প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পারমাণবিক শক্তিচালিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থাইল্যান্ডে নোঙর করেছে। এটি ২৫০ দিনের বেশি সময় সমুদ্রে অবস্থানের পর এই ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রণতরিটি থাইল্যান্ডের চনবুরি প্রদেশের লায়েম চাবাং বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজটিতে প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন রয়েছে, এবং এই বিরতি তাদের বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। প্রথমে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনের পরিকল্পনা থাকলেও, মার্কিন সামরিক অভিযানের কারণে এটি ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। পুরো মোতায়েনকালে, রণতরিটি প্রায় ২৮৬ দিন দায়িত্ব পালন করেছে এবং এর মধ্যে ২৫০ দিনের বেশি সময় কোনো বন্দর সফর ছাড়াই সমুদ্রে কাটিয়েছে।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের ফলে জাহাজটির নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপন এবং খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে, মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, দীর্ঘ মোতায়েনের সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডে অবস্থানের সময়, রণতরিটির প্রায় ৫ হাজার সদস্যকে তীরে গিয়ে বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হবে। লায়েম চাবাংয়ের কাছের পর্যটন শহর পাত্তায়ায় তাদের উপস্থিতি স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
তবে, মার্কিন সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা ও আচরণ নিয়ে থাই কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় পুলিশ মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে এবং কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনমূলক কার্যক্রম ও নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং এর সঙ্গে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর আরও দুটি জাহাজ ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে থাকার কথা রয়েছে। এই সফরে থাই বাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা নেই; মূল উদ্দেশ্য হল নাবিকদের বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি, বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন