বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৭ পি.এম
সরকার নতুন জাতীয় পে-স্কেলের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আরেকটি সুখবর প্রদান করেছে। সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) এবং প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) জমার বিপরীতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীরা তহবিলের স্থিতি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাবেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুসারে, অর্থবছরের শুরুতে জিপিএফের স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার ১৩ শতাংশ হবে। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি স্থিতির জন্য মুনাফার হার ১১ শতাংশ হবে।
একই হারে অর্থবছরে জমা হওয়া চাঁদের ওপরও মুনাফা প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ প্রারম্ভিক স্থিতির ভিত্তিতে জমার ওপর ১৩, ১২ অথবা ১১ শতাংশ হারে মুনাফা প্রদান করা হবে।
সিপিএফভুক্তদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য
সিপিএফভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্যও মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় তাদের নিজস্ব আর্থিক বিধিবিধান অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করা যাবে।
এ ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত হার সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মুনাফার হার নির্ধারণ করতে হবে।
জিপিএফ হলো সাধারণ ভবিষ্য তহবিল, যেখানে সরকারি কর্মচারীরা নিয়মিতভাবে বেতন থেকে অর্থ জমা রাখেন। অপরদিকে সিপিএফ বা প্রদেয় ভবিষ্য তহবিল সাধারণত এমন প্রতিষ্ঠানে চালু থাকে, যেখানে প্রচলিত সরকারি পেনশনব্যবস্থা নেই।
অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আওতায় নির্ধারিত এ নতুন মুনাফার হার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য কার্যকর থাকবে।
এর আগে সরকার নতুন জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে বর্ধিত বেতন পাবেন।
পরবর্তী সময়ে, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডে ৭০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৭৫ শতাংশ হারে বর্ধিত বেতন প্রদান করা হবে। নতুন পে-স্কেলের বাকি অংশ ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) প্রথম আসরে খেলতে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম নিবন্ধন করেছেন। এপিএল কর্তৃপক্ষ এই তথ্য তাদের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে নিশ্চিত করেছে।
এপিএলের প্রথম আসরের জন্য খেলোয়াড় নিবন্ধনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, টুর্নামেন্টে অংশ নিতে এক হাজারেরও বেশি ক্রিকেটার নাম নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে পাঁচ শতাধিক বিদেশি ক্রিকেটার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এপিএলের খেলোয়াড় ড্রাফট আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই তাসকিন কোন দলের হয়ে খেলবেন, তা চূড়ান্ত হবে।
তাসকিনের নিবন্ধনের খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এপিএল কর্তৃপক্ষ লিখেছে, ‘অপেক্ষার অবসান হলো। তাসকিন আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের জন্য নাম নিবন্ধন করেছেন। আপনি তাকে কোন দলের হয়ে খেলতে দেখতে চান?’
এপিএলের প্রথম আসরে তাসকিনের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হলে এটি হবে বাংলাদেশের এই পেসারের জন্য আরেকটি আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার সুযোগ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন, দেশের সব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে পাঠদানের রুটিন সম্পর্কে। নির্ধারিত ফরম্যাটে রুটিন তৈরি করে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ই-মেইলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মাউশির কলেজ শাখা থেকে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কলেজগুলোর পাঠদানের রুটিন পিডিএফ ও ওয়ার্ড দুই ফাইলেই তৈরি করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় উভয় ফাইল পাঠাতে হবে।
রুটিন তৈরির সময় ফন্ট ব্যবহারের বিষয়েও নির্দেশনা প্রদান করেছে মাউশি। বাংলা লেখার জন্য ইউনিকোড ফন্ট Nikosh, Kalpurush ইত্যাদি এবং ইংরেজি লেখার জন্য Times New Roman ফন্ট ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রস্তুত করা রুটিনের পিডিএফ ও ওয়ার্ড ফাইল আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ‘[email protected]’ ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ গত ১৫ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের কাজ মাঝপথে থেমে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের গুণগত মান, ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী এবং প্রকৌশলগত তদারকির বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর দুপুরে সরেজমিনে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন অংশ এখনও অসম্পূর্ণ রয়েছে। প্রকল্প এলাকায় নির্মাণসামগ্রী ও অন্যান্য উপকরণ পড়ে আছে। দুই-তিনজন শ্রমিককে দেখা গেলেও মূল নির্মাণকাজ কার্যত বন্ধ ছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহ ধরে কাজের গতি কমে যায়। এরপর গত প্রায় ১৫ দিন ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের শুরু থেকেই নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন যে নির্মাণে নিম্নমানের বালু, ইট বা ব্লকসহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। ছাদ নির্মাণসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজে নির্ধারিত নিয়ম ও প্রকৌশলগত মান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও স্থানীয়রা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে প্রকল্পের অনুমোদিত নকশা ও স্পেসিফিকেশন, কার্যাদেশের শর্ত, ব্যবহৃত উপকরণের পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং প্রকৌশলীদের তদারকি নথি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সচেতন মহল দাবি করছে, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনার প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে। বালু, ব্লক, কংক্রিট ও রডসহ ব্যবহৃত উপকরণের নমুনা পরীক্ষা করে অনুমোদিত স্পেসিফিকেশনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নির্মাণকাজের মান ও বালু ব্যবহারের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. হিমায়েত হোসেন জানান, তারা দুজন যৌথভাবে প্রকল্পটির কাজ পরিচালনা করছেন। তার দাবি, নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রেখেই কাজ করা হচ্ছে।
বালুর মান নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকেই বালু নেওয়া হচ্ছে এবং মান ঠিক রেখেই তা ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের কাছ থেকে বালু না নিলে নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কাজ বন্ধ থাকার কারণ জানতে চাইলে মো. হিমায়েত হোসেন বলেন, শ্রমিকরা ছুটিতে ছিলেন। কয়েকজন শ্রমিক ইতোমধ্যে কাজে ফিরতে শুরু করেছেন। অন্য শ্রমিকরাও ফিরে এলে পুনরায় পুরোদমে নির্মাণকাজ শুরু হবে।
তবে প্রায় ১৫ দিন ধরে বড় একটি সরকারি প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল কি না, এ সময়ে প্রকল্পের সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বা কর্মকর্তারা নিয়মিত প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন কি না, এসব প্রশ্নও সামনে এসেছে।
হবিগঞ্জ জেলার অন্যান্য উপজেলায় নির্মাণাধীন মডেল মসজিদ প্রকল্পগুলোর অনেকগুলোর কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কোথাও কোথাও নিয়মিত নামাজও আদায় করছেন মুসল্লিরা। এর বিপরীতে বাহুবল উপজেলার মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজ এখনও অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
একই জেলার অন্যান্য প্রকল্পের তুলনায় বাহুবল প্রকল্পের অগ্রগতি কেন পিছিয়ে রয়েছে, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নির্মাণকাজ বন্ধ থাকা, প্রকল্পের অগ্রগতি, নির্মাণসামগ্রীর মান এবং প্রকৌশলগত তদারকির বিষয়ে হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিব উল্লাহর বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের নকশা ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রী নির্ধারিত মানের কি না এবং গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত কাজগুলো প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হোক।
একই সঙ্গে প্রকল্পের অগ্রগতি, ব্যয়, পরিশোধিত বিল, নির্ধারিত সময়সীমা এবং বর্তমানে কাজ বন্ধ থাকার কারণ জনসম্মুখে তুলে ধরারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঠিকাদারের পক্ষ থেকে পুনরায় পুরোদমে নির্মাণকাজ শুরুর কথা বলা হলেও বাস্তবে কবে থেকে কাজ পূর্ণগতিতে শুরু হয় এবং নির্মাণমান ও তদারকি নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয়দের।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে।
গত ২২ সেপ্টেম্বর, মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ১০৩টি অনাপত্তি সনদ বাতিলের কথা উল্লেখ করা হয়। এরপর থেকে ভারত থেকে ইলিশ আমদানির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি জানান, "বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের একটি চিঠি আমাদের কাছে এসেছে।"
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনেকগুলো অনাপত্তি সনদ বাতিল করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইলিশ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে, যা আমদানিকারকদের জন্য একটি বড় সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
ইলিশ আমদানিকারক সৈয়েদ মহিদুল হক রুবাই বলেন, "হঠাৎ করে আমদানি বন্ধ করায় আমরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।"
তিনি আরও জানান, "আমদানির উদ্দেশ্যে ওপারে তাদের ক্রয়কৃত ইলিশ রাখা হয়েছিল। এখন কম দামে তা ফেরত দিতে হবে। এছাড়া আমদানি খরচের লোকশান তো রয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ