ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মমতা এবার ককরোচ আন্দোলনে যোগ দিতে যাওয়ার লক্ষ্যে


মমতা এবার ককরোচ আন্দোলনে যোগ দিতে যাওয়ার লক্ষ্যে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, "আমি চাই পশ্চিমবঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের ব্যানারে সবাই একসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ুক। আমার কোনো অহংকার নেই। অন্যদেরও বলব, মতপার্থক্য ভুলে একসঙ্গে লড়াই করুন। প্রয়োজনে আমি ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেব।" খবর দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইনের।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলকাতার বিড়লা প্ল্যানেটারিয়ামের সামনে টিএমসির কালিঘাটপন্থি শিবির আয়োজিত বার্ষিক ‘শহীদ দিবস’ সমাবেশে বক্তব্য দেন মমতা। সেখানে তিনি বলেন, "বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক অহংকারের চেয়ে অনেক বড়।"

তিনি বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজ্যের বিরোধী দলগুলোকে সব মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দলত্যাগীদের কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বাসঘাতকদের’ আর কখনো দলে ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি বলেন, "আমি বিশ্বাসঘাতকদের চ্যালেঞ্জ করছি, সরাসরি বিজেপিতে গিয়ে নির্বাচনে লড়ুন।" বিদ্রোহীদের বিজেপির ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, "বিজেপির পাশবালিশ হয়ে থাকার দরকার নেই। যদি বিজেপিকেই সমর্থন করতে চান, তাহলে সরাসরি বিজেপিতে চলে যান।"

তিনি আরও বলেন, যত বেশি লোক দল ছাড়বে, আমি ততই খুশি হব। আমার ছাত্র-যুব কর্মীরা সব শূন্যস্থান পূরণ করবে। দলত্যাগীদের উদ্দেশে মমতার মন্তব্য, "ওই চোরেরা বিজেপিতে চলে গেছে। আমি তাদের আর কখনো দলে ফিরিয়ে নেব না।"

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্রোহীরা বিজেপির সহায়তায় টিএমসির ‘জোড়া ফুল’ প্রতীক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে দলের প্রতিষ্ঠাতা-সভানেত্রী হিসেবে তা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

এ সময় সমাবেশে মমতা খুব শিগগিরই তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা সফর শুরু করবেন বলে ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিঙ্গাপুরে দুই ভারতীয় চুরি করে ধরা পড়লেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


সিঙ্গাপুরে দুই ভারতীয় চুরি করে ধরা পড়লেন

সিঙ্গাপুরের চায়নাটাউনের একটি জুয়েলারি দোকানে প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার মার্কিন ডলার (যা প্রায় ২ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার) মূল্যের একটি হিরা চুরির পরিকল্পনা করে ছিলেন দুই ভারতীয় নাগরিক।

আসল হিরার বদলে তারা একই আকার ও নম্বরের নকল হিরা রেখে পালানোর কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু সারা ঘটনাটি দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে, তারা দেশ ছাড়ার আগে বিমানবন্দর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, এই ঘটনায় ৪১ বছর বয়সী মাঙ্গরোলিয়া মনোজকুমার কুরজিভাইকে সিঙ্গাপুরের আদালতে দুই বছর, দুই মাস এবং দুই সপ্তাহের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তিনি চুরির অভিযোগ মানার পর গত ১৭ জুলাই আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

একই মামলার অপর অভিযুক্ত ৩০ বছর বয়সী সেরাসিয়া মিলান রামনিকভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আদালতে উপস্থাপিত নথি অনুযায়ী, দুই অভিযুক্ত ব্যক্তি ভিজিট পাসে সিঙ্গাপুরে প্রবেশ করেন। সেখানে মোটামুটি যাওয়ার আগে ভারতের সুরাটে তারা আসল হিরার আকৃতি, ওজন এবং সিরিয়াল নম্বরের সঙ্গে মিল রেখে একটি নকল হিরা তৈরি করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল দোকানের কর্মীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে আসল হিরাটি বদলে নকলটি রেখে চলে যাওয়ার।

পরিকল্পনামাফিক, মনোজকুমার দোকানের বিক্রয় ব্যবস্থাপককে বিভিন্ন গয়না দেখানোর জন্য অনুরোধ করে তাকে ব্যস্ত রাখেন। সে সুযোগে, মিলান মুখে লুকিয়ে রাখা নকল হিরাটি বের করে ৪ দশমিক ৯৫ ক্যারেটের আসল হিরার সঙ্গে অদলবদল করেন। এরপর আসল হিরাটি মুখে লুকিয়ে ফেলেন।

কিন্তু তাদের পরিকল্পনা সফল হয়নি। দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় পুরো ঘটনাটি রেকর্ড হয়। দুই ব্যক্তি দোকান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বিক্রয় ব্যবস্থাপক বিশেষ পরীক্ষার যন্ত্রের মাধ্যমে হিরাটি পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন সেটি আসল নয়।

ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্ত নির্ধারিত সময়ের আগেই হোটেল থেকে চেক-আউট করেন এবং সেদিন সন্ধ্যায় ভারত অভিমুখী বিমানের টিকিট বুক করেন। কিন্তু চাঙ্গি বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩-এ অভিবাসন কার্যক্রম শেষ করার সময়ে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে, মিলানের ব্যাগ তল্লাশি করে চুরি হওয়া আসল হিরাটি উদ্ধার করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে জানায়, অভিযুক্তরা শুধুমাত্র চুরির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে সিঙ্গাপুরে এসেছিলেন। অপরাধ সংঘটনের আগে থেকেই তারা নকল হিরা প্রস্তুত করা, আসল হিরা অদলবদলের কৌশল নির্ধারণ এবং দ্রুত দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে।

অন্যদিকে, দণ্ডপ্রাপ্ত মনোজকুমার আদালতে দোভাষীর মাধ্যমে জানান, ভারতে তার দুই সন্তান রয়েছে। তিনি আদালতের কাছে কম শাস্তির জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে অপরাধের প্রকৃতি, পরিকল্পনা এবং আর্থিক ক্ষতির বিষয় বিবেচনায় আদালত এই কারাদণ্ডের রায় দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে জাবির ৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে জাবির ৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হলো

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) এর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একই বিভাগের আট শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২০ জুলাই রাতে ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী একই বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনের পাশে অবস্থিত একটি কক্ষে নিয়ে বিভিন্নভাবে মানসিক নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এরপর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৫(৬) ধারা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, বিভাগ কিংবা ক্যাম্পাসে ইভটিজিং, র‍্যাগিং বা যেকোনো ধরনের নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। অভিযের সত্যতা পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আট শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে।

সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হচ্ছেন- মো. ফজলে হাসান ফাহাদ, মো. আল-আমিন হোসাইন, মো. তানভীর হাসান, মো. ফয়সাল আহমেদ, মো. মাহমুদুল হাসান খান আবির, মো. মাহমুদ আমিন সিয়াম, মো. মোশফিকুর রহমান এবং সৈয়দ সাকিব আহমেদ রাফু। তারা সবাই হলেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই বছর পেরোলেও কুবিতে হয়নি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ, ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


দুই বছর পেরোলেও কুবিতে হয়নি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ, ক্ষোভ শিক্ষার্থীদের

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পরেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জুলাইয়ের গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি। জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সংগঠন একাধিকবার দাবি জানানোর পরেও প্রশাসন থেকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

শিক্ষার্থীদের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। তারা মনে করেন, এমন একটি স্মৃতিস্তম্ভ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক অবদান সম্পর্কে জানাবে এবং শহিদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানানোর একটি প্রতীক হয়ে কাজ করবে।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন 'পাটাতন' তাদের উদ্যোগে একটি জুলাই স্মৃতির মিনারের নকশা তৈরি করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছিল এবং মিনার নির্মাণের দাবি জানিয়েছিল। তবে এর বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসন এখনও কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

পাটাতনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েম মুহাইমিন এ ব্যাপারে বলেন, 'আমরা জুলাই স্মৃতির মিনার নিয়ে উপাচার্য বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছিলাম।' তিনি জানান, আবেদনটি উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্যের দপ্তরে জমা দেওয়ার পর প্রকৌশল অধিদপ্তরে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। পরে প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রস্তাবিত নকশার ভিত্তিতে  ইস্টিমেটেড বাজেটও প্রস্তুত করেছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী শহিদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, প্রকল্পটির চূড়ান্ত বাজেট প্রস্তুতের কাজ চলছে।'

এছাড়া ২০২৫ সালের ১১ জুলাই, তৎকালীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই মিনার’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সরকারি উদ্যোগে একটি ‘প্রতিরোধ মিনার’ নির্মাণের কথা জানান।

তবে, ঘোষণার এক বছর পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কিংবা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওই স্থানে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের লক্ষণ দেখা যায়নি। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রকল্পের বাস্তবায়ন সম্পর্কে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে না পড়ায় শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে।

এ বিষয়ে সাবেক সমন্বয়ক ও কুবি ছাত্রশক্তির সংগঠক নাঈম ভূঈঁয়া বলেন, 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে আমরা গত বছর থেকে কাজ করছি। আমরা কয়েকটি ডিজাইন জমা দিয়েছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।' তিনি আরও জানান, 'সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যখন আমাদের ক্যাম্পাসে আসেন তখন তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে কথা বলেছেন। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়ন হয়নি।'

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আতিকুর রহমান রায়হান এ প্রসঙ্গে বলেন, 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য।' তিনি জানান, 'তারা জীবন বাজি রেখে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, এমনকি আমাদের একজন ভাই শহীদ হয়েছেন।' তাই, তার মতে, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া অপরিহার্য। তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, 'অতীতে এত সময় চলে গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি।' অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি তার অনুরোধ, 'দ্রুত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হোক।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ পেলেই আমরা এর নির্মাণকাজ শুরু করব।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। গত ১৩ জুন কক্সবাজার জেলা সফরের সময় আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক। এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন জরুরি ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ এবং 'সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল'-এর সদস্য সচিব মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষর করেছেন। এর পূর্বে, কক্সবাজার-০৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল গত ২ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার জারি করেন যাতে কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার দাবি উত্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরের সময় এই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কক্সবাজার পৌরসভা ১৫৭ বছর পর সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে। সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ার ফলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের নাগরিক সেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে একটি নতুন মাত্রার সূচনা হবে, এমন امید করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%