বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৬ পি.এম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস আবারও মালয়েশিয়া যাচ্ছেন স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে।
তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করবেন মালয়েশিয়ার দিকে।
এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
তিনি জানান, মির্জা আব্বাস নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মালয়েশিয়া যাচ্ছেন।
এর আগে, গত ২ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে তিনি দেশে ফেরেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লিপস্টিক, যা সাজগোজের অন্যতম জনপ্রিয় উপকরণ, ব্যবহার করার সময় ঠোঁটে রং লাগানোর ফলে চেহারায় ভিন্ন আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। তবে ঠোঁটের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত লিপস্টিকের মান এবং উপাদানের দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যদি কেউ দীর্ঘদিন ধরে নিম্নমানের বা ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করে, তাহলে ঠোঁটে শুষ্কতা, জ্বালা কিংবা রঙের পরিবর্তনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
অনেকের ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়ে, যদিও তারা ধূমপান করেন না। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, যার মধ্যে গাঢ় রঙের লিপস্টিক দীর্ঘদিন ব্যবহার করাও একটি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
লিপস্টিকে থাকা উপকরণ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা রয়েছে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু লিপস্টিকের গাঢ় রঙ তৈরির জন্য বিভিন্ন ধাতব রাসায়নিক ব্যবহার করা হতে পারে। সিসা ও ক্রোমিয়ামের মতো উপাদান নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহারের ফলে এসব রাসায়নিকের সংস্পর্শে ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ পরিবর্তিত হতে পারে। কারও ঠোঁটে কালচে ছোপ দেখা দিতে পারে, আবার কারও ঠোঁট বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে।
এছাড়া লিপস্টিকে ব্যবহৃত বিভিন্ন সুগন্ধি ও রাসায়নিক রং থেকেও ঠোঁটে অস্বস্তি বা রঙের পরিবর্তন ঘটতে পারে। লিপস্টিক কেনার সময় উপকরণের তালিকায় সিসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, রেড ডাই ৪০ ও ইয়ালো লেক ৫ থাকলে সতর্ক থাকা উচিত। এসব উপাদান ত্বকের সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা সৃষ্টি করতে পারে।
কম দামের লিপস্টিকেই বেশি ঝুঁকি?
শুধু কম দাম দেখেই লিপস্টিক কেনা উচিত নয়। বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে নিম্নমানের প্রসাধনী কিনলে তা ত্বক ও ঠোঁটের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
সুতরাং, লিপস্টিকের সংখ্যা বেশি রাখার চেয়ে মানসম্মত পণ্য বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের পণ্য কেনার দিকে নজর দেওয়া যেতে পারে।
কেনার আগে উপকরণের তালিকা পড়ুন
লিপস্টিক কেনার সময় শুধুমাত্র রং ও দাম দেখলেই হবে না। প্যাকেটের গায়ে দেওয়া উপকরণের তালিকাটিও দেখে নেওয়া জরুরি।
বিশেষ করে উপরে উল্লেখ করা উপাদানগুলোর নাম থাকলে সেই পণ্য এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ ঠোঁটের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য এমন পণ্য বেছে নেওয়া উচিত, যা ব্যবহারে ঠোঁটে অস্বস্তি বা শুষ্কতা তৈরি করে না।
লিপস্টিক পরে ঘুম নয়
সারাদিন লিপস্টিক পরে রাতে সেটি না তুলে ঘুমিয়ে পড়া ঠোঁটের জন্য ভালো নয়।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে আলতো হাতে তেলভিত্তিক প্রসাধনী পরিষ্কার করার উপকরণ দিয়ে লিপস্টিক তুলে ফেলুন। এরপর ঠোঁটে ভালো মানের লিপ বাম ব্যবহার করে ঘুমাতে যেতে পারেন।
এতে ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে এবং অতিরিক্ত শুষ্কতা কমবে।
ব্যবহারের আগে ঠোঁট সুরক্ষিত রাখুন
লিপস্টিক ব্যবহারের আগে ঠোঁটে লিপ প্রাইমার অথবা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয় এমন লিপ বাম ব্যবহার করা যেতে পারে।
এতে লিপস্টিক সরাসরি ঠোঁটের ত্বকে লাগার মাত্রা কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে ঠোঁটের আর্দ্রতাও ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করা খুব বেশি পরিমাণে ভালো নয়। ম্যাট ধরনের লিপস্টিক দীর্ঘ সময় ঠোঁটে স্থায়ী হয়। এ কারণে অনেকেই এটি পছন্দ করেন। তবে এসব লিপস্টিক ঠোঁটকে তুলনামূলক বেশি শুষ্ক করে দিতে পারে।
অতিরিক্ত শুষ্কতার কারণে ঠোঁটে অস্বস্তি ও রঙের পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই প্রতিদিন দীর্ঘ সময় খুব বেশি ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার না করাই ভালো।
সুন্দর ঠোঁটের জন্য একটু সচেতনতাই যথেষ্ট। লিপস্টিক সাজগোজের অংশ হলেও এটি সরাসরি ঠোঁটের সংস্পর্শে আসে। তাই শুধুমাত্র পছন্দের রং নয়, পণ্যের মান ও উপকরণের তালিকার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
ভালো মানের পণ্য বেছে নেওয়া, ঘুমানোর আগে লিপস্টিক তুলে ফেলা, ঠোঁট আর্দ্র রাখা এবং অতিরিক্ত শুষ্ক করে এমন পণ্য কম ব্যবহার—এসব অভ্যাস ঠোঁটের যত্নে সহায়ক হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নগরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের জন্য মোট ২০ কোটি টাকা আবর্তক অনুদান হিসেবে বরাদ্দ করেছে সরকার।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালন বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা বাবদ সিটি করপোরেশনের জন্য আবর্তক অনুদান খাতে মোট ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে আরবান প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বাবদ স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিশ্রুত ২৫ শতাংশ অর্থও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বরাদ্দের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা পেয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
এছাড়া, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ২ কোটি ২৮ লাখ টাকা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ২ কোটি, বগুড়া সিটি করপোরেশন ১ কোটি ৭৫ লাখ এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশন ১ কোটি ২ লাখ টাকা পেয়েছে।
অন্যান্য সিটি করপোরেশনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ৭৩ লাখ, বরিশাল ৭২ লাখ, ময়মনসিংহ ৬৫ লাখ, খুলনা ৬০ লাখ, কুমিল্লা ৫২ লাখ, রংপুর ৫২ লাখ এবং সিলেট সিটি করপোরেশন ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। পরবর্তী অর্থের বিভাজন অনুমোদনের সময় সংশ্লিষ্ট সিজিএ ও সিএও অফিসের সঙ্গে সংগতি সাধন করে চলতি অর্থবছরের ব্যয় বিবরণী দাখিল করতে হবে।
এছাড়া, বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম ঘটলে সংশ্লিষ্ট বিল উত্তোলনকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ী থাকতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগের কারণে তাসমিন (৪) নামের একটি শিশু এবং রাফসান নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ১৪ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে, জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৮ জন।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রামে ১ হাজার ১২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এ মাসে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৩৪ জন। আগস্ট মাসে নতুন করে ১ হাজার ২০২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং ওই মাসে মৃত্যু ঘটে দুজনের।
সেপ্টেম্বর মাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। মাসের প্রথম ১৫ দিনে ১ হাজার ১২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ মাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে জুলাই মাসে চট্টগ্রামে ৫৩৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং মারা যান দুজন। জুন মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২২ জন। মে মাসে ৩৭, এপ্রিলে ২৯, মার্চে ২০, ফেব্রুয়ারিতে ২২ এবং জানুয়ারিতে ৬৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় চলতি বছর সীতাকুণ্ড উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১৫ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৫৬৪ জন, নারী ৮৫৪ জন এবং শিশু ৬৩০ জন। মৃত্যুর হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে চারজন পুরুষ, সাতজন নারী এবং তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে চট্টগ্রামে ৪ হাজার ৮৬৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ২৭ জনের।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকারকে প্রতি ইউনিট সাড়ে ১০ টাকায় বিক্রি করা যাবে।
এই তথ্যটি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি প্রচারণামূলক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাদে সোলার সিস্টেম স্থাপন করে নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগও থাকবে। এজন্য প্রথমে ছাদের কতটুকু জায়গা সোলার স্থাপনের জন্য উপযোগী, তা নির্ধারণ করতে হবে। এরপর তালিকাভুক্ত সোলার ও ব্যাটারি স্থাপন করতে হবে। সোলার ও ব্যাটারির মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের মূল্য প্রতি তিন মাস পরপর সরাসরি ব্যাংক হিসাবে জমা হবে, বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়ানো এবং প্রতি ইঞ্চি ছাদকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার সিস্টেম চালু করে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করলে ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
এর আগে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার (ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ) স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনে নেবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ