ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী


৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী

গ্রাম পুলিশ সমাবেশ আগামী ৭ নভেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সমাবেশের সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ আগামী মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) একটি প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করেছে। এই সভাটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে, বেলা ১১টায়।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তুতিমূলক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনা দেবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সভার সভাপতিত্ব করবেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান।

গ্রাম পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দফাদার ও মহল্লাদার পদে দায়িত্ব পালনকারী এই বাহিনীর সদস্যরা গ্রামীণ এলাকায় পাহারা ও টহল দেওয়া, অপরাধ দমনে থানা পুলিশকে সহায়তা করা, অপরাধসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি কাজে সহযোগিতা করেন।

তবে, দায়িত্বের তুলনায় বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা কম থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সংগঠন জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্তি, বেতন গ্রেড পুনর্নির্ধারণ, রেশন, চিকিৎসা ও ঝুঁকি ভাতা এবং অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে।

এছাড়া, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবিও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

‎

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগানিস্তানে পোশাকের কারণে ৫২ নারী ও এক কিশোরী গ্রেপ্তার: জাতিসংঘের রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


আফগানিস্তানে পোশাকের কারণে ৫২ নারী ও এক কিশোরী গ্রেপ্তার: জাতিসংঘের রিপোর্ট

আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের অধীনে নতুন করে জীবন গড়ার চেষ্টা করছেন রেকর্ডসংখ্যক আফগান নাগরিক। এই প্রক্রিয়ায় তারা নানা সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন। তালেবান কর্তৃপক্ষের হাতে দেশটির নারী ও কিশোরীরা গ্রেপ্তার, আটক এবং গ্রেপ্তার হুমকির শিকার হচ্ছেন বলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতিসংঘ এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশন (ইউএনএএমএ) জানায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে হেরাত ও কাবুলে অন্তত ৫২ নারী ও এক কিশোরীকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে। এছাড়া, আরও কয়েকজন নারীকে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

মিশনটি এক বিবৃতিতে বলে, প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ, ভয় এবং সামাজিক কলঙ্কের আশঙ্কায় অনেক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না।

নির্যাতনের ধারাবাহিক চিত্র

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে আফগানিস্তানে নারী ও কিশোরীদের অধিকার কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ ও চাকরি করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং জনপরিসরে তাদের উপস্থিতিও সীমিত করে রাখা হয়েছে।

ইউএনএএমএর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের ঘটনাগুলোর সঙ্গে তালেবান কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জড়িত। চাদর না পরা, চুল দেখা যাওয়া, রঙিন ওড়না ব্যবহার বা মেকআপ করা কিংবা মাহরাম অর্থাৎ পুরুষ অভিভাবক ছাড়া জনসমক্ষে বের হওয়ার কারণে অনেক নারীকে আটক করা হয়েছে।

মিশনটি জানায়, কয়েক ঘণ্টা আটক থাকার পর ওই নারীদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

মারধর ও হুমকির অভিযোগ

নারীদের; এমনকি নারী দোকানদারদেরও মৌখিক নিগ্রহ, মারধর ও হুমকি দেওয়ার বিভিন্ন ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএএমএ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নারী ও কিশোরীদের চলাচলের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং নিজেদের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারের লঙ্ঘন বলে পুনর্ব্যক্ত করেছে মিশন।

জাতিসংঘের মতে, গ্রেপ্তার ও আটকের ঘটনা নারী ও কিশোরীদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায় এবং তাদের আরও বেশি প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দেয়।

নারী ও কিশোরীদের লক্ষ্য করে বৈষম্যমূলক আইন প্রয়োগ বন্ধ করতে তালেবান কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মিশনটি। একই সঙ্গে সব আফগানের মানবাধিকার ও মর্যাদা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের অধীনে আফগানিস্তানের অঙ্গীকার পূরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

রেকর্ডসংখ্যক আফগান নাগরিকের প্রত্যাবর্তন

এদিকে, ২০২৩ সাল থেকে ইরান ও পাকিস্তান হতে আফগানিস্তানে ফিরে আসা প্রায় ৬৫ লাখ মানুষের পুনর্বাসনের পথে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

আফগানিস্তানে আইওএমের মিশনপ্রধান মিয়ুং পার্ক বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ দ্রুতগতিতে দেশে ফিরছেন। তাই শুধু সীমান্তে পৌঁছানোর পরপরই নয়; তাদের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফিরে আসা অনেক আফগান নাগরিক দেশে থেকে নতুন করে জীবন গড়তে চান। কিন্তু জীবিকা, নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও মৌলিক সেবা পাওয়ার সুযোগের ওপর তাদের সেই সক্ষমতা নির্ভর করছে। পাশাপাশি যেসব স্থানীয় জনগোষ্ঠী তাদের আশ্রয় দিচ্ছে সেসব সম্প্রদায়কেও সহায়তা করা জরুরি।

আইওএমের রিটার্নি রেজিলিয়েন্স ওভারভিউ শীর্ষক প্রতিবেদনে নথিপত্রবিহীন প্রত্যাবর্তনকারী পরিবার এবং আফগানিস্তানে ফেরার পর অন্তত আট মাস ধরে অবস্থান করছেন-এমন ব্যক্তিদের পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

শিক্ষা ও দক্ষতা: ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে ৫৩ শতাংশের কোনো শিক্ষাস্তর সম্পন্ন হয়নি। অর্ধেকের বিশেষায়িত কাজের অভিজ্ঞতা নেই। সাক্ষাৎকারের আগের ৩০ দিনে ৬৯ শতাংশ কোনো চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন না।

পরিবার নিয়ে প্রত্যাবর্তন: ৮২ শতাংশ পরিবার হিসেবে দেশে ফিরেছেন। প্রতিটি পরিবারের সদস্যসংখ্যা গড়ে ৬ দশমিক ১ জন।

শিশু ও কিশোর: প্রত্যাবর্তনকারীদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে।

আবাসন সংকট: ৭৭ শতাংশ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন। অন্যদিকে, ৫১ শতাংশের পর্যাপ্ত বসবাসের জায়গা নেই।

নথিপত্রের অভাব: জরিপে অংশ নেওয়া পরিবারের মাত্র ২১ শতাংশ জানিয়েছে, পরিবারের সব সদস্যের প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে। বিপরীতে, ৪৩ শতাংশের সংশ্লিষ্ট সেবা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই।

দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের আহ্বান

আইওএম বলেছে, দেশে ফিরে আসা মানুষের সহায়তা শুধু আগমনের সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। তাদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের জন্য ধারাবাহিক বিনিয়োগ প্রয়োজন।

জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থাটি প্রত্যাবর্তনকারী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য এলাকাভিত্তিক পুনর্বাসন কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। এসব কার্যক্রমে জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, নিরাপদ আবাসন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র পেতে সহায়তা এবং মৌলিক সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটির মতে, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা, সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা এবং সামাজিক সংহতি গড়ে তুলতে এসব উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপূজার ছুটি ১৮ অক্টোবর থেকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপূজার ছুটি ১৮ অক্টোবর থেকে

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ১৮ অক্টোবর (রবিবার) থেকে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়কালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত ক্লাস বন্ধ থাকবে। এছাড়া ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট, বিভাগ এবং প্রশাসনিক দপ্তরও বন্ধ থাকবে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. গিয়াসউদ্দিন কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস বন্ধ থাকবে। একইসাথে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সকল ইনস্টিটিউট, বিভাগ এবং প্রশাসনিক দপ্তর। তবে ছুটির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সেবাগুলো যেমন—বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, নিরাপত্তা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম—চালু থাকবে।

এছাড়া লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আগামী ২৫ অক্টোবর (রবিবার) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, দুর্গাপূজার ছুটির আগে ও পরে শুক্র এবং শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি এবং লক্ষ্মীপূজার ছুটি মিলিয়ে শিক্ষার্থীরা মোট ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবিতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


ইবিতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) তৃতীয় পর্যায়ের ১ম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) ১৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং চলমান উন্নয়নকাজের সাইট পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে উপাচার্য কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে প্রতিনিধিদল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

সভায় কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. রুহুল আলম, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, মাউশি বিভাগের উপপরিচালক রোকসানা লায়লা, যুগ্ম সচিব এস এম ইমরুল হাসান এবং সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোশারফ হোসেন।

সভায় প্রকল্পের চলমান কার্যক্রম, ভৌত অগ্রগতি, বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। একইসাথে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ ত্বরান্বিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান উল্লেখ করেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ও একাডেমিক উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, "নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কাজ সুষ্ঠু ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।"

সভায় উপস্থিত সদস্যরা প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে টিকিট ও এনআইডির নামের মিল বাধ্যতামূলক, মিল না থাকলে ট্রেনে ভ্রমণ নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


সিলেটে টিকিট ও এনআইডির নামের মিল বাধ্যতামূলক, মিল না থাকলে ট্রেনে ভ্রমণ নিষিদ্ধ

সিলেট থেকে ট্রেনে যাতায়াতের সময় টিকিটের নামের সাথে যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নামের সঠিক মিল থাকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে টিকিটের নামের সাথে এনআইডির মিল না থাকলে কোনো যাত্রীকে ট্রেনে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।

সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা শেষে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন এই ঘোষণা দেন। অভিযানে অনলাইনে কাটা টিকিটের নামের সাথে একাধিক যাত্রীর মূল পরিচয়ের কোনো মিল না পাওয়ার পর প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

অভিযান শেষে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, "আগামী ১২ অক্টোবর থেকে টিকিটের নাম ও যাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নামের মিল না থাকলে যাত্রীকে যেতে দেওয়া হবে না।" তিনি আরও বলেন, "যদি কেউ সিলেট থেকে ঢাকা বা অন্য কোথাও যেতে চান, তাহলে অবশ্যই তার টিকিটের সাথে এনআইডি কার্ডের নাম মিলতে হবে। আজকে আমরা দেখেছি কিছু কিছু যাত্রীর টিকিটের সাথে এনআইডির নাম মিলছে না। আমরা তিন-চারদিন সময় দিচ্ছি। ১২ তারিখ থেকে কঠোর অপারেশন শুরু হবে। আমি চেক করব। রেল স্টেশনে রেগুলার ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে।"

জেলা প্রশাসন জানায়, সাধারণ মানুষের ভ্রমণ নির্বিঘ্ন ও কালোবাজারিমুক্ত করতে এই তদারকি নিয়মিত চলবে। গত বছরের অক্টোবরেও তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের উদ্যোগে নিজ নামে টিকিট ছাড়া ট্রেন ভ্রমণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে কিছুদিন পর প্রশাসনের সেই নজরদারি থেমে গেলে আবারও টিকিট নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে কালোবাজারি চক্র। সিলেট রেল স্টেশনে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ঢাকা-সিলেট সড়কের নাজুক অবস্থার কারণে ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বেড়েছে। ফলে বেড়েছে কালোবাজারিও। অনলাইনে টিকিট ছাড়ার তিন-চার মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এর বড় অংশই কালোবাজারিরা কিনে নেয়।

ট্রেনের টিকিট নিয়ে নানা অভিযোগ ও যাত্রীদের ভোগান্তির মধ্যে সম্প্রতি সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন।

সিলেটে ট্রেনের টিকিট সংকটের পেছনে কালোবাজারি ও মজুদদারির সুনির্দিষ্ট আলামত পেয়ে মামলা দায়েরের পর সেটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-কে। এই মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার রাতে রেলস্টেশনে অভিযানে যান জেলা প্রশাসক।

এর আগে, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) ম্যাজিস্ট্রেটের মামলার নথিপত্র পিবিআইয়ের কাছে পৌঁছেছে। উপপরিদর্শক আবদুল আহাদ জানিয়েছেন, আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটি তিনি তদন্ত করছেন।

জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকায় উপবন, কালনী, জয়ন্তিকা, পারাবত এবং চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। এসব রুটের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সব বিক্রি হয়ে যায়। আদালতের নজরে আসে এই বিষয়টি।

পরবর্তীতে আদালত পর্যবেক্ষণ করে অনলাইনে কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রেনের সব টিকিট বিক্রির বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে। এরই প্রেক্ষিতে সেপ্টেম্বরের শেষদিকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি এজাহারে কালোবাজারি ও মজুদদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, সিলেট থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামগামী বিভিন্ন আন্তনগর ট্রেনের টিকিট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাত্রীদের অসন্তোষ প্রকাশ পেয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, অনলাইনে টিকিট বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট সময় টিকিট উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রীরা টিকিট না পেলেও পরে অধিক মূল্যে বিভিন্ন মাধ্যমে টিকিট বিক্রির অভিযোগ ওঠে।

বিষয়টি নজরে আসার পর ট্রেনের টিকিট বিক্রির সরকারি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন আদালত। সেখানে নির্দিষ্ট দিনের টিকিট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সব টিকিট বিক্রি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। বিপুলসংখ্যক টিকিট এত অল্প সময়ে বিক্রি হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সন্দেহ তৈরি হয় আদালতের।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, একটি চক্র ট্রেনের টিকিট বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কারও কারও সহযোগিতায় মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনের টিকিট সরিয়ে নিয়ে পরে তা অধিক মূল্যে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করে থাকতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ যাত্রীদের হয়রানির পাশাপাশি সিলেটের পর্যটনশিল্পের বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম জানান, রেলের টিকিট অনলাইনে ক্রয় করতে হয়। কেউ কেউ সরাসরি কাউন্টার থেকেও ক্রয় করেন। টিকিট বিক্রিতে আমাদের কোনো হাত নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%