল হোসেনের ছেলে, ২০১৫ সাল থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি পদে পুনরায় প্রার্থী।
পোস্টারে খোকনকে গাঁজার ডিলার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দাবি করা হয়েছে। পোস্টারে বেকারদের জন্য গাঁজা ভাতা, মাদকসেবীদের জন্য বিশেষ কার্ড, স্কুল-কলেজের সামনে ফ্রি সাপ্লাই, থানা-পুলিশ আমার ভাই এবং উন্নয়ন হবে, আগে চাঁদা হবে—এমন নানা স্লোগানও রয়েছে। পোস্টারগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
পোস্টারে নিজের নাম ব্যবহারের বিষয়ে খোকন বলেন, "কয়েক দিন আগে আমার ছেলে চাঁন মিয়াকে স্কুলে চড় মারে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবুল হাসেমের ছেলে। তা নিয়ে আমি প্রতিবাদ করি। এরপর থেকেই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। মাদকের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। দল ক্ষমতায় এলেও আমি আগের মতো গাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করি। সমাজের মানুষ তা জানে। এমনকি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী নই।"
সিরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল হাসেম অভিযোগ নাকচ করে বলেন, "খোকনকে ঘিরে তার দলের মধ্যেই মাদকসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে।" তিনি দাবি করেন, স্কুলে খোকনের ছেলে তাদের বাড়ির এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করায় তার ছেলে ওই ছেলে-মেয়েকে চড় মেরে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। তবে পোস্টার লাগানোর সঙ্গে তিনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য জড়িত নন বলে দাবি করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম বলেন, "পোস্টারের বিষয়টি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় থানায় ভুক্তভোগী কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় কোমরসমান পানি মাড়িয়ে জানাজার মাঠে এক ব্যক্তির মরদেহ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইসমাইল গাজী নামের মুদি দোকানি মারা যান, যিনি চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৩ নম্বর আলগী দুর্গাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চর কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার মরদেহ যখন গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন জানাজার সময় স্বজনরা চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হন।
ভিডিওতে দেখা যায়, মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি ও নদীভাঙনের ফলে ইসমাইল গাজীর দোকানের সামনের অংশ থেকে বাবুল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটি সম্পূর্ণভাবে পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা বাধ্য হয়ে কোমরসমান পানি মাড়িয়ে কাঁধে করে মরদেহ জানাজার মাঠে নিয়ে যেতে হয়।
স্থানীয় যুব ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব শিমুল অধিকারী সুমন মন্তব্য করেন, "জীবিত অবস্থায় যেমন দুর্ভোগ ছিল, মৃত্যুর পরও একজন মানুষকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।" এতে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তাদের দাবি, সড়কটি দ্রুত উঁচু করে স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হোক, যেন ভবিষ্যতে আর কাউকে এমন দুর্ভোগ ভোগ করতে না হয়।
হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, "উপজেলা উন্নয়ন বরাদ্দ থেকে সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।" যদি তা সম্ভব না হয়, তবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) চলমান বা নতুন প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রথমবারের মতো সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকার সীমা অতিক্রম করেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। এক বছরের মধ্যে ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সংক্রান্ত এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি জানায়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে সরকারের পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ১০ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, গত অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করেছে। এ সময় সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। তবে সরকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা বেশি ঋণ গ্রহণ করেছে। এর ফলে অর্থবছর শেষে সরকারের পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।
গত অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার ১ লাখ ৩১ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৭৭ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গত অর্থবছরে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯২ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে এই খাত থেকে সরকার ৪২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছিল।
এদিকে, বিদেশি ঋণের পরিমাণও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অপর একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত মার্চের শেষে সরকারের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৯১ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার দাঁড়িয়েছে। প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৫ টাকা ধরে হিসাব করলে, দেশের মুদ্রায় সরকারের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। জুন মাস পর্যন্ত সরকারের বিদেশি ঋণের সর্বশেষ হিসাব এখনও প্রকাশ করা হয়নি, ফলে গত অর্থবছর শেষে বিদেশি ঋণের স্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যায়নি।
তবে মার্চ পর্যন্ত বিদেশি ঋণের স্থিতি বিবেচনায়, সরকারের দেশি ও বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় সমান। দেশি ও বিদেশি ঋণ মিলিয়ে সরকারের উপর এখন প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা রয়েছে। ঋণের পরিমাণ যত বাড়ছে, ঋণের সুদের চাপও তত বাড়ছে।
আরিটিভি/এমএ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর একটি দোকান থেকে বিকাশে টাকা পাঠানোর পর সেই টাকা না দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় সাইফুল (২৭) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে গুলশান-১ এর পশ্চিম পাশের সিগন্যাল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা জনতার হাত থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে গুলশান থানায় সোপর্দ করেন।
গুলশান ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, হঠাৎ করে লোকজনের হইচই শুনে আমি এবং কয়েকজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে উপস্থিত লোকজনের কাছ থেকে জানতে পারি যে, সাইফুল নামের যুবক বিকাশের দোকান থেকে ‘সেন্ড মানি’ করে টাকা পরিশোধ না করেই পালানোর চেষ্টা করছিলেন। তখন লোকজন তাকে ধরে ফেলেন এবং মারধর করতে থাকেন।
তিনি আরও বলেন, পরে আমি এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা তাকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে গুলশান থানায় নিয়ে আসি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভা কার্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত অবস্থায়, দুই নারী কর্মচারীকে ব্যক্তিগত কাজে নিয়োজিত করার অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাকি দাস এবং পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার ফিরোজ আহমেদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে যে, তাদের ব্যক্তিগত কাজে দুই নারী কর্মচারী অনীহা প্রকাশ করলে চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হয়।
তথ্য অনুযায়ী, পৌরসভার অফিস সহায়ক রিতা রানী প্রতিদিন সকালে পৌরসভা কার্যালয়ে হাজিরা দেওয়ার পর প্রশাসকের বাসায় চলে যান। সেখানে কয়েক ঘণ্টা অবস্থানের পর দুপুর ১টার দিকে তিনি আবার পৌরসভা কার্যালয়ে ফিরে আসেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাকি দাস নড়িয়া পৌরসভার প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অভিযোগ উঠেছে যে, অফিস সহায়ক রিতা রানীকে নিয়মিত এবং অপর অফিস সহায়ক নাসিমা বেগমকে মাঝে মাঝে প্রশাসকের বাসায় কাজ করতে পাঠানো হচ্ছে।
অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যে, রিতা রানী প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে অফিসে হাজিরা দেন। এরপর তিনি পৌর প্রশাসকের বাসায় চলে যান। কাজ শেষ করে প্রতিদিন দুপুর ১টার দিকে আবার পৌরসভা কার্যালয়ে ফিরে আসেন। দুপুর ১টার দিকে পৌরসভা কার্যালয়ে ঢোকার সময় কথা বললে রিতা রানী জানান, "তিনি প্রশাসকের বাসা থেকেই ফিরেছেন।" সপ্তাহে কত দিন এভাবে কাজ করতে হয়— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "প্রতিদিনই যেতে হয়। না গেলে চাকরি থাকবে না।"
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী অভিযোগ করেন, অফিস সহায়ক পদে নিয়োজিত কর্মচারীদের ব্যক্তিগত বাসার কাজে পাঠানো হচ্ছে। এতে একদিকে দাপ্তরিক কাজে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে কর্মচারীদের মধ্যে চাকরি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ওই কর্মচারীর দাবি, প্রতিদিন রিতা রানীকে প্রশাসকের বাসায় পাঠানো হয়। তিনি যেতে না চাইলে চাকরি চলে যাওয়ার ভয় দেখানো হয়। অনেক সময় রিতা রানী ও নাসিমা বেগম— দুজনকেই একসঙ্গে বাসায় কাজ করতে যেতে হয়।
এ বিষয়ে জানতে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার ফিরোজ আহমেদ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, "প্রশাসক ছোট একটি মেয়েকে নিয়ে একা থাকেন।" তার বাসায় স্থায়ী গৃহকর্মী থাকলেও মাঝে মাঝে প্রশাসকের অনুরোধে রিতা রানীকে শিশুটির দেখাশোনার জন্য পাঠানো হয়। তবে চাকরিচ্যুত করার হুমকির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক লাকি দাসও ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে তিনি স্বীকার করেন, মাঝে মাঝে রিতা রানীকে তার বাসায় নেওয়া হয়। তিনি বলেন, "তিনি ছোট একটি সন্তানকে নিয়ে একা থাকেন।" বাসায় স্থায়ী গৃহকর্মী থাকলেও প্রয়োজনের সময় রিতা রানীকে মেয়ের দেখাশোনার জন্য ডাকা হয়।
অফিসের কর্মচারীকে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা বিধিসম্মত কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এটি নিয়মসম্মত নয়। তবে পরিস্থিতির কারণে মাঝে মাঝে এমনটি করতে হয়েছে।" সাংবাদিকদের আপত্তির পর তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর করাবেন না বলেও জানান।
নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, বিষয়টি মানবিক দিক থেকেও দেখা যেতে পারে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) একা থাকেন এবং তার ছোট সন্তান রয়েছে। তবে পৌরসভা উপজেলা প্রশাসনের অধীন নয়। সে কারণে এ বিষয়ে তিনি আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে চান না। তবে সহকর্মী হিসেবে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেবেন বলে জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ