ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, জুলাই চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না।

তিনি রবিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নতুন বন্দোবস্ত কোনটা? দায়-দরদের রাজনীতি আসলে কোনটা? এসব শব্দের ব্যাখ্যা জরুরি। নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি যদি জনগণ গ্রহণ করে, তবে জনগণ আপনাদের পক্ষে থাকবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও বলেন, একটা নতুন দল জুলাইয়ের কথা বলে ৪৭ এ যেতে চায়। সংসদে বলেছিলাম ৪৭ এ আপনারা ছিলেন না। তারা হীনস্বার্থে ৪৭ গ্রহণ করে একাত্তরকে বর্জন করে, আবার চব্বিশকে গ্রহনের প্রচেষ্টা করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, আমিই ঐকমত্য কমিশনে গণভোটের কথাটি বলেছিলাম। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার গণভোট অধ্যাদেশ জারি করলো। কিন্তু ছলচাতুরির মাধ্যমে চারটা প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’, ‘না’ ভোট দেয়া হলো এবং কোনো বিকল্প রাখা হলো না। জুলাই জাতীয় সনদে তো অনেকগুলো দফা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তিনি অধিকাংশ মন্তব্য করেন, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের যে চিন্তা, সেটি সাংবিধানিক নয়। আমরা রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের মাধ্যমে আইনশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করব। সাংবিধানিক সংস্কার করা হবে এবং অন্যান্য সব জায়গায় সাংবিধানিক সংস্কার করতেও আমরা প্রস্তুত আছি। আইন সংশোধনের জন্য অধ্যাদেশ আইন প্রণয়নই যথেষ্ট। আমরা সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলে সংবিধান সংস্কার আইন প্রণয়ন করব।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধীদলের অনেক নেতা জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কথা বলছেন। তারা অনেকেই বলছেন, সরকারকে বিদায় করে দেবে। তিনি তাদের সংবিধান সংস্কার কমিটিতে আসতে বলবেন। সাংবিধানিক কাঠামো ছাড়া সংবিধান সংস্কার সম্ভব নয়। সংসদে বিরোধীদল ওয়াকআউট করেছে। একজন বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, আদালতের রায়ে গণভোট ফিরে এসেছে। তিনি বোঝেননি যে, এটা আগের যে গণভোট সেটা ফিরে এসেছে। তারা যে গণভোটের কথা বলছেন, সেটি সাংবিধানিক গণভোট নয়; রাষ্ট্রপতির আদেশে এখতিয়ার ছাড়া এটি হয়েছিল।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আইনের শাসন কার্যকর করতে না পারার কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মব কালচার সৃষ্টি হয়। সে সময় কিছু লোকের কর্মসংস্থান তৈরিতে কমিশন তৈরি হয়েছিল, যাদের আসলে কোনো কর্ম ছিল না।

বিভিন্ন ধরনের গুমের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা শাস্তি দিতে হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামনের সংসদে গুম প্রতিরোধ আইন আনা হবে। কোন কোর্টে বিচার হবে, কোন ধরনের গুমের কতদিন জেল হবে— এসব বিষয়ে আলোচনা হতে চলেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় হুমায়ূন আহমেদের ‘স্মরণকথন’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


নেত্রকোনায় হুমায়ূন আহমেদের ‘স্মরণকথন’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

দেশ বরেণ্য কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে নেত্রকোনায় হুমায়ূন পাঠকদের 'স্মরণকথন' অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

হিমু পাঠক আড্ডার আয়োজনের পর, রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে, শহরের মোক্তারপাড়া জেলা প্রেসক্লাবের ছাদনাতলা উন্মুক্ত মিলনায়তনে এই স্মরণকথনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, লেখক, সাহিত্যিক, এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি হুমায়ূন ভক্তরা।

প্রিয় লেখকের ১৪তম প্রয়াণ দিবসে নেত্রকোনায় এই 'স্মরণকথন' অনুষ্ঠানে লেখকের কর্ম ও জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী। আলোচনা করেন ছড়াকার প্রবীণ সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, প্রফেসর নাহিদ ফেরদৌস, নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান, এবং নেত্রকোনা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুলতান মাহমুদসহ বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ।

হিমু পাঠক আড্ডার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলপনা বেগমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান শুরুতে কালোব্যাজ ধারণ করা হয়। এরপর দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে আলোচনা করা হয়, কিভাবে প্রিয় লেখকের কালজয়ী সিনেমাগুলি সমাজে প্রভাব ফেলেছে এবং তরুণ প্রজন্মকে কিভাবে আকৃষ্ট করেছে।

স্মরণকথনে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, সাহিত্যিকসহ বিভিন্ন বয়সের হুমায়ূন ভক্তরা লেখকের উপন্যাসের বিশ্লেষণ সহ আগামী প্রজন্মকে বই পড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে এই ধরনের আয়োজন করার আহ্বান জানান।

এছাড়া লেখকের জন্মস্থান মোহনগঞ্জের শেখ বাড়িতে লেখকের জন্মঘরে দোয়া মাহফিল ও পৈত্রিক ভিটা কেন্দুয়ার কুতুবপুরে লেখক প্রতিষ্ঠিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে কুরআন খতমসহ শোক পালন করা হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর মায়ের প্রথম সন্তান এবং নানার বাড়ির প্রথম নাতি হয়ে মোহনগঞ্জের শেখ বাড়িতে নানা আয়োজন করা হয়। কিংবদন্তি এই লেখক ২০১২ সালের ১৯ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেরিকায় মারা যান। লেখক নিজ গ্রামে পৈত্রিক ভিটায় শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে গেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কিছুই যায় আসে না’: ট্রাম্পের মন্তব্য ইরানের সমঝোতা স্মারক থেকে বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


‘কিছুই যায় আসে না’: ট্রাম্পের মন্তব্য ইরানের সমঝোতা স্মারক থেকে বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে

তেহরান থেকে ওয়াশিংটনে ফিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) মেনে না চলার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন যে, ‘বিন্দুমাত্রও পাত্তা দেন না’।

শনিবার (১৮ জুলাই) ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই ওয়াশিংটনের প্রধান অগ্রাধিকার।

মার্কিন কেবল নেটওয়ার্ক নিউজনেশন-কে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে, ট্রাম্পকে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। স্মারকটি আর মেনে না চলার ব্যাপারে তেহরানের ঘোষণার প্রেক্ষিতে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি আরো জানান, ‘আমার কিছু যায় আসে না’, এবং দাবি করেন যে, এই যুদ্ধের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেয়া।

ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধ শেষ করার জন্য জুনের মাঝামাঝি সময়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতবিরোধের কারণে দুই দেশের মধ্যে সর্বশেষ প্রাণঘাতী হামলা শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানায় যে, তারা ইরাক সীমান্তবর্তী খুজেস্তান অঞ্চলের শহর আহভাজে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন আটক ও ধ্বংস করেছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রেস টিভি এ খবর জানিয়েছে।

মার্কিন বিমান বাহিনীর বর্ণনা অনুযায়ী, এমকিউ-৯ হলো একটি বৃহৎ, দূরনিয়ন্ত্রিত চালকবিহীন আকাশযান, যা মূলত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি, পর্যবেক্ষণ এবং বিমান হামলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

সূত্র: ইকোনমিক টাইমস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্মপরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশ নতুন এক যাত্রা শুরু করেছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


কর্মপরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশ নতুন এক যাত্রা শুরু করেছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আক্রমণ করেছেন এবং বলেছেন, কর্মপরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশ নতুন একটি যাত্রা শুরু করেছে। তিনি রবিবার (১৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তার কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হুংবোর (Gilbert F. Houngbo) সঙ্গে বৈঠককালে এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশে দুই দিনের সফরের অংশ হিসেবে, আইএলও মহাপরিচালক তার সাথে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠককালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রম খাতে চলমান সার্বিক সংস্কারের মাধ্যমে একটি শোভন কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সময় শ্রম প্রশাসন আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশ থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও দক্ষ শ্রম অভিবাসন সম্প্রসারণে আইএলওর অব্যাহত সহযোগিতা ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততা কামনা করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, শ্রম খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসন্ন আইএলও গভর্নিং বডির অধিবেশনে যথাযোগ্য স্বীকৃতি পাবে এবং এই প্রক্রিয়ায় আইএলও সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৬-এর আওতায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে।

আইএলওর মহাপরিচালক বাংলাদেশের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বলেন যে, শ্রম খাতের সংস্কার, শোভন কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় আইএলওর অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের শ্রম পরিস্থিতির উন্নয়নে বাংলাদেশের সাফল্য অন্যান্য দেশের সঙ্গে আইএলওর সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হতে পারে। বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও আইএলওর মধ্যকার অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ জয় করতে দুই পুরোনো বাধা পেরোতে হবে আর্জেন্টিনাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


বিশ্বকাপ জয় করতে দুই পুরোনো বাধা পেরোতে হবে আর্জেন্টিনাকে

কাতার বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার জন্য সাফল্য অর্জন করতে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিদের আর একটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। রোববার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে স্পেনের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। তবে স্পেনকে হারিয়ে আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে হলে তাদের ভাঙতে হবে বহু বছর ধরে চলে আসা দুটি অশুভ পরিসংখ্যান, যা ফাইনালকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান হলো ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর অবস্থানকে ঘিরে। টুর্নামেন্টের শুরুতে আর্জেন্টিনা ছিল র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে, টুর্নামেন্ট চলাকালীন অবস্থান হারালেও সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করার পর তারা আবারও তাদের পূর্ববর্তী অবস্থান ফিরে পেয়েছে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি, যা গত ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনো দল অর্জন করতে পারেনি।

ফাইনালে ওঠার পর আর্জেন্টিনা আবারও ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। তারা ফ্রান্সকে সরিয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছে, এবং স্পেন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। যদিও এটি প্রথম দেখায় সুখকর মনে হচ্ছে, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি অদ্ভুত পরিসংখ্যান।

১৯৯৩ সালে ফিফা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং চালু হওয়ার পর থেকে এক নম্বর অবস্থানে থাকা কোনো দলই বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এই ধারার শুরু ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে। সেই সময় জার্মানি ছিল র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে, কিন্তু প্রতিযোগিতায় শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল। এরপর থেকে আর কোনও দল এক নম্বর র‍্যাঙ্কিং নিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ লাভ করেনি।

আর্জেন্টিনার সামনে রয়েছে আরেকটি বড় বাধা। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিততে হলে তাদের ৬৪ বছর ধরে চলে আসা ধারাটি ভাঙতে হবে। সর্বশেষ এই কীর্তি গড়েছিল পেলের নেতৃত্বাধীন ব্রাজিল, যারা ১৯৫৮ সালে সুইডেন এবং ১৯৬২ সালে চিলি বিশ্বকাপ জিতে টানা দুইবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এর আগেও কেবল ইতালিই ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে এই কৃতিত্ব দেখানোর সুযোগ পেয়েছিল।

১৯৬২ সালের পর থেকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলগুলি শিরোপা ধরে রাখার চেষ্টা করলেও প্রত্যেকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই এটি 'ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নের অভিশাপ' নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

আর্জেন্টিনার আগে ১৯৯৮ সালে ব্রাজিল এবং ২০২২ সালের আসরে ফ্রান্স এই অভিশাপ ভাঙার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু ফ্রান্সের কাছে ব্রাজিল এবং গতবার আর্জেন্টিনার কাছে ফ্রান্সের পরাজয়ের কারণে এই অভিশাপ এখনও অটুট রয়েছে।

যদি আর্জেন্টিনা স্পেনকে পরাজিত করতে পারে, তবে তারা শুধুমাত্র একাধিক বিশ্বকাপ ট্রফি জিতবে না; বরং চারটি বিশ্বকাপ শিরোপা নিয়ে জার্মানি ও ইতালির সমান হবে। একই হাতে বিশ্বকাপের আধুনিক ইতিহাসে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা এই দুটি অশুভ ধারারও অবসান ঘটাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%