রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১০ পি.এম
ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি হাইস্কুলে কর্মরত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা রেমন্ড কার্নারকে একাধিক নারীর দ্বারা করা অনৈতিক ও যৌন আচরণের অভিযোগের কারণে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কোরাল স্প্রিংস পুলিশ ডিপার্টমেন্টের দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ তদন্তের পর এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
রেমন্ড কার্নার ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত কোরাল স্প্রিংসের জে পি তারাভেলা হাইস্কুলে প্রায় আট বছর ‘স্কুল রিসোর্স অফিসার’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালে পুলিশ বিভাগ থেকে স্বাভাবিক অবসরে যাওয়ার পর, তিনি একই বছর পার্টটাইম মৌসুমি কর্মকর্তা হিসেবে আবার কাজে ফিরে আসেন। পরে ঈগল রিজ এলিমেন্টারি স্কুলেও তার দায়িত্ব ছিল।
সম্প্রতি, কয়েকজন নারী তার বিরুদ্ধে অনভিপ্রেত ও যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার সাথে সাথে তাকে তৎক্ষণাৎ তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কার্নারের বিরুদ্ধে বেশ কিছু স্পর্শকাতর অভিযোগ রয়েছে। এক সাবেক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তিনি দেখেছেন যে কার্নার তার পোশাকের ভেতর হাত দিয়ে জোরপূর্বক টাকা রাখার চেষ্টা করেছিলেন। অন্য একজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, স্কুলে পড়ার সময় কার্নার ফেসটাইমে তাকে পর্নোগ্রাফি দেখাতেন এবং অশালীন আচরণ করতেন। অভ্যন্তরীণ তদন্তে তার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন, অশ্লীল প্রদর্শন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের অশালীন উপকরণ দেখানোর মতো একাধিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
যদিও তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে, রেমন্ড কার্নারের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের হচ্ছে না। প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলোর বেশিরভাগ ঘটনাই আইনে নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়সীমা (স্ট্যাটিউট অব লিমিটেশনস) পার হয়ে গেছে, ফলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই প্রশাসনিকভাবে বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও আদালতে তিনি ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হননি।
কোরাল স্প্রিংসের পুলিশ প্রধান ব্র্যাড মক পুরো ঘটনাকে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ওপর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের ঘটনার শিকার যদি আর কোনো ভুক্তভোগী থাকে, তাহলে তাদের সংকোচ না করে তথ্য দিতে পুলিশ বিভাগে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: অফিসার টু সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার
বিভাগ: রিস্ক ম্যানেজমেন্ট
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: মাইক্রোসফট অফিস অ্যাপ্লিকেশনসমূহ (এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, এমএস পাওয়ারপয়েন্ট) পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: প্রার্থীদের জন্য কমপক্ষে ৩ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকে নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদীতে অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১২, পাবনা ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ১৪ কেজি গাঁজাসহ সোহেল রানা (৪০) নামের একজনকে আটক করেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে, উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের চররুপপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া সোহেল রানা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার রায়হান জোয়াদ্দারের ছেলে। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলার চর চরুপপুর জিগাতলা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
গণমাধ্যমে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১২, সিপিসি-২, পাবনার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ডলি রানী সরকারের নেতৃত্বে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
অভিযানের সময় তার কাছ থেকে ১৪.২৫ কেজি গাঁজা, একটি মোটরসাইকেল, দুটি মোবাইল ফোন এবং চারটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ধানমন্ডিতে দিনে-দুপুরে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য রয়েছেন এবং কিছু ব্যক্তি অতীতে র্যাবেও কর্মরত ছিলেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতদের নাম হলো তানভীর আবেদীন (৪১), মো. মজিবুর রহমান (৬০), মো. জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকির (৬০), মো. সোলায়মান মৃধা (৫৫), মোহাম্মদ কবির হোসেন (৫০), আবুল কালাম আজাদ (৫০), মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিন (৪০), সজল চৌধুরী (৩১) এবং সায়মুন চৌধুরী (৩৩) বলে জানা গেছে।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন জানান, গত ৩০ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ধানমন্ডি মডেল থানাধীন ১২ নম্বর সড়কে ডিঙ্গি রেস্টুরেন্টের সামনে খোরশেদ আলম নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে অস্ত্রের মুখে ৩৮ লাখ টাকা ডাকাতি করে ৮-১০ জনের একটি দল। ডাকাতরা টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ধানমন্ডি মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তানভীর আহমেদ জুয়েল ও মো. মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলিসহ একটি দেশীয় রিভলভার উদ্ধার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার মুজিবুর রহমান ও তানভীরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য ব্যবহার করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পটুয়াখালী, কুয়াকাটা বাসস্ট্যান্ড, মোহাম্মদপুর, বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের আরও ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে লেলিনের কাছ থেকে লুট হওয়া ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৩৫০ টাকা এবং সজল চৌধুরীর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০ টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
পলাতক ও অজ্ঞাতনামা ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান এখনও চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন।
এ ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা এবং একটি অস্ত্র মামলা করা হয়েছে। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মামলা রয়েছে। তানভীর আহমেদ জুয়েলের বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে, সেগুলো ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায়। সজল চৌধুরীর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা পাওয়া গেছে, যেগুলো ডাকাতি ও ছিনতাই সংক্রান্ত। জাকারিয়া হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক, হত্যা ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দুইটি মামলা রয়েছে। আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা রয়েছে।
মো. ফারুক হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে তিনজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আগে র্যাবে কর্মরত ছিলেন।
ব্রিফিংয়ে যুগ্ম কমিশনার বলেন, ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম স্বর্ণ কেনার জন্য টাকা নিয়ে ওই চক্রের সদস্যদের সঙ্গে ধানমন্ডির একটি স্থানে দেখা করতে যান। স্বর্ণের লেনদেনের সময় তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ভুক্তভোগীকে রিকশাযোগে ধানমন্ডির ডিঙ্গি রেস্টুরেন্টের সামনে নিয়ে আসা হয়। ওই এলাকায় আগে থেকেই লেলিনের নেতৃত্বে চার-পাঁচজনের একটি ডাকাত দল অবস্থান করছিল। তাদের দেওয়া সংকেত অনুযায়ী অন্য সদস্যরা রিকশাটির গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে ডাকাতরা ভুক্তভোগীকে কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে মারধর করে। পরে কয়েকজন মোটরসাইকেলে করে টাকা নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাবেক সেনা সদস্যদের নাম পদবি সম্পর্কে তিনি বলেন, মো. মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। মোহাম্মদ জাকির হোসেন ওরফে ক্যাপ্টেন জাকির বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অনারারি ক্যাপ্টেন পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। আর সোলায়মান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার পদ থেকে অবসর নিয়েছেন।
মো. ফারুক হোসেন আরও বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের মধ্যে কয়েকজন স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত। তারা স্বর্ণ কিনতে চাওয়া ক্রেতা সংগ্রহ করেন। তাদের বলা হয়, আমাদের কাছে স্বর্ণ আছে। আপনি যদি স্বর্ণ কিনতে চান, তাহলে টাকা নিয়ে আসেন। এরপর তারা একটি জায়গায় বসে এ বিষয়ে আলোচনা করেন এবং পরে স্বর্ণ ও টাকার বিনিময় করার জন্য যখন অন্য জায়গায় যাচ্ছিলেন, তখন পরিকল্পনা করে ডাকাতি করেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের রান্নাঘরে একটি প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা বিপুলসংখ্যক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণের ফলে দুটি বসতঘর ও দুটি রান্নাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি টিনের চাল উড়ে গিয়ে পাশের বাঁশবাগানে পড়ে গেছে। এই ঘটনার ফলে দুই নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাজিরা উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া চরকান্দি গ্রামের ফারুক সৈয়ালের বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ফারুক সৈয়ালের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৩৫) এবং রশিদ সৈয়ালের স্ত্রী রাজিয়া বেগম (৬৫) রয়েছেন। বিস্ফোরণের ফলে গুরুতর আহত রোকেয়া বেগমকে প্রথমে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তানভীর আহম্মেদ জানান, রোকেয়া বেগমের শরীরে বোমা বিস্ফোরণের কারণে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সমাজপতি তমিজ খাঁ এবং মূলনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল শিকদারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত চলছিল। এই বিরোধের ফলস্বরূপ গত ১০ আগস্ট উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আব্দুল মান্নান সরদার (৬৫) নিহত হন এবং ককটেল বিস্ফোরণের কারণে এক যুবকের হাতের কবজি উড়ে যায়। ওই ঘটনায় জাজিরা থানায় ৮৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
সেই ঘটনার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে শনিবার ফারুক সৈয়ালের বাড়িতে আবারও এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। ফারুক সৈয়াল বিএনপি নেতা রেজাউলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত, তবে রেজাউল শিকদার দাবি করেছেন যে, ফারুক সরাসরি কোনো দলীয় কর্মী নন।
বিস্ফোরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে মূলনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন ভুলু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এলাকায় পুলিশের কড়া নজরদারি দরকার। আগে ছোটখাটো বিবাদে বাঁশ বা টেঁটা ব্যবহার হতো, আর এখন তুচ্ছ ঘটনাতেই ককটেল ফোটানো হচ্ছে।"
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রান্নাঘরে প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে বিপুল পরিমাণ ককটেল মজুত রাখা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে ককটেল মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ