ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কারাগার থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শিকদার আটক


কারাগার থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শিকদার আটক

গণ-অভ্যুত্থানের পর, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে কাশিমপুর কারাগারে সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বন্দিদের সঙ্গে পালিয়ে যান মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আব্দুল্লাহ শিকদার। তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পরে র‍্যাবের সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করেছেন।

গোয়েন্দা তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে, রাজধানীর দারুস সালাম এলাকায় একটি অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়, যা শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন র‍্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার কে এন রায় নিয়তি।

তিনি আরও জানান, কারাগারে সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের সময় একটি বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙে তৈরি করা অস্থায়ী মই ব্যবহার করে শিকদার অন্যান্য বন্দিদের সঙ্গে পালিয়ে যান। এরপর তিনি পরিচয় গোপন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

র‍্যাব জানায়, ২০২১ সালে সুদের টাকা আদায়ের কারণে এক ব্যক্তিকে হাতুড়ি ও কুড়াল দিয়ে হত্যা করার ঘটনায় আব্দুল্লাহ শিকদারসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিল আদালত। ওই রায়ের পর থেকেই তিনি কারাগারে বন্দী ছিলেন।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাশিমপুর কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযানের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিয়ে লাঠিপেটায় মেয়েকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


প্রেমের সম্পর্ক মেনে না নিয়ে লাঠিপেটায় মেয়েকে হত্যা

খুলনায় প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পারার জের ধরে ১৬ বছর বয়সি আরফানা হোসেন নির্জনাকে হত্যার অভিযোগ এসেছে তার বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে কেএমপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, গত বুধবার (৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে খুলনা সদর থানার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর সড়কে একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর একটি অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় এবং হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পিবিআই ও সিআইডি সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলেছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগীর ছবি প্রকাশ, বেতার বার্তা প্রচার এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ার কারণে শুক্রবার (১০ জুলাই) খুলনা সদর থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়। জানা যায়, নিহত কিশোরী সোনাডাঙ্গা থানার বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা আরফানা হোসেন নির্জনা। পরে তার বাসায় গিয়ে পুলিশ মা আরিফা ইয়াসমিন সিমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রথমে তিনি বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলেও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে নিজস্ব সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। এরপর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মেয়ের বিভিন্ন ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে পরিবারে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে তর্কের এক পর্যায়ে বাবা মো. আলিম হোসেন আকাশ মেয়ের মাথায় লাঠি দিয়ে তিন-চারটি আঘাত করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে মেয়েটির মৃত্যু হয়। পরে মরদেহটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খুলনা সদর থানার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকার ৩ নম্বর সড়কে ফেলে রেখে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়।

এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা-মা অভিযুক্ত হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত অপর আসামি, মেয়েটির বাবা, গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ে মৃত্যুঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে বাস করছেন হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


পাহাড়ে মৃত্যুঝুঁকি জেনেও বাধ্য হয়ে বাস করছেন হাজারো মানুষ

প্রবল বর্ষণে কক্সবাজারে গত ছয় দিনে পাহাড়ধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন। এরপরও বাধ্য হয়ে পাহাড়ের ঢালে ও পাদদেশে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে।

পাহাড়ধসের এই ঝুঁকি শুধুমাত্র প্রাকৃতিক নয়; এর সঙ্গে মানুষের আচরণ, আস্থার সংকট এবং আশ্রয়কেন্দ্রের বাস্তব সীমাবদ্ধতাগুলোও নিবিড়ভাবে জড়িত রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা বাড়ানো, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস নিরুৎসাহিত করা এবং সংস্কৃতিসংবেদনশীল মানুষবান্ধব আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তুলতে পারলেই প্রাণহানির ঘটনা কমানো সম্ভব।

৫০ বছর বয়সী ছৈয়দা খাতুন। তিনি অসুস্থ স্বামী এবং পরিবারের ১৬ সদস্যকে নিয়ে কক্সবাজার শহরের বাঘঘোনা এলাকার একটি পাহাড়চূড়ার বসতিতে বাস করছেন, যা তার শেষ আশ্রয়। প্রতিবছরই বর্ষায় পাহাড় ধসে তার ঘর ভেঙে যায়, তবুও যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই তাদের। এবারও বসতির পাশের পাহাড়ে বড় ফাটল দেখা দিয়েছে; যেকোনো মুহূর্তে ধসে যেতে পারে সবকিছু। মৃত্যুঝুঁকি জেনেও তাই পাহাড় ছেড়ে যেতে পারছেন না তিনি।

ছৈয়দা খাতুন বলেন, ‘পাহাড়ের ওপর বসতি করে প্রায় ২০ বছর হয়ে গেছে। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই পাঁচ-ছয়বার করে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হয়। একবার পাহাড়ধসে আমাদের পুরো বসতি তছনছ হয়ে গিয়েছিল। পরে ফিরে এসে দেখি ঘরের সবকিছু চুরি হয়ে গেছে। আরেক বছর প্রবল বর্ষণের সময় ছেলেমেয়ে ও নাতি-নাতনিদের নিরাপদে স্বজনদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। আমি একা ঘরে ছিলাম। হঠাৎ পাহাড়ধসে একটি বাঁশ এসে আমার শরীরে আঘাত করে। গুরুতর আহত হয়েছিলাম। আল্লাহর রহমতে সেদিন প্রাণে বেঁচে যাই।’

তিনি আরও জানান, ‘এতবার জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি হলেও আমরা কোনো সরকারি সহায়তা পাইনি। দিনমজুরির আয়েই কোনোরকমে সংসার চলে। আমার স্বামী বয়স্ক ও অসুস্থ। তিনি আর কাজ করতে পারেন না। কয়েক দিন আগে ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড়ের মাটি পরিষ্কার করতে গিয়ে আঘাত পান। গত সাত-আট দিন ধরে তিনি অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী।’

অসহায়ত্ব প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর ঝুঁকি মাথায় নিয়েই পাহাড়ে বসবাস করছি। কারণ যাওয়ার মতো আমাদের আর কোথাও কোনো জায়গা নেই।’

শুধু ছৈয়দা খাতুন নন; কক্সবাজার শহরের লাইট হাউজ, পূর্ব ও পশ্চিম লারপাড়া, ডিককুল, গুচ্ছগ্রাম, শুকনো ছড়ি, দরিয়ানগরসহ ২০টিরও বেশি পাহাড়ে হাজারো মানুষ প্রতিদিন মৃত্যুঝ Risiko নিয়ে বসবাস করছেন। অনেক এলাকায় এখনও চলছে পাহাড় কেটে নতুন বসতি নির্মাণ। ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের ভাষ্য, দারিদ্র্য, ভূমিহীনতা ও মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকার অসহায়ত্বই তাদের পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে জীবন বাজি রেখে বসবাসে বাধ্য করেছে।

কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাঘঘোনা এলাকার মাহিয়া আক্তার বলেন, ‘আমরা খুবই অসহায় অবস্থায় আছি। আয়-রোজগার কম, নিজের জমি বা নিরাপদ জায়গা নেই। অনেক কষ্ট করে পাহাড় কিনে সেখানে ঘর করে বসবাস করছি। এখন পাহাড়ধসের ঝুঁকির কারণে থাকা যাচ্ছে না, আবার ছেড়ে যাওয়ার মতো অন্য কোনো জায়গাও নেই। আমাদের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই।’

ঝিলংজা ইউনিয়নের পশ্চিম লারপাড়া এলাকার সাবেকুন্নাহার বলেন, ‘প্রশাসন যখন পাহাড় ছেড়ে যেতে বলে, তখন আমরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। কারণ পাহাড় ছেড়ে গেলে পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, কীভাবে জীবন চালাব, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। আমরা ঝুঁকিমুক্তভাবে বাঁচতে চাই; কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় নিরাপদ জায়গায় যাওয়ার পথও আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

পাহাড়ধসে প্রাণহানির অন্যতম কারণ শুধু প্রাকৃতিক ঝুঁকি নয়, বরং মানুষের অনীহা, সামাজিক বাস্তবতা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা। ঢাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিগার সুলতানা সময় সংবাদকে বলেন, ‘পাহাড়ধস শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, এর পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে সামাজিক ও আচরণগত সমস্যার। ঝুঁকি সম্পর্কে জানার পরও অনেক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহী হন; কারণ এসব কেন্দ্রে তাদের বাস্তব চাহিদা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো অনেক সময় যথাযথভাবে বিবেচনায় নেয়া হয় না।’

তিনি বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, আশ্রয়কেন্দ্রের অস্বস্তিকর পরিবেশ, নারী-পুরুষের একসঙ্গে অবস্থান, খাদ্য ও শিশুদের বিশেষ প্রয়োজন এবং পরিবারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার উদ্বেগ মানুষকে সেখানে যেতে নিরুৎসাহিত করে। তাই আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে আরও মানবিক, কমিউনিটি-ভিত্তিক ও সংস্কৃতিসংবেদনশীল করতে হবে।’

ড. নিগার সুলতানা আরও বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দুর্যোগ-পূর্ব ও দুর্যোগ-পরবর্তী প্রস্তুতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষকে আগে থেকেই সচেতন করতে হবে যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস ও পাহাড় কাটা কতটা বিপজ্জনক। মানুষের আস্থা ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিই কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।’

ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচারণা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসাইন সময় সংবাদকে বলেন, ‘পাহাড়ধসের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে আমরা নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। খুব শিগগিরই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ব্যানার টাঙানো, হ্যান্ডবিল বিতরণ এবং ব্যাপক প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো মানুষকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে আগেভাগেই সচেতন করা, যাতে তারা সতর্ক থাকে এবং প্রয়োজনের সময় নিরাপদ আশ্রয়ে যেতেও উদ্বুদ্ধ হয়।’

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সব পর্যায়ের কর্মকর্তারা মাঠে রয়েছেন। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যাতে ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের দ্রুত ও নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুকন্যাকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে মায়ের ঝাঁপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


শিশুকন্যাকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে মায়ের ঝাঁপ

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় পাঁচ বছরের শিশুকন্যা নিয়ে সুগন্ধা নদীতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন লাকী আক্তার নামের এক মা। স্থানীয়দের সক্রিয় তৎপরতার কারণে মা এবং মেয়ে দুজনেই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।

শুক্রবার রাতে, ১০ জুলাই, নলছিটি ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে তারা নদীতে ঝাঁপ দেন। লাকী আক্তার নলছিটি উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের অধিবাসী।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক মাস আগে লাকী আক্তারের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পরে থেকেই পাঁচ বছরের শিশুকন্যাটি মায়ের সঙ্গেই বসবাস করছে। কিন্তু নলছিটি উপজেলা শহরের থানা সড়ক এলাকার প্রাক্তন স্বামী সাইদুল ইসলাম শিশুটিকে নিজের কাছে নেয়ার জন্য লাকী আক্তারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। এই পরিস্থিতিতে লাকী আক্তারের বাবা এবং প্রাক্তন স্বামীর পরিবারের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ও বিবাদ বেড়ে যায়।

এই পারিবারিক কলহ এবং মানসিক চাপের কারণে শুক্রবার রাতে মেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকী। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি দ্রুত দেখতে পেয়ে তাদের উদ্ধার করে সিরিঞ্জেসহ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান জানিয়েছেন, 'ওই নারী ও তার মেয়ে বর্তমানে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ভাগ্নেকে হত্যার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ভাগ্নেকে হত্যার অভিযোগ

বগুড়া শহরে আরিফ শেখ (৩৫) নামে একাধিক মামলার একটি আসামিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, পাওনা টাকার কারণেই মামা ভাড়াটে খুনি দিয়ে আরিফকে খুন করিয়েছেন। তবে পুলিশ বলছে, হত্যার মূল কারণ এখনও নিশ্চিত নয় এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার সময় শহরের কলোনি লতিফপুর এলাকার প্রীতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।

নিহত আরিফ শেখ একই এলাকার আজিজ শেখের ছেলে। পুলিশের সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক ও ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

আরিফের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আরিফের সাথে টাকাসহ আরো কিছু বিষয়ে তার ঘনিষ্ঠ লোকজনের মাঝে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর ফলে শুক্রবার বিকেলে একদল দুর্বৃত্ত আরিফকে খোঁজার জন্য বের হয়েছিল। পরে রাতে লতিফপুর এলাকায় তাকে একা পেয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করে এবং মরদেহ ফেলে রেখে যায়। রাত ১টার সময় স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন।

আরিফের বোন রুমি জানান, ‘আমাদের মামা বাদলের কাছে ১০ লাখ টাকা পেত আরিফ। মামা টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। এই টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সেলিম, জীবন, নাহিদসহ আরো কয়েকজন আরিফকে হত্যা করে। মামা একজন লোক ভাড়া করে আমার ভাইকে হত্যা করিয়েছেন।’

হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার মূল কারণ পুলিশ এখনও জানে না। তবে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%