শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রধান কেন্দ্র নিউইয়র্ক। তবে নিউইয়র্কের বাইরে দেশটির বিভিন্ন শহর ও মেট্রোপলিটন এলাকায় শক্তিশালী বাংলাদেশি কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। কিছু স্থানে দেশি খাবারের রেস্তোরাঁ ও বাজার রয়েছে, আবার কিছু স্থানে মসজিদ ও ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যবসা ও পেশাজীবীদের নেটওয়ার্কও রয়েছে, যা বাংলাদেশিদের নিজস্ব পরিবেশ তৈরি করেছে।
এসব এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ছোট বাংলাদেশ’ বলা হয় না। কিন্তু বাংলাদেশি পরিবার, ব্যবসা, খাবার, বাজার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের উপস্থিতির কারণে অনেকেই এসব স্থানকে কথ্যভাবে ‘ছোট বাংলাদেশ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের আমেরিকান কমিউনিটি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কের পর বাংলাদেশি জনসংখ্যার বড় কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ডেট্রয়েট, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, ফিলাডেলফিয়া, আটলান্টা, ডালাস, হিউস্টন, মিয়ামি ও বোস্টন উল্লেখযোগ্য।
ডেট্রয়েট ও হ্যামট্রাম্যাক, মিশিগান
নিউইয়র্কের বাইরে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হলো মিশিগানের ডেট্রয়েট ও হ্যামট্রাম্যাক। বিশেষ করে কন্যান্ট অ্যাভিনিউ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশি ব্যবসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
এখানে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ, মুদিদোকান, হালাল খাবারের দোকান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে। কন্যান্ট স্ট্রিটের বিভিন্ন দোকানে দেশি মসলা, সবজি, মাছ, মাংসসহ নানা পণ্য পাওয়া যায়।
হ্যামট্রাম্যাকে বাংলাদেশি অভিবাসীদের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও। আল-ইসলাহ ইসলামিক সেন্টারের পাশাপাশি ইসলামি শিক্ষার ব্যবস্থাও এখানে বিদ্যমান।
পিউ রিসার্চের সাম্প্রতিক ২০২১–২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, ডেট্রয়েট মেট্রো যুক্তরাষ্ট্রের বড় বাংলাদেশি জনসংখ্যার কেন্দ্রগুলোর একটি। ওই সময়ে সেখানে বাংলাদেশি-একা জনসংখ্যা প্রায় ১৮ হাজার ছিল।
লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া
লস অ্যাঞ্জেলেসের ‘লিটল বাংলাদেশ’ নিউইয়র্কের বাইরে বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম পরিচিত এলাকা। থার্ড স্ট্রিট ও আলেকজান্দ্রিয়া অ্যাভিনিউ ঘিরে গড়ে ওঠা এই অঞ্চল ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়।
এখানে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ, মুদিদোকান, সৌন্দর্যসেবা প্রতিষ্ঠান, মুঠোফোনের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে। দেশি মাছ, মসলা, চাল, ডাল ও হালাল পণ্যও এখানে পাওয়া যায়।
পিউ রিসার্চের ২০১৭–১৯ সালের তথ্যে লস অ্যাঞ্জেলেস মেট্রোতে প্রায় ৯ হাজার বাংলাদেশি ছিলেন।
ওয়াশিংটন ও আশপাশের এলাকা
ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রোপলিটন এলাকা বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। শুধু ওয়াশিংটন শহর নয়, ভার্জিনিয়া ও মেরিল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায়ও বাংলাদেশি পরিবার ও ব্যবসা ছড়িয়ে আছে।
এখানে সরকারি চাকরি, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসাসহ বিভিন্ন পেশায় বাংলাদেশি-আমেরিকানদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, মুদিদোকান, মসজিদ ও সামাজিক সংগঠনও গড়ে উঠেছে।
২০২১–২৩ সালের পিউ রিসার্চের তথ্যে ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকায় বাংলাদেশি-একা জনসংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার ছিল।
ফিলাডেলফিয়া, পেনসিলভানিয়া
ফিলাডেলফিয়া মেট্রো এলাকাতেও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশি কমিউনিটি বিদ্যমান। ২০১৭–১৯ সালের তথ্যে এখানে প্রায় ৭ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করতেন।
শহর ও আশপাশে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ, মুদিদোকান, হালাল খাবারের ব্যবসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে একটি শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। বাংলা ভাষার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনও এখানকার কমিউনিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আটলান্টা, জর্জিয়া
দক্ষিণ-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি পরিচিত কেন্দ্র হলো আটলান্টা। বিশেষ করে ডোরাভিল, চ্যাম্বলি, নরক্রস ও বাফোর্ড হাইওয়ের আশপাশে বাংলাদেশি ব্যবসার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
এখানে বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ, মুদিদোকান ও হালাল মাংসের দোকান রয়েছে। ব্যবসা, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য পেশার সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশিদের সংখ্যা বাড়ছে।
২০১৭–১৯ সালের তথ্যে আটলান্টা মেট্রোতে প্রায় ৬ হাজার বাংলাদেশি ছিলেন।
ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ, টেক্সাস
টেক্সাসের ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ এলাকাতেও গত কয়েক দশকে বাংলাদেশি কমিউনিটি বিস্তৃত হয়েছে। ২০১৭–১৯ সালের পিউ রিসার্চের তথ্যে এই মেট্রো এলাকায় প্রায় ৬ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করতেন।
ব্যবসা, পেশাজীবী নেটওয়ার্ক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এখানে বাংলাদেশি খাবার ও দেশি পণ্যের ব্যবসাও গড়ে উঠেছে।
হিউস্টন, টেক্সাস
হিউস্টনে বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো দেশি খাবার ও বাজারের সমন্বয়। বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ ও মুদিদোকানে মাছ, সবজি, চাল, মসলা ও হালাল মাংসসহ নানা পণ্য পাওয়া যায়।
২০১৭–১৯ সালের তথ্যে হিউস্টন মেট্রো এলাকায় প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশি ছিলেন।
মিয়ামি, ফ্লোরিডা
দক্ষিণ ফ্লোরিডার মিয়ামি মেট্রোতেও বাংলাদেশি কমিউনিটির উপস্থিতি রয়েছে। ২০১৭–১৯ সালের পিউ রিসার্চের তথ্যে এখানে প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশি ছিলেন।
বাংলাদেশিরা বিভিন্ন পেশা ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, হালাল খাবারের দোকান, মুদিদোকান ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে নিজেদের কমিউনিটি ধরে রেখেছেন।
বোস্টন, ম্যাসাচুসেটস
নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলে বাংলাদেশি কমিউনিটির অন্যতম পুরোনো কেন্দ্র হলো বোস্টন। ২০১৭–১৯ সালের তথ্যে বোস্টন মেট্রো এলাকায় প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশি ছিলেন।
জনসংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও এখানে দীর্ঘদিনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যক্রম রয়েছে। বাংলাদেশি পরিবার ও সংগঠনগুলো বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ধরে রেখেছে।
আটলান্টিক সিটি, নিউ জার্সি
নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিও বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত একটি কেন্দ্র। ২০১৭–১৯ সালের পিউ রিসার্চের শীর্ষ ১০ মেট্রো তালিকায় এখানে প্রায় ২ হাজার বাংলাদেশির হিসাব ছিল।
এখানে বাংলাদেশি মুসলিম কমিউনিটির জন্য মসজিদ ও ইসলামি শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। স্থানীয় বাংলাদেশি পরিবারগুলোর সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডকে ঘিরে একটি শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে উঠেছে।
শুধু জনসংখ্যা নয়, কমিউনিটির শক্তিও গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিস্তার বোঝার ক্ষেত্রে জনসংখ্যার হিসাবই সবকিছু নয়। বাংলাদেশি ব্যবসা, মুদিদোকান, রেস্তোরাঁ, মসজিদ, ইসলামি শিক্ষা, সামাজিক সংগঠন ও পেশাজীবীদের নেটওয়ার্ক কতটা গড়ে উঠেছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
পিউ রিসার্চের ২০২১–২৩ সালের তথ্যে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-একা জনসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার। এর ৪৪ শতাংশ নিউইয়র্কে বসবাস করে। মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস ও নিউ জার্সিও বাংলাদেশি জনসংখ্যার বড় কেন্দ্র।
অর্থাৎ নিউইয়র্ক সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হলেও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশিরা নিজেদের খাবার, ভাষা, ধর্ম, ব্যবসা ও সামাজিক জীবনকে ঘিরে আলাদা আলাদা কমিউনিটি গড়ে তুলেছেন। দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে এসব এলাকাতেই অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি খুঁজে পান পরিচিত খাবার, দেশি বাজার আর বাংলায় আড্ডার পরিবেশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিয়ের পাঁচ বছর পার হলেও সন্তান লাভ হয়নি আঁখি আক্তারের। সন্তান লাভের আশায় মানত করতে স্বামী, বাবা, বোন, ভাগনে ও ভাগনিকে নিয়ে মৈনট পীরের মাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। পথ চলাকালীন ধামরাইয়ের নান্দেশ্বরী এলাকায় তাদের বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনায় অটোরিকশাটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আঁখি, তার ১২ বছর বয়সী ভাগনে জাকারিয়া এবং সিএনজিচালক জুয়েলের মৃত্যু ঘটে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নের পশ্চিম নান্দেশ্বরী বটতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—সিএনজি অটোরিকশাচালক জুয়েল (৪০), যাত্রী আঁখি আক্তার (৩০) এবং তার ভাগনে জাকারিয়া (১২)। নিহতদের সকলের বাড়ি টাঙ্গাইলে। জাকারিয়া ছিল আঁখির বড় বোনের ছেলে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন লাকী আক্তার (৩২), আবুল হোসেন (৬৫), সেলিম আহমেদ (৩৫) এবং লাকী আক্তারের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সাদিয়া।
আহত আবুল হোসেন একসঙ্গে তার মেয়ে ও নাতিকে হারিয়ে হাসপাতালে আহাজারি করছিলেন। দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, "আমরা যামু মৈনট, আমার জামাই-মেয়ে নিয়া যামু পীর বাড়ির মাজারে। হেই সময় এরকম হইলো। জামাই সামনে ড্রাইভারের পাশে বাম সাইডে বইছে। ডান সাইডে খালি। হঠাৎ কইরা সামনে থাইকা গাড়িডা আইলো।"
তিনি আরও বলেন, "আমার ছোট মেয়ের সন্তান হচ্ছিল না। বড় মেয়ে মানত করার পর মেয়ে হয়েছিল। সেই নাতনির মানত পূরণ করতে আর ছোট মেয়ের জন্য সন্তানের মানত করতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু এখন আমার সব শেষ।" এই বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
নিহত আঁখির স্বামী সেলিম আহমেদ জানান, "আমাদের বিয়ের পাঁচ বছর হয়েছে। তবে আমরা নিঃসন্তান। আমরা মৈনট পীরের বাড়ি যাচ্ছিলাম। গাড়িতে ছয় জন ছিলাম। আমি, আমার স্ত্রী, জেঠাস ও তার দুই ছেলে যাচ্ছিলাম। আমার স্ত্রী ও তার বড় ভাগনে মারা গেছে।"
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে নান্দেশ্বরী বটতলা এলাকায় আরবিসি ব্রিকসের পাশে পাকা সড়কে কালামপুরগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে সাটুরিয়াগামী একটি অজ্ঞাত পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই সংঘর্ষের ফলে অটোরিকশাটি সম্পূর্ণরূপে দুমড়েমুচড়ে যায়। অটোরিকশার চালকসহ চার জন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জুয়েল ও জাকারিয়ার মৃত্যু ঘটে। গুরুতর আহত আঁখিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।
সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. রোকনুজ্জামান বলেন, "২টার দিকে তাদের নিয়ে আসে। তিনজন অজ্ঞান ছিল। রক্তপাত ছিল প্রচুর। পরে আঁখিকে রেফার করি। বাকি দুজনকে চিকিৎসা দিই। প্রায় ১০ মিনিট পর দুজনের মৃত্যু হয়। আর আঁখিকে ঢাকা নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।"
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। ধামরাই থানার কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন জানান, "আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। দুর্ঘটনার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পোর্ট শার্লটে ৩৮ বছর বয়সী এক নারীকে পোষা কুকুরের সঙ্গে যৌন আচরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগের শিকার মালিয়া এলিজাবেথ নুমারডরের বিরুদ্ধে প্রাণীর সঙ্গে যৌন সংস্পর্শের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।
শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাড়ির নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধারণ করা একটি ভিডিওর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় এবং এর পরেই নুমারডরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে নুমারডর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে এবং আদালতে অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।
শেরিফের দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ সেপ্টেম্বর নুমারডরের স্বামী এরিক নুমারডর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেন যে, তিনি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ভিডিও ও ছবিসহ কিছু প্রমাণ পেয়েছেন। এরপর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে এবং তদন্তকারীরা এরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বক্তব্য ও ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করেন।
এরিক জানান, বাড়ির একটি কয়েন রাখার পাত্র থেকে টাকা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি খুঁজে বের করতে তিনি বাড়িতে দুটি নিরাপত্তা ক্যামেরা স্থাপন করেছিলেন। তিনি তদন্তকারীদের জানান যে, বাড়ির সদস্যরা ক্যামেরাগুলোর বিষয়ে অবগত ছিলেন।
পরে শোবার ঘরের ক্যামেরায় ধারণ করা পুরোনো ভিডিও দেখার সময় তিনি নুমারডর ও পরিবারের পোষা কুকুরকে নিয়ে সন্দেহজনক দৃশ্য দেখতে পান। এরপর তিনি পুলিশকে ভিডিওর কিছু ছবি দেন এবং ভিডিও সংরক্ষিত ল্যাপটপ ব্যবহারের সুযোগও দেন।
শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, তদন্তকারীরা ভিডিওটি পর্যালোচনা করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিডিওতে নুমারডরকে আংশিক পোশাকহীন অবস্থায় কুকুরটির সঙ্গে এমনভাবে দেখা যায়, যা তদন্তকারীদের কাছে যৌন আচরণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়েছে। তবে এটি পুলিশের তদন্তভিত্তিক অভিযোগ এবং আদালতে এখনো এর সত্যতা নির্ধারিত হয়নি।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর তদন্তকারীরা নুমারডরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তিনি ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি নিজেই এবং সেখানে থাকা কুকুরটি পরিবারের পোষা প্রাণী বলে স্বীকার করেন। তবে তিনি কোনো যৌন আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি কেবল কুকুরটিকে আদর করছিলেন।
তদন্তকারীদের দাবি, ভিডিওতে দেখা কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নুমারডরের দেওয়া ব্যাখ্যা অসঙ্গত ছিল। একপর্যায়ে তিনি একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলার অনুরোধ করলে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করা হয়।
এরপর নুমারডরকে গ্রেপ্তার করে শার্লট কাউন্টি কারাগারে নেওয়া হয়। শেরিফের দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে ‘প্রাণীর সঙ্গে যৌন কার্যকলাপ’ সংক্রান্ত দ্বিতীয় শ্রেণির গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ৩৫ হাজার ডলার।
শার্লট কাউন্টির শেরিফ বিল প্রামেল ঘটনাটিতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "কোনো প্রাণীকে এ ধরনের আচরণের শিকার করা উচিত নয়।" এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে তথ্য পেলে তার দপ্তর ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।
গ্রেপ্তারের পর নুমারডরের কারাগারের ছবিতে তাকে হাসিমুখে দেখা যাওয়ার বিষয়েও শেরিফ মন্তব্য করেন।
তবে আইনগতভাবে নুমারডর এখনো দোষী সাব্যস্ত হননি। অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়ায় প্রমাণ ও উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনা করা হবে। শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলাটি বর্তমানে অভিযোগ ও তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্র: শার্লট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর, গালফ কোস্ট নিউজ, পিপল
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর যাতায়াত (ওভারফ্লাই) থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করেছে। বিগত অর্থবছরে (জুলাই থেকে জুন) বিমানবন্দরে মোট ওভারফ্লাই ফি বাবদ আয় হয়েছে ৮০৫ কোটি ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৫ টাকা ২০ পয়সা।
এই তথ্য ‘রেভিনিউ আর্নড ওভারফ্লাই রিপোর্ট’ থেকে জানা গেছে, যা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, শাহজালালে স্থাপিত নতুন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার (এটিসি) আলো ছড়াচ্ছে। নতুন এটিসি টাওয়ারের মাধ্যমে আকাশ সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায়ের গতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেম স্থাপনের কাজ শেষ হবে। এরপর থেকেই মূলত অপারেশনে যাবে এটিসি টাওয়ার। তবে গত ২০ এপ্রিল সাবেক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অর্থবছর অনুযায়ী আয়ের বিশ্লেষণ: প্রতিবেদনে বিগত এক বছরের রাজস্ব আয়কে দুই ভাগে ভাগ করে উপস্থাপন করা হয়েছে।
২০২৫ সালের জুলাই–ডিসেম্বর
বছরের প্রথম ছয় মাসে ওভারফ্লাই ফি বাবদ মোট আয় হয়েছে ৩৮৮ কোটি ১০ লাখ ১৫ হাজার ৪৫১ টাকা ২০ পয়সা। এর মধ্যে জুলাইয়ে আয় হয়েছে ৪৮ কোটি ১৮ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮৫ টাকা ৩৩ পয়সা, আগস্টে ৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৭৮ টাকা ৯৬ পয়সা, সেপ্টেম্বরে ৮৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫১৭ টাকা ৬০ পয়সা, অক্টোবরে ৭৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮৮ টাকা ৫৯ পয়সা, নভেম্বরে ৬২ কোটি ১১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪৫ টাকা ১৪ পয়সা, ডিসেম্বরে ৭২ কোটি ৭৬ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩৫ টাকা ৫৮ পয়সা।
২০২৬ সালের জানুয়ারি–জুন
পরবর্তীতে চলতি বছরের ছয় মাসে আয়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪১৬ কোটি ৯১ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৪ টাকায়। এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৮০ কোটি ১৬ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৬ টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ৬৯ কোটি ৫৮ লাখ ২৬ হাজার ২২৬ টাকা, মার্চে ৬২ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ১০৮ টাকা, এপ্রিলে ৬৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৭৬ টাকা, মে তে ৭০ কোটি ৪৭ লাখ ৫২ হাজার ২৫০ টাকা এবং জুনে ৬৬ কোটি ৯৮ লাখ ৬২ হাজার ৩১৮ টাকা।
এভিয়েশন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক আকাশপথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। দেশের আকাশসীমা দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ওভারফ্লাই ফি থেকে অর্জিত রাজস্ব দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, ‘আমাদের নতুন এটিসি টাওয়ার চালুর পর থেকে আমাদের ফ্লাইং ওভার চার্জ আদায় বেড়েছে। এটি এই টাওয়ার স্থাপনের সফলতা।’
তিনি আরও বলেন, দেশের আকাশসীমা শতভাগ নজরদারী স্থাপিত হয়েছে। ফলে রাডার ফাঁকি দিয়ে কোনও ফ্লাইট দেশের আকাশে প্রবেশ করতে পারবে না। এটি আমাদের জন্য যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ।
বেবিচকের মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ জানান, এটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন টাওয়ার, যা দ্বারা ফ্লাইট নিরাপদে ওঠানামার পাশাপাশি দেশের আকাশসীমা নজরদারির আওতায় এসেছে। দেশের আকাশসীমায় প্রবেশকারী কোনও ফ্লাইট নজরদারির বাইরে থাকবে না। পূর্বে যে রাডার ও নেভিগেশন ব্যবস্থাটি ছিল সেটি অনেক পুরোনো ছিল। ওই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের পুরো আকাশসীমা নজরদারির আওতায় আসতো না, বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরের অংশ। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, অন্য কোনও দেশের উড়োজাহাজ বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফি নেওয়ার বিধান আছে। আকাশসীমা একবার ব্যবহারের জন্য ‘ফ্লাইং ওভার চার্জ’ নামের এই ফি বাংলাদেশ পেতো না। কিন্তু বর্তমানে এই ফি আমরা পাচ্ছি। পাশাপাশি আমাদের আকাশে শতভাগ নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ছুরিকাঘাতে হত্যা করে একটি খোলা মাঠে ফেলে দেয় একদল দুর্বৃত্ত। কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার হলেও, এর আগে কুকুর তার শরীরের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পর পুলিশ চারজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দিল্লির ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করার পর হত্যার পর মরদেহ একটি খোলা মাঠে ফেলে দেওয়া হয়। সেখানে কুকুর মরদেহের কিছু অংশ খেয়ে ফেলে। ধর্ষণ ও হত্যার কয়েক দিন পর ১৩ সেপ্টেম্বর পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এই ভয়াবহ ঘটনার কথা প্রকাশ করে।
পুলিশের তথ্যে জানা গেছে, মরদেহ এতটাই পচে গিয়েছিল যে, প্রথমে সেটি নারী নাকি পুরুষের তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। জানা যায়, কিশোরী ও অভিযুক্তরা পূর্ব পরিচিত ছিল। ঘটনার সময় কিশোরী তাদের সঙ্গে একটি টেম্পোতে ছিল।
অভিযোগ রয়েছে যে, টেম্পোর ভেতর তারা একসঙ্গে মদ পান করে। এরপর কিশোরীকে যৌন নির্যাতন করা হয় এবং ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ খোলা মাঠে ফেলে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ১৩ সেপ্টেম্বর মধ্য দিল্লির কুশাক রোডে জয়পাল রানার মাঠের কাছে কিশোরীর পচে যাওয়া মরদেহ পাওয়া যায়। কুকুর মরদেহের কিছু অংশ খেয়ে ফেলেছিল। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কিশোরীর একটি হাত মরদেহ থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়।
কিশোরীর পরিবার তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেনি। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা তাদের জানান যে, কিশোরী প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েক দিন পর ফিরে আসত।
এ ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং শিশু নির্যাতন আইন পকসোর প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। ঘটনার স্থানে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি এবং প্রথমে অভিযুক্তদের পরিচয়ও জানা ছিল না। এ কারণে পুলিশ ওই এলাকা ও আশপাশের ৫০টির বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে।
ফুটেজ বিশ্লেষণের সময় ঘটনার সম্ভাব্য সময়ের কাছাকাছি একটি টেম্পোকে ঘটনাস্থলের আশপাশ দিয়ে যেতে দেখা যায়। অন্ধকারের কারণে টেম্পোটির নম্বর স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি। এরপর তদন্তকারীরা একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ অনুসরণ করে টেম্পোটির চলাচলের গতিপথ শনাক্ত করার চেষ্টা করেন।
গত ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যবর্তী রাতে রাতভর অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন টেম্পোটির সন্ধান পাওয়া যায়। এর চালককে শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তে ওই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তের নাম শিবম ওরফে সুদামা ওরফে চুচু, যিনি খাড্ডা কলোনির বাসিন্দা। তিন অপ্রাপ্তবয়স্কের বয়স ১৬ ও ১৭ বছর। অপরাধে ব্যবহৃত দুটি ছুরি, অভিযুক্তদের পরা পোশাক এবং টেম্পোটি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পুরো ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে, আটক ব্যক্তিদের প্রত্যেকের ভূমিকা নির্ধারণ করতে এবং ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত প্রমাণ যাচাই করতে তদন্ত চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ