ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এআই প্রযুক্তিতে সৌরভের বায়োপিকের পোস্টার তৈরি, মন্তব্য রাজকুমার রাওয়ের


এআই প্রযুক্তিতে সৌরভের বায়োপিকের পোস্টার তৈরি, মন্তব্য রাজকুমার রাওয়ের

ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর বায়োপিক ‘দাদা দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’-র প্রথম পোস্টার প্রকাশের পর থেকে নেটদুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। পোস্টারটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে এবং নেটিজেনদের একটি অংশ অভিযোগ তুলেছেন যে এটি যথাযথভাবে তৈরি করা হয়নি।

এখন সেই বিতর্ক ও সমালোচনার প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছেন ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাও। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই ঘটনার মাধ্যমে ছবির নির্মাতারা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। চলতি বছরের ৮ জুলাই, সৌরভের জন্মদিনে ছবিটির প্রথম পোস্টারটি প্রকাশিত হয়।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজকুমার রাও বলেন, "যারা পোস্টারটি তৈরি করেছিলেন, তারা বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন এবং শিক্ষা নিয়েছেন। তারা বুঝতে পেরেছেন যে কোনো কাজের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে কাজ করা উচিত। এত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আমার মনে হয়, পুরো দলই এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দাদার অনুরাগীর সংখ্যা অত্যন্ত বেশি, যা নির্মাতাদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

পোস্টারটিতে সৌরভের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ২০০২ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ভারতীয় দলের তৎকালীন অধিনায়ক সৌরভের উড়ন্ত জার্সি হাতে ঐতিহাসিক উদযাপনটি পোস্টারে স্থান পেয়েছে।

বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে পরিচালিত এই বায়োপিকে সৌরভের শুরুর দিন থেকে শুরু করে ভারতীয় দলের প্রভাবশালী ক্রিকেটার ও সফল অধিনায়ক হয়ে ওঠার কাহিনী তুলে ধরা হবে। ছবিতে সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তান্যা মানিকতলা। ছবিটি আগামী বছরের ১৪ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

‎

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী

গ্রাম পুলিশ সমাবেশ আগামী ৭ নভেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সমাবেশের সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ আগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) একটি প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করেছে। এই সভাটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে, বেলা ১১টায়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দেবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সভার সভাপতিত্ব করবেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান।

গ্রাম পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দফাদার ও মহল্লাদার পদে দায়িত্ব পালনকারী এই বাহিনীর সদস্যরা গ্রামীণ এলাকায় পাহারা ও টহল দেওয়া, অপরাধ দমনে থানা পুলিশকে সহায়তা করা, অপরাধসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি কাজে সহযোগিতা করেন।

তবে, দায়িত্বের তুলনায় বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা কম থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সংগঠন জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি, বেতন গ্রেড পুনর্নির্ধারণ, রেশন, চিকিৎসা ও ঝুঁকি ভাতা এবং অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে।

এছাড়া, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে।

‎

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানে পোশাকের কারণে ৫২ নারী ও এক কিশোরী গ্রেপ্তার: জাতিসংঘের রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


আফগানিস্তানে পোশাকের কারণে ৫২ নারী ও এক কিশোরী গ্রেপ্তার: জাতিসংঘের রিপোর্ট

আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের অধীনে নতুন করে জীবন গড়ার চেষ্টা করছেন রেকর্ডসংখ্যক আফগান নাগরিক। এই প্রক্রিয়ায় তারা নানা সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন। তালেবান কর্তৃপক্ষের হাতে দেশটির নারী ও কিশোরীরা গ্রেপ্তার, আটক এবং গ্রেপ্তার হুমকির শিকার হচ্ছেন বলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতিসংঘ এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ) জানায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে হেরাত ও কাবুলে অন্তত ৫২ নারী ও এক কিশোরীকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে। এছাড়া, আরও কয়েকজন নারীকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

মিশনটি এক বিবৃতিতে বলে, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ, ভয় এবং সামাজিক কলঙ্কের আশঙ্কায় অনেক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না।

নির্যাতনের ধারাবাহিক চিত্র

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে আফগানিস্তানে নারী ও কিশোরীদের অধিকার কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ ও চাকরি করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং জনপরিসরে তাদের উপস্থিতিও সীমিত করে রাখা হয়েছে।

ইউএনএএমএর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের ঘটনাগুলোর সঙ্গে তালেবান কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জড়িত। চাদর না পরা, চুল দেখা যাওয়া, রঙিন ওড়না ব্যবহার বা মেকআপ করা কিংবা মাহরাম অর্থাৎ পুরুষ অভিভাবক ছাড়া জনসমক্ষে বের হওয়ার কারণে অনেক নারীকে আটক করা হয়েছে।

মিশনটি জানায়, কয়েক ঘণ্টা আটক থাকার পর ওই নারীদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

মারধর ও হুমকির অভিযোগ

নারীদের; এমনকি নারী দোকানদারদেরও মৌখিক নিগ্রহ, মারধর ও হুমকি দেওয়ার বিভিন্ন ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএএমএ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নারী ও কিশোরীদের চলাচলের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং নিজেদের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারের লঙ্ঘন বলে পুনর্ব্যক্ত করেছে মিশন।

জাতিসংঘের মতে, গ্রেপ্তার ও আটকের ঘটনা নারী ও কিশোরীদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় এবং তাদের আরও বেশি প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেয়।

নারী ও কিশোরীদের লক্ষ্য করে বৈষম্যমূলক আইন প্রয়োগ বন্ধ করতে তালেবান কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিশনটি। একই সঙ্গে সব আফগানের মানবাধিকার ও মর্যাদা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের অধীনে আফগানিস্তানের অঙ্গীকার পূরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

রেকর্ডসংখ্যক আফগান নাগরিকের প্রত্যাবর্তন

এদিকে, ২০২৩ সাল থেকে ইরান ও পাকিস্তান হতে আফগানিস্তানে ফিরে আসা প্রায় ৬৫ লাখ মানুষের পুনর্বাসনের পথে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

আফগানিস্তানে আইওএমের মিশনপ্রধান মিয়ুং পার্ক বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ দ্রুতগতিতে দেশে ফিরছেন। তাই শুধু সীমান্তে পৌঁছানোর পরপরই নয়; তাদের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফিরে আসা অনেক আফগান নাগরিক দেশে থেকে নতুন করে জীবন গড়তে চান। কিন্তু জীবিকা, নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও মৌলিক সেবা পাওয়ার সুযোগের ওপর তাদের সেই সক্ষমতা নির্ভর করছে। পাশাপাশি যেসব স্থানীয় জনগোষ্ঠী তাদের আশ্রয় দিচ্ছে সেসব সম্প্রদায়কেও সহায়তা করা জরুরি।

আইওএমের রিটার্নি রেজিলিয়েন্স ওভারভিউ শীর্ষক প্রতিবেদনে নথিপত্রবিহীন প্রত্যাবর্তনকারী পরিবার এবং আফগানিস্তানে ফেরার পর অন্তত আট মাস ধরে অবস্থান করছেন-এমন ব্যক্তিদের পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

শিক্ষা ও দক্ষতা: ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে ৫৩ শতাংশের কোনো শিক্ষাস্তর সম্পন্ন হয়নি। অর্ধেকের বিশেষায়িত কাজের অভিজ্ঞতা নেই। সাক্ষাৎকারের আগের ৩০ দিনে ৬৯ শতাংশ কোনো চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন না।

পরিবার নিয়ে প্রত্যাবর্তন: ৮২ শতাংশ পরিবার হিসেবে দেশে ফিরেছেন। প্রতিটি পরিবারের সদস্যসংখ্যা গড়ে ৬ দশমিক ১ জন।

শিশু ও কিশোর: প্রত্যাবর্তনকারীদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে।

আবাসন সংকট: ৭৭ শতাংশ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন। অন্যদিকে, ৫১ শতাংশের পর্যাপ্ত বসবাসের জায়গা নেই।

নথিপত্রের অভাব: জরিপে অংশ নেওয়া পরিবারের মাত্র ২১ শতাংশ জানিয়েছে, পরিবারের সব সদস্যের প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে। বিপরীতে, ৪৩ শতাংশের সংশ্লিষ্ট সেবা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই।

দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের আহ্বান

আইওএম বলেছে, দেশে ফিরে আসা মানুষের সহায়তা শুধু আগমনের সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। তাদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য ধারাবাহিক বিনিয়োগ প্রয়োজন।

জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থাটি প্রত্যাবর্তনকারী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য এলাকাভিত্তিক পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। এসব কার্যক্রমে জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, নিরাপদ আবাসন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র পেতে সহায়তা এবং মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটির মতে, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা, সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা এবং সামাজিক সংহতি গড়ে তুলতে এসব উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপূজার ছুটি ১৮ অক্টোবর থেকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপূজার ছুটি ১৮ অক্টোবর থেকে

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ১৮ অক্টোবর (রবিবার) থেকে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ক্লাস বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট, বিভাগ এবং প্রশাসনিক দপ্তরও বন্ধ থাকবে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. গিয়াসউদ্দিন কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস বন্ধ থাকবে। একইসাথে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সকল ইনস্টিটিউট, বিভাগ এবং প্রশাসনিক দপ্তর। তবে ছুটির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সেবাগুলো যেমন—বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, নিরাপত্তা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম—চালু থাকবে।

এছাড়া লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আগামী ২৫ অক্টোবর (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দুর্গাপূজার ছুটির আগে ও পরে শুক্র এবং শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি এবং লক্ষ্মীপূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা মোট ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবিতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


ইবিতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তৃতীয় পর্যায়ের ১ম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) ১৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং চলমান উন্নয়নকাজের সাইট পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে উপাচার্য কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে প্রতিনিধিদল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

সভায় কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. রুহুল আলম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, মাউশি বিভাগের উপপরিচালক রোকসানা লায়লা, যুগ্ম সচিব এস এম ইমরুল হাসান এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন।

সভায় প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, ভৌত অগ্রগতি, বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। একইসাথে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ ত্বরান্বিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান উল্লেখ করেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ও একাডেমিক উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, "নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কাজ সুষ্ঠু ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।"

সভায় উপস্থিত সদস্যরা প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%