বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০২ এম
বিশ্ব বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পাওয়ার ফলে দেশের বাজারে এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৭২৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বর্তমানে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত সোমবার (৩১ আগস্ট) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের দাম কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সেই সমন্বিত দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমানোর কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে গহনার নকশা ও ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
এর আগে গত শনিবার (২৯ আগস্ট) বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেদিন ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ ইরানের সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায়, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। তেহরান একইসাথে ঘোষণা করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অপরাধের জন্য অনুশোচনা না করা পর্যন্ত এই হামলা অব্যাহত থাকবে।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাকারি এই সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। আলজাজিরার খবর অনুযায়ী, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত বক্তব্যে জুলফাকারি উল্লেখ করেন যে, ইরানি বাহিনীর পাল্টা হামলার ফলে ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর অবকাঠামো ও সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। পাশাপাশি, এই অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা ও শীর্ষ কমান্ডার নিহত এবং আহত হয়েছেন।
কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাকারি আরও বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আমাদের এই আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে, যতক্ষণ না তারা নিজেদের সংঘটিত অপরাধের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করছে।"
তিনি সতর্ক করে দেন যে, যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ না করে, তাহলে ভবিষ্যতে ইরানের পক্ষ থেকে ‘আরও ভারি, ব্যাপক ও ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেওয়া হবে। একইসাথে, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশ মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করছে, তাদেরকেও এর মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পারমাণবিক শক্তিচালিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থাইল্যান্ডে নোঙর করেছে। এটি ২৫০ দিনের বেশি সময় সমুদ্রে অবস্থানের পর এই ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রণতরিটি থাইল্যান্ডের চনবুরি প্রদেশের লায়েম চাবাং বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজটিতে প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন রয়েছে, এবং এই বিরতি তাদের বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। প্রথমে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনের পরিকল্পনা থাকলেও, মার্কিন সামরিক অভিযানের কারণে এটি ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। পুরো মোতায়েনকালে, রণতরিটি প্রায় ২৮৬ দিন দায়িত্ব পালন করেছে এবং এর মধ্যে ২৫০ দিনের বেশি সময় কোনো বন্দর সফর ছাড়াই সমুদ্রে কাটিয়েছে।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের ফলে জাহাজটির নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপন এবং খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে, মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, দীর্ঘ মোতায়েনের সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডে অবস্থানের সময়, রণতরিটির প্রায় ৫ হাজার সদস্যকে তীরে গিয়ে বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হবে। লায়েম চাবাংয়ের কাছের পর্যটন শহর পাত্তায়ায় তাদের উপস্থিতি স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
তবে, মার্কিন সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা ও আচরণ নিয়ে থাই কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় পুলিশ মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে এবং কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনমূলক কার্যক্রম ও নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং এর সঙ্গে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর আরও দুটি জাহাজ ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে থাকার কথা রয়েছে। এই সফরে থাই বাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা নেই; মূল উদ্দেশ্য হল নাবিকদের বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি, বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা আবারও বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার বায়ুমান সূচক ১০৫ রেকর্ড করা হয়েছে। এই মাত্রার বাতাস সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। একই সময়ে, মালয়েশিয়ার কুচিং শহর ৩৪৬ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে ছিল।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তাৎক্ষণিক সূচকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। কুচিংয়ের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসা। এছাড়া, ভারতের দিল্লি, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইসহ অন্যান্য শহরগুলোও দূষণের দিক থেকে শীর্ষে অবস্থান করছে। তবে, শহরগুলোর বায়ুমান ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিবর্তিত হওয়ায় এই অবস্থানকে তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির চিত্র হিসেবে দেখা হয়।
কুচিংয়ে দূষণের প্রধান কারণ হিসেবে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা পিএম২.৫ চিহ্নিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শহরটির পিএম২.৫-এর ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ২৪৮ মাইক্রোগ্রাম ছিল এবং বায়ুমান সূচক ৩৪৬। এই মাত্রার বাতাসকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়। মালয়েশিয়ার সারাওয়াক রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়ও একই সময়ে ধোঁয়াশার তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় পরিবেশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কুচিং ছাড়াও একাধিক এলাকায় বায়ুদূষণ সূচক ৩০০-এর ওপরে উঠেছিল।
ঢাকার ক্ষেত্রে আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৮টার দিকে বায়ুমান সূচক ছিল ১০৫ এবং প্রধান দূষক হিসেবে পিএম২.৫ চিহ্নিত হয়েছে। ওই সময় বাতাসে পিএম২.৫-এর ঘনত্ব ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৩৭ দশমিক ৪ মাইক্রোগ্রাম। এ ধরনের বাতাসে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের বাইরে অবস্থানের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বায়ুমান সূচকের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত স্কোরকে ভালো, ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মাঝারি বা সহনীয়, ১০১ থেকে ১৫০ পর্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে ধরা হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে বিপজ্জনক বা দুর্যোগপূর্ণ মাত্রা হিসেবে বিবেচিত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা ও পুনর্বাসন শেষে দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে রাত ৯টার দিকে তার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
দলীয় সূত্র জানায়, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে দীর্ঘ চিকিৎসার পর। চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের পরামর্শ ও ছাড়পত্রের ভিত্তিতে তাকে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও জানিয়েছেন, দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে দেশে ফেরার পরও চিকিৎসা, নিয়মিত ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।
গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরে ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা শুরু হয় এবং মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তী সময়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর তার অবস্থার উন্নতি হলে চিকিৎসকেরা ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসনের পরামর্শ দেন। এরপর ১৪ এপ্রিল তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন চিকিৎসা চলে।
মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে তার শারীরিক সক্ষমতা বাড়তে থাকে। জুনে বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছিল, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি নিয়মিত পায়ের থেরাপি, হাঁটা ও হালকা শারীরিক ব্যায়াম করছিলেন। মে মাসেও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছিলেন, তার শারীরিক অবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং প্রতিদিন থেরাপি দেওয়া হচ্ছে।
দীর্ঘ অসুস্থতার কারণে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন থাকায় মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে ছিলেন। দেশে ফিরে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ফেরার প্রস্তুতি নেবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
মির্জা আব্বাস বর্তমানে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ