ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুবককে গলাকেটে হত্যার ঘটনায়, আটক দুই যুবক


যুবককে গলাকেটে হত্যার ঘটনায়, আটক দুই যুবক

নগরীর ভাড়া বাসা থেকে রাজিব আহম্মেদ ওরফে রুবেল (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গলাকেটে হত্যা করার ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই যুবককে নেওয়া হয়েছে। আটককৃত যুবক দুজন হলেন, রনি ও সজল।

আজ রোববার দুপুর ২টায় নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনী এলাকার ভাড়া বাসা নিজ কক্ষ থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। নিহত রাজিব আহম্মেদ রুবেল নগরীর আর কে মিশন রোডের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। তার মায়ের নাম মৃত খাদিজা বেগম।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত রাজিব আহম্মেদ রুবেল আকুয়া ৩৬ বাড়ি কলোনির বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনের স্ত্রীর বাসায় পারুল আক্তারের সঙ্গে প্রায় একমাস আগে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠেছিলেন। তিনি এখানে নিজ বন্ধুদের নিয়ে বসবাস করতেন। আজ সকালে প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে রুবেলকে তারই ঘরে দুর্বৃত্তরা গলাকেটে হত্যা করে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এর আগে বাসার সামনের রাস্তায় রুবেলের চাচাতো ভাই মো. শুভর একটি মোটরসাইকেল হামলাকারী একটি দল আগুনে পুড়িয়ে দেয়। রাজিব আহম্মেদ কলোনীর ভেতরে পারুল আক্তারের ৫ কক্ষের একটি বাসার একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ বিছানায় রুবেলের রক্তাক্ত মরদেহ পায় এবং মাথার কাছে একটি মদের বোতল দেখে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, "আমরা একটি গলাকাটা মরদেহ পেয়েছি। কিছু তথ্যও পেয়েছি, সেই অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত পরবর্তীতে জানানো হবে।"

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের পল্লী হবে আরো আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ। আর সেই সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

আগামীকাল ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লীকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লী ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদযাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।’

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে আমাদের পল্লী। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটির শিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই পল্লী উন্নয়ন কেবল একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি বলেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরো গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূর প্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।

পাশাপাশি কৃষক সংগঠন গঠন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাল খনন, সেচ ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তৃণমূল জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থা’ দেশের স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন গতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রদান করে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গৃহীত বিস্তৃত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তাঁর সময়কালে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে পল্লী অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রম পল্লী অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

তারেক রহমান বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পল্লীর দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পল্লী গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সকল দপ্তর-সংস্থা এবং পল্লী উন্নয়নে নিয়োজিত সকল অংশীজনের প্রতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এ দিবস পল্লী উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করবে।’

এ উপলক্ষ্যে তিনি পল্লীবাসী সকল জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


শিক্ষাবিদ আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিডিওতে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

রোববার (০৫ জুলাই) এক শোকবার্তায় এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেছেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে দেশ একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও লেখককে হারালো।

তিনি আরও বলেন, তাঁর মৃত্যুতে দেশের শিক্ষা অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক দুপুরে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আজ বিকেলে রাজধানীতে ৮৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্দির সভাপতির বিরুদ্ধে নাতনিকে নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


মন্দির সভাপতির বিরুদ্ধে নাতনিকে নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আট বছর বয়সী একটি শিশুকে চিপস ও বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই নির্যাতন অব্যাহত ছিল। এ ঘটনায় শিশুটির মা শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাতে রাজারহাট থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) সকালে অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায় (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায়কে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি কুমারগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় কৃষক। স্থানীয় একটি মন্দির কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এজাহার এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায় ভুক্তভোগী শিশুটির দূরসম্পর্কের দাদা (দাদু)। পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছিলেন। তিনি চকলেট, চিপস ও বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে প্রায়ই কোলে তুলে নিতেন বা দোকানে যাওয়ার বাহানায় ডেকে আনতেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অবুঝ শিশুটিকে ফুসলিয়ে তিনি প্রায়ই নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতেন। সেখানে হাত-পা টিপানোর অজুহাতে তিনি তার ওপর বিকৃত যৌন নিপীড়ন চালাতেন। লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে শিশুটি বিষয়টি দীর্ঘদিন পরিবারে গোপন রেখেছিল।

সর্বশেষ ১৫ জুন সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র রায় শিশুটিকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিজ ঘরে নিয়ে গিয়ে সেখানে হাত-পা টেপানোর অজুহাতে শিশুটির ওপর চরম যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের চেষ্টা চালান। এই সময় শিশু প্রচণ্ড শারীরিক ব্যথায় চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত বৃদ্ধ ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য কঠোর হুমকি দেন এবং শিশুটিকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

নির্যাতনের শিকার শিশুটি বাড়িতে ফিরে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা ও অসুস্থতায় ভুগতে থাকলে বিষয়টি তার মায়ের নজরে আসে। এক পর্যায়ে শিশুটি তাকে সকল ঘটনা বলে দেয়।

এই ঘটনার কারণে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধর্মীয় উপাসনালয় কমিটির সভাপতির এমন বিকৃত লালসার ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ ঘটনাটির সত্যাতা নিশ্চিত করে জানান, শিশু নির্যাতনের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট এজাহার দায়ের করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পর পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন মোটরসাইকেল আরোহী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন মোটরসাইকেল আরোহী

চট্টগ্রাম নগরী এবং মিরসরাই উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আনসার ভিডিপির এক কর্মকর্তাসহ মোট তিনজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাতের পর বন্দর থানার ধুমপাড়া এলাকায় এবং রবিবার দুপুরে মিরসরাই ইকোনোমিক জোন এলাকায় এগুলো ঘটে।

মিরসরাই থানার ওসি ফরিদা ইয়াসমিন জানান, মিরসরাই উপজেলায় কর্মরত আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আলাউদ্দিন (৩৮) রবিবার দুপুরে দাপ্তরিক কাজে মোটরসাইকেল চালিয়ে উপজেলা সদর থেকে মিরসরাই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে যাচ্ছিলেন। তিনি আবুতোরাব এলাকায় পৌঁছানোর পর একটি অটোরিকশার সাথে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়ে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আলাউদ্দিন লক্ষীপুরের রামগতির বাসিন্দা ছিলেন। দুর্ঘটনার পর পরই আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে পুলিশ।

এদিকে, বন্দর থানার ওসি মো. আব্দুর রহিম জানালেন, শনিবার দিবাগত রাতে পাঠাও চালক আসাদুল ইসলাম (৫০) এবং তার যাত্রী মোহাম্মদ মনজুর (৩২) মোটর সাইকেলে করে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। যখন তারা আউটার রিং রোডের ধুমপাড়া এলাকায় পৌঁছান, তখন একটি অজ্ঞাত গাড়ি তাদের ধাক্কা দেয়। এতে উভয়েই গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি নিশ্চিত করেন যে, পুলিশ অভিযুক্ত যানবাহনটির শনাক্তে কাজ করছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আসাদুল ইসলাম পিরোজপুরের ইন্দুরকানি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং নগরীর পাহাড়তলীতে বসবাস করতেন। অন্যদিকে, মনজুর রামগতি উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং পতেঙ্গা এলাকায় নৌকা চালানোর কাজ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%