বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৬ এম
চলতি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ ও আলিম শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন। প্রাথমিক আবেদন ফি হিসেবে ২২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী, এবারের ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করে সম্পূর্ণ অনলাইনে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। একাদশ ও আলিম শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমে দেশের সাধারণ, মাদ্রাসা এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত নিয়মে আবেদন করতে পারবেন।
শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টালে গিয়ে আবেদন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম রাখতে পারবেন। আবেদন করার আগে পছন্দের কলেজ, বিভাগ, আসনসংখ্যা ও যোগ্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালা অনুসারে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির মোট আসনের ৭ শতাংশ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত থাকবে। অবশিষ্ট ৯৩ শতাংশ আসন মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। ফলে সাধারণ আসনে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন হবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে।
ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি অনুযায়ী, ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত মূল আবেদন গ্রহণ করা হবে। পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের ফলে যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তিত হবে, তাদের আবেদন গ্রহণ এবং পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত থাকবে। প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে।
ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন করতে হবে। এ জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্বাচিত কলেজ বা মাদ্রাসায় চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে। আলিম শ্রেণির ক্ষেত্রেও একই ভর্তি সময়সূচি অনুসরণ করা হবে।
ভর্তি-সংক্রান্ত আবেদন, ফল প্রকাশ ও নিশ্চয়নের সব কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন হবে। শিক্ষার্থীদের আবেদন করার সময় নিজের মোবাইল নম্বর ব্যবহার এবং দেওয়া তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ভর্তি পোর্টালেও সঠিক তথ্য ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, মাদক কারবারি এবং সুবিধাবাদীদের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করলে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবে না।
তিনি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত এক বিশাল আলোচনা সভায় এই কথা বলেন, যা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক কারবারি এবং দলীয় নাম ব্যবহার করে আসা বিতর্কিত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। তিনি সতর্ক করেন, তা না হলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হবে। তৃণমূলের এই বার্তা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বাধার বিষয়ে অভিযোগ তুলে আসলাম চৌধুরী বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে আসার সময় নেতাকর্মীদের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, একটি বিশেষ মহল নিজেদের স্বার্থে দলকে ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। সীতাকুণ্ড বিএনপিতে কোনো গ্রুপিং নেই বলেও তিনি দাবি করেন এবং বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানান।
এদিকে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সীতাকুণ্ডে চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পৌর সদরের এল কে সিদ্দিকী স্কয়ারে আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা কর্মসূচির আয়োজন করে। অপরদিকে, মুনস্টার ক্লাব প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী ছালাউদ্দীনের অনুসারীরা পৃথক কর্মসূচির ডাক দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষের সময় বাঁশবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যারিকেড দেওয়া হয়, যার ফলে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ব্যারিকেড সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
সভায় সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমল কদরের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. মোরসালিনের সঞ্চালনায় জেলা ও স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ার ফলে দেশের বাজারে এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৭২৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বর্তমানে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত সোমবার (৩১ আগস্ট) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সেই সমন্বিত দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমানোর কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
এর আগে গত শনিবার (২৯ আগস্ট) বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ ইরানের সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায়, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। তেহরান একইসাথে ঘোষণা করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অপরাধের জন্য অনুশোচনা না করা পর্যন্ত এই হামলা অব্যাহত থাকবে।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাকারি এই সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। আলজাজিরার খবর অনুযায়ী, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত বক্তব্যে জুলফাকারি উল্লেখ করেন যে, ইরানি বাহিনীর পাল্টা হামলার ফলে ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অবকাঠামো ও সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। পাশাপাশি, এই অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা ও শীর্ষ কমান্ডার নিহত এবং আহত হয়েছেন।
কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাকারি আরও বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমাদের এই আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না তারা নিজেদের সংঘটিত অপরাধের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করছে।"
তিনি সতর্ক করে দেন যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ না করে, তাহলে ভবিষ্যতে ইরানের পক্ষ থেকে ‘আরও ভারি, ব্যাপক ও ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেওয়া হবে। একইসাথে, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশ মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করছে, তাদেরকেও এর মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পারমাণবিক শক্তিচালিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থাইল্যান্ডে নোঙর করেছে। এটি ২৫০ দিনের বেশি সময় সমুদ্রে অবস্থানের পর এই ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রণতরিটি থাইল্যান্ডের চনবুরি প্রদেশের লায়েম চাবাং বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজটিতে প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন রয়েছে, এবং এই বিরতি তাদের বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। প্রথমে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনের পরিকল্পনা থাকলেও, মার্কিন সামরিক অভিযানের কারণে এটি ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। পুরো মোতায়েনকালে, রণতরিটি প্রায় ২৮৬ দিন দায়িত্ব পালন করেছে এবং এর মধ্যে ২৫০ দিনের বেশি সময় কোনো বন্দর সফর ছাড়াই সমুদ্রে কাটিয়েছে।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের ফলে জাহাজটির নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপন এবং খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে, মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, দীর্ঘ মোতায়েনের সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডে অবস্থানের সময়, রণতরিটির প্রায় ৫ হাজার সদস্যকে তীরে গিয়ে বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হবে। লায়েম চাবাংয়ের কাছের পর্যটন শহর পাত্তায়ায় তাদের উপস্থিতি স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
তবে, মার্কিন সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা ও আচরণ নিয়ে থাই কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় পুলিশ মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে এবং কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনমূলক কার্যক্রম ও নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং এর সঙ্গে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর আরও দুটি জাহাজ ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে থাকার কথা রয়েছে। এই সফরে থাই বাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা নেই; মূল উদ্দেশ্য হল নাবিকদের বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি, বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ