বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৫৩ পি.এম
এক কাপ গরম কফি, সকালে ঘুম ভাঙাতে, কাজের ফাঁকে আড্ডা দিতে কিংবা বৃষ্টির দিনে জানালার পাশে বসে কফিতে চুমুক দেওয়ার অভ্যাস অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। বিশ্বব্যাপী কফির জন্য একটি বিশাল অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। কফির এই গল্প এখন আর শুধু ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ইথিওপিয়া বা ভিয়েতনাম পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নেই। বরং বাংলাদেশেও কফি চাষ ধীরে ধীরে স্থান করে নিচ্ছে পাহাড়ে।
আজ ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কফি দিবস। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক কফি দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালিত হচ্ছে জাতিসংঘের আওতায়। কফির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের পাশাপাশি এর সঙ্গে যুক্ত কৃষকদের জীবন ও জীবিকার বিষয়টিকে সামনে আনার উদ্দেশ্যেই এই দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।
কফির এক কাপ হাতে নেওয়ার আগে এর পেছনের দীর্ঘ পথের কথা অনেকেই মনে রাখেন না। কফির বীজ থেকে গাছ, গাছ থেকে ফল, ফল সংগ্রহ, বীজ আলাদা করা, শুকানো, প্রক্রিয়াজাত করা, ভাজা এবং সবশেষে কাপে পৌঁছানো—এই পুরো প্রক্রিয়ায় অনেক মানুষের শ্রম জড়িয়ে থাকে।
আন্তর্জাতিক কফি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ কৃষক পরিবার কফি চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ফলে কফি শুধুমাত্র একটি জনপ্রিয় পানীয় নয়, বরং বহু পরিবারের আয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। কফি উৎপাদনের সঙ্গে ক্ষুদ্র কৃষক, গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি সরাসরি সম্পর্কিত।
বাংলাদেশে কফি চাষের ইতিহাসও নতুন নয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পসংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৬১ থেকে ১৯৬২ সালের দিকে চট্টগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আফ্রিকা থেকে সংগ্রহ করা কফির চারা অন্যান্য ফলের চারার সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় রোপণ করেছিল। তবে তখন কফি বিক্রি ও প্রক্রিয়াজাত করার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় অনেক কৃষক পরে গাছ কেটে ফেলেন।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের পাহাড়ে কফি চাষের সম্ভাবনা নতুন নয়। কিন্তু উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই সম্ভাবনা বড় আকারে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
দেশের তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির পাহাড়ি পরিবেশ কফি চাষের জন্য সম্ভাবনাময় বলে সরকারি গবেষণা ও প্রকল্প নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব এলাকার পাহাড়ি জমি, মাটি, তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্য কফি গাছের জন্য উপযোগী হতে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটও পাহাড়ি এলাকায় কফির বিভিন্ন জাত ও বংশগত উপাদান নিয়ে গবেষণা করছে। খাগড়াছড়ির পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে রোবাস্তা কফির একাধিক বংশগত উপাদান নিয়ে গবেষণা হয়েছে। রাঙামাটির রাইখালী এলাকাতেও কফি নিয়ে গবেষণা চালানো হয়েছে।
কফি চাষের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গত কয়েক বছরে পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে কফি চাষের এলাকা বাড়ানো, কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালেও রাঙামাটিতে কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ নিয়ে কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, কাপ্তাই ও কাউখালীসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষি কর্মকর্তারা অংশ নেন। বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় কৃষি সহায়তা কার্যক্রমও চলছে।
বিশ্বে কফির অনেক জাত থাকলেও আরবিকা ও রোবাস্তা সবচেয়ে পরিচিত দুই ধরনের কফি। বাংলাদেশেও এই দুই ধরনের কফি নিয়ে গবেষণা চলছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণায় খাগড়াছড়ির পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে আরবিকা ও রোবাস্তা উভয় ধরনের কফির বংশগত উপাদান নিয়ে কাজের তথ্য পাওয়া যায়।
গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়ার সঙ্গে কোন ধরনের কফি বেশি মানানসই, কোন জাত থেকে ভালো ফলন পাওয়া যেতে পারে এবং কীভাবে রোগবালাই ও অন্যান্য সমস্যা মোকাবিলা করা যায়, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি নথিতে বলা হয়েছে, দেশে ইতোমধ্যে রোবাস্তা ধরনের একটি কফির জাত ‘বারি কফি-১’ নামে অবমুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আরবিকা ধরনের আরেকটি জাত নিয়েও কাজ চলছে।
তবে কফি চাষের সম্ভাবনা থাকলেই বড় উৎপাদন সম্ভব নয়। কফি গাছের পরিচর্যা, ছায়া ব্যবস্থাপনা, পানি, সার, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং সঠিক সময়ে ফল সংগ্রহের মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় কফি চাষে সঠিক দূরত্ব বজায় রাখা, সেচ ও সার ব্যবস্থাপনা এবং পর্যাপ্ত ছায়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে এসেছে।
পাহাড়ি জমির ঢাল, মাটিক্ষয় ও পানির ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য অঞ্চলে ঢালু জমি, ভারী বৃষ্টিতে মাটিক্ষয়, মাটির অম্লতা ও সেচের সীমাবদ্ধতার মতো সমস্যা রয়েছে। তাই এই এলাকায় টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না করলে দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফলন পাওয়া কঠিন হতে পারে।
বাংলাদেশের কফির বাজার এখনো মূলত আমদানিনির্ভর। মানুষের কফি পানের অভ্যাস বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর চাহিদাও বাড়ছে। ফলে দেশের পাহাড়ি এলাকায় কফি উৎপাদন বাড়ানো গেলে স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে পাহাড়ি কৃষিতে বৈচিত্র্য আসতে পারে।
তবে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা, ভালো মানের চারা সরবরাহ, প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ তৈরি এবং বাজারের সঙ্গে কৃষকদের সংযোগ বাড়ানো জরুরি। কারণ কেবল কফি উৎপাদন করলেই হবে না, সেই কফিকে সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারে পৌঁছে দিতে পারলেই কৃষক প্রকৃত অর্থে লাভবান হবেন।
একসময় বাংলাদেশের পাহাড়ে কফির চারা লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও পর্যাপ্ত বাজার ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগের অভাবে তা বড় পরিসরে এগোয়নি। কয়েক দশক পর আবার সেই কফিকে ঘিরে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক কফি দিবসে তাই কফির কাপের পাশাপাশি সেই কাপের পেছনে থাকা কৃষকের কথাও সামনে আসছে। বাংলাদেশের পাহাড়ি কৃষকেরা যদি কফি চাষ থেকে স্থায়ী আয় ও ভালো বাজার পান, তাহলে দেশের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে এই কফি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের জন্য একবার ব্যবহারযোগ্য পাসওয়ার্ড (ওটিপি) যাচাই করার প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব মো. তোফায়েল হোসেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি দর্শনার্থীদের মধ্যে যথাযথ প্রবেশ পাস বা অনুমতিপত্র ছাড়া সচিবালয়ে প্রবেশের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের প্রবেশ সচিবালয়ের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে, এর ফলে সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমের স্বাভাবিক পরিবেশের ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কাও রয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, সচিবালয়ে আগত সকল দর্শনার্থীর জন্য প্রবেশের আগে যথাযথভাবে ওটিপি যাচাই করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পরই দর্শনার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নিরাপত্তা জোরদার এবং অনুমোদনহীন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, এ বছর ৪৩ লাখ কৃষক কৃষক কার্ড লাভ করবেন। উদ্বোধনী দিনে পাইলট পর্যায়ে ১ লাখ ৪৭ জন কৃষক কৃষক কার্ডের উপকরণ প্রণোদনা পাচ্ছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ফেনী জেলার ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যক্তিবর্গের সম্মানী’ প্রদান অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ উল্লেখ করেন, কৃষক কার্ডের প্রাক-পাইলট সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর পাইলট পর্যায়ে এ বছর ৪৩ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষক কার্ডের আওতায় আসছেন। এর মধ্যে আগামীকাল (১ অক্টোবর) ১ লাখ ৪৭ জন কৃষি উপকরণ বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। ফেনী জেলার ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক কার্ড (প্রিন্টেড) কপি পাবেন।
তিনি আরও জানান, আগামীকালের অনুষ্ঠানে দেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলা যুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকবে, বাকি ৬৪ উপজেলাও যুক্ত থাকবে।
মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৪৩ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড ও উপকরণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ে সহায়তা প্রদান এবং কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারি সহায়তা আরও সহজে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সার্বিক প্রস্তুতি সন্তোষজনক এবং অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছেন।
এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম, ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে ক্যারিয়ার চালিয়ে গেলেও, নতুন সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার আগে অজানা এক ভয় অনুভব করেন দুষ্টু কোকিল খ্যাত ভারতের টালিউড নায়িকা মিমি চক্রবর্তী। নতুন চরিত্র, নতুন সেট এবং নতুন দলের সঙ্গে কাজ করার কারণে, শুটিং শুরুর আগে তিনি এক ধরনের উদ্বেগে ভোগেন। এমনকি শুটিংয়ের আগের রাতে তিনি ঠিকমতো ঘুমাতেও পারেন না।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিমি তার এই ভয় ও অস্বস্তির কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইন্ডাস্ট্রিতে বহু বছর কাজ করার পরও, নতুন সিনেমার শুটিং শুরুর আগে এখনও তার মনে অজানা ভয় কাজ করে।
মিমি বলেন, শুটিংয়ের প্রথম দিন তিনি একটু আগেভাগেই সেটে পৌঁছে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, কারা কাজ করছেন এবং সবাই ঠিকঠাক প্রস্তুত কি না। পরিবেশ সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা নিতে পারলে তার অস্বস্তি ও ভয় কিছুটা কমে যায়।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন একটি ছবির কাজ শুরুর আগে পরিবেশ ও সহকর্মীদের সঙ্গে পরিচিত হয়ে নেওয়া তাকে মানসিকভাবে স্বস্তি দেয়। এজন্য শুটিংয়ের প্রথম দিন তিনি অন্যদের চেয়ে কিছুটা আগেই সেটে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
এদিকে, আগামী দুর্গাপূজায় মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত "কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত" সিনেমাটি। এই সিনেমায় আবির চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে অভিনয় করবেন মিমি চক্রবর্তী।
এর আগে "রক্তবীজ" সিনেমাতেও একসঙ্গে অভিনয় করেছেন মিমি ও আবির। নতুন সিনেমায় আবারও এই জুটিকে পর্দায় দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন দর্শকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের নিকটবর্তী একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন আরোহী নিহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল বেলা দেশটির মারোন্দেরা জেলার একটি গ্রামীণ অঞ্চলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। এতে চারজন যাত্রী এবং দুইজন ক্রু সদস্য ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে একজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ীও ছিলেন।
সরকারের মুখপাত্র নিক মাংগোয়ানা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি বেঁচে নেই।
তবে নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। পুলিশ জানায়, উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। সূত্র: আরব নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ