বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৪৪ পি.এম
ভারত এবং পাকিস্তানের ১১৬ জন বিশিষ্ট রাজনীতিক, সাবেক কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি একটি যৌথ খোলা চিঠি লিখেছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শেহবাজ শরিফের উদ্দেশ্যে। চিঠিতে তারা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং স্বাভাবিক সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা, কূটনীতির সম্পর্কের অবনতি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ বন্ধ থাকা এবং কাশ্মীরসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে সংলাপ স্থবির অবস্থায় থাকার কারণে দুই দেশের ১১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই খোলা চিঠি তৈরি করেছেন।
গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) তারিখে লেখা সেই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ভারতের ৬১ জন এবং পাকিস্তানের ৫৫ জন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। চিঠিটি সমন্বয় করেছেন ও পি শাহ, যিনি সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড প্রোগ্রেস-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্বাভাবিক সম্পর্ক, সংলাপ ও সহযোগিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দুই সরকারের অর্থবহ ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মতপার্থক্য নিরসনের একমাত্র কার্যকর পথ হচ্ছে অব্যাহত সংলাপ ও সম্পৃক্ততা।’
স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতি, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং তথা ‘র’-এর সাবেক প্রধান এ এস দুলাত, রাজ্যসভার এমপি মনোজ ঝা, পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিক আশরাফ জাহাঙ্গির কাজি, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা মিরওয়াইজ ওমর ফারুক, ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণি শঙ্কর আইয়ার এবং পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খুরশিদ মাহমুদ কাসুরি।
স্বাক্ষরকারীরা দুই সরকারের প্রতি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে: পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন এবং একে অপরের দেশে আবার হাইকমিশনার নিয়োগ দেওয়া, ফের স্বাভাবিক ভিসা সেবা চালু করা, দীর্ঘসময় বন্ধ থাকা দ্বিপক্ষীয় সংলাপ পুনরায় শুরু করা এবং দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করা।
চিঠিতে জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়টি নতুন করে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৪ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে যে আলোচনার কাঠামো তৈরি হয়েছিল, সেটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে উভয় দেশের নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সীমান্ত এলাকায় সামরিক উত্তেজনা হ্রাস এবং ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়ার ব্যাপারেও উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য পুনরায় চালু করতে হবে, সমমানের বৈষম্যহীন বাণিজ্য ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আটারি-ওয়াগাহ সীমান্তের স্থলবন্দর আবার খুলে দিতে হবে।
এছাড়া চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা দিল্লি-লাহোর বাস সার্ভিস পুনরায় চালু করতে, শ্রীনগর-মুজাফ্ফরাবাদ বাস সার্ভিস চালু করতে, সমঝোতা এক্সপ্রেস ও থর এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় চালু করতে, কারগিল-স্কার্দু রুট খুলে দিতে এবং বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের জন্য দুই দেশের আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে: করতারপুর কোরিডর পুনরায় পুরোপুরি চালু করতে হবে, সারতা পীঠ তীর্থযাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, শিল্পী ও ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সফর সহজ করতে হবে এবং গণমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ বিভাজন ও সংঘাত নয়, বরং শান্তি, সমৃদ্ধি এবং যৌথ অগ্রগতির ভিত্তিতে গড়ে উঠতে হবে। স্বাক্ষরকারীরা আরও উল্লেখ করেন, ভারত ও পাকিস্তান মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মানুষের আবাসস্থল, যার বড় অংশই তরুণ। দুই দেশের চলমান বৈরিতা লাখো তরুণের কর্মসংস্থান, উন্নয়ন এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের সুযোগ সীমিত করছে।
চিঠির শেষাংশে দুই সরকারকে বিচ্ছিন্নতার পরিবর্তে সম্পৃক্ততা, বৈরিতার পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটির নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত বর্ধিত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকাল ৩টা থেকে রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে 'আমরা কিশোরগঞ্জবাসী' ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে, যখন কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়, তখন আন্দোলনকারীরা ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। তবে এতে ট্রেন চলাচলে কোনো সমস্যা হয়নি।
এ সময় বক্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জ থেকে মাত্র ২টি ট্রেন ঢাকা রুটে চলাচল করে। এতে এমনিতেই জনগণের ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নেত্রকোনা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হলে কিশোরগঞ্জবাসীর বিড়ম্বনা আরও বাড়বে। বক্তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিল না করা হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি গড়ে তোলার হুমকি দেন।
জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন, পৌর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলহাজ্ব ফরিদ আহাম্মদ, সাবেক কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, সমাজসেবক মুরাদ ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মন্তব্য করেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাট জেলার সদর উপজেলার রাজপুর ও খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের তিস্তা নদীর বন্যা ও ভাঙনকবলিত দেড় সহস্রাধিক মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল তিস্তা নদীর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা হবে। নদী খনন, বাঁধ নির্মাণ সহ বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।’
এ সময়, নির্বাচনী সহিংসতায় নিহতদের পরিবারের জন্য গবাদি পশু প্রদান করেন মন্ত্রী।
এর আগে সকালে, তিনি মোগলহাট ইউনিয়নের ধরলা নদীভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন এবং ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এই ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোনীতা দাস প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ নগরীর কাচিঝুলী এলাকায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিশা সরকার (১৮) নামে এক কলেজছাত্রী একটি বহুতল ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর কাচিঝুলী মসজিদ রোড এলাকায় ‘নাসা টাওয়ার’ নামক ভবনে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত তিশা সরকার ময়মনসিংহ নগরীর মিন্টু কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা মধ্য বাজার এলাকার উত্তম সরকার ও মনি সরকারের মেয়ে।
গত দুই বছর যাবৎ তিনি কাচিঝুলী মসজিদ রোডের ২/ক/৩ নম্বর হোল্ডিংয়ের ‘নাসা টাওয়ার’ ভবনের একটি ছাত্রী মেসে থেকে পড়াশোনা করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টা থেকে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার শুরুর মাত্র চার ঘণ্টা আগে, সকালে ৬টার দিকে, তিশা ওই ৬ তলা ভবনের ছাদে উঠে নিচে লাফিয়ে পড়েন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সকালের দিকে মেসের অন্য সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকায় ঘটনার মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কিছুই জানাতে পারেনি।
খবর পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) আশরাফুল করিম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মেয়েটি বহুতল ভবনের ছয় তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত কোনো মানসিক চাপ নাকি অন্য কোনো কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন যেখানে প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন, সেখানে টানা চার দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ের সময় বজ্রপাতে একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় সেসব এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ প্রচণ্ড গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
গত রোববার (২৮ জুন) বয়ে যাওয়া ঝড় ও বজ্রপাতে আদিতমারী-২ সাবস্টেশনের (হাজীগঞ্জ) ওই ১০ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফরমারটি বিকল হয়ে যায়। এর ফলে দুই উপজেলার কমলাবাড়ী, পলাশী, ভেলাবাড়ী, গোড়ল, চলবলা ও দুর্গাপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) পর্যন্ত ৯২ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকায় তীব্র পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া, মোবাইল ফোন চার্জ দিতে না পারার কারণে যোগাযোগও ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা কার্যক্রম এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন।
ব্যবসায়ীদের বক্তব্য হচ্ছে, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে সংরক্ষিত মাছ-মাংস ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ছেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা অন্ধকারে পড়াশোনা করতে পারছেন না। ভুক্তভোগীরা দ্রুত বিকল ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আদিতমারী পল্লী বিদ্যুত সমিতির ডিজিএম মুহাম্মদ আব্দুল ফাত্তাহ বলেছেন, ‘বজ্রপাতে ১০ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফরমারটি বিকল হওয়ায় প্রায় ২২ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে রয়েছেন। ঢাকা থেকে নতুন ট্রান্সফরমার আনা হয়েছে এবং প্রতিস্থাপনের কাজ চলছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।’
সার্বিক বিষয়ে আদিতমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গুঞ্জন বিশ্বাস বলেছেন, ‘বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ