ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ থেকে গণপরিবহনে জিপিএস ব্যবহার বাধ্যতামূলক


আজ থেকে গণপরিবহনে জিপিএস ব্যবহার বাধ্যতামূলক

দেশের সড়ক পরিবহনের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানবাহনের চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং রুট ব্যবস্থাপনা উন্নত করার লক্ষ্যে আজ (১ আগস্ট) থেকে সরকার সব গণপরিবহনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ডিভাইস সংযোজন এবং সচল রাখা বাধ্যতামূলক করেছে। একই সঙ্গে, যদি কোনো গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্ত না থাকে, তাহলে তার নতুন নিবন্ধন দেওয়া, বা ফিটনেস সনদ প্রদান কিংবা নবায়ন করা হবে না।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ১১ জুন এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস সনদ প্রদান বা নবায়নের সময় ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযোজনের প্রমাণপত্র এবং সংশ্লিষ্ট মোবাইল অ্যাপে ডিভাইস সচল থাকার তথ্য বিআরটিএ কার্যালয়ে প্রদর্শন করতে হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় এবং সংস্থাটির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুসারে, জিপিএস সংযুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরেই গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে বলে বিআরটিএ জানিয়েছে।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক মাসে পোলাও চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৬০-৮০ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ এম


এক মাসে পোলাও চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৬০-৮০ টাকা

দেশের বাজারে সুগন্ধি চাল এবং পোলাওয়ের চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে কেজি প্রতি দাম বেড়ে ৬০ থেকে ৮০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকার খুচরা বাজারে পোলাওয়ের চালের দাম মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ১৪০-১৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০০-২১০ টাকায় পৌঁছেছে।

শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

একই সময়ে পাইকারি বাজারের ৫০ কেজির ভালো মানের চিনিগুঁড়া চালের বস্তার দাম বেড়ে প্রায় তিন হাজার টাকা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা এর জন্য রপ্তানির অনুমতি, সরবরাহ সংকট ও উৎপাদন কমে যাওয়াকে দায়ী করলেও ভোক্তা অধিকারকর্মীরা বলছেন, কার্যকর বাজার তদারকির অভাব এবং ব্যবসায়ীদের সুযোগ নেওয়ার কারণেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

চালের পাইকারেরা অভিযোগ করে বলেন, প্রবাসীদের কাছে চিনিগুড়া চালের বাড়তি চাহিদা থাকায় রপ্তানি চাহিদা বেড়ে গেছে। এ কারণে অনেকেই অবৈধ মজুদও করছেন।

বাবুবাজারের সুগন্ধি চালের ব্যবসায়ী সিফাত সরকার বলেন, বর্তমানে ভালো মানের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৫০ কেজির বস্তা ১০ হাজার থেকে ১০ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সুগন্ধি চালের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। চলতি বছর রপ্তানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশীয় বাজারে চালের সংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ধানের ফলন কিছুটা কম হওয়া, কয়েকটি এলাকায় ফসলের ক্ষতি এবং আমদানির সরবরাহ শৃঙ্খলেও চাপ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগে নওগাঁসহ বিভিন্ন মোকাম থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই ট্রাকভর্তি সুগন্ধি চাল পাওয়া যেত। বর্তমানে চাল পাওয়া গেলেও দাম অনেক বেশি এবং সরবরাহও যথেষ্ট নয়। তবে এ সংকট মূলত সুগন্ধি চালেই সীমাবদ্ধ। সিদ্ধ চালের বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।

কারওয়ান বাজারের সম্রাট শেখ বলেন, বাজারে পোলাও চালের কোনো প্রকৃত সংকট নেই। সরকার রপ্তানির সুযোগ করে দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা দেশীয় বাজারের পরিবর্তে রপ্তানিতে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। এক মাস আগেও যে চাল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে সেটিই পাইকারি পর্যায়ে ২০২ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে। মূলত রপ্তানি বন্ধ করলে দু-তিন দিনের মধ্যে প্রতি কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে আসতে পারে। দেশে পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও রপ্তানির কারণে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সুগন্ধি চালের দাম ২৫০ টাকা কেজিতেও পৌঁছাতে পারে।

এ বিষয়ে ক্যাব সভাপতি এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, বাজারে চালের কোনো সংকট নেই। তবে তিনি ধারণা করছেন, অতি মুনাফার লোভে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

এদিকে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো- ইপিবির তথ্য মতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে, দুই দফায় মোট ২৩ হাজার ৯৫৯ টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের শর্তে অস্ত্র ত্যাগে রাজি হামাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের শর্তে অস্ত্র ত্যাগে রাজি হামাস

নতুন এক রূপরেখার আওতায় হামাস নিজ বাহিনী নিরস্ত্রীকরণে রাজি হয়েছে। একই রূপরেখার আওতায় গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীকে সরে যেতে হবে। গাজার বোর্ড অব পিস এসব তথ্য জানিয়েছে। তবে হামাসের প্রতিনিধি দলের সদস্য গাজী হামাদ আলজাজিরাকে জানিয়েছেন যে, তাদের পক্ষ থেকে রূপরেখা মেনে নিরস্ত্রীকরণ সম্পন্ন হবে কিনা, তা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহারের ওপর নির্ভর করছে। হামাস গাজার জনসাধারণের কথা চিন্তা করে ওই রূপরেখায় রাজি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে এসবের মধ্যেও উত্তর গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। সেখানে আহত হয়েছেন অনেক ফিলিস্তিনি। অথচ ওই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটির ঘোষণা দেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাম্প জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠিত বোর্ড অব পিস হামাস ও গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে একটি চুক্তিতে এসেছে। নিরাস্ত্রীকরণ সম্পন্ন হলে ইসরায়েলি বাহিনী উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবে।

হামাস অস্ত্র ত্যাগ করলেও রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়বে না বলেই জানিয়েছেন গাজী হামাদ। তিনি বলেন, তাদের দল ফিলিস্তিনের জাতীয় পটভূমির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। তাঁর কথায়, চুক্তিটি বেশ কঠিন ও বৈরী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে হয়েছে। হামাসের এ কর্মকর্তা জানান, তাদের দল ফিলিস্তিনি জনসাধারণের বৈধ অধিকার আদায়ের জন্য করণীয় ও জাতীয় দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে। তিনি জানান, এই চুক্তি বিস্তৃত প্যাকেজের একটি অংশ। নিরস্ত্রীকরণ হচ্ছে এর একটি অংশ মাত্র। এর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আগ্রাসন বন্ধের বিষয়, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের শর্ত এবং জাতীয় বাহিনী ও আন্তর্জাতিক কমিটি গঠন এবং উপত্যকার পুনর্গঠন শুরুর বিষয়।

কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, হামাস জাতীয় কমিটির অধীন ও তত্ত্বাবধানে নিজ অস্ত্র সংরক্ষণ করার ইচ্ছা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে। তবে এই বিষয়টিও ইসরায়েলের ওপর নির্ভর করছে।

চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী। গাজায় যুদ্ধ শুরুর আগে ইসরায়েল জানিয়েছিল, হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করাই তাদের লক্ষ্য। ওই লক্ষ্য অর্জনে পরবর্তী মাসগুলোতে নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করে পুরো উপত্যকাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে তারা। প্রাণ হারায় হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৭৩ হাজার ৩৪১ জন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি। নিহতদের বেশির ভাগই বেসামরিক। এখনও অনেকের মরদেহের খোঁজ পাওয়া যায়নি। বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় পুরো উপত্যকার জনসাধারণ।

ইসরায়েলের এ আচরণ আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দার ঝড় তোলে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

ইসরায়েলে চলতি বছর নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে সেখানে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন দল ইয়াশার পার্টি। ওই দলের নেতা গাদি এইজেনকত এখন প্রশ্ন তুলছেন ইসরায়েল এই যুদ্ধ থেকে কী অর্জন করল, তা নিয়ে। তাঁকে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণসংগীত-পথনাটক, রাজপথে শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মীরা উত্তাল জুলাইয়ের আজকের দিনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১১ এম


গণসংগীত-পথনাটক, রাজপথে শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মীরা  উত্তাল জুলাইয়ের আজকের দিনে

উত্তাল জুলাইয়ের আজকের দিনে 'রিমেম্বারিং আওয়ার হিরोज' কর্মসূচির মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পালন করা হয় গণসংগীত, পথনাটক, দেয়াললিখন, স্মৃতিচারণা এবং বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে। ৩২ জুলাই দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয়টি সমন্বয়ককে মুক্তি দেয়। একই দিনে আন্দোলন সংক্রান্ত সহিংসতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং দল পাঠানোর প্রস্তাব দেয়।

ক্যালেন্ডারের হিসেবে দিনটি ছিল ১ আগস্ট। কিন্তু স্বজন হারানো, মামলা, হামলা, গুলি, টিয়ারশেল এবং গ্রেফতারের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে শেষ হয়নি রক্তাক্ত জুলাই। দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি একাত্মতা তৈরি হয়েছিল। পুরো বিশ্বও বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছিল।

ছাত্র-জনতা এই দিনের নাম '৩২ জুলাই' রাখে। এদিন কমপ্লিট শাটডাউন, বিক্ষোভ বা প্রতিরোধের পরিবর্তে এক তুলনামূলক শান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জুলাইজুড়ে নিহতদের স্মরণে বিশেষ আয়োজন হিসেবে 'রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোজ' কর্মসূচির ঘোষণা দেন সমন্বয়ক রিফাত রশিদ।

জাতীয় যুবশক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত রশিদ বলেন, "পরিকল্পিতভাবেই একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। বাইরে থেকে এটি সফট কর্মসূচি মনে হলেও এর মূল উদ্দেশ্য ছিল শিল্পী, সাহিত্যিক এবং সাংস্কৃতিক কর্মীদের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করা।"

৩২ জুলাই সকাল থেকেই বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে দেশের নানা স্থানে গণসংগীত, পথনাটক, দেয়াললিখন, স্মৃতিচারণা এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিনয়শিল্পী, শিক্ষক এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরাও যোগ দেন। সে সময় তারা বলেন, "খুন, গ্রেফতার এবং দমন-পীড়নের রাজনীতি আর চলতে পারে না। গুলি চালানোর নির্দেশদাতা এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।"

একই সঙ্গে তারা দেশ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। তবে এসব কর্মসূচিতেও পুলিশ দ্বারা বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। নির্মাতা মাহবুবুর রশিদ বান্নাহ বলেন, "আমার কাজ ছিল মানুষকে স্বৈরাচারের পতনের কথা মনে করিয়ে দেয়া। অনেক জ্যেষ্ঠ অভিনেতা আন্তরিকভাবে রাস্তায় নেমেছিলেন। তারা সবাই চেয়েছিলেন স্বৈরাচার ও গণহত্যার অবসান ঘটুক।"

এদিন সন্ধ্যায় তাড়াহুড়ো করে গণভবনে ১৪ দলের বৈঠক ডাকেন শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে শরিকদের সম্মতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সে সময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্বে থাকা জাহিদুল ইসলাম বলেন, "এই সিদ্ধান্ত তাদের বিচলিত না করে বরং আরও অনুপ্রাণিত করেছিল। শেখ হাসিনার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল এটি, যা শেষ পর্যন্ত তার পতনের পটভূমি তৈরি করতে বড় ভূমিকা রেখেছে।"

৩২ জুলাই ডিবি কার্যালয় থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে মুক্তি দেয়া হয়। একই দিনে শেখ হাসিনা আবারও আন্তর্জাতিক তদন্তের মাধ্যমে আন্দোলনে জড়িতদের শনাক্ত করার হুঁশিয়ারি দেন।

জুলাইয়ের আন্দোলনের দিনগুলোতে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে প্রতিদিনই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমেছিলেন। তবে শিল্পী সমাজের বড় একটি অংশ তখনও প্রকাশ্যে নামেননি। ১ আগস্ট ফার্মগেট এলাকায় দেশের খ্যাতিমান শিল্পী ও নির্মাতাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্দোলন নতুন গতি পায় এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবককে লিবিয়ায় নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, মাফিয়া ডন ইলিয়াস গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


যুবককে লিবিয়ায় নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, মাফিয়া ডন ইলিয়াস গ্রেপ্তার

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে বরিশালের এক যুবককে পাচার করে, বন্দী করে রেখে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে আন্তর্জাতিক মানবপাচারকারী চক্রের মূলহোতা 'মাফিয়া ডন' ইলিয়াস ফকিরকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতার হওয়া ইলিয়াসের বিরুদ্ধে বরিশাল ও মাদারীপুর জেলায় অন্তত ৪টি মানবপাচারের মামলা রয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১২। পরবর্তীতে, ওইদিন রাত ১০টার দিকে তাকে বরিশালের গৌরনদী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) তাকে বরিশালের বিশেষ আদালতে সোপর্দ করা হবে। ইলিয়াস ফকির গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার বড়দিয়া গ্রামের আক্কাস ফকিরের ছেলে। পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা গ্রামের বারেক ব্যাপারীর ছেলে রাসেল ব্যাপারীকে (২৯) ইতালিতে পাঠানোর জন্য দালাল ইলিয়াস ফকিরের সঙ্গে চুক্তি হয়। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গত ২৩ নভেম্বর দালালচক্রের হাতে ২০ লাখ টাকা তুলে দেয় রাসেলের পরিবার। পরদিন ২৪ নভেম্বর প্রথমে তাকে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে সৌদি আরব, কুয়েত, মিশর হয়ে সর্বশেষ লিবিয়ায় নিয়ে যুবককে বন্দী রাখা হয়। লিবিয়ায় আটকে রেখে রাসেলের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে ভিডিও ধারণ করে, দেশে স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে ৪০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে মানবপাচারকারী চক্রটি। স্বজনরা বিকাশ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কয়েক ধাপে আরও ২৪ লাখ টাকা পাঠায়। মোট ৪৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর, গত ১৬ জুন বিমানযোগে রাসেলকে দেশে ফেরত পাঠায় চক্রটি। দেশে ফিরে ভুক্তভোগী রাসেল ব্যাপারী গত ১২ জুলাই বরিশালের মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ইলিয়াস ফকিরসহ ১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামী ইলিয়াসকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এদিকে, মানবপাচারচক্রের সক্রিয় সদস্য ইলিয়াস ফকিরের বিরুদ্ধে মাদারীপুর জেলায় আরও ৩টি মানবপাচার মামলা রয়েছে। প্রতিটি মামলাতেই তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশালের গৌরনদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, ‘লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার এক যুবকের মামলায় মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য ইলিয়াস ফকিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইলিয়াসের বিরুদ্ধে জারি থাকা অন্য মামলাতেও তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%