মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০২ পি.এম
একদিকে ভাঙা ঘর এবং উচ্ছেদ হওয়া পরিবার, অন্যদিকে রয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ প্রকল্প। আসামের ধুবড়ি জেলার চাপরে বর্তমানে এই দুই দৃশ্য পাশাপাশি অবস্থান করছে।
যে জমি থেকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ বাঙালি বংশোদ্ভূত মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছিল, রোববার সেই জমিতে আদানি পাওয়ারের ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
প্রকল্পটির জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা হবে। আদানি গোষ্ঠীর দাবি, নির্মাণপর্বে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রকল্প চালু হলে আরও প্রায় ৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রথম ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ২০৩০ সালের ডিসেম্বর থেকে। তবে প্রকল্পের জমি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে।
ধুবড়ির চারুয়াবাখরা, চিরাকুটা এক ও দুই এবং সন্তোষপুর এলাকায় প্রায় ১ হাজার ১৫৭ একর সরকারি জমিতে বহু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিল। উচ্ছেদের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই তিন থেকে চার দশক ধরে সেখানে বসবাস করছেন।
অনেক পরিবার আবার ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে পূর্বের বসতভিটা হারিয়ে ওই এলাকায় এসে বসতি গড়েছিল। উচ্ছেদের পর প্রায় ১০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, প্রকল্পের জন্য সরকারি জমি আগে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই জমি আদানি পাওয়ারের প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়।
প্রশাসন ৩০০ বিঘা জমি অন্য এলাকায় পুনর্বাসনের জন্য চিহ্নিত করে এবং মালপত্র সরানোর জন্য পরিবারপিছু ৫০ হাজার টাকা সহায়তার কথা জানায়। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের একাংশ সেই পুনর্বাসনস্থানে যেতে রাজি হননি।
তাদের অভিযোগ, ব্রহ্মপুত্রঘেরা নিচু এলাকায় বর্ষায় পানি ঢোকে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদনে আদানি পাওয়ার কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল, প্রকল্প এলাকায় কোনো জনবসতি নেই এবং পুনর্বাসন বা পুনর্বাসনজনিত ক্ষতিপূরণের দাবি নেই।
অথচ উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর বক্তব্য, তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে প্রকল্পের জমি পরিষ্কার করা হয়েছিল। স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, সরকারি জমির পাশাপাশি জমির অধিকারপত্র থাকা মানুষের জমিও নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বড় একটি অংশ এখনও ক্ষতিপূরণ পাননি।
২০২৫ সালের ৩০ মার্চ জেলা প্রশাসন গ্রামের চারণভূমি প্রকল্পের কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব দেয়। ২ এপ্রিলের জেলা পর্যায়ের ভূমি সংক্রান্ত বৈঠকের কার্যবিবরণীতেও সেই প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে। এরপরই উচ্ছেদের নোটিশ জারি হয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙা শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে প্রকল্পকে আসামের বিদ্যুৎ খাতে বড় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে তুলে ধরেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের এই প্রকল্প রাজ্যের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আদানি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প হয়ে উঠবে। তবে উন্নয়নের এই হিসাবের পাশে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর হিসাবটি এখনও মেলেনি। একদিকে বিদ্যুতের আলো জ্বালানোর প্রস্তুতি, অন্যদিকে সেই আলো পৌঁছানোর আগেই ঘর হারানো মানুষের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন। ফলে ধুবড়িতে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরের সঙ্গে সঙ্গে পুরনো সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে—উন্নয়নের জমির দাম শেষ পর্যন্ত দেবে কে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জেলার ২’, যা সুপারস্টার রজনীকান্তের। নির্মাতারা সম্প্রতি বিভিন্ন চরিত্রের টিজার প্রকাশ করে দর্শকদের আগ্রহ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালানের প্রথম লুক প্রকাশিত হয়েছে।
এই সিনেমায় বিদ্যা বালানকে ‘কান্তা’ নামক একটি শক্তিশালী চরিত্রে দেখা যাবে। এটি প্রথমবারের মতো ৭৫ বছর বয়সি রজনীকান্তের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন এই বলিউড তারকা।
প্রথম ঝলকেই বিদ্যা বালান তার গম্ভীর ও ভয়ডরহীন উপস্থিতি দিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি নীল রঙের শাড়ি ও কালো ব্লাউজ পরে আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে একটি ঘরে প্রবেশ করছেন। মুখে সিগারেট এবং চোখেমুখে রহস্যময় ও প্রভাবশালী ভাব—সব মিলিয়ে তার লুকটি বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
যদিও নির্মাতারা ছবির গল্প বা চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে শোনা যাচ্ছে যে, তিনি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বড় মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। এই ছবিতে মিঠুন চক্রবর্তী মূল খলনায়কের ভূমিকায় রজনীকান্তের মুখোমুখি হবেন।
এছাড়া, এই টিজারে অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের দারুণ ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দর্শকদের বাড়তি রোমাঞ্চ প্রদান করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জেলার’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছিল। এবার তার সিক্যুয়েল ‘জেলার ২’-এ রজনীকান্তের পাশাপাশি আরও অভিনয় করছেন রাম্যা কৃষ্ণন, যোগী বাবু, এস জে সূর্য, মিঠুন চক্রবর্তী ও সুরজ ভেঞ্জারমুডুর মতো তারকারা।
নেলসন দিলীপকুমারের পরিচালনায় এই ছবিতে মোহনলাল, শিবা রাজকুমার, জ্যাকি শ্রফ, বিজয় সেতুপতি এবং হৃতিক রোশনের মতো বড় বড় তারকাদের ক্যামিও বা বিশেষ চরিত্রে দেখা যেতে পারে। বহু প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হাম উপসর্গে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৪৯ জন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৫৭ জনকে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। একই সময়ে ৯২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
এখন পর্যন্ত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭৩৮ জন।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৭৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৬২ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার দেশের চারটি জেলায় নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) নিয়োগ দিয়েছে। একইসাথে, এসব জেলার বর্তমান পুলিশ সুপারদের বিভিন্ন ইউনিটে বদলির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে সই করেছেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, র্যাবের উপপরিচালক (পুলিশ সুপার) মো. বদরুজ্জামানকে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নেত্রকোনার বর্তমান পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামকে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে।
পুলিশ অধিদপ্তরের ঢাকার এআইজি জালাল উদ্দিন ফাহিম, পিপিএম-সেবাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বর্তমান পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফকে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে এসবিতে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, র্যাবের উপপরিচালক (পুলিশ সুপার) মীর মনির হোসেনকে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাজবাড়ীর বর্তমান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদ, বিপিএম-সেবাকে পুলিশ সুপার হিসেবে হাইওয়ে পুলিশে বদলি করা হয়েছে।
মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়কে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলে পুলিশ অধিদপ্তরের ঢাকার এআইজি আলী হায়দার চৌধুরী, বিপিএমকে মেহেরপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পুলিশ অধিদপ্তরে রিপোর্টিংরত পুলিশ সুপার মো. নুরুল আমিন হাওলাদারকে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পুলিশ স্টাফ কলেজ, ঢাকায় পদায়ন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জারি করা এসব আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মা হওয়ার পর বলিউডের অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের শারীরিক পরিবর্তন ও ওজন নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আরেক অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া।
একটি সাক্ষাৎকারে মাতৃত্বকালীন ওজন নিয়ে কটাক্ষকারীদের তিনি তীব্র সমালোচনা করেন। পরিণীতি বলেন, "মা হওয়ার পর একজন নারীর শরীর পরিবর্তন হওয়াটা স্বাভাবিক এবং একে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করা অত্যন্ত বোকামি ও অশিক্ষার পরিচয়।"
আইএএনএস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পরিণীতি জানান, তিনি এ ধরনের ট্রলিং বা নেতিবাচক মন্তব্যগুলোকে খুব একটা গুরুত্ব দেন না, কারণ তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় ব্যয় করেন না। তিনি মন্তব্য করেন, "যাদের আমি চিনিই না, তাদের এমন আজেবাজে কথায় আমার কিছু যায় আসে না। আমার কাছে আমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং নিজের জীবনই আসল।"
মাতৃত্বকালীন ট্রলিং প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, "একজন নারী একটি সন্তান জন্ম দিয়েছেন এবং তার শরীরে কিছু পরিবর্তন এসেছে—এটিকে কেন নেতিবাচক হিসেবে দেখা হবে? এটি তো অতিমানবিক শক্তির একটি নিদর্শন।"
তিনি উদাহরণ দেন, "যেমন জিমে গেলে পেশী বা অ্যাবস তৈরি হয়, কিংবা পা ভেঙে গেলে প্লাস্টার থাকে—সেগুলো যেমন প্রমাণ, তেমনি গর্ভধারণের পরিবর্তনগুলোও একটি সুন্দর প্রমাণ।"
পরিণীতি স্পষ্ট ভাষায় জানান, যারা মাতৃত্বকালীন ওজন বা শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে উপহাস করেন, তাদের কোনো শিক্ষা, মৌলিক মানবিকতা কিংবা নিজেদের ব্যক্তিগত কোনো জীবন নেই।
ক্যাটরিনা কাইফকে নিয়ে কেন এই সমালোচনা?
গত বছরের ০৭ নভেম্বর অভিনেতা ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ দম্পতির ঘর আলো করে আসে তাদের প্রথম পুত্রসন্তান ভিহান। সন্তানের জন্মের এক বছর না পেরোতেই সম্প্রতি গণপতি উৎসবে ক্যাটরিনা প্রকাশ্যে আসতেই তার চেহারা ও শরীরের পরিবর্তন নিয়ে ট্রলের মুখে পড়তে হয় তাকে।
বলিউডের নায়িকাদের মা হওয়ার পর এমন জনসমালোচনার শিকার হওয়া অবশ্য নতুন কিছু নয়। তবে ক্যাটরিনার পাশে দাঁড়িয়ে অনেক ভক্ত ও নেটিজেনরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোচ্চার হয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ