বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৭ পি.এম
নগরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের জন্য মোট ২০ কোটি টাকা আবর্তক অনুদান হিসেবে বরাদ্দ করেছে সরকার।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের নগর উন্নয়ন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালন বাজেটে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা বাবদ সিটি করপোরেশনের জন্য আবর্তক অনুদান খাতে মোট ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে আরবান প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বাবদ স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিশ্রুত ২৫ শতাংশ অর্থও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বরাদ্দের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা পেয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
এছাড়া, গাজীপুর সিটি করপোরেশন ২ কোটি ২৮ লাখ টাকা, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ২ কোটি, বগুড়া সিটি করপোরেশন ১ কোটি ৭৫ লাখ এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশন ১ কোটি ২ লাখ টাকা পেয়েছে।
অন্যান্য সিটি করপোরেশনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ৭৩ লাখ, বরিশাল ৭২ লাখ, ময়মনসিংহ ৬৫ লাখ, খুলনা ৬০ লাখ, কুমিল্লা ৫২ লাখ, রংপুর ৫২ লাখ এবং সিলেট সিটি করপোরেশন ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে।
আদেশ অনুযায়ী, বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। পরবর্তী অর্থের বিভাজন অনুমোদনের সময় সংশ্লিষ্ট সিজিএ ও সিএও অফিসের সঙ্গে সংগতি সাধন করে চলতি অর্থবছরের ব্যয় বিবরণী দাখিল করতে হবে।
এছাড়া, বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অনিয়ম ঘটলে সংশ্লিষ্ট বিল উত্তোলনকারী কর্তৃপক্ষকে দায়ী থাকতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগের কারণে তাসমিন (৪) নামের একটি শিশু এবং রাফসান নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ১৪ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে, জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৮ জন।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসে চট্টগ্রামে ১ হাজার ১২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এ মাসে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৩৪ জন। আগস্ট মাসে নতুন করে ১ হাজার ২০২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং ওই মাসে মৃত্যু ঘটে দুজনের।
সেপ্টেম্বর মাসে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। মাসের প্রথম ১৫ দিনে ১ হাজার ১২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ মাসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে জুলাই মাসে চট্টগ্রামে ৫৩৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং মারা যান দুজন। জুন মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১২২ জন। মে মাসে ৩৭, এপ্রিলে ২৯, মার্চে ২০, ফেব্রুয়ারিতে ২২ এবং জানুয়ারিতে ৬৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় চলতি বছর সীতাকুণ্ড উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১৫ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ১ হাজার ৫৬৪ জন, নারী ৮৫৪ জন এবং শিশু ৬৩০ জন। মৃত্যুর হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে চারজন পুরুষ, সাতজন নারী এবং তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে চট্টগ্রামে ৪ হাজার ৮৬৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। ওই বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ২৭ জনের।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকারকে প্রতি ইউনিট সাড়ে ১০ টাকায় বিক্রি করা যাবে।
এই তথ্যটি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি প্রচারণামূলক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাদে সোলার সিস্টেম স্থাপন করে নিজস্ব বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগও থাকবে। এজন্য প্রথমে ছাদের কতটুকু জায়গা সোলার স্থাপনের জন্য উপযোগী, তা নির্ধারণ করতে হবে। এরপর তালিকাভুক্ত সোলার ও ব্যাটারি স্থাপন করতে হবে। সোলার ও ব্যাটারির মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের মূল্য প্রতি তিন মাস পরপর সরাসরি ব্যাংক হিসাবে জমা হবে, বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, সৌরবিদ্যুতে আয় বাড়ানো এবং প্রতি ইঞ্চি ছাদকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার সিস্টেম চালু করে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করলে ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
এর আগে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার (ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ) স্থাপন করবেন, তাদের উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরকার প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনে নেবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ঘটে যাওয়া এক দুর্ঘটনায় মুহাম্মদ রাহাত (৩) নামে একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ইছাখালী জাকিরাবাদ মদিনা টাওয়ারের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুটি উপজেলার মরিয়মনগর পূর্ব সৈয়দবাড়ির প্রবাসী রুবেলের পুত্র।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রুবেল তার ছেলে রাহাত এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ইছাখালী আদিলপুর এলাকায় বন্ধু জাহেদ এর বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে, অটোরিকশাযোগে মদিনা টাওয়ারের সামনে আসার সময় শিশুটি মায়ের কোল থেকে সড়কে পড়ে যায়। এ সময় অটোরিকশার একটি চাকা শিশুটির বুকের ওপর দিয়ে চলে যায়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সায়দার জিগার জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শিশুটির মৃত্যু ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরা জেলা কারাগারে বন্দী নূর আলম মুন্সি নামে এক কয়েদির মৃত্যু ঘটেছে।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে যে, কারাগারে যাওয়ার সময় নূর আলম সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। তবে হঠাৎ করে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়। এ ঘটনায় পরিবার তার মৃত্যুকে রহস্যজনক দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানায়।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত নূর আলম মুন্সি মাগুরা শহরের ভিটাসাইর এলাকার মৃত মুন্সি সরদার হোসেনের সন্তান। তিনি একটি মাদক মামলায় এক বছরের ২ মাসের সাজা ভোগ করছিলেন। ২০১৯ সালের ৩৫১/১৯ জিআর ২০১৯ নম্বর মামলায় তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মাগুরা জেলা কারাগারের জেল সুপার শেখ মো. মহিউদ্দীন হায়দার এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, চিকিৎসায় আমাদের কোনো গাফিলতি ছিল না। গত ১৩ সেপ্টেম্বর নূর আলম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রিজন ভ্যানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু ঘটে। নূর আলমের মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ