১২:১৭ পি.এম
গ্রিসের উপকূল থেকে ৭২ বাংলাদেশিসহ দুই শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। লিবিয়া থেকে গ্রিসে অনুপ্রবেশের সময় ইউরোপীয় সীমান্তরক্ষী একটি সংস্থা তাঁদের উদ্ধার করে। এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীদের গ্রিসের একটি বন্দরের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলে পৌঁছায় ৪০ অভিবাসনপ্রত্যাশী। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে ইয়েরাপেত্রার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে তাঁদের বহনকারী নৌকাটি শনাক্ত করে ইউরোপীয় সীমান্তরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি বিমান।
পরে কোস্টগার্ড ও একটি মাছ ধরার নৌকার সহায়তায় তাঁদের নিরাপদে বন্দরে নেয়া হয়। এরপর শুরু হয় নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানায় মিডল ইস্ট মনিটর।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
ওই ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই দুটি নৌযান থেকে উদ্ধার করা হয় আরো ১১২ জনকে। প্রথম নৌযানে ছিলেন ৫৬ জন, যাদের মধ্যে ৩১ জন সুদানের এবং ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক। দ্বিতীয় নৌযানেও ছিলেন ৫৬ জন। তাঁদের মধ্যে ৪৭ বাংলাদেশি এবং ৯ মিশরীয় নাগরিক।
গ্রিসের দক্ষিণের দ্বীপ ক্রিটে সাম্প্রতিক সময়ে লিবিয়া থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রবেশ বেড়েছে। মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২০২ জন সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। নতুন করে যাওয়া সবাইকে হেরাক্লিয়ন বন্দরের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। এতে দ্বীপটির প্রশাসন ও অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর বাড়ছে চাপ।
এদিকে আগের একটি উদ্ধার অভিযানে ৫০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে পাচারের অভিযোগে দক্ষিণ সুদানের ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে আটক করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ।
অভিবাসীদের জবানবন্দি অনুযায়ী, লিবিয়ার তোব্রুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রায় নৌকাটি চালানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ জন্য প্রত্যেক অভিবাসীর কাছ থেকে দেড় থেকে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত নেয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন