ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান


চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবসে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চাঁপাইনবাবগঞ্জে লালন সাঁইজির ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে সাধুসঙ্গ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে চাঁপাই বাউল ভক্তকুল নামে স্থানীয় একটি সংগঠন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সাধু শাহজাহান চিশতীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন জনপ্রিয় লোকজ নানা-নাতির গম্ভীরা গানের শিল্পী মাহবুবুল আলম, কবি আনিফ রুবেদ, আলাউদ্দিন সাধু, হুমায়ুন সাধু, তানভীর সাধু প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ভক্ত কাওসার রিপন।

বক্তারা লালনের বাণী, জীবনদর্শন ও চেতনা নিয়ে আলোচনা করেন। মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতা নিয়েও তাঁরা আলোচনা করেন। আলোচনায় লালনের গান ও দর্শনের বিষয়বস্তু উঠে আসে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে

সন্ধ্যায় সংগীত পরিবেশন করেন আবুল কালাম ভাণ্ডারী, ইসমাইল ভাণ্ডারী, ইমন ভাণ্ডারী, শফিকুল ইসলাম, তাজ মোহাম্মদের নেতৃত্বে মহানন্দা শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পীসহ অন্যান্য শিল্পীরা। একক ও দলীয় লালনসংগীতে মঞ্চ মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানটি জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধু, বাউল, ভক্তদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে জেলার সাংস্কৃতিক ব্যক্তি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোমবার থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে শুরু হচ্ছে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


সোমবার থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে শুরু হচ্ছে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলমান আন্তঃনগর ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ এবার সরাসরি পর্যটন নগরী কক্সবাজার পর্যন্ত যাতায়াত শুরু করতে যাচ্ছে। আগামী সোমবার সন্ধ্যা ৮টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ট্রেনটির প্রথম কক্সবাজারগামী যাত্রার উদ্বোধন করবেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান গতকাল শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছেন। রেলওয়ের প্রকাশিত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন ঢাকা থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ট্রেনটি ছেড়ে যাবে এবং পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে মহানগর এক্সপ্রেস। কক্সবাজার থেকে ফিরতি যাত্রা সকাল ৮টায় শুরু হবে; ট্রেনটি দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামে পৌঁছাবে এবং একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার কমলাপুর স্টেশনে আসবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৮৫ সালের ৪ ডিসেম্বর। দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের কাছে এটি একটি পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুধু দুই নগরী নয়, যাত্রাপথের মধ্যবর্তী বিভিন্ন স্টেশনের যাত্রীরা নিয়মিতভাবে এই ট্রেনে যাতায়াত করে আসছিলেন। রুট সম্প্রসারণের ফলে কক্সবাজার নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে ট্রেনটির দীর্ঘদিনের যাত্রাপথের সঙ্গে।

বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ‘সৈকত এক্সপ্রেস’ ও ‘প্রবাল এক্সপ্রেস’ চলাচল করছে। মহানগর এক্সপ্রেস যুক্ত হওয়ার ফলে এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা দেশের দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের ভ্রমণের পাশাপাশি স্থানীয়দের যাতায়াতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৪ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনাবলী কী ছিল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২০ এম


২৪ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনাবলী কী ছিল?

প্রতিদিন ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাস সাক্ষী হয়ে থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানব সভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদের। ইতিহাস আমাদের নতুন নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

আজ ২৪ অক্টোবর (শনিবার), ২০২৬। বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। চলুন, একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ঘটনাবলি

৬৯ - দানিয়ুব সেনাবাহিনীর সেনাপতি অ্যান্টনিয়াস প্রিমিয়াসের নেতৃত্বে বেদ্রিয়াকামের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যেখানে তিনি ভেস্পেসিয়ানের অনুগত হন। তার সেনাবাহিনী সম্রাট ভিটেলিয়াসের বাহিনীকে পরাজিত করে।

১১৪৭ - চার মাসের অবরোধের পর ক্রুসেডার সৈন্যদের নেতৃত্বে আফনসো হেনরিকস্ লিসবন পুনরুদ্ধার করেন।

১২৬০ - ফ্রান্সের রাজা নবম লুইসের উপস্থিতিতে চারট্রেসের গির্জা উৎসর্গ করা হয়, যা বর্তমানে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত।

১২৬০ - মিশরের মামলুক সুলতান সাইফ আদ্দিন কুতুযকে গোপনে হত্যা করা হয়।

১৩৬০ - ব্রেতিগনি চুক্তি অনুমোদিত হয়, যা শত বছরের যুদ্ধের প্রথম পর্যায়ের সমাপ্তি চিহ্নিত করে।

১৩৬০ - দ্বিতীয় রয়ানক কলনির গভর্নর জন হোয়াইট তার সঙ্গীদের খুঁজে না পেয়ে ব্যর্থ হয়ে ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন।

১৫৯০ - দ্বিতীয় রোয়ানোকে কলোনির গভর্নর জন হোয়াইট হারিয়ে যাওয়া উপনিবেশিকদের অনুসন্ধানে ব্যর্থ হয়ে ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন।

১৫৯৬ - দ্বিতীয় স্প্যানিশ আর্মাডা ইংল্যান্ডে আঘাত হানতে যাত্রা করে, কিন্তু কেপ ফিনিস্টেরের কাছে ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

১৬০৫ - মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৬৪১ - আইরিশ বিদ্রোহের নেতা ফেলিম ও'নিল ডানগ্যাননের ঘোষণা জারি করেন, বিদ্রোহের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন এবং রাজা প্রথম চার্লসের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেন।

১৬৪৮ - ত্রিশ বছর যুদ্ধের পর ওয়েস্ট ফেলিয়ার শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৯৫ - পোল্যান্ড-লিথুনিয়ান কমনওয়েলথ অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া এবং রাশিয়া এই তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়।

১৮১২ - নেপলিয়ানের যুদ্ধের গোলাগোলি ক্রমশ মালয়ারস্লাভেতস হতে মস্কোর সন্নিকটে সরে আসে।

১৮১৩ - গুলিস্তান চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে রুশ-পারস্য যুদ্ধের অবসান ঘটে, কাজার ইরান তার ককেশীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ রুশ সাম্রাজ্যের কাছে হস্তান্তর করতে সম্মত হয়।

১৮৫১ - কলকাতা ও ডায়মন্ড হারবারের মধ্যে সংযোগের মাধ্যমে ভারতে প্রথম বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ লাইন চালু হয়।

১৮৫১ - উইলিয়াম ল্যাসেল ইউরেনাসের দুটি উপগ্রহ আমব্রিয়েল ও এরিয়েল আবিষ্কার করেন।

১৮৫৭ - ইংল্যান্ডের শেফিল্ড শহরে পৃথিবীর সর্বপ্রথম ফুটবল ক্লাব, শেফিল্ড এফ. সি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬০ - পিকিং চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটে, কিং চীনের কাউলুন চিরস্থায়ীভাবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছে হস্তান্তর করে।

১৮৬১ - বিশ্বের প্রথম এ্যাসোসিয়েশন ফুটবল স্টেডিয়াম গুডিসন পার্ক উন্মুক্ত করা হয়।

১৮৬১ - যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্রথম আন্তর্মহাদেশীয় টেলিগ্রাফ লাইন সম্পন্ন হয়।

১৮৭১ - লস অ্যাঞ্জেলেসে আনুমানিক ১৭ থেকে ২২ জন চীনা অভিবাসী গণপিটুনিতে নিহত হন।

১৮৭৬ - মেইজি জাপানের পশ্চিমীকরণ এবং তোকুগাওয়া সামন্ততন্ত্র বিলোপে ক্ষুব্ধ শিন্তো প্রাক্তন সামুরাইদের একটি চরমপন্থি দল কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চলে শিনপুরেন বিদ্রোহ শুরু করে।

১৮৮৬ - নরম্যানটন ঘটনা: ব্রিটিশ বণিক জাহাজ নরম্যানটন জাপানের উপকূলে ডুবে যাওয়ার সময় ইউরোপীয় কর্মকর্তারা লাইফবোট দখল করে নেন, এশীয় নাবিক ও যাত্রীদের মৃত্যুর মুখে ফেলে দেন।

১৮৮৯ - হেনরি পার্কস টেন্টারফিল্ড বক্তৃতা প্রদান করেন, যা কার্যত অস্ট্রেলিয়ায় ফেডারেশন প্রক্রিয়া শুরু করে।

১৮৯৪ - প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ: ইয়ামাগাতা আরিতোমোর নেতৃত্বে জাপানি সাম্রাজ্যিক সেনাবাহিনী গোপনে ইয়ালু নদী অতিক্রম করে হুশানে দুর্গের উপর আক্রমণ চালায়।

১৯০০ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ৭ মিলিয়ন ডলারে ড্যানিশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ কেনার পরিকল্পনা ঘোষণা করে।

১৯০১ - এ্যানি এডিসন টেইলর, একটি পিপার ভিতরে করে সর্বপ্রথম নায়াগ্রা জলপ্রপাত পার হন।

১৯০২ - গুয়াতেমালার সান্তা মারিয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়, যা বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় বৃহত্তম অগ্ন্যুৎপাত।

১৯১১ - অভরিল রাইট্ তার আবিষ্কৃত উডোজাহাজে করে নর্থ ক্যারোলিনার আকাশে নয় মিনিট পাঁচল্লিশ সেকেন্ড ভেসে বেড়ান।

১৯১২ - প্রথম বলকান যুদ্ধ: বুলগেরিয়ার বিজয়ের মাধ্যমে কির্ক কিলিসের যুদ্ধের অবসান ঘটে।

১৯১২ - প্রথম বল্কান যুদ্ধঃ সার্বিয়ানদের বিজয়ের মাধ্যমে কুমানোভের যুদ্ধের অবসান ঘটে।

১৯১৭ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্র-ইতালীয় কাপরেতোর সম্মুখ যুদ্ধ শুরু।

১৯১৮ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: ভিত্তোরিও ভেনেতোর যুদ্ধে ইতালির বিজয়।

১৯২৬ - উত্তরমুখী অভিযানের সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্যে সাংহাই এর শ্রমিকদের সশস্ত্র অভ্যুত্থানের আয়োজন করা হয়।

১৯২৬ - হ্যারি হুডিনির শেষ পরিবেশনা ডেট্রয়েটের গ্যারিক থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২৯ - নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে "ব্ল্যাক থার্সডে", যা মহামন্দার কারণ হয়।

১৯৩০ - ব্রাজিলে রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে প্রথম প্রজাতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং ভার্গাস যুগ শুরু হয়।

১৯৩১ - জর্জ ওয়াশিংটন ব্রিজ জনগণের যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধঃ লেয়ট গালফ যুদ্ধে জাপানের যুদ্ধবিমান যুইকাকু এবং মুসাশি নামের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবে যায়।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: ইউএসএস শার্ক বাশি প্রণালিতে আরিসান মারু জাহাজকে টর্পেডো করার পর ৮৭ জন নাবিকসহ ডুবে যায়।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: ইউএসএস ট্যাং নিজের টর্পেডোর আঘাতে ফরমোসা প্রণালিতে ডুবে যায়, ৭৮ জন নাবিক নিহত হন।

১৯৪৫ - জাতিসংঘের যাত্রা শুরু।

১৯৪৬ - ভি-২ নং ১৩ নামক নভোযান বহিঃমন্ডল থেকে পৃথিবীর ছবি তুলতে সমর্থ হয়।

১৯৪৭ - ওয়াল্ট ডিজনী "হাউস আন-আমেরিকান এ্যাক্টিভিটিস কমিটি" দৃঢ়ভাবে সমর্থন করেন।

১৯৪৭ - ইউনাইটেড এয়ার লাইন্স ফ্লাইট ৬০৮ ব্রাইস ক্যানিয়ন জাতীয় উদ্যানে ব্রাইস ক্যানিয়ন বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের চেষ্টার সময় বিধ্বস্ত হয়, ৫২ জন নিহত হন।

১৯৪৯ - জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

১৯৫০ - তিব্বতে গণমুক্তি ফৌজ সমস্ত সামরিক অভিযান বন্ধ করে, চামডোর যুদ্ধের অবসান ঘটে।

১৯৫৪ - ডুইট ডি. আইসেনহাওয়ার আমেরিকার পক্ষে সাওথ ভিয়েতনামের সমর্থন করেন।

১৯৫৭ - আমেরিকান বিমানবাহিনী সামরিক ব্যবহারে জন্য "X-২০ ডায়না-সয়ার" কর্মসূচি চালু করে।

১৯৬০ - প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরিত হয়।

১৯৬৩ - বাইকনুর কসমোড্রোমে একটি আর-৯ ডেসনা ক্ষেপণাস্ত্র থেকে অক্সিজেন লিক হয়ে আগুন লাগে, সাত জন নিহত হন।

১৯৬৪ - আফ্রিকার দেশ জাম্বিয়া ব্রিটিশ উপনিবেশের কবল থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭১ - ভারতের শরণার্থী সমস্যা ও বাংলাদেশ সংকটে ভারতের ভূমিকা ব্যাখ্যাকল্পে উনিশ দিনের জন্য পশ্চিম ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ইন্দিরা গান্ধী দিল্লি ত্যাগ করেন।

১৯৭৫ - আইসল্যান্ডে ৯০ শতাংশ নারী জাতীয় ধর্মঘটে অংশ নেন, লিঙ্গ বৈষম্যের প্রতিবাদে কাজ থেকে বিরত থাকেন।

১৯৮০ - ইতালিতে সারা দেশ কাঁপানো তেল পাচার ঘটনা উদ্‌ঘাটন করা হয়। এই কেলাংকারীর সঙ্গে বেশ কয়েক জন সরকারি কর্মকর্তা জড়িত ছিলেন। সত্তর জনের বেশি লোক গ্রেফতার হয়।

১৯৮০ - পোল্যান্ড সরকার সংহতি ট্রেড ইউনিয়নকে বৈধতা দেয়।

১৯৮৪ - ভারতে প্রথম চালু হল কলকাতা মেট্রো এসপ্লানেড থেকে ভবানীপুর (নেতাজি ভবন)।

১৯৮৬ - হিথরোতে বোমাহামলার জন্য নেযার হিন্দাওয়ি কে ৪৫ বছর কারাবাসের আদেশ দেয় ব্রিটিশ কোর্ট।

১৯৯০ - ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী জুলিও আন্দ্রেওত্তি ইতালির সংসদে গ্লাডিওর অস্তিত্ব প্রকাশ করেন, যা ওয়ারশ চুক্তির আক্রমণের ক্ষেত্রে সক্রিয় করার জন্য গঠিত ন্যাটো বাহিনী।

১৯৯২ - টরন্টো ব্লু জেস যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ভিত্তিক প্রথম মেজর লিগ বেসবল দল হিসেবে বিশ্ব সিরিজ জয় করে।

১৯৯৫ - বিশ্বের ১৪০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানের উপস্থিতিতে জাতিসংঘের ৫০ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান পালিত হয়।

১৯৯৬ - যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে সাংঘাতিক হাঙ্গামা ঘটে।

১৯৯৮ - ঢাকায় মিনি বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৮ - ডিপ স্পেস ১ গ্রহাণু বেষ্টনী অন্বেষণ এবং নতুন মহাকাশযান প্রযুক্তি পরীক্ষার জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়।

২০০৩ - কনকর্ডের সর্বশেষ ফ্লাইট।

২০০৪ - আর্সেনাল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে হেরে প্রিমিয়ার লিগে ৪৯ ম্যাচের অপরাজিত ধারা শেষ করে।

২০০৫ - ওইয়িলমা নামক হারিকেনটি ফ্লোরিডায় ভূমিধসের সৃষ্টি করে যার ফলে প্রায় ২০.৬ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়।

২০০৭ - চ্যাং'ই ১, চীনা চন্দ্র অন্বেষণ কর্মসূচির প্রথম উপগ্রহ, শিচাং উপগ্রহ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

২০০৮ - "ব্লাডি ফ্রাইডে", এইদিন বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধস নামে। শেয়ারবাজারের সূচক প্রায় ১০% পর্যন্ত নেমে যায়।

২০১৪ - চীন জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন পরীক্ষামূলক চন্দ্র মিশন চ্যাং'ই ৫-টি১ উৎক্ষেপণ করে, যা চাঁদের পেছনে প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

২০১৫ - ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির হোমকামিং প্যারেডে এক চালক ইচ্ছাকৃতভাবে গাড়ি চালিয়ে দেয়, চার জন নিহত এবং ৩৪ জন আহত হন।

২০১৬ - লিবিয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়া একটি ফরাসি নজরদারি বিমান মাল্টায় উড্ডয়নের সময় বিধ্বস্ত হয়, পাঁচ জন নিহত হন।

২০১৬ - ইসলামিক স্টেট - খোরাসান প্রদেশের তিন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে একটি পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়, কমপক্ষে ৫৯ জন ক্যাডেট নিহত হন।

২০১৮ - বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু হংকং-জুহাই-মাকাও সেতু জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

২০১৯ - আলোচিত ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা ঘটনার ২০০শত দিনের মাথায় ৬১ কার্যদিবস শুনানির পর প্রধান আসামি অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ দৌলাসহ ১৬ জনের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত।

২০২২ - ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক ব্রিটেনের কনিষ্ঠ প্রধান মন্ত্রী পদে নির্বাচিত হন।

জন্ম

১৫০৩ - পর্তুগালের ইসাবেলা

১৬৩২ - অ্যান্থনি ভন লিউয়েনহুক, ডাচ্ অণুজীব বিজ্ঞানী। এই

১৬৭৫ - ইংরেজ সেনা এবং রাজনীতিবিদ রিচার্ড টেম্পল।

১৭১০ - ইংলিশ ক্যাথলিক প্রিস্ট এবং লেখক আলবার্ট বাটলার।

১৭৭৫ - বাহাদুর শাহ জাফর, মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট।

১৮০৪ - জার্মান ফিজিস্ট উইলহেল্ম এডুয়ার্ড ওয়েবার।

১৮১১ - জার্মানসংগীত পরিচালক ফার্ডিনান্ড হিটলার।

১৮৫৪ - জার্মান রসায়নবিদ হেন্ড্রিক উইলিয়াম।

১৮৮৭ - স্পেনের রানি ব্যাটেনবার্গের ভিক্টোরিয়া ইউজেনি।

১৮৯০ - শিশির কুমার মিত্র, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৯১ - ডমিনিকান রিপাবলিকের রাষ্ট্রপতি রাফায়েল মলিনা-ট্রুজিলো।

১৮৯৪ - বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি লেখক।

১৮৯৯ - ফেরহাত আব্বাস, আলজেরীয় রাজনৈতিক নেতা এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি।

১৯০৩ - প্রমথেশ বড়ুয়া, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা পরিচালক চলচ্চিত্র নাট্যকার।

১৯০৬ - রাশিয়ান গণিতবিদ আলেকজান্ডার জেলফন্ড।

১৯১৪ - লক্ষ্মী সেহগল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক সক্রিয় কর্মী,ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও আজাদ হিন্দ ফৌজের নারী সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী।

১৯২১ - রাসীপুরম কৃষ্ণস্বামী লক্ষ্মণ, আর কে লক্ষ্মণ নামে সুপরিচিত ভারতীয় ব্যঙ্গশিল্পী ও কার্টুনশিল্পী।

১৯৩০ - মালয়েশিয়ার বাদশাহ সুলতান আহমাদ শাহ।

১৯৩২ - নোবেল পদক প্রাপ্ত কানাডিয়ান অর্থনীতিবিদ রবার্ট মান্ডেল।

১৯৩৬ - সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক ও ছোটোগল্পকার।

১৯৩৯ - রশীদ তালুকদার, বাংলাদেশি প্রখ্যাত আলোকচিত্র শিল্পী।

১৯৬৮ - বাংলাদেশি প্রখ্যাত লেখক ও ঔপন্যাসিক তুহিন রহমান।

১৯৭৬ - ভারতীয় অভিনেত্রী ও সাবেক মডেল মল্লিকা শেরাওয়াত।

১৯৮০ - কৌশিকী চক্রবর্তী, একজন বিখ্যাত ভারতীয় ক্লাসিক্যাল সংগীত শিল্পী।

১৯৮৫ - ওয়েন রুনি, ইংরেজ ফুটবল পেশাদার খেলোয়াড়।

১৯৮৬ - ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় জন রুডি।

মৃত্যু

১২৬০ - কুতুয মিশরের মামলুক সুলতান।

১৫৩৭ - ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরির তৃতীয় স্ত্রী জেন সেইমুর।

১৯৫০ - চিকিৎসাবিজ্ঞানী কুমুদশঙ্কর রায়।

১৯৫০ - রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও লেখক মওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী।

১৯৫৪ - রফি আহমেদ কিদোয়াই, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯৫৮ - ইংরেজ দার্শনিক জর্জ এডওয়ার্ড মুর।

১৯৭৭ - হাতেম আলী খান, একজন যুক্তফ্রন্ট দলীয় রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য।

২০০১ - জার্মান নিও নাৎসি হারম্যান গ্যাভিরিয়া।

২০১৩ - মান্না দে ভারতের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী।

২০১৭ -গিরিজা দেবী, সেনিয়া ও বারাণসী ঘরানার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী।

অন্যান্য

জাতিসংঘ দিবস

বিশ্ব উন্নয়ন তথ্য দিবস

বিশ্ব পোলিও দিবস

আন্তর্জাতিক গিবন দিবস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও বড়পর্দায় ফিরছেন এশা দেওল, ১৪ বছরের বিরতির পর 'প্রতাপ' সিনেমার মাধ্যমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২০ এম


আবারও বড়পর্দায় ফিরছেন এশা দেওল, ১৪ বছরের বিরতির পর

১৪ বছরের বিরতি ভেঙে বলিউড কিংবদন্তি ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনির কন্যা এশা দেওল 'তুমকো মেরি কসম' সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে ফিরে আসেন। ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমায় একজন ডিফেন্স লয়ার হিসেবে বড় পর্দায় তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের পর, তিনি আবারও রুপালি পর্দায় ফিরে আসছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গেছে, ‘না তুম জানো না হাম’ খ্যাত এই নায়িকা এবার ‘প্রতাপ’ সিনেমার মাধ্যমে ফিরছেন। এই সিনেমাটি অ্যাকশন-ড্রামা ঘরানার এবং এখানে তিনি ‘পুনম’ চরিত্রে অভিনয় করবেন।

প্রদীপ রঙ্গওয়ানী ও ইউভি ফিল্মস প্রযোজিত এই সিনেমার জন্য এশার চরিত্রের ‘লুক’ ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে নির্মাতাদের দ্বারা। পারিবারিক গল্পের ভিত্তিতে নির্মিত এই সিনেমায়, পুনম জীবনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে আত্ম-অনুসন্ধান, নীরবে লড়াই এবং নিজের অন্তর্নিহিত শক্তিকে চিনে নেবে।

সিনেমার ‘মোশন পোস্টার’ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে অভিনেতা অমিত সাধকে দেখা যাচ্ছে এক দক্ষ এনকাউন্টার স্পেশ্যালিস্টের চরিত্রে। ‘প্রতাপ’ সিনেমাটি ক্ষমতা, ন্যায়বিচার এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের পরিণতি নিয়ে তৈরি, যেখানে ব্যক্তিগত সংঘাতের সঙ্গে মিশেছে টানটান নাটকীয়তা।

সচিন সরাফের গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত ‘প্রতাপ’ সিনেমায় এশা ও অমিত ছাড়াও অভিনয় করেছেন তিগমাংশু ধূলিয়া, সীমা বিশ্বাস ও মিলিন্দ গুনাজী। সিনেমার প্রচার-ঝলক আগামী ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত হবে এবং এটি আগামী ২০ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যে ৩ আমলে বিয়ে হয় সহজে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


যে ৩ আমলে বিয়ে হয় সহজে

বিয়ে মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি কেবল দুটি মানুষের মধ্যে বন্ধন নয়, বরং ভালোবাসা, প্রশান্তি ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের মাধ্যমে একটি সুন্দর পরিবার গড়ে তোলার বৈধ ও পবিত্র মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। আল্লাহ তাআলা মানুষের মধ্যে জোড়ায় জোড়ায় সম্পর্কের ব্যবস্থা করেছেন এবং বিয়ের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর জীবনে ভালোবাসা ও শান্তি দান করেন।

বর্তমান সময়ে নানা সামাজিক বাধা, অতিরিক্ত প্রত্যাশা, আর্থিক অসচ্ছলতা ও পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের জটিলতার কারণে অনেকের বিয়ে সময়মতো হচ্ছে না। কিছু মানুষ উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পাচ্ছেন না, আবার কেউ পারিবারিক ও সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে গিয়ে অনেকেই মানসিক কষ্ট ও হতাশায় ভুগছেন।

ইসলাম বিয়েকে সহজ করতে উৎসাহিত করেছে। বিয়ের সামর্থ্য অর্জন হলে তা অযথা বিলম্ব না করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা, তাঁর কাছে দোয়া করা এবং পবিত্র জীবনযাপনের চেষ্টা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখতে হবে, নির্দিষ্ট কোনো আমল করলেই দ্রুত বিয়ে হয়ে যাবে এমন নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ নেই। বরং দোয়া, ইবাদত ও বৈধ উপায়ে জীবনসঙ্গী খোঁজার পাশাপাশি আল্লাহর ফয়সালার ওপর আস্থা রাখতে হবে।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা আর-রুম, আয়াত: ২১)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-ও সামর্থ্যবান যুবকদের বিয়ের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে। কেননা, বিয়ে দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০৬৬)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহর দায়িত্ব, আল্লাহর পথে জিহাদকারী, চুক্তিবদ্ধ দাস যে মুক্তির অর্থ পরিশোধ করতে চায় এবং ওই ব্যক্তি যে পবিত্রতা রক্ষার উদ্দেশ্যে বিয়ে করতে চায়।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস: ১৬৫৫)

তাহলে বিয়ের জন্য অপেক্ষার সময় হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা এবং বাস্তবসম্মতভাবে বিয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া উচিত। কোরআন-হাদিসের আলোকে এমন তিনটি আমল তুলে ধরা হলো, যা বিয়ের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা ও তাঁর সাহায্য কামনায় করা যেতে পারে।

১. বেশি বেশি দোয়া করা

দোয়া মুমিনের অন্যতম শক্তি। জীবনের যেকোনো প্রয়োজন ও সংকটে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত। বিয়ের জন্যও নিজের ভাষায় আন্তরিকভাবে দোয়া করা যায়। আল্লাহর কাছে একজন নেককার, উত্তম চরিত্রের ও দ্বীনদার জীবনসঙ্গী চাওয়া যায়। পাশাপাশি নিজের চরিত্র সংশোধন, হালাল উপার্জনের ব্যবস্থা এবং বিয়ের পথ সহজ করে দেওয়ার জন্যও প্রার্থনা করা উচিত।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যখন আমার বান্দারা তোমার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তখন (বলে দাও) আমি তো নিকটেই। আহ্বানকারী যখন আমাকে আহ্বান করে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৬)

তবে দোয়া করার পাশাপাশি বৈধ উপায়ে পাত্র-পাত্রী খোঁজা, পরিবারকে সম্পৃক্ত করা এবং অযৌক্তিক সামাজিক বাধা কমানোর উদ্যোগও নিতে হবে।

২. কোরআনের একটি দোয়া পড়া

নেককার জীবনসঙ্গী ও উত্তম পরিবার লাভের জন্য পবিত্র কোরআনে বর্ণিত একটি সুন্দর দোয়া নিয়মিত পড়া যেতে পারে। দোয়াটি হলো,

আরবি: رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ‘ইউনিন, ওয়াজ‘আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।

অর্থ: ‘হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের চোখের প্রশান্তি দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকিদের জন্য আদর্শ বানিয়ে দিন।’ (সুরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৭৪)

এই দোয়ায় শুধু জীবনসঙ্গী পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা নয়, বরং এমন পরিবার গঠনের প্রার্থনাও রয়েছে, যে পরিবার আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং নেক আমলের পথে চলতে সহায়ক হবে। ফরজ নামাজের পর, নফল ইবাদতের সময় কিংবা অন্য যেকোনো সময়ে দোয়াটি পড়া যায়। তবে বিয়ের জন্য এটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় বা নির্দিষ্ট নিয়মে পড়তেই হবে এমন কোনো সহিহ প্রমাণ নেই।

৩. নফল নামাজ আদায় করে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া

জীবনের কঠিন সময়ে নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল। বিয়ের বিষয়ে দুশ্চিন্তা, অনিশ্চয়তা কিংবা প্রতিবন্ধকতা থাকলেও নফল নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে নিজের প্রয়োজন তুলে ধরা যায়।

হজরত হুযাইফা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সামনে কোনো কঠিন বিষয় উপস্থিত হলে তিনি নামাজ আদায় করতেন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৩১৯)

সুতরাং বিয়ের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে নফল নামাজ আদায় করা যেতে পারে। নামাজ শেষে আন্তরিকভাবে দোয়া করতে হবে, যেন আল্লাহ উত্তম জীবনসঙ্গী নির্বাচন সহজ করে দেন এবং কল্যাণকর সময়ে বিয়ের ব্যবস্থা করে দেন।

এ ক্ষেত্রে ‘সালাতুল হাজত’ নামে প্রচলিত নামাজের নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসগুলোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলেমদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তাই কোনো নির্দিষ্ট পদ্ধতিকে নিশ্চিতভাবে সুন্নত বা দ্রুত বিয়ে হওয়ার পরীক্ষিত আমল হিসেবে প্রচার না করে সাধারণ নফল নামাজ আদায় করে দোয়া করাই নিরাপদ।

বিয়ে দেরি হওয়াকে নিজের অযোগ্যতা কিংবা আল্লাহর অসন্তুষ্টির নিশ্চিত প্রমাণ মনে করা উচিত নয়। প্রত্যেকের পরিস্থিতি ও জীবনের বাস্তবতা আলাদা। তাই দোয়া ও ইবাদতের পাশাপাশি পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নিতে হবে, অযৌক্তিক প্রত্যাশা কমাতে হবে এবং হারাম সম্পর্ক থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আল্লাহর কাছে এমন জীবনসঙ্গী চাইতে হবে, যিনি দুনিয়ার জীবনে প্রশান্তি এবং আখিরাতের কল্যাণ অর্জনে সহযোগী হবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%