০৮:১০ পি.এম
রাজধানীর তিনটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ব্যাংকের নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে ১২ জন পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে তাদের আটক করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ)-এ নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে, আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশই ডেবিট কার্ডসদৃশ ক্ষুদ্র ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করছিলেন। এই ডিভাইসটির একটি অংশ শরীরের সঙ্গে, সাধারণত পোশাকের ভেতরে বা পকেটে গোপনে রাখা হয়, যেখানে একটি সিম কার্ড সংযুক্ত থাকে। অন্য অংশটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র ইয়ারপিসের মতো হওয়ায় সেটি কানের ভেতরে স্থাপন করা হয়। এভাবে পরীক্ষার্থী বাইরে অবস্থানকারী ব্যক্তির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করে উত্তর সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং আইবিএর সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানিয়েছেন, একজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ডিভাইসটি উদ্ধার করতে তিন দফা তল্লাশি চালাতে হয়েছে। প্রথম দুই দফার তল্লাশিতে কিছু পাওয়া না গেলেও তৃতীয় দফায় তার পরিহিত স্যান্ডো গেঞ্জির সঙ্গে বিশেষ কৌশলে সেলাই করে রাখা ডিভাইসটির মূল অংশ উদ্ধার করা হয়।
আটক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস হাই স্কুল কেন্দ্র থেকে ৭ জন, উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে ১ জন এবং ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজ কেন্দ্র থেকে ৪ জন রয়েছেন। পরে তাদের আইবিএতে নিয়ে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগের প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) পরীক্ষা ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ২৬ জুলাই প্রকাশিত ফলাফলে ৫ হাজার ১৪৯ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হন।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন