ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জোলাগাতি খালের বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল, ভোগান্তিতে মানুষ


জোলাগাতি খালের বাঁশের সাঁকোয় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল, ভোগান্তিতে মানুষ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৯নং দক্ষিণ-পশ্চিম জোলাগাতি গ্রামের মাল বাড়ি জামে মসজিদের সামনে অবস্থিত জোলাগাতি খালের ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিদিন, জীবন হাতে নিয়ে চলাচল করছেন শত শত মানুষ। এই সাঁকোটি মাধ্যমে কাউখালী ও ভান্ডারিয়া দুটি উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বাতাসে অনেক শিক্ষার্থীও বাধ্য হয়ে এই সাঁকো ব্যবহার করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঁশের সাঁকোটি কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ভান্ডারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া গ্রামকে সংযুক্ত করেছে। সরদার হাট হয়ে ভিটাবাড়িয়া গ্রামের ওপর দিয়ে ভান্ডারিয়ায় যাতায়াতের জন্য এই পথটি ব্যবহার করা হয়। ফলে, প্রতিদিন এলাকার মানুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী এবং ব্যবসায়ীরা এই পথ দিয়ে চলাচল করেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, বর্ষা মৌসুমে খালের পানি বেড়ে গেলে বাঁশের সাঁকোটি তলিয়ে যায়। তখন মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যেতে এবং সাধারণ মানুষ জরুরি প্রয়োজনে চলাচল করতে ভোগান্তির সম্মুখীন হন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এলাকাবাসীরা দাবি করেন যে, দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন যে, সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জুরের কাছে একাধিক বার সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও তারা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন দেখতে পারেননি। তাই বর্তমান পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুরের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান তারা।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে লুটপাট ও দুর্নীতি হয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন হয়নি। যুগের পর যুগ এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পারাপার করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বিষয়টি মাননীয় সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন-গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জনাব আহমেদ সোহেল মঞ্জুর মহোদয়ের সামনে তুলে ধরবেন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের এই সমস্যার সমাধান করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

শিয়ালকাঠী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, এই সাঁকোটি দুই উপজেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষা মৌসুমে চলাচলের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিলে হাজারো মানুষের ভোগান্তি দূর হবে বলে আশা করেন। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে এবং সরেজমিনে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হবে। সেতু নির্মাণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্ম ও বর্ণ নিয়ে বিভাজনের ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


ধর্ম ও বর্ণ নিয়ে বিভাজনের ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, ধর্ম বিশ্বাস এবং ধর্ম চর্চাকে ব্যবহার করে যদি কোন মহল কাউকে পকেটে নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে ধর্মবাদী মানুষ তাদের চিহ্নিত করবেন। বাংলাদেশে ধর্ম এবং বর্ণ বিবেচনায় কোন চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না।

শুক্রবার (৩১ जुलाई) দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার দ্বি বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিষ্কারভাবে বলেছেন ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। অতএব, যদি কোন ধর্মাবলম্বীকে কেউ ব্যবহার করার চেষ্টা করে, তাহলে রাষ্ট্রকে কোন ধর্মের মাধ্যমে গ্রাস করার এধরণের সাম্প্রদায়িকতা ধর্ম বিরোধী। যখনই ধর্ম বিশ্বাসকে এবং চর্চাকে কোন মহল একটি সাম্প্রদায়িক পকেটে পরিণত করার চেষ্টা করবে, তখন ধর্মবান মানুষ সঙ্গে সঙ্গে ওই ধর্মব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করবেন।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের সকল বক্তব্য জনগণের কল্যাণের জন্য। যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণ তার কল্যাণকর মনে করে ততক্ষণ পর্যন্ত সেই দল, সেই মার্কা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য থাকবে।

সভায় অতিথি হিসেবে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম ফরিদ, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে, সাদা মনের মানুষখ্যাত বিজয় কৃষ্ণ দে সহ পূজা উদযাপন কমিটির স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মানিক লাল মূখার্জী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে খাল থেকে মাটি কাটার অভিযোগ, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


বরিশালে খাল থেকে মাটি কাটার অভিযোগ, বিক্রি হচ্ছে ইটভাটায়

বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের চরকরনজি (গোপেরহাট) এলাকায় সরকারি খাল এবং চরের মাটি অবৈধভাবে কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির নেতা মাহবুবুল আলম বাবুল খন্দকারের ছোট ভাই এনায়েত খন্দকারের নেতৃত্বে ভেক্যু (খননযন্ত্র) ব্যবহার করে দিনের পাশাপাশি রাতেও সরকারি খাল ও চরের মাটি কেটে স্থানীয় রুপা ব্রিকসে বিক্রি করা হচ্ছে। এর ফলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতিও হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে যে, খালের পাড় থেকে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে ট্রলার দ্বারা বোঝাই করে ইটভাটার দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও সেই আপত্তিগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি খাল ও চরের মাটি প্রকাশ্যে কেটে বিক্রি করা হলেও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে বহাল রয়েছে। তারা অবিলম্বে মাটি কাটার এই কাজ বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম বলেছেন, "বিষয়টি সম্পর্কে আমাকে অবহিত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে এনায়েত খন্দকার বলছেন, "সরকারি খাল কিংবা চরের মাটি নয়; ইটভাটা মালিকের ক্রয় করা জমির মাটি কাটা হচ্ছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবলীগ নেতার জমি দখলের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর আইনি সহায়তা দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


যুবলীগ নেতার জমি দখলের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর আইনি সহায়তা দাবি

বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি যুবলীগ নেতার জমি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে তার চাচার বিরুদ্ধে। দক্ষিণ বিজয়পুর এলাকার গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগকারী, গৌরনদী উপজেলা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদ্দাম খান জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অস্থিতিশীল অবস্থায় না থাকার সুযোগে তার চাচাতো চাচা মুকুল খান নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিচ্ছে এবং তাদের নয় শতক জমি দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার মধ্যে তার মাকে বাধা দিলে তাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগ করেন। সাদ্দাম খান আরও জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও মুকুল খান সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর রহমানের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিল এবং তাদের পরিবারের মধ্যে প্রভাব স্থাপন করেছিল। সে সময় তিনি জমি দখল করতে পারেননি, কিন্তু বিএনপি সরকার গঠন হওয়ার পর সে আবারও নিজেকে বিএনপি নেতা বলে দাবি করছে এবং জমি দখলের কাজ শুরু করেছে। জমি রক্ষার জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযুক্ত মুকুল খানের ব্যবহৃত ০১৭১৬-৮৬৭৯০৮ নাম্বারে একাধিকবার ফোন করার পরও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য জানা যায়নি। গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দখলে থাকা সম্পত্তি ফিরে পেতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ চাইলেন বিএনপি নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


দখলে থাকা সম্পত্তি ফিরে পেতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ চাইলেন বিএনপি নেতা

কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বারেক মোল্লার দখলে থাকা জমি নিজের দাবি করে আঃ আজিজ মুসুল্লী, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি, উদ্ধার করার জন্য প্রেস কনফারেন্স করেছেন। সংবাদ সম্মেলনটি শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় আঃ আজিজ মুসুল্লী অভিযোগ করেন যে, ওই জমির দাবিদার পৌর বিএনপির সহসভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল ভূইয়া, পৌর যুবদলের সহসভাপতি মোঃ নুর আলম শেখ এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেলও উপস্থিত ছিলেন।

আঃ আজিজ মুসুল্লী বলেন, ‘আমাদের ভোগদখলীয় জমি, বিএনপির কার্যালয়, আওয়ামী সরকারের সময় দখল করে মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া নিয়ে আসছেন আঃ বারেক মোল্লা। গত ১৭ বছর আমাদের ভোগদখল করতে দেয়নি। জোরজবরদস্তি করে ভোগ করে আসছেন। হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্টের পর কিংবা বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমাদের রেকর্ডীয় জমি উদ্ধার সম্ভব হতো। তবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আইনি ও সামাজিকভাবে সুরাহার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোন সুরাহা পায়নি। তাই গণমাধ্যমের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতার দখলে থাকা জমি উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা ১৭টি বছর ধরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছি। মামলার শিকার হয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এসএ জেএল নং-৩৪, লতাচাপলী মৌজার এসএ ১২২৭ নং খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত এসএ ৫১৭৮, ৫১৮০ ও ৫১৮৪ নং দাগে মোট ১৭ একর ৫০ শতক জমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন আরজ আলী শেখ। ১৯৬৫ সালে উক্ত আরজ আলী শেখের নিকট থেকে ১৮০৭ নং সাব-কবলা দলিলমূলে ১.৩৩ একর জমি ক্রয় করেন আঃ আলী শেখ। তিনি উক্ত জমির মালিক হিসেবে ভোগদখলে থাকেন। বিএস ৫৮৫ নং দলিলমূলে ২১ শতক জমি ক্রয় করেন আঃ আজিজ মুসুল্লী, আলী আহম্মেদ শেখ, আঃ মন্নান (ময়নুদ্দিন) ও নুর আলম শেখ গং যৌথভাবে। ২০০৯ সালের ১২ মার্চ ১২৯০ নং দলিল মূলে ৭৫ শতাংশ জমি নুর আলম শেখ মালিক হন। আমরা কুথাকাটা মহাসড়কের পাশ থেকে শান্তিপূর্ণভাবে উক্ত জমি ভোগদখল করি এবং সেখানে কয়েকটি দোকান ঘর নির্মাণ করি। পাশাপাশি বিএনপির অফিস স্থাপন করি। কিন্তু ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বারেক মোল্লা নেতৃত্বে আমাদের বিএনপির কার্যালয় দখল করে সেখানে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় পরিচালনা করা হয়। আমাদের ভোগদখলীয় জমিতে অনুমতি ও আইনগত অধিকার ছাড়াই মাটি ভরাট করে জমির সামনের অংশে মার্কেট নির্মাণ করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল ভুইয়া নির্দিষ্ট করেন যে, তিনি ২০০৫ সালের ২২ জুন ৩৬০৫নং সাব-কবলা দলিলমূলে ০.৩৬০০ একর এবং ২০০৫ সালের ৩০ জুন ৩৯১৭নং সাব-কবলা দলিলমূলে ০.৩৮৫০ একর জমি ক্রয় করে মার্কেট নির্মাণ করেন এবং সেখানে দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করেন। ২০০৯ সালে আব্দুল বারেক মোল্লা ও পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী আলমগীর উক্ত জমি ও মার্কেট দখল করে তাদেরকে উচ্ছেদ করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা কোন ধরনের সংঘাত কিংবা প্রতিশোধ নেওয়ার পক্ষে নই। আমরা আইন, ন্যায়বিচার এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে চলতে চাই। আমাদের একমাত্র দাবি সঠিকভাবে দলিল, রেকর্ড ও প্রকৃত তথ্য যাচাইপূর্বক আমাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হোক।

কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আঃ বারেক মোল্লা জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার কোন মার্কেট নেই। আমি কারোর জমি দখল করিনি। যে জমি বা মার্কেটের কথা বলা হয়েছে, ওই জমি বা মার্কেটের মালিক তার ভাইয়ের বেল্লাল মোল্লা। ১৯৯৯ সালে সেকান্দর আলী শেখ এর কাছ থেকে সাবেক পৌর কমিশনার মিলন মিয়ার স্ত্রী ক্রয় করেন। তার কাছ থেকে বেল্লাল মোল্লা ক্রয় করে মার্কেট নির্মাণ করেছে। এই জমি নিয়ে আদালতের ৫টি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মামলা এখনও চলমান রয়েছে। বাবা না থাকায় ভাতিজার পাশে থেকে সহযোগিতা করছেন মাত্র। তিনি দাবি করেন, কুয়াকাটায় বেড়িবাঁধের বাধের বাইরে বিএনপির কখনো কোন অফিস ছিল না। রাজনৈতিক হয়রানি এবং মার্কেট দখলে নিতে এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%