প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গ্রিসের উপকূল থেকে ৭২ বাংলাদেশিসহ দুই শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। লিবিয়া থেকে গ্রিসে অনুপ্রবেশের সময় ইউরোপীয় সীমান্তরক্ষী একটি সংস্থা তাদের উদ্ধার করে। এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীরা বর্তমানে গ্রিসের একটি বন্দরের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলে পৌঁছায় মোট ৪০ অভিবাসনপ্রত্যাশী। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে ইয়েরাপেত্রার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে তাদের বহনকারী নৌকাটি শনাক্ত করে ইউরোপীয় সীমান্তরক্ষা সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি বিমান।
পরে তাদের নিরাপদে বন্দরে নেওয়ার জন্য কোস্টগার্ড ও একটি মাছ ধরার নৌকার সহায়তা ব্যবহার করা হয়। এরপর শুরু হয় নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। এই বিষয়ে শুক্রবার এক প্রতিবেদনে তথ্য জানিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।
ওই ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই দুটি নৌযান থেকে আরো ১১২ জনকে উদ্ধার করা হয়। প্রথম নৌযানে ছিলেন ৫৬ জন যাদের মধ্যে ৩১ জন ছিলেন সুদানের নাগরিক এবং ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক। দ্বিতীয় নৌযানে ৫৬ জনই ছিলেন, তাদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং ৯ জন মিশরীয় নাগরিক ছিলেন।
গ্রিসের দক্ষিণের দ্বীপ ক্রিটে সাম্প্রতিক সময়ে লিবিয়া থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রবেশে বৃদ্ধি ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২০২ জন সেখানে পৌঁছেছেন। নতুনভাবে যাওয়া সবাইকে হেরাক্লিয়ন বন্দরের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। এতে দ্বীপটির প্রশাসন এবং অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে, আগের একটি উদ্ধার অভিযানে ৫০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে পাচারের অভিযোগে দক্ষিণ সুদানের ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রিক কর্তৃপক্ষ আটক করেছে।
অভিবাসীদের জবানবন্দি অনুযায়ী, লিবিয়ার তোব্রুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় নৌকাটি চালানোর অভিযোগ রয়েছে এই কিশোরের বিরুদ্ধে। এই জন্য প্রত্যেক অভিবাসীর কাছ থেকে দেড় থেকে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন