ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জন্মের তিন দিন পর মাকে হারানো আরফা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকেও হারাল


জন্মের তিন দিন পর মাকে হারানো আরফা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকেও হারাল

জন্মের মাত্র তিন দিনের মাথায় মা হারানোর দুঃখ সহ্য করতে হয়েছে আরিফিন ইসলাম আরফাকে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তার বাবা তাজুল ইসলাম মারা যান। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে মা-বাবার অভাব অনুভব করতে হচ্ছে ৯ বছরের এই শিশুটিকে। রাজধানী ঢাকার পশ্চিম রামপুরায় হৃদয়বিদারক এই ঘটনার জন্ম হয়েছে।

তথ্য অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা গেছে, তাজুল ইসলাম ও মারুফা আক্তার উভয়েই একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রেমের সম্পর্ক থেকে ২০১৪ সালে তারা পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০১৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আরফার জন্মের পরপরই মারুফা আক্তারের শারীরিক মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয়। নড়াইল থেকে যশোরে অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার পথে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এরপর থেকেই দাদি সখিনা বেগম ও বড় চাচা শফিকুল ইসলামের কাছে রামপুরার ভাড়া বাসায় বড় হয়ে উঠছিল আরফা। মা হারানো ছোট্ট মেয়েটিকে পরম যত্নে আগলে রেখেছিলেন তার বাবা তাজুল ইসলাম। মুদিদোকান পরিচালনার পাশাপাশি ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিলারের দায়িত্ব পালন করতেন তাজুল। তিনি মেয়ের সব আবদার পূরণ করতেন এবং মায়ের অভাব বুঝতে দিতেন না।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, এর আগে যক্ষ্মা, করোনা ও চিকুনগুনিয়ার মতো মারাত্মক রোগ জয় করলেও শেষ পর্যন্ত সর্বনাশা ডেঙ্গু তার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। স্বামী ও সন্তানের আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আর্থিক সংকট এবং পাওনাদারদের দেনা শোধের চাপ। তাজুল ইসলামের কোনো সঞ্চয় না থাকায় এবং ঋণের বোঝা কাঁধে চাপা পড়ায় ছোট্ট আরফার ভবিষ্যৎ নিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তার বৃদ্ধা দাদি ও চাচারা।

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

বর্তমানে রাজধানীর রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে আরফা। মুঠোফোনে মা-বাবার পুরোনো ছবি দেখা এবং প্রিয় বিড়াল ‘ভুতুম’কে নিয়ে দিন কাটানো এই শিশুর ছোট্ট মন এখনো পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেনি যে তার বাবা আর কোনো দিন ফিরবেন না। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউ থেকেও সুস্থ হয়ে ফেরার প্রতিশ্রুতি দেওয়া বাবার স্মৃতি আঁকড়ে ধরে দিন কাটাচ্ছে সে। পরিবারের এই চরম দুর্দিনে সমাজের বিত্তবান ও সরকারিভাবে কেউ পাশে দাঁড়ালে ছোট্ট আরফার ভবিষ্যৎ কিছুটা হলেও সুরক্ষা পেতে পারে, এমন আশা প্রকাশ করেছেন তার শোকার্ত স্বজনরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমকামী সেজে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


সমকামী সেজে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

যুক্তরাজ্যের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশিদের আশ্রয় পাইয়ে দেওয়ার কৌশল হিসেবে সমকামী সাজিয়ে প্রতারণায় জড়িত একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে। ইতোমধ্যে অভিযানের মাধ্যমে চক্রটির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, এই চক্রটি আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ভুয়া নথি, সাজানো ছবি এবং সম্পর্কের প্রমাণ তৈরি করে দিত। আবেদনকারীদের কাছ থেকে তারা সর্বোচ্চ সাড়ে চার হাজার পাউন্ড পর্যন্ত অর্থ গ্রহণ করত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকার সমান।

প্রধানত, বাংলাদেশে ফিরে গেলে জীবননাশের ঝুঁকি রয়েছে— এই মিথ্যা দাবি তুলে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি পুরুষের ভুয়া অ্যাসাইলাম আবেদন তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করেছে এই প্রতারক চক্রটি।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোরের দিকে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট চক্রটির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে। চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত বিবিসির একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর এই অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের সময় দুজনকে প্রতারণা ও অভিবাসনসংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, গহনা এবং কয়েক হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে। আরেকজনকে যুক্তরাজ্যে অবৈধভাবে অবস্থানের সন্দেহে আটক করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে চক্রটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ১০০টিরও বেশি আশ্রয়ের আবেদন পুনর্মূল্যায়ন করছে। তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন যে, এই ভুয়া আশ্রয় আবেদনগুলোর মধ্যে কিছু হয়তো ‘কোনো সন্দেহ ছাড়াই’ অনুমোদন পেয়ে গেছে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের আঞ্চলিক প্রধান ক্রিস ফস্টার জানান, তারা এই ভুয়া আশ্রয়ের আবেদনগুলোর সঙ্গে পূর্ব লন্ডনের হোয়াইট চ্যাপেলে অবস্থিত ‘আপনজন’ নামের একটি বাংলাদেশি এলজিবিটি সংগঠনের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন। আশ্রয় আবেদন পর্যালোচনাকারীরা সন্দেহজনক আবেদনগুলোর মধ্যে একই প্যাটার্ন বা ধরন শনাক্ত করেছেন, যা এই সংগঠনটিকে ঘিরে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে। পরবর্তীতে ইমিগ্রেশন অফিসাররা বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েক মাস ধরে তদন্ত করেন।

ক্রিস ফস্টার বলেন, "আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে যে তারা ভুয়া চিঠি ও নথিপত্র সরবরাহ করত। এজন্য তারা ১ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত ফি নিত। আশ্রয় আবেদন করা ব্যক্তিদের ‘সমকামী’ পরিচয়কে সমর্থন দিতে ‘আপনজন’ থেকে চিঠি ইস্যু করা হতো। এছাড়া, আবেদনকারীরা যে সমকামী তা বোঝাতে সাজানো ছবি, সমকামীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব অথবা যৌন সম্পর্কে যুক্ত এমন ভুয়া প্রমাণাদি তৈরি করে দিচ্ছিলো চক্রটি।"

যুক্তরাজ্যের অভিবাসন বিচারকেরা এর আগে ‘আপনজনের’ দেওয়া কিছু তথ্য-প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। এমনকি সংগঠনটির সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার দাবি করা এক আবেদনকারীর ছবিকে সাজানো বলে মনে করেছিলেন বিচারক।

উল্লেখযোগ্য যে, যুক্তরাজ্যে প্রচলিত আইনি কাঠামো অনুযায়ী আশ্রয় আবেদনে জালিয়াতির অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

চলতি বছর বিবিসির এক অনুসন্ধানে যুক্তরাজ্যে ভুয়া সমকামী পরিচয় ব্যবহার করে আশ্রয় আবেদন তৈরির অভিযোগ সামনে আসে। ওই অনুসন্ধানে আইনজীবী ও পরামর্শদাতাদের বিরুদ্ধে অভিবাসীদের সমকামী হিসেবে সাজিয়ে আশ্রয়ের আবেদন তৈরিতে সহায়তার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

বিবিসির অনুসন্ধানে তানিসা খান নামে এক পরামর্শদাতার কথাও উঠে আসে। গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা কথোপকথনে তিনি সমকামী ক্লাবে তোলা ছবি ও অন্যান্য সহায়ক প্রমাণসহ একটি ‘সম্পূর্ণ প্যাকেজ’ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তার সঙ্গে ‘ওরচেস্টার এলজিবিটি’ নামের একটি কমিউনিটি সংগঠনের সম্পর্ক ছিল বলেও জানা গেছে। কিন্তু সংগঠনটি পরে বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে, ভুয়া প্রমাণ তৈরিতে সহায়তার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা। তানিসা খানও ভুয়া আবেদন বা জাল প্রমাণ তৈরির পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ‘হিস হিস’ শব্দে আতঙ্কিত চা শ্রমিকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


হঠাৎ ‘হিস হিস’ শব্দে আতঙ্কিত চা শ্রমিকরা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা পাতার কুঁড়ি তোলার সময় শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। পরে খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন একটি বিষধর পদ্ম গোখরা সাপ অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে।

এ ঘটনা ঘটে বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ভুড়ভুড়িয়া চা বাগানের ১৪ নম্বর সেকশনে।

জানা যায়, চা পাতার কুঁড়ি তোলার সময় এক শ্রমিক হঠাৎ ‘হিস হিস’ শব্দ শুনতে পান। বিষয়টি বুঝতে পেরে চা শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান। এরপর ঘটনাটি চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক সাদেকুর রহমানকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে সাপটি উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানানো হলে সংগঠনটির পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তারা সাপটিকে পদ্ম গোখরা হিসেবে শনাক্ত করেন। তারা জানান, এটি অত্যন্ত বিষধর প্রজাতির সাপ।

সাপটি নিরাপদে উদ্ধার করে পরে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

বিষধর সাপটি না মেরে উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়ায় বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ভুড়ভুড়িয়া চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক সাদেকুর রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়। সময়মতো সচেতনতার সঙ্গে খবর দেওয়ায় একটি মূল্যবান বন্যপ্রাণীর জীবন রক্ষা পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোথাও কোনো বন্যপ্রাণী ধরা পড়লে, আহত বা অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে নিজেরা ধরার চেষ্টা না করে দ্রুত নিকটস্থ বন বিভাগ অথবা বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দিতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজারের ডিমের আসলতা যাচাইয়ের সহজ উপায় জানালেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


বাজারের ডিমের আসলতা যাচাইয়ের সহজ উপায় জানালেন বিশেষজ্ঞরা

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নকল’ বা ‘প্লাস্টিকের ডিম’ সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বাজার থেকে এই ডিম কিনে এসে ঠকছেন, যা শরীরের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।

তবে ডিমের মান যাচাইয়ের জন্য প্রচলিত কিছু ঘরোয়া পরীক্ষার পরিবর্তে খোসার অবস্থা, সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং ডিম ভাঙার পর এর গন্ধ ও চেহারা পরীক্ষা করাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। রাসায়নিক দিয়ে তৈরি নকল ডিম দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আসল ডিমের সঙ্গে নকল ডিমের পার্থক্য বুঝতে খুব একটা কঠিন নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, ডিম কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কিনা। খুচরা বিক্রির জন্য ডিম কেনার ক্ষেত্রে ঠান্ডা বা উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষিত ডিম বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যেভাবে বুঝবেন ‘আসল ডিম’ নাকি ‘প্লাস্টিকের’

১. প্রথমে ডিমের খোসার দিকে নজর দিতে হবে। আসল ডিমের খোসা সাধারণত একটু এবড়ো-খেবড়ো হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ডিমের খোসা সম্পূর্ণ মসৃণ হবে। তবে কেবল খোসার উপরিভাগ দেখে ডিমকে নকল বলা যাবে না।

২. ডিম পরীক্ষা করার জন্য একে কানের কাছে ধরে আলতো করে ঝাঁকান। তাজা ডিমে সাধারণত শব্দ হয় না বা ভেতরে নড়াচড়া অনুভূত হয় না। পুরোনো ডিমের কারণে ভেতরে পরিবর্তনের জন্য হালকা শব্দ হতে পারে বা তরল পদার্থ নড়তে পারে।

৩. আসল ডিম এবং নকল ডিমের মধ্যে ওজনের পার্থক্য থাকবে। আসল ডিম তার আকারের তুলনায় একটু ভারী হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ডিমের ওজন হালকা।

৪. আসল এবং নকল ডিমের মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য একটি সহজ পরীক্ষা হলো। একটি গ্লাসে পানি নিয়ে ডিমটি তাতে ফেলুন। আসল ডিম নকল হলে তা ডুবে যাবে।

৫. গন্ধ দ্বারা শনাক্ত করুন। একটি নষ্ট ডিমে অপ্রীতিকর বা তীব্র গন্ধ থাকতে পারে। কখনো কখনো, ডিম ভাঙার আগেও এর খারাপ হওয়ার লক্ষণ বোঝা যায়। যদি কোনও ডিমে অস্বাভাবিক গন্ধ থাকে, তবে সেটি না খাওয়াই ভালো।

বিশেষজ্ঞদের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিম ভালোভাবে রান্না করাও নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউএসডিএ-এর পরামর্শ হলো ডিম এমনভাবে রান্না করা, যাতে কুসুম ও সাদা অংশ ভালোভাবে জমে যায়। ডিমযুক্ত খাবারের ক্ষেত্রে নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।

সুতরাং, বাজার থেকে ডিম কেনার সময় শুধু ‘আসল না নকল’ নিয়ে গুজবে কান না দিয়ে খোসা অক্ষত আছে কি না, ডিম সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে কি না এবং ব্যবহারের আগে এর গন্ধ ও চেহারা স্বাভাবিক কি না- এসব বিষয় আগে খেয়াল করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালো ধোঁয়া ছেড়ে চলছিল যাত্রীবাহী বাস, পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


কালো ধোঁয়া ছেড়ে চলছিল যাত্রীবাহী বাস, পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান

ঢাকার ধামরাইয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পরিবেশ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এই অভিযানের ফলে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অধিক কালো ধোঁয়া নির্গমন করায় একাধিক যাত্রীবাহী বাসকে জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের কসমস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা কার্যালয় এবং সদর দপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেসা আক্তার।

অভিযান চলাকালে দূরপাল্লা ও স্থানীয় রুটের বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাসে স্মোক অপাসিটি মিটার ব্যবহার করে নির্গত ধোঁয়ার ঘনত্ব ও মান পরীক্ষা করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি বিষাক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমন করার কারণে কয়েকটি বাসকে মোট ১৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসাথে ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গমন না করার শর্তে বাস কর্তৃপক্ষকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।

অভিযান প্রসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান জানান, জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশের সুরক্ষায় কালো ধোঁয়া উৎপাদনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে এই ধরনের বিশেষ তদারকি এবং মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) দেবাশীষ সানা। এসময় ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সহযোগিতা প্রদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%